খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁওয়ে যেভাবে বদলে যাচ্ছে গ্রামীণ কৃষি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২০, ২:০৯ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ে যেভাবে বদলে যাচ্ছে গ্রামীণ কৃষি

গৌতম চন্দ্র বর্মন,ঠাকুরগাঁওঃ বদলে যাচ্ছে গ্রামবাংলার কৃষি চাষাবাদ। বিভিন্ন অঞ্চলে দ্রুত কমে যাচ্ছে ধানচাষ। এক সময় যেসব গ্রামে মাইলের পর মাইল ধানের জমি ছিল সেখানে এখন মাছ-মুরগি এবং বিভিন্ন ধরনের ফলের সমন্বিত চাষ চলছে।

এক সময় এ ঠাকুরগাঁও জেলা ধান পাট আর আখের  হিসেবে বিশেষ পরিচিতি থাকলেও এখন সে পরিচয় অনেকটাই বদলে গেছে। ধান পাট আর আখের জায়গা দখলে নিচ্ছে আম, লিচু, চা এবং বিভিন্ন সবজি জাতীয় ফসল। ক্ষুদ্র কৃষক আর প্রান্তিক চাষির হাত থেকে জমি চলে যাচ্ছে বড় ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন পেশাজীবীর হাতে। এমন অবস্থায় জেলার কৃষি বিভাগের কর্তারা বলছেন এটা অস্বাভাবিক কিছু না!

ঠাকুরগাঁও জেলায় সরকারি হিসেব মতে কৃষকের সংখ্যা ২ লাখ ৬৬ হাজার ৫১০ জন। সব মিলিয়ে কৃষি জমির পরিমাণ ১ লাখ ৫১ হাজার ৭৪১ হেক্টর। জেলায় ইরি বোরো মৌসুমে ধান উৎপাদন হয় ৭ লাখ ৮৪ হাজার মেট্রিক টন। এ তথ্যের বাইরে জেলায় কি পরিমাণ জমি গত পাঁচ বছরে ধান চাষ থেকে সরে গিয়ে ফলের বাগানে পরিণত হয়েছে সে তথ্য কারো কাছে নেই।

জেলার অনেক ক্ষুদ্র এবং প্রান্তিক চাষিই তাদের জমির উৎপাদিত ধানের উপযুক্ত দাম না পেয়ে ধান চাষে উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছেন। এতে করে তারা হয় জমি বিক্রি করে দিয়েছেন নয়তো বছর চুক্তিতে কারও কাছে লিজ দিয়েছেন। এভাবে জমির হাত বদল হয়ে জমি চলে গেছে ধনি ব্যবসায়ী, চিকিৎসক, আইনজীবীসহ বিভিন্ন কোম্পানির হাতে।

হাজার হাজার হেক্টর জমিতে গড়ে উঠেছে আমের বাগান আবার কোথাও লিচু বাগান। মাল্টা এবং চা বাগানও করেছেন অনেকে। ধানি জমিতে পুকুরও করছেন কেউ কেউ। জেলার ঢোলারহাঁট ইউনিয়নের ধর্মপুর, মাধবপুর, খোঁচাবাড়ি, রুহিয়া রোড, রাজাগাঁও, উত্তরা, রহিমানপুর ও রাণীশংকৈল এবং পীরগঞ্জ এলাকায় শত শত আম লিচু এবং বিভিন্ন সবজি বাগান এখন চোখে পড়ার মতো। সাম্প্রতিক সময়ে চা বাগান তৈরিতেও অনেকেই এগিয়ে এসেছেন। তাছাড়া মৌসুমী ফল চাষ এখন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তবে কি পরিমাণ জমি ধান পাট চাষ বাদ দিয়ে ফলের বাগান কিংবা শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে তার সঠিক তথ্য কৃষি বিভাগের হাতে নেই।

এ ব্যাপারে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আফতাব হোসেন এর সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, ‘এটা অস্বাভাবিক কোনও অবস্থা নয়, কেউ কেউ ফলের বাগান করছেন বটে কিন্তু অনেকেই একই জমিতে ধান এবং অন্য ফসলের আবাদও করছেন।’

উদ্যোক্তাদের মতে কৃষক বছরের পর বছর ধানের দাম পাচ্ছে না। দাম না পেয়ে হতাশ জমিতে আম্রপালি জাতের আম বাগান করছেন। এখানে কোনও ঝুঁকি নেই। আমের মুকুল আসার আগেই বাগান বিক্রি করে নগদ টাকা পাওয়া যায়। সার বিষ পানিসহ সকল পরিচর্যা যিনি বাগান চুক্তিতে কেনেন তার দায়িত্বে থাকে। ফলে বাগান নিয়ে বাড়তি কোনও ভেজাল করতে হয় না।

জেলার পীরগঞ্জ এলাকার উদ্যোক্তা মানু চৌধুরী অর্ধ শতাধিক বিঘা জমিতে বিভিন্ন জাতের আম এবং লিচুর বাগান করেছেন। তিনি নিজেই পরিচর্যা করেন এবং বাগান থেকেই চাহিদা মাফিক গ্রাহকদের কাছে ফল পাঠান। তিনিও সফল হয়েছেন বলে জানান।

ক্রমাগত জমির হাত বদল হয়ে পেশাজীবী, ব্যবসায়ীদের হাতে চলে যাওয়া, প্রধান ফসল ধানের পরিবর্তে ফলের বাগান বৃদ্ধি পাওয়া, ফসলি জমিতে শিল্প কারখানা সহ ইটভাটা গড়ে ওঠার কারণে জেলার কৃষি ক্ষেত্রে সুদূর প্রসারী প্রভাব পড়ার আগেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত বলে মনে করেন সুশীল সমাজ।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…