খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মহিউদ্দীন চৌধুরীর মতো সুখে দুঃখে চট্টগ্রামবাসীর পাশে থাকতে চাই-গণসংযোগে রেজাউল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২০, ৭:৫১ অপরাহ্ণ
মহিউদ্দীন চৌধুরীর মতো সুখে দুঃখে চট্টগ্রামবাসীর পাশে থাকতে চাই-গণসংযোগে রেজাউল

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ। চট্টগ্রাম ডেস্ক : চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আল্হাজ্ব এম. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, চট্টগ্রামকে একটি সমৃদ্ধ ও আধুনিক নগরী হিসাবে গড়ে তুলতে চাই। অতীতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসাবে চট্টলবীর এবিএম মহিউদ্দীন চৌধুরী যেভাবে চট্টগ্রামবাসীর পাশে ছিল, আমিও সেভাবে সুখে দুখে চট্টগ্রামের জনগণের পাশে থাকতে চাই।

তিনি বলেন, বর্তমান মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন যে উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন, সে ধারাবাহিকতায় উন্নয়নকে আরো বেগবান করার জন্য নৌকা মার্কায় ভোট দিতে হবে। 

আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেল দুইটায় নগরীর কে.সি. দে রোডের প্রধান নির্বাচনী কার্য্যলয় হতে স্থাপিত ট্রাক মঞ্চের বহর নিয়ে দ্বিতীয় দিনের প্রচারণা ৩৯,৪০ ও ৪১ নং ওয়ার্ডের প্রথমে সিমেন্ট ক্রসিং মোড়ে বিশাল সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, শেখ হাসিনা আপনাদের সেবা করার জন্য, আমাকে মেয়র পদে মনোনয়ন দিয়েছেন। আমি একজন শেখ হাসিনার কর্মী হিসাবে যদি আপনারা আমাকে সুযোগ দেন তাহলে আমি আমার জীবন দিয়ে হলেও আপনাদের সেবা করে যাবো।

বন্দরনগরী চট্টগ্রামকে সত্যিকার অর্থে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত সমৃদ্ধশালী চট্টগ্রাম হিসাবে গড়ে তুলবো। সেই উন্নত চট্টগ্রাম গড়ার লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করেছি। চট্টগ্রামে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার সমস্যা রয়েছে। নির্বাচিত হলে সকলের মতামতের ভিত্তিতে অনান্য সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে সাথে আলাপ আলোচনা করে কিভাবে জলাবদ্ধতা নিরসন করা যায় সে লক্ষ্যে কাজ করবো। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সব সময় নিয়োজিত থাকবো।

সমাবেশে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন বলেন, আমাদের মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরী একজন সৎ ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ। তিনি নির্বাচিত হলে এ বন্দর এলাকার যে কোন সমস্যা সমাধানে পদক্ষেপ নেবেন। যারা মানুষকে জলন্ত আগুনে পুড়ে মেরেছে তাদের প্রতিহত করার সময় এসেছে।মেযর প্রার্থী এম. রেজাউল করিম চৌধুরী

এদের হাত থেকে চট্টগ্রামবাসীকে রক্ষা করার জন্য নগরবাসী আজ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। তারা ভোটের দিন উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিও প্রতীক নৌকায় মার্কায় ভোট দিয়ে আগুন সন্ত্রাসের দল বিএনপি-জামাতকে ব্যালটের মাধ্যমে সমুচিত জবাব দিবে।

সমাবেশে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান বলেন, চট্টগ্রামবাসী আগামী ২৯ মার্চ মেয়র পদে শেখ হাসিনার আস্থাভাজন রেজাউল করিম চৌধুরীকে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন। আমরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এ সরকারের আমলে চট্টগ্রামসহ সারাদেশে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। যা আজ দৃশ্যমান। এ ধারাবাহিকতা নৌকা বিজয়ের কোন বিকল্প নেই।

সমাবেশে অনান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা এনামুল হক চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুক, বন ও পরিবেশ সম্পাদক মশিউর রহমান চৌধুরী, কার্যনির্বাহী সদস্য কামরুল হাসান বুলু, রোটারিয়ান মো. ইলিয়াস, ইপিজেড থানার আহবায়ক মো. হারুন উর রশিদ, যুগ্ম আহবায়ক হাজ্বী মো. আবু তাহের, আওয়ামীলীগ নেতা জামশেদুল আলম চৌধুরী।

এছাড়াও পতেঙ্গা থানা আহবায়ক এম এ হালিম, যুগ্ম আহবায়ক এ এস এম ইসলাম, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের হাজী শফিউল আলম, ছালেহ আহমদ চৌধুরী, আবদুল বারেক, কাউন্সিলর জিয়াউল হক সুমন, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হাসান, জয়নাল আবেদিন আজাদ, নুরুল আলম, মহানগর ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া দস্তগীরসহ ৩৯, ৪০ ও ৪১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা আওয়ামীলীগ, শ্রমিক ও ছাত্রলীগের অসংখ্য নেতাকর্মীরা মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরীর সাথে পথসভায় অংশ নেন।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…