খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নির্বা‌চিত হ‌লে হোল্ডিং ট্যাক্স কমানোর সম‌ন্বিত উ‌দ্যোগ নিবো : ডা.শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২০, ৫:০০ অপরাহ্ণ
নির্বা‌চিত হ‌লে হোল্ডিং ট্যাক্স কমানোর সম‌ন্বিত উ‌দ্যোগ নিবো : ডা.শাহাদাত

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচ‌নে বিএন‌পির মেয়র প্রার্থী ডাঃ শাহাদাত হো‌সেন বলেছেন, নির্বাচিত হলে নগরবাসীর সা‌থে আ‌লোচনা ক‌রে সম‌ন্বিত উ‌দ্যোগের মাধ্য‌মে হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণ করবো। নগরবাসীর জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর উদ্যোগ গ্রহণ করবো।

আজ শনিবার (১৪ মার্চ) নগরীর ৩৬ নং গোসাইলডাঙ্গা ২৭ নং দক্ষিন আগ্রাবাদ ওয়ার্ডে গণসংযোগকালে পথসভায় তি‌নি এই সব কথা ব‌লেন।

তিনি নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে বারিক বিল্ডিং কালিবাড়ি জে আর কে স্কুলের সামনে থেকে গণসংযোগ শুরু করে আব্দুর রহমান শাহ মাজার লেইন, কে বি দোভাষ লেইন, টান্ডা মিয়া লেইন, ফকিরহাট রোড, পশ্চিম গোসাইলডাঙ্গা, ফকিরহাট বাজার, সিডিএ ৯ নং রোড, ৩ নং জেডি গেইট, নীমতলা, আবদুল লতিফ সড়ক, খালপাড়, গফুর সওদাগর বাড়ি লেইন, পশ্চিম নিমতলা, আবু সৈয়দ সওদাগর বাড়ি লেইন,বিশ্ব রোড মোড় ও বড়পুল শাপলা কমিউনিটি সেন্টার, ব্রীক ফীল্ড রোড, ছোট পুল, বেপারী পাড়া, বলির পাড়া, আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিক এলাকা, আবিদার পাড়া, শিশু পার্ক এলাকায় এসে শেষ করেন।

গণসংযোগ করছেন ডা. শাহাদাত হোসেন

এ সময় ডা.শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুম আস‌লে সামান্য বৃ‌ষ্টি হ‌লে ত‌লি‌য়ে যায় বে‌শির ভাগ এলাকা। নগরবাসীর ভো‌টে নির্বা‌চিত হ‌লে বি‌শেষজ্ঞ‌দের পরামর্শ নিয়ে সল্প, মধ্যম ও দীর্ঘ‌মেয়াদী প‌রিকল্পনা গ্রহন ক‌রে জলবদ্ধাতা নিরস‌নে স্থায়ী সমাধান কর‌বো।

তিনি বলেন, যেখানেই গণসং‌যো‌গে যাচ্ছি জনগণের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। সাধারন মানুষের এই অগ্রযাত্রা কেউ দ‌মি‌য়ে রাখ‌তে পার‌বেনা। এখন আমাদেরকে জেগে ওঠতে হবে। সকল জঞ্জালকে ধুয়ে মুছে একটি আই‌টি প্রযুক্তি সমৃদ্ধ স্মার্ট, প‌রিচ্ছন্ন প‌রি‌বেশবান্ধব ও নান্দ‌নিক চট্টগ্রাম শহর গড়ে তুলতে হবে। নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। প‌রিবা‌রের সদস্য, বন্ধু, বান্ধব সক‌লে উৎসবমূখর প‌রি‌বে‌শে ভোট‌কে‌ন্দ্রে যা‌বেন। আপনা‌দের নাগ‌রিক অ‌ধিকার প‌বিত্র আমানত ভোটা‌ধিকার প্র‌য়োগ কর‌বেন। আপনার মূল্যবান ভোট‌টি গণতন্ত্র, আই‌নের শাসন, ভোটা‌ধিকার প্র‌তিষ্ঠার আ‌ন্দোল‌নে নেতৃত্ব দানকারী দল বিএন‌পির প্রার্থীর ধা‌নের শী‌ষেই দি‌বেন। যে কোন অপশ‌ক্তি বাধা‌ দি‌লে প্র‌তি‌রোধ গ‌ড়ে তুল‌বেন। আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোন অশুভ শক্তি আমাদেরকে হারাতে পারবেনা।

তিনি বলেন, নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ এখনো নিশ্চিত হয়নি। সরকার দলীয় সাংসদ ও মন্ত্রীরা নির্বাচনী কা‌জে অংশ নিলেও নির্বাচন কমিশন নির্বিকার। ইভিএমের বিভিন্ন কারিগরি ত্রু‌টি থাকলেও ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভোট চুরি করার জন্যই নির্বাচন কমিশন ইভিএমের কথা বলছে।

এ সময় চট্টগ্রাম মহানগর বিএন‌পির সাধারণ সম্পাদক আবুল হা‌শেম বক্কর বলেন,ভোটের দিন ভোটাররা যেন ভয় ভীতি ছাড়া কেন্দ্রে আসতে পারে তার ব্যবস্থা করতে হবে ইসিকে আমাদের দলীয় নেতা কমৃীদের কে সাহসীকতার সাথে পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে হবে। ডাঃ শাহাদাত হোসেনকে বিজয়ী করতে সবাইকে ভ্যানগাডের ভ’মিকায় অবতীর্ন হতে হবে ।

আওয়ামী সন্ত্রাসীরা যেন ভোটারদের হুমকি-ধমকি দিয়ে কেন্দ্রে আসতে বাধা দিতে না পারে সেজন্য নেতাকর্মীদেরকে সতর্ক পাহারা দিতে হবে

গণসং‌যোগ কা‌লে উপ‌স্থিত ছি‌লেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতিঃ নাজিমুর রহমান, সহ সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম, ২৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সীলর প্রার্থী মো: সেকান্দর, সহ মুক্তিযোদ্ধা সম্পাদক ফয়েজুল ইসলাম, নগর ম‌হিলা দ‌লের সাধারণ সম্পাদক জে‌লি চৌধুরী, বন্দর থানা বিএন‌পির সাধারণ সম্পাদক জা‌হিদ হাসান, নগর জাসা‌সের সভাপ‌তি আবদুল মান্নান রানা, মহানগর মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতিঃ হাজী মোঃ হোসেন, নগর বিএন‌পির সদস্য জমির আহমেদ, মোঃ না‌ছির, আবু মুছা, এম এ সবুর,৩৬ নং গোইলডাঙ্গা ওয়ার্ড কাউ‌ন্সিলর প্রার্থী মোঃ হারুন, সংর‌ক্ষিত ম‌হিলা কাউ‌ন্সিলর প্রার্থী কামরুন নাহার লিজা, ওয়ার্ড বিএন‌পির সভাপতি হুমায়ুন ক‌বির সো‌হেল, সাধারণ সম্পাদক আবু সাহেদ হারুন, মঞ্জুর মিয়া, বন্দর থানা বিএন‌পির সহ সভাপ‌তি মোঃ ইউসুফ, আবু জহুর, থানা বিএন‌পির যুগ্ম সম্পাদক হাজী মোঃ হো‌সেন, সাংগঠ‌নিক সম্পাদক না‌জিম উ‌দ্দিন, হাসান রুবেল, ওয়ার্ড বিএন‌পির সিঃ সহ সভাপ‌তি শওকত মান্নান, কামাল উদ্দিন সর্দার, সাংগঠ‌নিক সম্পাদক আক্তার সৈয়দ, মোঃ সাইফুল প্রমূখ।

Feb2

মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের গণশুনানিতে ভিড় বাড়ছেই মানবিক সহায়তা প্রত্যাশী মানুষের। অসুস্থতা, দারিদ্র্য, কর্মহীনতা ও চরম আর্থিক সংকটে পড়ে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন শেষ আশ্রয়ের খোঁজে। এসব আবেদন ঘেঁটে দেখা গেছে—প্রতিটি কাগজের আড়ালে লুকিয়ে আছে বেঁচে থাকার তীব্র আর্তি।

ক্যানসারে আক্রান্ত লাভলী দাস গুপ্তা ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা চালাতে গিয়ে তার পরিবারের সঞ্চয় শেষ হয়ে গেছে। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে তিনি আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) সারা দেশে মানবিক ডিসি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গেলে জীবন ঝুঁকিতে পড়বে জেনে জেলা প্রশাসক তাকে আর্থিক সহয়তা প্রদান করেন তাৎক্ষণিকভাবে।

৫৫ বছর বয়সী মোহাম্মদ সুমন গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছেন। রোগ নির্ণয়ের জন্য তাকে একাধিক পরীক্ষা করাতে হয়েছে একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। এসব পরীক্ষার খরচ বহন করতে গিয়ে তিনি এখন আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত। জেলার অভিভাবককে তিনি জানান, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার মতো সামর্থ্য তার আর নেই। তাকেও নিরাশ করলেন না মানবিক ডিসি।

একইভাবে ৬৫ বছর বয়সী হাছিনা বেগমও চিকিৎসা ব্যয়ের ভারে ন্যুব্জ। বয়সজনিত অসুস্থতায় ভুগলেও অর্থাভাবে নিয়মিত চিকিৎসা নিতে পারছেন না। জীবনের এই শেষ সময়ে চিকিৎসা সহায়তা না পেলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কার কথা জানান জেলার শীর্ষ কর্মকর্তাকে।

জামিলা বেগম নামের এক নারী জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে হাজির হয়ে ডিসি জাহিদুল ইসলামকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকায় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পরিবারের আয়ের কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস না থাকায় তিনি এখন সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। জেলা প্রশাসকের আর্থিক সহয়তা পেয়ে উচ্ছ্বসিত জামিলা।

অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারানোর কথা জানিয়েছেন মো. মনজুর আলম আরেক নাগরিক। আগে উপার্জন করে পরিবার চালালেও বর্তমানে কাজ করতে না পারায় সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে। চিকিৎসা ব্যয় বহনের পাশাপাশি পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ জোগানোও এখন অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানানো হয় জেলা প্রশাসককে। তার পাশেও দাড়ালেন মানবিক ডিসি।

মো. নুরুল ইসলাম আরেক অসহায় নাগরিক দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা নিতে গিয়ে তিনি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। ধার-দেনা করে চিকিৎসা চালালেও এখন আর কোনো উপায় নেই। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে তিনি জেলা প্রশাসকের জরুরি সহায়তা কামনা করেছিলেন। তাকেও ফিরিয়ে দেননি ডিসি জাহিদুল ইসলাম।

একই নামে আরেক প্রবীণ নাগরিক নিজেকে বয়সের ভারে ন্যুব্জ ও অসহায় উল্লেখ করে চিকিৎসা সহায়তা চেয়েছেন। তিনি জানান, শারীরিক দুর্বলতা ও অসুস্থতার কারণে তিনি সম্পূর্ণ অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। তাকেও নিরাশ করেন নাই ডিসি।

রাঙামাটি জেলার লংগদু উপজেলার বাসিন্দা, বর্তমানে চট্টগ্রামে বসবাসরত মো. সামাদ আলী জেলা প্রশাসককে বলেন, দারিদ্র্য ও অসুস্থতার কারণে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ অসহায় উল্লেখ করে ডিসির সহযোগিতা কামনা করেছিলেন। তাকেও নগদ অর্থ সাহায্য করলেন জেলা প্রশাসক।

গণশুনানিতে জমা পড়া আবেদনগুলোর সার্বিক চিত্রে দেখা যায়, অধিকাংশ আবেদনকারী দীর্ঘমেয়াদি বা জটিল রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে অনেকে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। আবার অনেকে অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারিয়ে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে এ ধরনের আবেদন সরাসরি শোনা হচ্ছে এবং তাৎক্ষণিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই প্রক্রিয়া প্রশাসনকে মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে এবং জরুরি সহায়তা প্রদানে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে দিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে আনুষ্ঠানিক বৈঠকের পর তারা একান্তে আলোচনা করেন।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে দুই দেশের আঞ্চলিক ও দ্বীপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে করা এক পোস্টে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেন, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও তার প্রতিনিধিদলকে আজ বিকেলে আতিথেয়তা দিতে পেরে আনন্দিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেছি। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে। আমরা ভবিষ্যতেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে সম্মত।’

গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠন করে বিএনপি। নতুন সরকারের আমলে এটিই বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর।

এ শুভেচ্ছা সফরে গতকাল দিল্লিতে পৌঁছান খলিলুর রহমান। ভারতে পৌঁছানোর প্রথম দিনেই দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর আজ সকালে ভারতের কয়েকজন সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের সঙ্গে প্রাতঃরাশ সভায় যোগদান করেন। বিকেলে ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসবিষয়ক মন্ত্রী হারদীপ সিং পুরির সঙ্গে তার বৈঠকের কথা রয়েছে।

২০২৪-এর জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে ভাটা পড়ে। তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সে সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।

আগামী ১১ ও ১২ তারিখ মরিশাসের পোর্ট লুইসে অনুষ্ঠিতব্য ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলনে যোগ দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এর আগে পারস্পরিক মর্যাদা ও আস্থার ভিত্তিতে দীর্ঘ মেয়াদে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা নিয়ে ভারত সফরে যান তিনি।

বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমিনুল ইসলাম বুলবুলের কমিটি ভেঙে মঙ্গলবার তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি। এই কমিটি এখন গোটা বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকদের আলোচনার বিষয়। এই আলোচনা আজ জায়গা করে নিয়েছে জাতীয় সংসদের অধিবেশনেও।

সেখানেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) তামিম ইকবালের নেতৃত্বে আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। তিনি একজন খেলোয়াড়। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

মূলত, আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবেই এসব কথা বলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘ক্রিকেট বোর্ডসহ সারাদেশের ক্লাবগুলোতে প্রভাব বিস্তার করে অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার ইনকোয়ারি করেছে, তদন্তের পর বোর্ড ভেঙে দেয়া হয়েছে। পরে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বিসিবির আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

এর আগে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘বিসিবি এখন আর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নাই, এটা এখন বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে পরিণত হয়ে গেছে।’