খুঁজুন
, ,

কর্ণফুলী টানেলের দেয়ালে প্রাইভেট কারের ধাক্কা, বোর্ড ক্ষতিগ্রস্ত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 8 July, 2026, 5:49 pm
কর্ণফুলী টানেলের দেয়ালে প্রাইভেট কারের ধাক্কা, বোর্ড ক্ষতিগ্রস্ত

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি প্রাইভেট কার ভেতরের দেয়ালে ধাক্কা দিয়েছে। এতে টানেলের সৌন্দর্য রক্ষায় ব্যবহৃত ডেকোরেটিভ (শোভাবর্ধনকারী) বোর্ডের প্রায় ১৫ ফুট এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এই দুর্ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত সাড়ে নয়টার দিকে টানেলের ভেতরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর গাড়িটি জব্দ করেছে টানেল কর্তৃপক্ষ।

টানেলে দায়িত্বরত কর্মকর্তা ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে আনোয়ারার প্রান্ত থেকে পতেঙ্গামুখী একটি প্রাইভেট কার টানেলে প্রবেশ করে। ভেতরের কিছু দূর যাওয়ার পর গাড়িটি হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একপাশের দেয়ালে সজোরে ধাক্কা দেয়। এরপর গাড়িটি দেয়াল ঘেঁষে বেশ খানিকটা পথ এগিয়ে গিয়ে থামে। এতে টানেলের ভেতরের ডেকোরেটিভ বোর্ডের একাংশ দুমড়েমুচড়ে যায়।

জানতে চাইলে টানেলের টোল ইনচার্জ লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুহাম্মদ ফারুক বলেন, ‘দুর্ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। তবে টানেলের ভেতরের প্রায় ১৫ ফুট দীর্ঘ ডেকোরেটিভ বোর্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িটি বর্তমানে আমাদের হেফাজতে জব্দ রয়েছে।’

তিনি আরও জানান, গাড়িটি কীভাবে নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Feb2
Feb2

অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থা ফ্রি করতে চান প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 8 July, 2026, 5:57 pm
অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থা ফ্রি করতে চান প্রধানমন্ত্রী

মেয়েদের স্নাতক (অনার্স) পর্যন্ত শিক্ষাব্যবস্থা অবৈতনিক করার পাশাপাশি ভালো ফলাফলের ভিত্তিতে বৃত্তি দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

একই সঙ্গে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও ব্যাগ প্রদান এবং কৃষকের সুরক্ষায় পেঁয়াজ-রসুন সংরক্ষণে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের কথাও জানান তিনি।

বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে সংসদ সদস্যদের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খানের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান বিএনপি সরকার নারী শিক্ষার পাশাপাশি নারী এম্পাওয়ারমেন্ট অর্থাৎ অর্থনৈতিকভাবেও যাতে তারা শক্তিশালী হতে পারে, সেজন্য ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছেন। আমরা একই সঙ্গে আরেকটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি, যেটি খালেদা জিয়া সরকার মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থা ইন্টারমিডিয়েট (এইচএসসি) পর্যন্ত ফ্রি করেছিলেন। আমরা এবার ডিগ্রি বা অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থা ফ্রি করতে চাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজকে আমাদের সঙ্গে গ্যালারিতে অনেক নারী শিক্ষার্থী উপস্থিত আছে। তারাও সরাসরি এই সংসদ অধিবেশনটি দেখছে। আমরা অনার্স পর্যন্ত যে নারীদের শিক্ষা ব্যবস্থা ফ্রি করব। তাদের মধ্যে যারা ভালো রেজাল্ট করবে, তাদেরকে আমরা স্কলারশিপ দিতে চাই।’

মহিলা আসনের সাংসদ শাম্মী আক্তারের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ক্লাস ওয়ান থেকে ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত প্রাইমারি স্কুলের বাচ্চাদেরকে স্কুল ড্রেস দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। একই সঙ্গে আমরা তাদেরকে স্কুল ব্যাগও দেব। আমি এখানে সকল সংসদ সদস্যকে আশ্বস্ত করে বলতে চাই, আমরা পর্যায়ক্রমে সমগ্র বাংলাদেশের সরকারি প্রায় ৬৫ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় বিদ্যালয় আছে। ৬৫ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রায় এক কোটি ২০ লাখের মতো বাচ্চা আছে। আমরা পর্যায়ক্রমে ক্লাস ওয়ান থেকে ফাইভ পর্যন্ত সকল বাচ্চাদের কাছেই পৌঁছানোর চেষ্টা করব।’

৮ হাজার বায়ুপ্রবাহ মেশিন স্থাপনের পরিকল্পনা

কৃষি খাত নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পেঁয়াজ ও রসুনের অপচয় রোধ, কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ এবং সংরক্ষণ ব্যবস্থা আধুনিকায়নের লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে একাধিক বাস্তবমুখী উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।’

তিনি বলেন, “বাংলাদেশ পেঁয়াজ উৎপাদন এলাকায় পরিবর্তিত জলবায়ুর প্রতিকূল প্রভাব প্রশমনে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে পেঁয়াজ সংরক্ষণ” প্রকল্পের আওতায় ৩ হাজার ৫০০টি এয়ার ফ্লো মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ‘কৃষক পর্যায়ে পেঁয়াজ ও রসুন সংরক্ষণ পদ্ধতি আধুনিকায়ন এবং বিপণন কার্যক্রম উন্নয়ন’ শীর্ষক চলমান প্রকল্পের আওতায় ফরিদপুরসহ পেঁয়াজ ও রসুন উৎপাদনকারী জেলাগুলোতে ৯০০টি মডেল সংরক্ষণ ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিটি সংরক্ষণ ঘরের ধারণক্ষমতা ১০ থেকে ১২ টন। এসব সংরক্ষণাগার কৃষকদের উৎপাদিত পেঁয়াজ ও রসুন দীর্ঘ সময় সংরক্ষণে সহায়তা করছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে এবং বাজারসংযোগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে পেঁয়াজ ও রসুনের পচনশীলতা কমানো সম্ভব হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘২০২৫–২৬ অর্থবছরে প্রণোদনা ও পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য ১৯ হাজার কৃষকের মধ্যে এয়ার ফ্লো মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।’

সংসদ নেতা জানান, বর্তমানে ‘বায়ুপ্রবাহ পদ্ধতিতে পেঁয়াজ ও রসুন সংরক্ষণ পদ্ধতি আধুনিকায়ন এবং বিপণন কার্যক্রম উন্নয়ন’ শীর্ষক নতুন একটি প্রকল্প প্রণয়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ফরিদপুরসহ দেশের প্রধান পেঁয়াজ উৎপাদন এলাকায় মোট ৮ হাজার বায়ুপ্রবাহ মেশিন স্থাপন করা হবে।

তিনি বলেন, ‘এ প্রযুক্তির মাধ্যমে পেঁয়াজ ও রসুনের অপচয় উল্লেখযোগ্য হারে কমবে এবং কৃষকরা মৌসুম শেষে ন্যায্যমূল্যে তাদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রির সুযোগ পাবেন।’

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথে এখনও দেড় ফুট পানি, হাঁটু পানিতে নেমে প্রতিমন্ত্রীর পরিদর্শন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 8 July, 2026, 1:35 pm
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথে এখনও দেড় ফুট পানি, হাঁটু পানিতে নেমে প্রতিমন্ত্রীর পরিদর্শন

টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথের জানআলীহাট ও ষোলোশহর স্টেশনের মধ্যবর্তী প্রায় ৫০০ মিটার এলাকা এখনও দেড় ফুট পানির নিচে থাকায় এ পথে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় হাটুপানিতে নেমে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন।

বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপকের কার্যালয় থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, মঙ্গলবার থেকে ডুবে থাকা রেলপথে পানির উচ্চতা কমলেও এখনও প্রায় দেড় ফুট পানি রয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনটি চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে যাত্রা বাতিল করে পুনরায় ঢাকায় ফিরে যাবে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে।

রেলওয়ে জানিয়েছে, রেললাইন অক্ষত ও চলাচল উপযোগী রয়েছে। বন্যার পানি নেমে গেলে পুনরায় ট্রেন চলাচল শুরু করা হবে।

যাত্রীরা চাইলে সংশ্লিষ্ট স্টেশনের কাউন্টার থেকে টিকিটের মূল্য ফেরত নিতে পারবেন। আর ঢাকায় ফিরতে ইচ্ছুক যাত্রীরা বিকেল ৪টায় চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার এক্সপ্রেসে ঢাকা যেতে পারবেন।

আকস্মিক এ প্রাকৃতিক দুর্যোগে যাত্রীদের ভোগান্তির জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছে।

চট্টগ্রামের বেশিরভাগ এলাকায় জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে নগরবাসী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 8 July, 2026, 12:29 pm
চট্টগ্রামের বেশিরভাগ এলাকায় জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে নগরবাসী

টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে চট্টগ্রাম নগরী। নগরীর বিভিন্ন এলাকার সড়ক, অলিগলি, বাসাবাড়ি ও দোকানপাটে পানি উঠেছে। নিচু এলাকার অনেক বাসায় পানি ঢুকে পড়ায় রান্নাবান্না ব্যাহত হয়েছে। কোথাও কোথাও টয়লেট পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাও অচল হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন নিচতলার বাসিন্দারা।

বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর ১২টা পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন এলাকায় হাঁটু থেকে কোমর সমান পানি দেখা যায়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আগ্রাবাদ, চকবাজার, বাকলিয়া, চান্দগাঁও, হালিশহর, পাঁচলাইশ, কাতালগঞ্জ, মুরাদপুর, পতেঙ্গা, কুয়াইশ, আকমল আলী সড়ক, মুরাদপুর, হাজি পাড়া, লালদিঘির পাড়, সিঅ্যান্ডবি মোড়, পলিটেকনিক মোড, গোলপাহাড় কাজিরহাটসহ নগরীর বেশিরভাগ এলাকায় পানিতে তলিয়ে গেছে।

নগরীর বাকলিয়া এলাকায় দেখা যায়, অনেক দোকানপাটে পানি ঢুকে পণ্য নষ্ট হয়েছে। বাসিন্দারা আসবাবপত্র উঁচু স্থানে সরিয়ে রাখছেন। শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ সদস্যদের নিয়ে অনেক পরিবার চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছে।

চকবাজারের বাসিন্দা আবদুর রহিম বলেন, বৃষ্টির পানি আর ড্রেনের পানি এক হয়ে গেছে। টয়লেট ব্যবহার করা যাচ্ছে না, পানি নামছেও না। ঘরের ভেতর দুর্গন্ধে থাকা দায় হয়ে গেছে। জলাবদ্ধতার সঙ্গে এখন স্বাস্থ্যঝুঁকিও তৈরি হয়েছে।

আগ্রাবাদের বাসিন্দা রেহানা বেগম বলেন, ঘরের নিচতলায় কোমর সমান পানি। রান্নাঘরেও পানি ঢুকে গেছে। চুলা জ্বালাতে পারছি না। সকাল থেকে পরিবারের সবাই শুকনো খাবার খেয়ে আছে। ছোট বাচ্চাদের নিয়ে খুব কষ্টে আছি।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানায়, বুধবার সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ২৩৭ দশমিক ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। অতি ভারী বর্ষণের কারণে নগরের নিচু এলাকায় পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী পূর্বাভাস কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ চৌধুরী বলেন, মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় আগামী আরও দুই দিন বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের কারণে জলাবদ্ধতা ও পাহাড়ধসের ঝুঁকি রয়েছে। তাই প্রয়োজন ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

আমবাগান আবহাওয়া অফিসের অফিসার ইনচার্জ বিজন রায় বলেন, সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ২২৪ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।

এদিকে টানা বৃষ্টিতে রেললাইন পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী আন্তঃনগর পর্যটক এক্সপ্রেস কক্সবাজার পর্যন্ত যেতে পারেনি। মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রামের ষোলোশহর এলাকায় আটকে পড়ার পর প্রায় ১১ ঘণ্টা অপেক্ষার শেষে রাত ১১টার দিকে ট্রেনটির যাত্রা বাতিল ঘোষণা করে রেল কর্তৃপক্ষ।

ট্রেনে থাকা প্রায় এক হাজার যাত্রী, যার মধ্যে নারী ও শিশুও ছিলেন, দীর্ঘ সময় অনিশ্চয়তার মধ্যে স্টেশনে আটকে থাকেন। পরে যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ট্রেনটি আর কক্সবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে দেওয়া হয়নি।

রেলওয়ের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা ফারহান মাহমুদ বলেন, রেললাইনের ওপর অতিরিক্ত পানি থাকায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে ট্রেনটির যাত্রা বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া বিকল্প কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ ছিল না।

রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাদের যাত্রা বাতিল হয়েছে, তাদের টিকিটের সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।