খুঁজুন
, ,

সীতাকুণ্ডে লায়ন্স ক্লাবের উদ্যোগে দিনব্যাপী সেবা ক্যাম্পে পাঁচশত রোগীর ফ্রি চিকিৎসা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 10 October, 2019, 5:29 pm
সীতাকুণ্ডে লায়ন্স ক্লাবের উদ্যোগে দিনব্যাপী সেবা ক্যাম্পে পাঁচশত রোগীর ফ্রি চিকিৎসা

.png

সীতাকুণ্ডের পাঁচটি লায়ন্স ক্লাবের উদ্যোগে দিনব্যাপী সেবা ক্যাম্পেে পাঁচশত রুগীর চক্ষু ডায়বেটিস ব্লাড গ্রুপিং সম্পন্ন হয়েছে।

লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং সীতাকুণ্ড, লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং অগ্রণী, লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং মেট্রোপলিটন, লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং লিবার্টি, লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং ইম্পেরিয়াল সিটি এর উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) উপজেলার সাদেক মাস্তান (রঃ) উচ্চ বিদ্যালয়ে উক্ত স্বাস্থ্য সেবা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।

দিনব্যাপী সেবা ক্যাম্পে পাঁচশত রুগীর চক্ষু, ডায়বেটিস, ব্লাড গ্রুপিংসহ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা প্রদান করা হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লায়ন্স ক্লাব ইণ্টারন্যাশনাল জেলা ৩১৫-বি৪ বাংলাদেশের জেলা গভর্ণর ইলেক্ট লায়ন কামরুন মালেক এমজেএফ।

কামরুন মালেক বলেন, লায়নিজমের মূল লক্ষ্য আর্থ মানবতার সেবায় নিঃস্বার্থভাবে কাজ করা। বিশ্বব্যাপী লায়নরা সেই লক্ষ্যে কাজ করছে অবিরাম।

তিনি লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং সীতাকুণ্ডসহ অংশগ্রহণকারী ক্লাবগুলোকে সেবামূলক এই আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে আগামীতে তা আরো জোরদার করার আহবান জানান।

লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং সীতাকুণ্ড প্রেসিডেন্ট লায়ন নূরুল আবছার চৌধুরী আগামী সেবা বর্ষে সীতাকুণ্ডের সব ইউনিয়নে এমন সেবা কার্যক্রম পরিচালনার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, ‘এর মাধ্যমে আমরা চাই যেন সীতাকুণ্ডকে চক্ষু রোগ মুক্ত করতে।’

উক্ত ক্যাম্পে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেবিনেট সেক্রেটারী লায়ন জাহিদুল ইসলাম চৌধুরী, কেবিনেট ট্রেজারার লায়ন আশরাফুল আলম আরজু, রিজিওনাল চেয়ারপার্সন হেড কোয়ার্টার লায়ন মীর্জা মোঃ আকবর আলী চৌধুরী খোকন এমজেএফ, সীতাকুণ্ড লায়ন্স ক্লাবের সভাপতি ও ডিস্ট্রিক্ট চেয়ারপার্সন লায়ন আলহাজ্ব নুরুল আবছার, মেট্রোপলিটন লায়ন্স ক্লাবের সভাপতি ও ডিষ্ট্রিক্ট চেয়ারপার্সন লায়ন আলহাজ্ব হাসান আকবর, লিবার্টি লায়ন্স ক্লাবের ডিষ্ট্রিক্ট চেয়ারপার্সন লায়ন কাজী আলী আকবর জাসেদ, সীতাকুণ্ড লায়ন্স ক্লাবের সহ সভাপতি ও ডিস্ট্রিক্ট সেক্রেটারী লায়ন মোঃ গিয়াস উদ্দিন, লায়ন আলহাজ্ব মোঃ বেলাল হোসেন, ট্রেজারার লায়ন ইঞ্জিঃ আলহাজ্ব কামরুদ্দৌজা, লিবার্টি ক্লাবের জয়েন ট্রেজারার লায়ন মোঃ শফিকুল আলম, ক্লাব ডিরেক্টর লায়ন মোঃ শওকত আলী চৌধুরী, ইম্পেরিয়াল সিটি ক্লাবের জয়েন ট্রেজারার লায়ন তারিকুল আলম, সাদেক মাস্তান র. উচ্চবিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের বর্তমান সভাপতি মছিউদ্দৌলা, সাবেক সভাপতি কামাল উল্লাহ, প্রধান শিক্ষক আবু জাফর মোঃ সাদেক, সহকারী শিক্ষকবৃন্দ, লিও ক্লাবের রিজিওনাল ডিরেক্টর লিও আরাফাত ইলাহী, জোন ডিরেক্টর লিও রাশেদ, সীতাকুণ্ড লিও ক্লাবের সভাপতি লিও মোঃ নুর খাঁন, লিবার্টি লিও ক্লাবের ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট লিও জিল্লুর রহমান শিবলী, মানবতা ফাউন্ডেশনের সভাপতি রণি খান, সীতাকুণ্ড লিও ক্লাবের সেক্রেটারী লিও হামিদ আজাদ, ট্রেজারার লিও ওয়াসিয়া নুর, ভাইস প্রেসিডেন্ট লিও জামিল আল ফয়সাল, লিও আলী আকবর, লিও জুয়েল চৌধুরী, লিও আইনুল করিম ফিরোজ, লিও শাহীদুল আলম, লিও আরিফুল ইসলাম আরিফ, লিও ই এম বাশার, লিও নিজাম উদ্দিন, লিও নাঈম উদ্দিন ইমন, লিও এম কে মুনীর, লিও শারমীন প্রমূখ।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।