খুঁজুন
রবিবার, ২৪শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরিবেশ বান্ধব আধুনিক স্মার্ট বাকলিয়া গড়তে বাকলিয়াবাসির সমর্থন চাই-ডা. শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২০, ৫:২৮ অপরাহ্ণ
পরিবেশ বান্ধব আধুনিক স্মার্ট বাকলিয়া গড়তে বাকলিয়াবাসির সমর্থন চাই-ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপি মনোনিত প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছন, আমি বাকলিয়ার সন্তান। বাকলিয়া আমার নিজের এলাকা। বাকলিয়ার মানুষের সাথে আমার রক্তের সর্ম্পক। এখানে আমার জন্ম ও বেড়ে উঠা। এক সময়ের অনুন্নত এই বাকলিয়াকে বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে সাবেক মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমান ও সাবেক মেয়র মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীনের একান্ত প্রচেষ্টায় শহরে রুপদান করা হয়েছে। অবহেলিত বাকলিয়াকে উন্নত এলাকায় রুপান্তর করা হয়েছে। আমি মেয়র নিবার্চিত হলে এই বাকলিয়াকে একটি আধুনিক,সুন্দর,মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত,আর্বজনামুক্ত পরিবেশ বান্ধব এলাকায় পরিণত করবো।

তিনি আজ রবিবার (১৫ মার্চ) পূর্ব, পশ্চিম ও দক্ষিন বাকলিয়া এলাকায় ধানের শীষের পক্ষে গণসংযোগকালে এসব কথা বলেন।

তিনি বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদল্লাহ আল নোমান ও মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন কে সাথে নিয়ে রাহাত্তার পুল মোড় থেকে গণসংযোগ শুরু করে কেবি আমান আলী রোড, ধুনীর পুল,ডিসি রোড, মিয়ার বাপের মসজিদ,দেওয়ান বাজার,বৌ বাজার,মাষ্টার পুল, বাদামতল,মুজাহেরুল উলুম মাদ্রাসা সড়ক,চর চাকতাই স্কুল, ময়দার মিল,ইসহাকের পুল, তুলাতলী,কালামিয়া বাজার এলাকায় এসে শেষ করেন ।

এ সময় ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বৃহত্তর বাকলিয়ার উন্নয়নে আবদুল্লাহ আল নোমান ও মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিনের অবদান সবচেয়ে বেশি। বাকলিয়ায় এক সময় কোন স্কুল কলেজ ছিল না। শিক্ষার মান উন্নত করার জন্য বিএনপির সময়ে বাকলিয়ায় উচ্চ ও মাধ্যমিক স্কুল এবং একমাত্র শহীদ এনএমজে ডিগ্রি কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। তাছাড়া বাকলিয়া স্টেডিয়াম ও কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতু নির্মাণ করা হয়েছিল। বিএনপি বাকলিয়ার আইলকে রাস্তায় পরিণত করেছে। বাকলিয়ায় বিভিন্ন মসজিদ ও মন্দির নির্মাণে অনুদান দেয়া হয়েছিল। আমি মেয়র নির্বাচিত হলে বৃহত্তর বাকলিয়া বাসীর জন্য চাইল্ড কেয়ার ও মাতৃসদন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করবো।অবহেলিত এই বাকলিয়ার উন্নয়নে নিজিকে উৎর্সগ করবো।

গনসংযোগকালে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদল্লাহ আল নোমান বলেন, বাকলিয়া নগরীর একটি প্রসদ্ধি ও ঐতহ্যিবাহি এলাকা। এখানকার রাস্তাঘাট, অলিগলি সবই আমার চেনাজানা। র্দীঘদিন ধরে অবহলেতি থাকা এ বাকলিয়ায় আমি অনেক উন্নয়ন মূলক কাজ করেছি। বাকলিয়া বাসীর প্রতি আমার অনেক দাবী আছে। সেই দাবী নিয়ে আমি ডা. শাহাদাত হোসেনের জন্য ধানের শীষে ভোট চাইতে এসেছি। ডা: শাহাদাত হোসনে একজন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবীদ ।তাকে ধানের শীষে ভোট দিয়ে কারাবন্দী বেগম খালেদার জিয়ার মুক্তি আন্দোলনকে বেগবান করবেন।

গনসংযোগকালে বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন বলেন, ভোটের দিন সকালে সকালে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ভোট কেন্দ্র পাহারা দিয়ে পাশাপাশি ভোটে বাধাদানকারী দুষ্কৃতিকারীদের প্রতিহিত করে ভোটের অধিকার আদায় করে নিতে হবে।

তিনি বলেন,পিছিয়ে থাকা বাকলিয়াবাসীর নাগরিকমান উন্নয়নের জন্য ডা. শাহাদাতের বিকল্প হতে পারে না।সকলকে ২৯ তারিখ ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ধানের শীষে ভোট দেয়ার আহবান জানান।

গনসংযোগকালে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারন সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, সি. সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান, উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম, ইদ্রিছ মিয়া চেয়ারম্যান,সহ-সভাপতি অধ্যাপক নূরুল আলম রাজু, যুগ্ম সম্পাদক কাজী বেলাল উদ্দীন,ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, আনোয়ার হোসেন লিপু, গাজী সিরাজ উল্লাহ, ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী ইয়াসিন চৌধুরী আসু, ইসহাক চৌধুরী আলিম,ধর্ম সম্পাদক নুরুল আক্তার,প্রশিক্ষণ সম্পাদক এম আই চৌধুরী মামুন, গণ শিক্ষা সম্পাদক ইব্রাহিম বাচ্চু,পরিবেশ সম্পাদক আমিন মাহমুদ,সহ সম্পাদক একে খান, মো শাহজাহান,অধ্যক্ষ খুরশেদ আলম,মহিলা দলের সাধারন সম্পাদক জেলী চৌধুরী, বাকলিয়া থানা বিএনপির সাধারন সম্পাদক আফতাবুর রহমান শাহিন, মো. মহসিন, সাহেদা বেগম পারভীন, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো: সেকান্দার, সাধারন সম্পাদক মো. হাজী এমরান, ইয়াকুব চৌধুরী নাজিম ,নগর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, কাউন্সিলর প্রার্থী আরিফুল ইসলাম ডিউক,মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী শাহেনেওয়াজ চৌধুরী মিনু, মাহমুদা সুলতানা ঝর্ণা,নাছরিন আক্তার প্রমুখ।

 

Feb2

ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ ও অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। এসময় ছাত্রদলের হামলায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন নেতা-কর্মী আহত হন।

আজ শুক্রবার (২২ মে) দুপুর ২টার দিকে শহরের পুরাতন কালেক্টরেট মসজিদের সামনে এই ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় শেষে মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী। এ সময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ তাঁর সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে যান।

তাদের মধ্যে কথা বলার এক পর্যায়ে হঠাৎ পেছন থেকে কয়েকজন যুবক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ করে এবং অতর্কিত হামলা চালায়। এই হামলায় এনসিপির স্থানীয় কয়েকজন যুবক আহত হয়েছেন।

ভুক্তভোগী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে এক পোস্টে হামলার বিস্তারিত জানান। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জুমার নামাজ আদায় করে মসজিদ থেকে বের হওয়ার পরপরই পুলিশের উপস্থিতিতেই ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালায়।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পোস্টে লেখেন, “প্রথমে ডিম, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়, এরপর হকিস্টিক দিয়ে অতর্কিতভাবে আঘাত করা হয়। তিনজনের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। আমাকে লক্ষ্য করেও কিল-ঘুষি মারা হয়।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা এ সময় তাদের মোবাইল ফোন, ক্যামেরা এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার পর তারা থানায় অবস্থান নিয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান। একই সাথে ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপি থানার সামনে আবারও হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে তিনি ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন।

এই ঘটনার পর এনসিপির নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। বিক্ষোভ থেকে তারা স্বরাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন এবং হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।

 

চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ (শুক্রবার) দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাকলিয়া থানার এক কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, ভুক্তভোগী শিশুর পিতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় গ্রেপ্তার মনিরকে আসামি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বাকলিয়ার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় তিন বছর বয়সী এক শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা দেখে স্বজন ও স্থানীয়দের সন্দেহ হয়, সে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিকেলের দিকে রাস্তায় নেমে আসেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত যুবকের নাম মনির। তিনি স্থানীয় একটি ডেকোরেশন দোকানে কাজ করেন। তাদের অভিযোগ, মনির তাদের কাছে নিজের অপরাধ স্বীকারও করেছেন।

অভিযুক্ত মনির নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে একটি তথ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লেও এর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

গতকাল বিকেল ৪টার দিকে স্থানীয়রা অভিযুক্তের অবস্থান নিশ্চিত করে ‘বিসমিল্লাহ ম্যানশন’ নামের একটি ভবন ঘেরাও করে রাখেন। একপর্যায়ে ভবনটির কলাপসিবল গেট ভেঙে ফেলার চেষ্টাও করা হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। অন্যদিকে অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পথ আটকে দেয় এবং তাকে নিজেদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। বিকেল সাড়ে চারটা থেকে পুলিশকে অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয়রা। এরপর রাত আটটার দিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন স্থানীয়রা। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। স্থানীয়দের বাধার মুখে তখন পুলিশ অভিযুক্ত নিয়ে যেতে পারেনি।

পরে রাত ১১টা সময় দিকে জনবল বাড়ায় পুলিশ। পরে বিদ্যুৎ বন্ধ করে অভিযুক্তকে পুলিশের পোশাক পরিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় ফাঁকা গুলি, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে পুলিশ। এসময় স্থানীয়রা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেয়। এতে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যার শিকার আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় এখনও থামেনি মানুষের ক্ষোভ আর কান্না।

শুক্রবার (২২ মে) সকাল থেকেই পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় রামিসাদের বাসার সামনে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ছোট-ছোট সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায় স্থানীয়দের।

সেখানে গিয়ে দেখা যায়, বেলা ১১টার পর থেকে রামিসাদের বাসার সামনের গলিতে একে একে জড়ো হন নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। অনেকের হাতে ছিল ‘রামিসার হত্যাকারীর ফাঁসি চাই’, ‘শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচার চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড।

এসময় এলাকাজুড়ে ছিল থমথমে পরিবেশ। স্থানীয়দের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হলে সমাজে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না।

একটি মানববন্ধনে অংশ নেওয়া লামিয়া খানম নামে এক নারী বলেন, আমরা নিজের সন্তানদের নিয়েই এখন আতঙ্কে আছি। একটা শিশুকে এত নির্মমভাবে হত্যা কোনো মানুষ করতে পারে না।

এদিকে সন্তান হারানোর শোকে এখনও প্রায় নির্বাক রামিসার মা-বাবা। শুক্রবার (আজ) দুপুর ১২টার দিকে মেয়ের কুলখানি ও মিলাদে অংশ নিতে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন তারা। যাওয়ার আগে বাসার সামনে জড়ো হওয়া মানুষদের কান্না আর সান্ত্বনার শব্দে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।

পরিবারের স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে সিরাজদিখানে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের সময় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। রামিসার মা এখনও মেয়ের জামাকাপড় ও ব্যবহৃত জিনিসপত্র বুকে জড়িয়ে কাঁদছেন। আর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বারবার মেয়ের শেষ আবদারের কথা মনে করে ভেঙে পড়ছেন। দুই দিন আগে মেয়ের জন্য একটি বোরকা কিনে এনেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই বোরকা আর পরা হয়নি রামিসার।

গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় নিজ বাসার পাশ থেকে নিখোঁজ হয় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। পরে প্রতিবেশী সোহেল রানার ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ গোপনের চেষ্টা করেন। ঘটনার পর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছেন। এ ঘটনায় সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।