খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অসহায়দের পাশে ‘দ্য সাকিব আল হাসান ফাউন্ডেশন’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২০, ১১:৪৩ অপরাহ্ণ
অসহায়দের পাশে ‘দ্য সাকিব আল হাসান ফাউন্ডেশন’

সমাজের দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের জন্য বরাবরই হৃদয় কাঁদে বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের। নিজের ব্যাট, জার্সি বিক্রি করে তা অসহায় মানুষদের হাতে তুলে দিয়েছেন আগেই। এবার নিজেই একটি ফাউন্ডেশন গঠন করলেন সাকিব আল হাসান। যার নাম তিনি দিয়েছেন ‘দ্য সাকিব আল হাসান ফাউন্ডেশন’

সাকিবের মিশন ‘মিশন সেইভ বাংলাদেশ’। করোনাভাইরাসের ভয়াবহতায় গোটা বাংলাদেশ রয়েছে অঘোষিত লকডাউনে। বাইরে বের হতে পারছেন না কেউই। এতে করে বড় বিপদে পড়েছেন নিম্ন আয়ের ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষেরা।

বাংলাদেশের জাতীয় দলের সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান দাঁড়িয়েছেন এই সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের পাশে। ‘দ্য সাকিব আল হাসান ফাউন্ডেশন’ নামে প্রতিষ্ঠিত এই সগঠনটির যাত্রা হচ্ছে সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের পাশে দাঁড়িয়ে।

এ নিয়ে সাকিব আল হাসান তার ফেসবুক ফ্যান পেজে লিখেছেন, ‘সারাদেশ আজ লড়ছে একটি মহামারীকে রুখতে। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে অসংখ্য সুবিধাবঞ্চিত মানুষ দিন গুনছে কবে তাদের রোজগার আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।

এই মানুষগুলোর প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে ‘দ্য সাকিব আল হাসান ফাউন্ডেশন’ পদক্ষেপ নিয়েছে দেশ এবং সারাবিশ্বের বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংস্থা থেকে ফান্ড উত্তোলনের। এই ফান্ড ব্যবহার করা হবে করোনাভাইরাসের কারণে প্রভাবিত সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের সাহায্য করবার জন্য। এর ধারা অনুযায়ী ‘দ্য সাকিব আল হাসান ফাউন্ডেশন’র সর্বপ্রথম সহায়তা যাচ্ছে ‘মিশন সেইভ বাংলাদেশ’ নামক একটি উদ্যোগে।

‘মিশন সেইভ বাংলাদেশ’ করোনাভাইরাসের প্রভাবকে মোকাবিলা করতে দ্য ডেইলি স্টার, Sheba.xyz এবং সমকালের একটি যৌথ উদ্যোগ। এই প্রোজেক্টটির উদ্দেশ্য হলো করোনাভাইরাসের কারণে প্রভাবিত নিম্নআয়ের এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের জীবিকার যোগান দেওয়া। এ পর্যন্ত ২০০০ সুবিধাবঞ্চিত পরিবারকে সাহায্য করেছে এই প্রকল্পটি এবং এই সংখ্যাকে বৃদ্ধি করতে নিরলস প্রচেষ্টা চলছে। আসুন, সবাই মিলে একসাথে লড়ি, একসাথে বাঁচি। কারণ, মানুষ তো মানুষেরই জন্য।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…