খুঁজুন
, ,

ইডিইউতে ভর্তি অনলাইনে, লাগছে না পরীক্ষা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 31 March, 2020, 5:37 pm
ইডিইউতে ভর্তি অনলাইনে, লাগছে না পরীক্ষা

চট্টগ্রামের ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটিতে (ইডিইউ) সামার ২০২০ সেমিস্টারের ভর্তি কার্যক্রম এখন পুরোপুরিই অনলাইনে। কোনোরকম পরীক্ষা ছাড়াই আগ্রহীরা ভর্তি হতে পারবে। স্নাতক পর্যায়ে এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফল এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে স্নাতকের ফলাফলের উপর ভিত্তি করে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি করাবে ইডিইউ। আসন সংখ্যা সীমিত হওয়ায় প্রথমে আবেদনকারীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

কভিড-১৯ এর সংক্রমণ ঠেকাতে জরুরি ভিত্তিতে ক্যাম্পাস বন্ধ করা হলেও ইডিইউর ক্লাসসহ সকল প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম অনলাইনেই পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমান সংকটকালে ইডিইউতে ভর্তিচ্ছুদের যাতে ঘর থেকে বের হতে না হয়, তাই সার্বিক সুযোগ-সুবিধা অনলাইনেই দেওয়া হচ্ছে।

আগামী ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত ইডিইউর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট http://www.eastdelta.edu.bd ফেসবুক পেইজ eastdeltauniversity1 এ দেয়া লিংকে গিয়ে ফরম পূরণ করে আবেদনের এ সুযোগ থাকছে। এছাড়া ব্রাউজারের এড্রেস বারে গিয়ে https://bit.ly/39xCQsN লিখলেই পাওয়া যাবে ফরমটি।

স্বাভাবিক সময়গুলোতে ভর্তিচ্ছুদের পরীক্ষা নিলেও এবার সেই ধারাবাহিকতা থেকে বের হয়ে এসেছে ইডিইউ। এছাড়া ভর্তি মেলায় যে বিশেষ ছাড়ের সুবিধা থাকতো, তা এবার ১৬ এপ্রিলের মধ্যে অনলাইনে ফরম পূরণকারী সকলেই পাচ্ছেন।

শিক্ষার্থীদের কর্ম উপযোগী ও বিশ্বমানে গড়ে তোলার জন্য ইডিইউতে আছে স্টুডেন্ট স্কিল ডেভলপমেন্ট সেন্টার এবং একাডেমিক হেল্প সেন্টার। প্রত্যেক স্টুডেন্টের জন্য একজন করে একাডেমিক এডভাইজর আছেন। বিদেশে গিয়ে বড় বড় প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম স্বচক্ষে দেখে আসার সুযোগ আছে ইন্টারন্যাশনাল গ্র্যাজুয়েট লিডারশিপ এক্সপেরিয়েন্স প্রোগ্রামের মাধ্যমে।

আরো আছে এক্সেস একাডেমি, যেখানে শিক্ষার্থীদের ইংলিশ, ম্যাথ, প্রেজেন্টেশন স্কিল ও সোশ্যাল লিডারশিপের মতো বেসিক বিষয়গুলো উন্নত করা হয়।

আছে ১৫টি ক্লাব, যেখানে শিক্ষার্থীরা নিজেদের কমিউনিকেশন ও লিডারশিপ স্কিল ডেভলপ করার সুযোগ পাচ্ছে, থাকছে নানান ধরনের প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়ার সুযোগ। আর মেধাবী ও অসচ্ছ্বল শিক্ষার্থীদের জন্য ১০টি বৃত্তি। গত এগার বছরে মোট আঠার কোটি টাকার বৃত্তিমূলক বার্সারি প্রদান করেছে ইডিইউ কর্তৃপক্ষ।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার পরিবেশ সৃষ্টি ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মৌলিক রচনাক্ষমতা উন্নয়নে সহায়তা করতে ইডিইউ নিয়েছে ইন্টারনেটভিত্তিক প্লেজারিজম ডিটেকশন সফটওয়্যার টার্নইটইনের পূর্ণ সাবস্ক্রিপশন।

এছাড়া বিভিন্ন ধরণের স্কিল ডেভলপমেন্টের জন্য বিশ্বখ্যাত অনলাইন প্লাটফর্ম ‘কোর্সেরা’র সঙ্গে জুটি বেঁধেছে ইডিইউ। বর্তমানে ইডিইউর শিক্ষার্থীরা ফ্রি’তে করতে পারছে কোর্সেরা’র প্রায় সবধরণের প্রিমিয়াম কোর্স।

ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটিতে সামার সেমিস্টারে ভর্তি পরীক্ষার জন্য ফরম ডিস্ট্রিবিউশন শুরু হয়েছে। বিবিএ, ইংরেজি, অর্থনীতি, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেক্ট্রনিক ও ইলেক্ট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেক্ট্রিকাল ও টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রামে স্নাতক পর্যায়ে ভর্তি শুরু হয়েছে। এছাড়া স্নাতকোত্তর পর্যায়ে এমবিএ, এমএ ইন ইংলিশ, মাস্টার অব পাবলিক পলিসি এন্ড লিডারশিপ, এমএসসি ইন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হতে পারবেন গ্র্যাজুয়েটরা।

সব ধরণের তথ্যের জন্য ফোন করুন ০১৭১৪-১০২০৬২, ০১৯৭৪-১০২০৬২, ০৯৬৩-৮১৪৪৪১৩, ০৩১২-৫৫৮৬৪৫-৬ নম্বরে।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।