খুঁজুন
, ,

কেএসআরএম ‘র সহযোগিতায় ইস্ট ডেল্টায় চাকরিদাতা ও প্রত্যাশীদের মিলনমেলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 25 January, 2020, 7:47 pm
কেএসআরএম ‘র সহযোগিতায় ইস্ট ডেল্টায় চাকরিদাতা ও প্রত্যাশীদের মিলনমেলা

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ। চট্টগ্রাম ডেস্ক : ৩ হাজার চাকরিপ্রত্যাশী তরুণ ও ৩০টি দেশি-বিদেশি চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি (ইডিইউ) আয়োজিত ‘প্লেসমেন্ট ডে ২০২০’।

এতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৩ শতাধিক আবেদনকারীর সরাসরি লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষাও নেয়া হয়, যা মোট অংশগ্রহণকারীর ১০ শতাংশ।

চট্টগ্রামে বসবাসরত তরুণদের ক্যারিয়ার গঠনে সহায়তা করার লক্ষ্যে শেঠ প্রপার্টিজ ও কেএসআরএম এর সহযোগিতায় আজ ২৫ জানুয়ারি শনিবার দিনব্যাপী এ চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ইস্ট ডেল্টাই প্রথম এ ধরণের মেলার আয়োজন করেছে।

এতে মূল বক্তা বাংলাদেশের গুগলের প্রাক্তন কান্ট্রি ম্যানেজার কাজী মনিরুল কবির বলেন, জীবনের বাঁকে বাঁকে মানুষ অনেক সময় দিশাহারা হয়ে পড়ে। দিকনির্দেশনা দেয়ার জন্যও অনেকেই থাকলেও দিন শেষে নিজেকেই নিজের পথ খুঁজে নিতে হয়। ইডিইউ প্লেসমেন্ট ডে আয়োজন করে দিলেও, চাকরির যোগ্য হয়ে নিজের প্লেসমেন্ট নিজেকেই করতে হবে।

বিশেষ অতিথি জুনকস কনসাল্টিংয়ের সহপ্রতিষ্ঠাতা, রবির কর্পোরেট ও পিপল এফেয়ার এর প্রাক্তন প্রধান মতিউল ইসলাম নওশাদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় উন্নত হলে শিক্ষার্থী ও এর সাথে সম্পৃক্ত মানুষ উন্নত হয়। মানুষ উন্নত হলে দেশ উন্নত হয়। আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপ, প্রতিটি ভূমিকা দেশের ইতিহাস ও ভবিষ্যৎ রচনা করে।

অনুষ্ঠানের গেস্ট অব অনার সাঈদ আল নোমান বলেন, চট্টগ্রামের মেধাবীদেরকে আঞ্চলিকতার গণ্ডি থেকে বের হয়ে ঢাকাসহ সারা বিশ্বে যাতে ক্যারিয়ার গড়তে পারে, তার লক্ষ্যেই এ আয়োজন। সফট স্কিল, ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স ও ডেটা এনালিটিক্স নিয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে ভবিষ্যতে ইন্ডাস্ট্রিতে নেতৃত্ব দিতে পারে এমন শিক্ষার্থী হিসেবে গড়ে তুলছে ইডিইউ।

এই প্লেসমেন্ট ডে’র মাধ্যমে এ দ্বার চট্টগ্রামের সবার জন্য খুলে দিয়েছি যাতে এ অঞ্চলের জনশক্তি বর্তমান চাকরির বাজারের উপযুক্ত হয়ে গড়ে উঠতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে আমরা এটি দায়িত্ব মনে করেছি।কে এস আর এম ২

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ইডিইউর উপাচার্য অধ্যাপক মু. সিকান্দার খান। তিনি বলেন, ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিত করতে হবে। যাতে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমেই চট্টগ্রাম ও বাংলাদেশকে বিশ্ববাসী চিনতে পারে। এ দায়িত্ব মূলত শিক্ষার্থীদের।

বাংলাদেশে পরিচালিত ৩০টি দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে এক ছাদের নিচে এনে চাকরিদাতা ও প্রার্থীদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনে সহযোগিতা করাই এ আয়োজনের উদ্দেশ্য। এছাড়া ক্যারিয়ার গঠনের বিভিন্ন দিক নিয়ে দিনব্যাপী সেমিনারেরও আয়োজন ছিলো।

এতে যোগদানকারী স্বনামধন্য ও উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলো হলো শেঠ প্রপার্টিজ, কেএসআরএম, টেরাকোটা, বিএসআরএম, এমজিএইচ, গ্রামীণফোন, প্যাসিফিক জিন্স, রবি, কনফিডেন্স সিমেন্ট, এপিক প্রপার্টিজ, এলিট পেইন্ট, দি সিটি ব্যাংক লিমিটেড, কেনপার্ক ও রিজেন্সি, ফ্রোবেল একাডেমি, পিটুপি, র‌্যাংকস এফসি প্রপার্টিজ, মাইডাস সেফটি, সিপিডিএল, ভিভো, আকাশ ডিটিএইচ (বেক্সিমকো গ্রুপ), মমতা, আইডিপি, ট্যালেন্ট ম্যানেজমেন্ট, বিওয়াইএলসি ও লিডস বাংলাদেশ।

এ উৎসবের ডিজিটাল পার্টনার ছিলো প্রথমআলো ডটকম ও টেলিভিশন মিডিয়া পার্টনার একাত্তর টিভি, ফুড পার্টনার টেরাকোটা।

এতে সভাপতিত্ব করেন ইডিইউর কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সামস উদ-দোহা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইডিইউর নেটওয়ার্কিং এন্ড প্লেসমেন্ট সেলের ডিরেক্টর শাফায়েত কবির চৌধুরী।

বক্তব্য রাখেন একুশে টিভির ব্যুরো প্রধান সাংবাদিক রফিকুল বাহার। এছাড়া অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আইবিএম এর প্রাক্তন সিইও নাভিদ মাহবুব, তিনি পরবর্তীতে প্যানেল আলোচনায়ও অংশ নেন।

প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের বিভিন্ন পদে নিয়োগ দিতে সিভি গ্রহণ এবং সরাসরি সাক্ষাৎকার ও লিখিত পরীক্ষা নেয়। এছাড়া, দর্শনার্থীরা প্রতিষ্ঠানগুলোতে চাকরির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তথ্য ও সুযোগ-সুবিধাসমূহ জানতে পারে। ইন্টার্নশিপের বিষয়েও অংশগ্রহণকারীদের জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলো।

এসবের পাশাপাশি ইন্ডাস্ট্রিতে শীর্ষপর্যায়ে কর্মরত দক্ষ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিগণ চাকরিপ্রাপ্তিতে বর্তমানে প্রতিষ্ঠানগুলো কি কি দক্ষতা আশা করে সে বিষয়ে পরামর্শ ও দিকনির্দেশনামূলক প্যানেল ডিসকাশনে অংশ নেন।

এদের মধ্যে ছিলেন- বিএসআরএম এর ট্যালেন্ট একুইজিশনের সিনিয়র ম্যানেজার ফাহমিনা আসাদ, হাইডেলবার্গ সিমেন্টের হেড অব এইচআর মো. আলমগীর, মাইডাস সেফটির এইচআর ম্যানেজার অতনু গুপ্ত, রেকিট বেনকিসার বাংলাদেশের এইচআরবিপি আবেদ উর রশীদ চৌধুরী, রবি আজিয়াটার এন্টারপ্রাইজ বিজনেস সল্যুশনের ভিপি রেজওয়ান আল ইসলাম, এলিট পেইন্টের এইচআর সিনিয়র জিএম মুরাদ হোসেইন, বিএসআরএম এর এইচআরবিপি ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের ম্যানেজার মুহাম্মদ ইসমাইল ও ডব্লিউএমজিএস সার্ভিসেসের ফাংশনাল হেড শাহাবুদ্দিন মাহমুদ সগীর।

দি সিটি ব্যাংক, রবি ও গ্রামীণ ফোন পৃথক ক্যারিয়ার সেশন পরিচালনা করেন। এর পাশাপাশি ব্রাকের এডুকেশন প্রোগ্রামের ডেপুটি ম্যানেজার ও টেন মিনিট স্কুলের চিফ স্ট্রাটেজিস্ট সাকিব বিন রশীদ ‘ক্যারিয়ার টক’ শিরোনামে একটি সেশন পরিচালনা করেন।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।