খুঁজুন
, ,

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে এলাকাবাসীর স্বেচ্ছাশ্রমে তৈরী বাঁধে ভাঙ্গন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 2 April, 2020, 4:03 pm
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে এলাকাবাসীর স্বেচ্ছাশ্রমে তৈরী বাঁধে ভাঙ্গন

নীলফামারী প্রতিনিধি॥অসময়ে হঠাৎ উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সেচ্ছাশ্রমে নির্মান করা ২হাজার মিটারের একমাত্র ভরসার বাঁধটি। নীলফামারীর ডিমলা টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নে স্বেচ্ছাশ্রমে ২হাজার মিটার যৌথ বাঁধটি ওই গ্রামবাসীর অক্লান্ত প্রচেষ্টায় নির্মাণ করা হয়েছে ২০১৭ সালের শেষের দিকে।বাঁধটি নির্মাণে ওই এলাকার লোকজন বাঁশ, বালুর বস্তা,মাটি, নগদ অর্থ ব্যয় করা সহ স্বেচ্ছায় দিনরাত পরিশ্রম করে বাঁধটি নির্মাণ করেন।

বাঁধটি নির্মানকালে সেই সময়ে নীলফামারী-১(ডোমার-ডিমলা) আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আফতাব উদ্দিন সরকার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা তবিবুল ইসলাম ১লাখ টাকা,সমাজ সেবক(ঠিকাদার)রফিকুল ইসলাম ৫০ হাজার টাকা ব্যক্তিগত অনুদান প্রদান করেছিলেন।এবং গত বছরে এলজিএসপি’র বরাদ্দ দেয়া ৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা দিয়ে বাঁধের কিছু অংশ জিও টেক্সটাইল দিয়ে স্পার করা হয়। বাঁধটি নির্মানে মোট ব্যয় হয় প্রায় ৯০লাখ টাকা।

বাঁধটি নির্মানের ফলে তিস্তা ব্যারাজের উজানে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের চড় খড়িবাড়ী,ঝিঞ্জির পাড়া,একতার বাজার,লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা উপজেলার সানিয়াজান, গুড্ডিমারী ও বাউরা ইউনিয়নের ২০ হাজার পরিবার তিস্তা নদীর বন্যার পানির ভয়াবহ কবল থেকে রক্ষা পান।শত-শত একর জমিতে ধান, ভুট্টা,সবজি সহ বিভিন্ন চাষাবাদ হয় লক্ষ্যনীয়।

রক্ষা পায় বিজিবি ক্যাম্প,মসজিদ,বিদ্যালয়,কালভার্ড,ব্রীজ,রাস্তা-ঘাট সহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি নির্মিত অবকাঠামো।

ওই সময়ে বাঁধটি নির্মিত হলেও অর্থাভাবে ও পাউবো’র পক্ষ হতে টেকসইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় জিও টেক্সটাইল ব্যবহার ও সিসি ব্লক বসানোর ব্যবস্থা অজানা কারনে করা হয়নি।অথচ প্রতি বছরই বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের(পাউবো)বাজেট হয়ে তাকে শত-শত কোটি টাকা।

বাঁধটি নির্মাণের পর তৎকালীন পাউবো’র প্রধান প্রকৌশলী আতিক হোসেন, বাঁধটি রক্ষার জন্য জিও টেক্সটাইল ও সিসি ব্লকের বরাদ্দ দিয়ে বাঁধটি রক্ষার আশ্বাস দিলেও তিনি হটাৎ বদলি হয়ে চট্রগ্রামে চলে গেলে আর সেটি অজানা কারনেই অসম্পূর্ণ রয়ে যায়। টেপাখড়িবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান ময়নুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, হটাৎ গত মঙ্গলবার(৩১মার্চ)থেকে অসময়ে তিস্তার নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় বাঁধ ভেঙ্গে নদীর ফসলি জমিতে প্রবেশ করায় একের পর এক ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলিন হওয়ার কারনে এলাকায় ব্যাপক ক্ষতির আশংকা দেখা দিয়েছে।এলাকাবাসীও রয়েছেন চরম আতংকে।২ হাজার মিটার বাঁধের মধ্যে ইতিমধ্যে প্রায় ৬৫০ মিটার ভাঙ্গনে বিলিন হয়ে গেছে।খুব দ্রুত বাঁধটি ভাঙ্গন রোধ করে তা রক্ষনাবেক্ষন করতে না পারলে আগামী বর্ষা মৌসুমে অত্র এলাকার প্রায় ২০ হাজার মানুষ বন্যার কবলে পরে ভিটেমাটি ও ফসলি জমি বিলিন হয়ে যেতে পারে নদীতে।বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া শাখায় অবহিত করা হয়েছে।

এব্যাপারে জানতে চাইলে ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জয়শ্রী রানী রায় বলেন,উক্ত ইউপি চেয়ারম্যানের কাছ থেকে বিষয়টি আমি জেনে তাকে(ইউপি চেয়ারম্যানকে)এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন দিতে বলেছি।তিনি প্রতিবেদনটি আমাকে দিলে আমি তা পানি উন্নয়ন বোর্ডে পাঠিয়ে কর্তৃপক্ষকে জরুরী ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বলব।

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী জ্যোতি প্রসাদ ঘোষ বলেন,বাঁধ ভাঙ্গনের বিষয়টি আমি জেনে নির্বাহী প্রকৌশলী,সাব ডিবিশনাল ইঞ্জিনিয়ার সহ অনেকের সাথে কথা বলেছি।আমি নিজে দুই-তিনদিনের মধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব।

 

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।