খুঁজুন
, ,

সিপিএলে সাকিবের বার্বাডোজের শিরোপা জয়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 13 October, 2019, 6:46 am
সিপিএলে সাকিবের বার্বাডোজের শিরোপা জয়

টানা ১১ জয়ের পর হারের মুখ দেখল গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্স। আর এই একটি পরাজয়ই গায়ানার জন্য হয়ে দাঁড়াল শিরোপা হাতছাড়ার কারণ। জোনাথন কার্টার, জনসন চার্লসদের ঝড়ো ব্যাটিংয়ের পর বোলারদের দাপুটে বোলিং শিরোপা এনে দিল বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টসকে। গায়ানাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা জিতল বার্বাডোজ।

প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭১ রান করে বার্বাডোজ। রান তাড়া করতে নেমে ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ১৪৪ রানে থামে গায়ানার ইনিংস। এর ফলে ২৭ রানের জয়ে ২০১৪ সালের পর আবারও সিপিএলের শিরোপা জয়ের স্বাদ পায় বার্বাডোজ। আর নিজেদের পঞ্চম সিপিএল ফাইনালেও শিরোপা অধরাই থেকে যায় গায়ানার!

ফাইনালে দলের দুর্দান্ত জয়ের দিন ব্যাট-বল হাতে কিছুটা ম্লান ছিলেন সাকিব আল হাসান। ১৫ রান করে রান-আউট হওয়ার পর থেকেছেন উইকেট-‘শূন্য’। ২ ওভার বল করে দিয়েছেন ১৮ রান।

ত্রিনিদাদের ব্রায়ান লারা স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় বার্বাডোজ। দলকে ভালো শুরু এনে দেন জনসন চার্লস ও অ্যালেক্স হেলস। ২৪ বলে ২৮ রানে হেলস ফিরলে ভাঙ্গে দু’জনের মধ্যকার ৪৩ রানের উদ্বোধনী জুটি।

সাকিবের বদলে ওয়ান ডাউনে খেলতে নামা ফিলিপ সল্ট ফাইনালে সুবিদে করতে পারেননি একদমই। রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফিরেন তিনি। দ্রুত দুই উইকেট হারানো বার্বাডোজকে এরপর টেনে নিয়ে চলেন চার্লস। তবে তা স্থায়িত্ব পায়নি বেশিক্ষণ। ২২ বলে ৩৯ রানের ক্যামিও খেলে আউট হন তিনি। তার ৬ চার ও ১ ছক্কার ইনিংস শেষে ফের কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয় বার্বাডোজ।

গায়ানার বোলারদের বোলিং তোপের চেয়ে নিজেদের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝিতে বেশি খেসারত দিতে হয় দলটিকে। জেসন হোল্ডার (১) ও সাকিবের (১৫) রান আউটে দলীয় ১০৮ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বসে দলটি। যা তৈরী করে বড় সংগ্রহ না পাওয়ার সম্ভাবনা।

শেষ পর্যন্ত তা আর হতে দেননি কার্টার ও অ্যাশলে নার্স। সপ্তম উইকেট জুটিতে ৩১ বলে ৬৩ রানের জুটি গড়ে ২০ ওভার শেষে দলকে ৬ উইকেটে ১৭১ রানের পুঁজি এনে দেন তারা। সমান ৪ চার ও ছক্কায় কার্টারের ২৭ বলের ৫০ রানের ঝড় ও নার্সের ১৫ বলের ১৯ রানে চড়ে শেষ পর্যন্ত এ সংগ্রহ পায় বার্বাডোজ।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে গায়ানা। বার্বাডোজের বিপক্ষে কোয়ালিফায়ারে সেঞ্চুরি হাঁকানো ব্রেন্ডন কিং আজও লড়ে যান অনেকটা একাই। তবে আজ আর বার্বাডোজকে কাঁদিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করতে পারেননি তিনি। ৩৩ বলে ৪৩ রান করা কিংকে আউট করেন নার্স।

তার বিদায়ের পর দলের হাল ধরে খেলতে পারেননি আর কোনো ব্যাটসম্যান। যার ফলে পঞ্চমবারের মতো শিরোপা জয়ের স্বপ্ন ফিকে হয়ে যায় গায়ানার। রেইমন রেইফারের বোলিং তোপে শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৪৪ রানে থামে দলটির ইনিংস। বার্বাডোজের বোলারদের মধ্যে রেইফার রানে নেন ৪টি উইকেট। এছাড়া হ্যারি গুরনে ও নার্স লাভ করেন দুটি করে উইকেট।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-
বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টস: ১৭১/৬ (২০ ওভার)
কার্টার ৫০*, চার্লস ৩৯, হেলস ২৮; তাহির ৪-০-২৪-১।

গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্স: ১৪৪/৯ (২০ ওভার)
কিং ৪৩, পল ২৫, পুরান ২৪, রেইফার ৪-০-২৪-৪, নার্স ৪-০-১৭-২।

ফল: বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টস ২৭ রানে জয়ী ও সিপিএল ২০১৯ আসরের চ্যাম্পিয়ন।

Feb2
Feb2

হাসিনাকে এবং হা‌দির হত্যাকারীদের প্রত্যর্পণের অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 10 August, 2026, 3:21 pm
হাসিনাকে এবং হা‌দির হত্যাকারীদের প্রত্যর্পণের অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসির দণ্ড নিয়ে ভারতে অবস্থান করা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্প‌ন ত্বরা‌ন্বিত করতে দি‌ল্লিকে অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ। একইসঙ্গে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির হত্যাকারীদের প্রত্যর্পণেরও অনুরোধ করা হয়েছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স‌ঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সৌজন্য সাক্ষাতে এ অনু‌রোধ করা হ‌য়।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় দূতের সাক্ষাতের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী খ‌লিলুর রহমা‌ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণাল‌য়ে সাংবা‌দিকদের ব্রিফ করে এ তথ্য জানান।

বাংলাদেশ-ভারতের গণতান্ত্রিক ইস্যু থাকবে, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 10 August, 2026, 3:10 pm
বাংলাদেশ-ভারতের গণতান্ত্রিক ইস্যু থাকবে, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গণতান্ত্রিক বিভিন্ন ইস্যু থাকবে এবং সেগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

সোমবার (১০ আগস্ট) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, গণতান্ত্রিক দেশে বিভিন্ন ধরনের ইস্যু থাকবে, ইস্যু আসবে। সেগুলো সমাধান করতে হবে। ভারতের জনগণ চায় দুই দেশের মধ্যে সুন্দর সম্পর্ক। আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রীও সুন্দর সম্পর্ক চান। ভবিষ্যতে ভালো কিছু হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তার খুব ভালো লেগেছে। তাদের সঙ্গে অত্যন্ত আন্তরিক পরিবেশে আলোচনা হয়েছে।

বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে কোনো নির্দিষ্ট ইস্যু রয়েছে কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ইস্যু না থাকলে তো গণতন্ত্র থাকবে না। ইস্যু তো বাড়িতেও থাকে। আমি যখন বাড়ি যাই, বাড়িতেও ইস্যু থাকে। কিন্তু কোনো ইস্যু আমরা সমাধান করতে পারি এটা আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি।

তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে এমন কোনো ইস্যু নেই, যা বসে আলোচনা করে সমাধান করা সম্ভব নয়। বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশই প্রাণবন্ত গণতন্ত্র। দুই দেশের সাধারণ মানুষই ভালো সম্পর্ক চায়। ভারতের সাধারণ মানুষ এবং বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার মধ্যেও মিল রয়েছে।

দুই দেশের সম্পর্কের ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক বাস্তবতার কথা তুলে ধরে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, আমাদের ইতিহাস তো আপনি বদলাতে পারবেন না। আমাদের প্রতিবেশীকেও বদলাতে পারবেন না। আমরা শুধু সীমান্ত ভাগ করি না, স্বপ্নও ভাগ করি।

বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, তিনি গত দুই মাসে বাংলাদেশের মানুষের কাছ থেকে অনেক সম্মান, ভালোবাসা ও আন্তরিকতা পেয়েছেন। এতে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রথম সাক্ষাতে তার মনেই হয়নি যে এটি প্রথমবারের সাক্ষাৎ। অত্যন্ত আন্তরিক ও বিনয়ী পরিবেশে তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ ও আলোচনা আরও বাড়বে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘পিপল টু পিপল’ যোগাযোগের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। দুই দেশের নেতারা একসঙ্গে বসলে বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে এবং সেগুলোর সমাধানের পথও বের হবে। তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক ভালো রাখার বিষয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রীও আগ্রহী।

দুই দেশের সরকার কবে বৈঠকে বসবে এবং আসন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে দুই দেশের নেতৃত্বের বৈঠক হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সবই ভালো হবে।

তিনি আরও বলেন, ইস্যু থাকবে, বাংলাদেশের ইস্যু থাকবে, ভারতের ইস্যু থাকবে। কিন্তু মানুষের ইস্যু একটাই ভালো সম্পর্ক। আর ভালো সম্পর্ক হলে বিভিন্ন পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সহজ হবে।

দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে নিজের আত্মবিশ্বাসের কথা জানিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ইস্যুগুলো সমাধান করতেই হবে। আমি খুবই আত্মবিশ্বাসী, আগামী দিনগুলো ভালোই হবে।

চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে এসএসসিতে পাসের হার ৫৯.৪৮ শতাংশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 10 August, 2026, 2:53 pm
চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে এসএসসিতে পাসের হার ৫৯.৪৮ শতাংশ

চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে এসএসসি পরীক্ষায় কমেছে পাসের সংখ্যা। এবার পাসের হার ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ।

যা গতবছর ছিল ৭২ দশমিক ৭০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৩৯৮ জন, গতবছর পেয়েছিল ১১ হাজার ৮৪৩ জন।

এবার পাস করেছে ৭৭ হাজার ৪৫৩ হাজার শিক্ষার্থী, যা গত বছর ছিল ১ লাখ ১ হাজার ১৮১ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৮৪ দশমিক ৪১ শতাংশ।

যা গত বছর ছিল ৯২ দশমিক ৫৭ শতাংশ। ব্যবসায় শিক্ষায় ৬০ দশমিক ১২ শতাংশ যা গত বছর ছিল ৭৩ দশমিক ৫৪ শতাংশ এবং মানবিক বিভাগে ৩৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ যা গত বছর ছিল ৫৫ দশমিক ০২ শতাংশ।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড মিলনায়তনে এসব তথ্য জানান পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী।

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় এবছর চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ৩০ হাজার ৬৮২ জন। পরীক্ষায় উপস্থিত ছিল ১ লাখ ৩০ হাজার ২১৯ জন।

চট্টগ্রাম মহানগরে পাসের হার ৭৪ শতাংশ। গত বছর ছিল ৮১ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। চট্টগ্রাম জেলায় এবার পাসের হার ৫৭ দশমিক ১৩ শতাংশ। গত বছর ছিল ৭১ দশমিক ২৯ শতাংশ। কক্সবাজারে পাসের হার ৫৭ দশমিক ৩ শতাংশ, গত বছর ছিল ৭০ দশমিক ৭৬ শতাংশ। রাঙামাটিতে ৪১ দশমিক ১৭ শতাংশ, গত বছর ছিল ৫৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ। খাগড়াছড়িতে পাসের হার ৩৪ দশমিক ৯৯ শতাংশ, গত বছর ছিল ৬০ দশমিক ৭৭ শতাংশ। বান্দরবানে পাসের হার ৪৭ দশমিক ৮৮ শতাংশ, গত বছর ছিল ৬৩ দশমিক ১২ শতাংশ।

বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৮৪ দশমিক ৪১ শতাংশ। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাসের হার ৬০ দশমিক ১২ শতাংশ এবং মানবিক বিভাগে পাসের হার ৩৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ। এবার ২১টি বিদ্যালয়ের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। অন্যদিকে ৮টি বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি।