খুঁজুন
, ,

বন্ধ হলি ক্রিসেন্টকে করোনা হাসপাতাল করা হচ্ছে:চসিক মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 April, 2020, 4:21 pm
বন্ধ হলি ক্রিসেন্টকে করোনা হাসপাতাল করা হচ্ছে:চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ. জ. ম. নাছির উদ্দীন বলেছেন, প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস এখন বৈশ্বিক মহামারিতে পরিণত হয়েছে। যাকে শুধুমাত্র সূদৃঢ় মনোবলে আতংক ও ভয়কে জয় করার মানসিকতায় আমরা অবশ্যই আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে সক্ষম হব।

তিনি বলেন, শুধুমাত্র রাষ্ট্রীয় ও সরকারি উদ্যোগ নয়, বেসরকারি ও সামাজিক উদ্যোগই সংকট মোচনের প্রধান অবলম্বন। এই উপলব্ধি থেকে সম্পূর্ণ বেসরকারি উদ্যোগে দীর্ঘদিন অব্যবহৃত অবস্থায় থাকা হলি ক্রিসেন্ট হাসপাতালে শুধুমাত্র করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিহত ও চিকিৎসা সেবা প্রদানে একটি পূর্ণাঙ্গ ১শত শয্যা বিশিষ্ঠ হাসপাতাল অচিরেই চালু হওয়ার পথে। তাই আমাদের মাঝে সংকট উত্তোরনের আশা জাগিয়েছে। এই হাসপাতালে থাকবে ভেন্টিলেটর সহ ২০ বেডের আইসিইউ ইউনিট।

এই মহতীকাজে সহযোগিতার জন্য চট্টগ্রাম প্রাইভেট ক্লিনিক ওনার্স এসোসিয়েশনকে উদ্যোগ গ্রহণের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে মেয়র বলেন, এই হাসপাতালকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করা হবে।

তিনি আজ শনিবার অপরাহ্নে নগরীর জাকির হোসেন রোডস্থ হলি ক্রিসেন্ট হাসপাতালকে করোনা ভাইরাস হাসপাতালে উন্নীতকরণ কার্যক্রম পরিদর্শনকালে একথাগুলো বলেছেন।

তিনি আরো বলেন, এই হাসপাতালকে করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের চিকিৎসা সেবা প্রদানে আধুনিক ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ ও সক্ষমতা অর্জনে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

তিনি জানান এই হাসপাতালকে একটি কার্যকর সেবাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে বিভাগীয় বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, সিভিল সার্জন, বিদ্যুৎ,গ্যাস, ওয়াসা,টিএন্ডটিসহ সকল সরকারি ও আধাসরকারি সেবা সংস্থা কর্তৃপক্ষের সাথে সম্পৃক্ততা আনায়নে একটি সমন্বয় বৈঠক আগামীকাল টাইগারপস্থ চসিক সম্মেলন কক্ষে বেলা ১ টায় অনুষ্ঠিত হবে। এই বৈঠকের গৃহিত সিদ্ধান্তের আলোকে হাসপাতালের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। আশা করা যাচ্ছে আগামী ২৫ শে এপ্রিল এই হাসপালটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা যাবে। মেয়র চসিক পরিচালিত জেনারেল হাসপাতালেও করোনা ইউনিট চালু করার সিদ্ধান্ত জানান।

পরিদর্শনকালে চসিক প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী,বিএমএ সাধারণ সম্পাদক ডা. ফয়সল ইকবাল চৌধুরী, প্রাইভেট ক্লিনিক ওনার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. লেয়াকত আলী খান, ডা. মো. ইউসুফ, ডা. এ টি এম রেজাউল করিম সহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

দেওয়ান বাজারে মশক নিধনের ক্রাশ প্রোগ্রাম

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে মশা নিধন ক্রাশ প্রোগ্রামের আজ তৃতীয় দিনে নগরীর দেওয়ান বাজার ওয়ার্ডে খলিফাপট্টি সংলগ্ন চাক্তাই খালের পাড়ে এই কার্যক্রম উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন।

এসময় তিনি বলেন, শুধু ঔষধ ছিটিয়ে মশা নিধন করা সম্ভব নয়। তাই মশার উৎপত্তিস্থলগুলো চিহ্নিত করে তা অপসারণ এবং যত্রতত্র যাতে আবর্জনার স্তুপ তৈরী না হয় সেজন্য প্রত্যেক নাগরিককে সচেতন হতে হবে।

তিনি আরো বলেন, ডেঙ্গু রোগের উৎস এডিস মশা। এই মশা জন্ম হয় জমে থাকা পরিস্কার পানিতে বিশেষ করে ডাবের খোল,ফুলের টব,এসির জমে থাকা পানি,পরিত্যক্ত প্লাষ্টিক বোতল অর্থাৎ যেসব জায়গায় ও বস্তুতে পরিস্কার পানি জমে থাকে সেখান থেকে দ্রুত সরিয়ে ফেলতে হবে।

তিনি উল্লেখ করেন যে, আজ শনিবার সকালে এই ক্রাশ প্রোগ্রাম এসময় প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, মোহাম্মদ আলী,আবদুল্লাহ আল হারুন, মো. এনাম, সজল সেন, মো. সাজ্জাদ, মো. রাসেল, হিমেল চৌধুরী,মো. রুবেল, আলাউদ্দিন, হেনজা, শুভ, মো. রাকিব, মো. সাকিব প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনীর ব্যক্তিগত উদ্যোগে ক্রয়কৃত ২৫ টি স্প্রে মেশিনের সাহায্যে এই ক্রাশ প্রোগ্রামে স্বেচ্ছাশ্রমে অংশ নিয়েছেন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ২৫ জন সদস্য।

এসময় মেয়র তাদের এই উদ্যোগে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, সিটি কর্পোরেশনের পাশাপাশি এভাবে প্রত্যোকে যার যার অবস্থান থেকে এগিয়ে আসলে মশার উপদ্রব থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

তিনি বলেন, অগ্রিম সতকর্তা অবলম্বনে গত বছরও আমরা অন্যান্য জেলার চেয়ে মশা নিধনে এগিয়ে ছিলাম। আশা করছি এবরাও আমরা সফল হবো। পরে কাজেম আলী বাই লেইন ও ফতে আলী মাতবর লেইন মহল্লা কমিটির কার্যালয় উদ্বোধন করেন মেয়র।

 

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।