খুঁজুন
, ,

দ্রব্যমূল্য সিন্ডিকেটের নিকট জনগন জিম্মি হয়ে পড়েছে : সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 19 April, 2020, 6:04 pm
দ্রব্যমূল্য সিন্ডিকেটের নিকট জনগন জিম্মি হয়ে পড়েছে : সুজন

২৪ ঘণ্টা ডট নিউজ ::: দ্রব্যমূল্য সিন্ডিকেটের নিকট জনগন জিম্মি হয়ে পড়েছে বলে মত প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি গতকাল শনিবার (১৮ই এপ্রিল) রাত ৯টায় উত্তর কাট্টলীস্থ নিজ বাসভবনে তার ফেসবুক পেইজে লাইভে দেশে এবং প্রবাসে অবস্থানরত নেতা-কর্মী, সমর্থক এবং শুভানুধ্যায়ীদের সাথে আলাপচারিতায় উপরোক্ত মন্তব্য করেন।

এ সময় নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা সুজন বলেন বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের মহাদুর্যোগে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে খেটে খাওয়া, হতদরিদ্র ও ভাসমান মানুষজন। এদের কথা মাথায় রেখে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনাভাইরাস পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় গৃহহীন ও ভূমিহীনদের জন্য বিনামূল্যে ঘর, ছয় মাসের খাদ্য এবং নগদ অর্থ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দামও জনগনের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার জন্যও নানামূখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সরকারের এতোসব উদ্যোগের মধ্যেও সংকটাপন্ন এই মূহুর্তে কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফার লোভে দ্রব্যমুল্য বৃদ্ধির অপতৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে। তাদের এহেন অব্যসায়ীসুলভ আচরনের কারণে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলো বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, আমরা জানতে পেরেছি আসন্ন রমজানের চাহিদাকে পূরণ করার জন্য চট্টগ্রাম বন্দরে প্রচুর পরিমাণে পণ্য এসেছে। ছোলা, পেঁয়াজ, তেল, চিনি, খেজুরসহ প্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রী খালাস হচ্ছে। বিভিন্ন পণ্য বোঝাই আরো বেশ কয়েকটি জাহাজ কয়েকদিনের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌছাবে। তারপরও সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা অনৈতিকভাবে বাজারে পণ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে জনগনের পকেট থেকে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। তাদের এহেন আচরনের ফলে জনগন এই দুঃসময়ে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে যা মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। অসাধু ব্যবসায়ীদের এমন অপতৎপরতা রাষ্ট্রকে জিম্মি করার সমতুল্য। কতিপয় সুযোগ সন্ধানী ব্যবসায়ী দীর্ঘ দিন ধরে নানা অজুহাতে রাষ্ট্র ও জনগনকে জিম্মি করার অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন যা প্রতিহত করতে হবে।

তিনি নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য জনগনের হাতের নাগালে রাখার জন্য সিটি কর্পোরেশন, জেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসন সমন্বয়ে নিয়মিত মনিটরিং করার উদাত্ত আহবান জানান।

লাইভে দেশে এবং প্রবাসে অবস্থানরত শুভানুধ্যায়ীরা সুজনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান। বিশেষ করে লাইভটি প্রবাসীদের সাথে মেলবন্ধন সৃষ্টি করেছে বলে মত প্রকাশ করেন তারা। বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের খবর জানতে প্রবাসীরা উদ্বিগ্ন হয়ে রয়েছে। লাইভে নগরবাসী বিভিন্ন নাগরিক দুর্ভোগের কথা সুজনকে অবহিত করেন। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এছাড়া বেসরকারি হাসপাতালের নৈরাজ্য বন্ধ, বিদ্যুতের লোড শেডিং কমিয়ে আনা, ওয়াসার পানি সরবরাহ নিয়মিত করা এবং ডেঙ্গুর উপদ্রব থেকে নগরবাসীকে রক্ষা করার জন্য সুজনের দৃষ্টি আকর্ষন করেন।

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য সেবা ব্যবসায়ীরা জনগনের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কোন নির্দেশনাই মানছে না এসব ব্যবসায়ীরা। নিজেদের ব্যবসা বাচাতে তারা নানা ছলছাতুরীর আশ্রয় নিচ্ছে। ইতিপূর্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের সেবা দেওয়ার জন্য আইসিইউ বেড ও ভেন্টিলেটর সম্বলিত ১২টি বেসরকারি হাসপাতাল নির্বাচন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য বিভাগ। তারপরও আইসিইউ সুবিধা না পেয়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত দুই রোগী ইতিমধ্যে মারা গেছেন। যা জনগনের স্বাস্থ্য সেবার সাথে চরম প্রতারণার সামিল। এসব সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের পিছনে কারা ইন্ধন জোগাচ্ছে চট্টগ্রামের মানুষ তা জানতে চায়। করোনা দূর্যোগে বিভিন্ন প্রতিষ্টান মানবতার ঢালি নিয়ে এগিয়ে এলেও এক্ষেত্রে পুরোপুরি উল্টো এসব স্বাস্থ্য সেবা ব্যবসায়ীরা। অথচ বছরের পর বছর তারা রোগীদের কাছ থেকে শত শত কোটি টাকা আয় করেছে। তাদের এ আয়কে প্রলম্বিত করার জন্য তারা পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে থাকা হলি ক্রিসেন্ট হাসপাতালকে করোনা রোগীর চিকিৎসার জন্য প্রস্তুত করছে। হাসপাতালটিতে গ্যাস, বিদ্যুত এবং পানির সংযোগও নেই। এমনকি এ হাসপাতালটিকে করোনা রোগীদের উপযুক্ত করে গড়ে তোলার জন্য চাঁদা সংগ্রহের কাজও করছে ঐসব স্বাস্থ্য ব্যবসায়ীরা। অথচ স্বাস্থ্য বিভাগের তালিকায় থাকা হাসপাতালগুলো এগিয়ে এলে তাদের হাসপাতালেরই আইসিইউ সুযোগ সুবিধা পেতো আক্রান্ত রোগীরা। কিন্তু কি কারণে তারা ওয়াদা দিয়েও পিছু হটেছে তা আমাদের বোধগম্য নয়। যেখানে বিশ্বের নামী দামী হাসপাতালগুলো তাদের চিকিৎসা সরঞ্জাম, চিকিৎসক, নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মী নিয়ে দিনরাত মানুষকে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন সেখানে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী খ্যাত চট্টগ্রামে হলি ক্রিসেন্টের মতো একটি পরিত্যক্ত হাসপাতালে কোনভাবেই করোনা আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসা হতে পারে না বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি টিসিবি’র ন্যায্যমূল্যের পণ্য বিক্রির উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে এর পরিধি আরো বিস্তৃতি করার আহবান জানান।

তাছাড়া টিসিবি’র চলমান পণ্য বিক্রির কার্যক্রম শুধু মূল সড়কেই সীমাবদ্ধ রয়েছে বলে মত প্রকাশ করে টিসিবি’র পণ্য সামগ্রীর গাড়ীগুলো যদি মূল সড়ক বাদ দিয়ে নগরীর বিভিন্ন অলি গলি কিংবা পাড়া মহল্লায় অবস্থান করে তাতে করে প্রকৃত অর্থেই জনগনের কাছে স্বল্পমূল্যে পণ্য বিক্রির সরকারী যে উদ্দেশ্য তা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

তিনি সরকারের নানাপ্রকার উদ্যোগের মাঝেও ত্রাণ নিয়ে হঠাৎ করে অসন্তোষ সৃষ্টির পিছনে তৃতীয় কোন পক্ষের উস্কানি আছে কি-না তা খতিয়ে দেখার জন্যও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট বিনীত অনুরোধ জানান।

তাছাড়া প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশিনা মোতাবেক ত্রাণ বিতরণের ক্ষেত্রে দল মত নির্বিশেষে প্রকৃত অসহায়দের নিকট ত্রাণ সামগ্রী পৌছে দেওয়ার জন্য জনপ্রতিনিধিসহ সকলের প্রতি বিশেষভাবে আহবান জানান।

এছাড়া গার্মেন্টসসহ যে সকল শিল্প প্রতিষ্টান এখনো শ্রমিক কর্মচারীদের মার্চ মাসের বেতন প্রদান করেন নাই তাদেরকে অতিসত্বর বেতন ভাতা পরিশোধ করারও উদাত্ত আহবান জানান তিনি।

তাছাড়া বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত যে সব প্রবাসীরা বর্তমান লকডাউন পরিস্থিতিতে খাদ্য এবং আর্থিক সংকটে ভুগছেন তাদের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার জন্য প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর নিকট বিনীত অনুরোধ জানান জনাব সুজন। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে প্রবাসীদের সহযোগিতায় যে সকল ধণাঢ্য প্রবাসীরা এগিয়ে এসেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। এর পাশাপশি ইউরোপসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে যে সকল প্রবাসীরা এ রকম মানবেতর সমস্যায় আছে তাদের প্রতিও সহযোগিতার হাত প্রসারিত করার জন্য ধণাঢ্য প্রবাসীদের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।

তিনি নগরবাসীকে একান্তই জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত ঘরে বাহিরে না যাওয়ার করজোড়ে অনুরোধ জানান। তিনি বলেন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে একমাত্র প্রতিষেধকই হচ্ছে ঘরে থাকা এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলা। করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে চলমান এ যুদ্ধে আমাদের জয়লাভ করতে হবে এবং অবশ্যই আমরা জয়লাভ করবো যদি না আমরা একটু ধৈর্য্য ধরে সবাই ঘরে থাকতে পারি।

তিনি প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ঘরে থাকার নির্দেশনা বাস্তবায়নে নগরীর বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে বিদ্যুতের প্রধান প্রকৌশলী এবং ওয়াসার পানির সরবরাহ নিয়মিত রাখার জন্য ওয়াসার এমডি’র নিকট সবিনয় অনুরোধ জানান।

লাইভের শেষ পর্যায়ে দেশে ও প্রবাসে যারা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যারা অসুস্থ অবস্থায় আছেন তাদের রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল ও মোনাজাত কামনা করেন। দেশে ও বিদেশে অবস্থানরত হাজার হাজার শুভানুধ্যায়ী ফেসবুক লাইভে এ দোয়া মাহফিল ও মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন। মোনাজাত পরিচালনা করেন খোরশেদ আলম সুজন।

Feb2
Feb2

দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ৪০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে চট্টগ্রামে আনন্দ সমাবেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 6 September, 2026, 7:38 pm
দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ৪০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে চট্টগ্রামে আনন্দ সমাবেশ

বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী আদর্শের’ মুখপাত্র দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ৪০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন চট্টগ্রাম ব্যুরো অফিসের উদ্যোগে পলিটিক্যাল রিপোর্টার্স ইউনিটি পিআরইউ’র আহ্বায়ক ও দৈনিক দিনকাল ব্যুরো চীফ হাসান মুকুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত।

উক্ত অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বিনিময়, আনন্দ সুধী সমাবেশ ও সংস্কৃতি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীম, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ‌ অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এডভোকেট আব্দুস সাত্তার, আব্দুল হালিম শাহ আলম, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আর ইউ চৌধুরী শাহিন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী সালাউদ্দিন, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, শওকত আজম খাজা, সাবেক কমিশনার নিয়াজ মোহাম্মদ খাঁন, মহানগর যুবদল সভাপতি মোশারফ হোসেন দীপ্তি, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ, মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-দপ্তর সম্পাদক ইদ্রিস আলী, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, সাংবাদিক নেতা মিয়া মোহাম্মদ আরিফ, সাংবাদিক নেতা সালেহ নোমান, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য কামরুল ইসলাম, গাজী মোহাম্মদ সিরাজ উল্লাহ , ডা: এসএম সারোয়ার আলম, আবু সালেহ, ফজলুল হক সুমন, মামুনুর রশিদ শিপন, সাইফুল ইসলাম টুটুল, জসীম উদ্দীন চৌধুরী, তানভীর মল্লিক, মিয়া মোহাম্মদ হারুন, মহানগর যুবদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক ও লেখক জহিরুল ইসলাম জহির, স্বেচ্ছাসেবক দল চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক কমিটির সদস্য’ ও জিয়া স্মৃতি পাঠাগার চট্টগ্রামের সহ- প্রচার সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন খাঁন, ড্যাব নেতা ডাক্তার এস এম রিয়াসাদ সাহাবুদ্দিন, ডাক্তার ইফতেখার আদনান, ডাক্তার মেহেদী হাসান, ডাক্তার সৈয়দ মোঃ হোসেন ফাহাদ, ডাক্তার মাইমুন রিদোয়ান চৌধুরী, ডাক্তার সামিউল, এস এম শাহরিয়ার জিয়া, ডাক্তার হাসিবুল হাবিব, ডাক্তার সামেদ আহাম্মেদ, সাইফুল ইসলাম ইমন, ডাক্তার সাজিদ রোহান, মোঃ মুশফিকুর রহমান, শাহেদ হাওলাদার, সাবেক কাউন্সিলর জেসমিন খাঁনম, বেগম খালেদা বোরহান, জিন্নাতুন নিছা জিনিয়া, সেলিম উদ্দিন রাসেল, শাহেদুল ইসলাম, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, বেগম শামসুন নাহার বাবুল, জসীম উদ্দীন সাগর, হাফেজ মোঃ কামাল উদ্দিন, লায়ন সালাউদ্দিন আলী, মিম ইসলাম, সানজিদা ইসলাম, খোরশেদ আলম কে আলম, হামিদুল হক চৌধুরী, মোছাঃ নাসরিন, মইনুদ্দিন খাঁন রাজিব, আসিফ চৌধুরী লিমন, সৌরভ প্রিয় পাল, এ্যাব নেতা প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম, প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম, সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম, দিদারুল ইসলাম, মোহাম্মদ কলিম উল্লাহ, ইমরান হোসেন, সৈয়দ সাফওয়ান আলী, সাংবাদিক বিপ্লব পার্থ, পলিটিক্যাল রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য সচিব ইমরান এমি, সূফিবাদী ঐক্য ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা নুর মোহাম্মদ রানা, মোরশেদ রনী, কাজী সরোয়ার মঞ্জু, ফরহাদুল ইসলাম, জাহেদ চৌধুরী, এএফ রুমী, এডভোকেট রেজাউল, ইকবাল হায়দার, দীপক চৌধুরী কালু, সাজু দাস, টিটু মহাজন, জাভেদ ওমর, সাংবাদিক নেতা সাইফুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম, ইসমাইল ইমন, কামরুল কুতুবী, শফিউল শামু, মেহেদী হাসান রায়হান, জাহেদ হোসেন ইফতি, মোঃ সালাউদ্দিন, নাহিদা নাজু, এস. বি‌‌ সুমী, ইকবাল পিন্টু, রিফাত চৌধুরী লিজা, আলমগীর, মোঃ মামুন, কুতুব উদ্দিন নয়ন, শাহাদাত হোসেন সাজ্জাদ, সত্যজিৎ বড়ুয়ার রুপু, বোরহানুল হক, এস এম তৈয়ব, মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, জাহেদুল ইসলাম জাহেদ, সালেহ আহাম্মদ খোকন, নজরুল ইসলাম, জুলাই যোদ্ধা রিদওয়ান সিদ্দিকী, কাজী সাকলাইন মোস্তফা, ইলিয়াস আকাশ, মুহাম্মদ সারোয়ার, মীর মোহাম্মদ মোবারক হোসেন, মোঃ রুবেল, শরিফুল ইসলাম আবীর, মঞ্জরুল আলম, মো: রাকিব, জাহিদুল ইসলাম আরাফাত সহ- পলিটিক্যাল রিপোর্টার্স ইউনিটি পিআর ইউ’র নেতৃবৃন্দ।

 

৪১ বছর পর্দাপন অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দ বলেন, আজ একটি আনন্দ ও গৌরবের দিন। আজ দৈনিক দিনকাল তার গৌরবময় পথচলার ৪১ বছর পূর্ণ করেছে। এই দীর্ঘ পথচলায় পত্রিকাটি বাংলাদেশের সংবাদপত্রের জগতে একটি পরিচিত নাম হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ৪১ বছর শুধু একটি সংখ্যা নয়—এটি চার দশকেরও বেশি সময়ের শ্রম, নিষ্ঠা, সাহস, প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই এবং পাঠকের ভালোবাসার প্রতিফলন।

একটি সংবাদপত্রের মূল শক্তি হলো সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের প্রতি তার অঙ্গীকার। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের ধরন ও প্রযুক্তি বদলেছে, পাঠকের প্রত্যাশা বদলেছে; কিন্তু মানুষের জানার অধিকার, সত্য জানার আকাঙ্ক্ষা এবং ন্যায়ের পক্ষে কথা বলার প্রয়োজন কখনো বদলায়নি। সেই দায়িত্বকে সামনে রেখে দিনকাল-এর পথচলা আরও সমৃদ্ধ হোক—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

আজকের এই দিনে আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি পত্রিকাটির প্রতিষ্ঠা ও বিকাশের সঙ্গে যুক্ত সকল ব্যক্তি, সাংবাদিক, সম্পাদক, লেখক, কর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের। যাঁদের শ্রম ও অবদানে দিনকাল আজকের অবস্থানে পৌঁছেছে, তাঁদের প্রতি রইল আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

বর্তমান সময়ে গণমাধ্যমের সামনে নানা চ্যালেঞ্জ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দ্রুত বিস্তার, ভুয়া তথ্যের প্রবাহ এবং প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের এই যুগে একটি সংবাদপত্রের জন্য বিশ্বাসযোগ্যতা ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই আগামী দিনের দিনকালকে আরও আধুনিক, অনুসন্ধানী, জনবান্ধব এবং প্রযুক্তিনির্ভর সংবাদমাধ্যম হিসেবে এগিয়ে যেতে হবে।

রাষ্ট্র মালিকানাধীন ৬ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ দেড় লাখ কোটি টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 6 September, 2026, 4:15 pm
রাষ্ট্র মালিকানাধীন ৬ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ দেড় লাখ কোটি টাকা

জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, রাষ্ট্র-মালিকানাধীন ৬ ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা। রাষ্ট্র-মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণ রয়েছে জনতা ব্যাংক পিএলসিতে। গত ৩০ জুনের হিসাবে এ তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রী।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আলীমের প্রশ্নোত্তরে তিনি এ তথ্য জানান। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সভাপতিত্ব করেন। প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আলীম প্রশ্ন রেখে বলেন, দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে বর্তমান খেলাপি ঋণের পরিমাণ কত এবং ব্যাংকভিত্তিক হিসাব কী?

জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, রাষ্ট্র-মালিকানাধীন ৬টি ব্যাংক (অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি, বেসিক ব্যাংক পিএলসি, জনতা ব্যাংক পিএলসি, রূপালী ব্যাংক পিএলসি এবং সোনালী ব্যাংক পিএলসি) এর ৩০ জুন ২০২৬ ভিত্তিক খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। রাষ্ট্র-মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণ রয়েছে জনতা ব্যাংক পিএলসিতে।

তিনি জানান, অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ২৯০২৯ .৬৭ কোটি টাকা, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৮৮৮.৭৯ কোটি টাকা, বেসিক ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৮১৩১.০৯ কোটি টাকা, জনতা ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৭৫৩৯৬.৬৭ কোটি টাকা, রূপালী ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১৯২৮১.৭৪ কোটি টাকা এবং সোনালী ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১৫০৪৮.৩৯ কোটি টাকা।

দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 6 September, 2026, 1:46 pm
দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দূষণমুক্ত নদী ও একটি পরিচ্ছন্ন, বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যেতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে রাজধানী ঢাকার চারপাশের নদ-নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য অপসারণ, সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা, নাব্যতা নিশ্চিতকরণ এবং বৃত্তাকার নৌপথের উন্নয়নসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পর্যালোচনা সভায় এই আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

সভায় বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, ধলেশ্বরী, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদী এবং তৎসংলগ্ন খাল ও ড্রেনের দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য অপসারণ, নদ-নদীর নাব্যতা ও পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা এবং ঢাকার চারপাশে বিদ্যমান বৃত্তাকার নৌপথের উন্নয়নসংক্রান্ত কার্যক্রমের সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করা হয়।

এ পর্যন্ত গৃহীত পরিকল্পনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাগুলোর মধ্যে যথাযথ সমন্বয় নিশ্চিত করে কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজেদের পাশাপাশি পরবর্তী প্রজন্মের জন্যও দূষণমুক্ত নদী ও একটি বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। এ জন্য শুধু সরকারি নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করলে হবে না, ব্যক্তিগত দায়িত্ববোধ থেকেও কাজ করতে হবে।

সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. সাইমুম পারভেজ, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কমান্ডার ঢাকা নৌ অঞ্চল রিয়ার অ্যাডমিরাল আব্দুল্লাহ-আল-মাকসুসসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।