খুঁজুন
, ,

দল, রাষ্ট্র, সমাজ সব জায়গায় শুদ্ধি অভিযান দরকার-সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 14 November, 2019, 4:20 pm
দল, রাষ্ট্র, সমাজ সব জায়গায় শুদ্ধি অভিযান দরকার-সুজন

?????????????????????

২৪ ঘন্টা চট্টগ্রাম ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে চলমান শুদ্ধি অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে চট্টগ্রামে প্রথমবারের মত সমাবেশ ও শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে জাগ্রত ছাত্র যুব জনতা।

আজ ১৪ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় পুরাতন রেল স্টেশন চত্বরে বিশাল এ সমাবেশ ও শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জাগ্রত ছাত্র যুব জনতার প্রধান উপদেষ্টা খোরশেদ আলম সুজন।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে চলমান শুদ্ধি অভিযানকে আরো বেগবান করার মাধ্যমে ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তে অর্জিত স্বাধীনতার সুফল দেশের জনগনের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার আহবান জানিয়েছেন সমাবেশে সমবেত শত শত ছাত্র যুব জনতার উদ্দেশ্যে সুজন বলেন, শেখ হাসিনা বাঙালি জাতির এক অমূল্য আমানত।

হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙালি জাতির জনকের নেতৃত্বে ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে স্বাধীন হওয়া এক টুকরো বাংলাদেশ আজ শেখ হাসিনার হাত ধরে সারা বিশ্বে এক প্রচন্ড বিস্ময়। বাংলাদেশ আজ ক্ষুধা দারিদ্রের দেশ নয়। এক সময় যে বাংলাদেশকে ক্ষুধা দারিদ্র খরার দেশ বলে উপহাস করা হতো শুধুমাত্র একজন শেখ হাসিনা’র যোগ্য নেতৃত্বের কারণেই বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে।

তিনি বলেন, শত্রুদের শত ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে আমাদের উন্নয়নের যাদুর কাঠি শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আরাধনা আজ প্রতিটি বাঙালির। সে লক্ষ্যে দল, রাষ্ট্র, সমাজ সব জায়গায় শুদ্ধি অভিযান দরকার। আওয়ামী লীগের ক্ষমতাকে ব্যবহার করে কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহল যারা এতোদিন বিভিন্ন অপকর্ম করেছে তাদের মুখোশ উম্মোচন করে দেওয়াই শুদ্ধি অভিযানের মূল লক্ষ্য।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামের ছাত্র যুব জনতা প্রধানমন্ত্রীর শুদ্ধি অভিযানকে শতভাগ সফলতার অভিপ্রায় নিয়ে জানাতে চাই যারা একসময় মধ্যবিত্ত পরিবারের ছিল তারা কোন আশ্চর্য প্রদীপের ছোয়ায় আজ দেশে বিদেশে বিপুল পরিমান সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছে। তাদের আয়ের উৎস কি জনগন জানতে চায়। আজ সময় এসেছে তাদের অবৈধ সম্পদ বিদেশ থেকে ফিরিয়ে নিয়ে আসার। এ সকল সম্পদ দেশে ফিরিয়ে এনে জাতীয় অর্থনীতিতে যোগ করে উন্নয়ন কর্মকান্ডে ব্যবহার করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রামেও শুদ্ধি অভিযানের প্রয়োজন রয়েছে। এ শুদ্ধি অভিযানকে আরো বিকশিত করে দুর্নীতি, মাদক, ক্যাসিনো ও জুয়া ব্যবসায়ীদের প্রতিহত করতে হবে। যারা দলের অভ্যন্তরে অনুপ্রবেশ করে দলের নাম ভাঙিয়ে নানা ধরনের অপকর্ম করছে তাদেরও চিহ্নিত করার সময় চলে এসেছে। এছাড়াও কথায় কথায় দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধিকারী ও খাদ্যে ভেজালকারীদের বিরুদ্ধেও কঠিন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, চট্টগ্রামে মাদক ধরা পড়ে, ইয়াবা ধরা পড়ে, স্বর্ণ ধরা পড়ে এরা কারা। এদের পিছনে কারা জনগন আজ তা জানতে চায়। নিশ্চয়ই কোন রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় প্রভাবশালী কেউ এ ধরনের অপকর্ম করে সরকারকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে এদের মুখোশও খুলে দিতে হবে।

পেঁয়াজের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ৪০ টাকার পেঁয়াজ কেন ১৫০ টাকার বেশী বিক্রয় হচ্ছে? শষ্যের ভিতরের ভুুুত আগে তাড়াতে হবে। শুধু রাজনৈতিক দল নয় প্রশাসন সহ বিভিন্ন সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ পদে যারা আসীন হয়ে আছেন তাদের দুর্নীতির চিত্রও জনগনের সামনে উপস্থাপন করতে হবে।

আধারের রজনীশদের আর আলোতে আসতে দেওয়া হবে না বলেও হুশয়ারি উচ্চারন করেন সুজন। তিনি বলেন সরকার চট্টগ্রামের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা বরাদ্ধ করেছে। এসব প্রকল্পের জন্য কতো টাকা বরাদ্ধ করা হয়েছে এবং কোন খাতে কতো টাকা ব্যয় হয়েছে তার হিসাব নেওয়ার জন্যও প্রধানমন্ত্রীর নিকট অনুরোধ জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর শুদ্ধি অভিযানের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে তিনি আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি এগিয়ে যান চট্টগ্রামসহ সারা বাংলাদেশের শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ আপনার সাথে আছে। এ

র আগে সকাল থেকেই নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে জাতির জনক এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি নিয়ে মিছিল সহকারে সমবেত হয়ে পুরাতন রেল ষ্টেশন চত্বর লোকে লোকারন্য হয়ে যায়।

জাগ্রত ছাত্র যুব জনতার আহবায়ক এ. এস. এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব রকিবুল আলম সাজ্জির সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নঈম উদ্দিন চৌধুরী, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মসিউর রহমান চৌধুরী, হাজী মোঃ ইলিয়াছ, আব্দুর রহমান মিয়া, সাইদুর রহমান, নগর যুবলীগের যুগ্ম-আহবায়ক মাহবুবুল হক সুমন, হাসানুর রহমান লিটন, সাবেক কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ সহ-সম্পাদক শওকত হোসাইন, ফরহান আহমেদ, মোঃ সালাউদ্দিন, নগর যুবলীগ সদস্য আব্দুল আজিম, নগর সৈনিক লীগের আহবায়ক শফিউল আজম বাহার, খলিলুর রহমান নাহিদ, আব্দুস সালাম মাসুম, মোরশেদ আলম, এনামুল হক মিলন, সাজ্জাদ হোসাইন, মোর্শেদ আলী, আবুল হাসনাত বেলাল, আনিসুর রহমান ইমন, কামরুল হক, জানে আলম, জাহেদ আহমদ চৌধুরী, আবুল হাসান সৈকত, আসাদুজ্জামান মনি, সমীর মহাজন লিটন, ওয়াসিম আকরাম, সাজ্জাদ হোসেন, রাজিব হাসান রাজন, তোফায়েল আহমেদ রয়েল, আশিকুন্নবী চৌধুরী, শাহনেওয়াজ রাজিব, নগর ছাত্রলীগ সভাপতি ইমরান আহমেদ ইমু, তালেব আলী, জয়নাল উদ্দিন জাহেদ, নাঈম রনি, নোমান চৌধুরী, সুজন বর্মন, ইরফানুল আলম জিকু, খোরশেদ আলম প্রমূখ।

সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে ফেস্টুন, বাদ্য বাজনা, বঙ্গবন্ধু এবং শেখ হাসিনার প্রতিকৃতি সম্বলিত বিশাল শোভাযাত্রা নগরীর পুরাতন রেল ষ্টেশন চত্বর থেকে শুরু হয়ে নিউমাকের্ট কোতোয়ালী হয়ে ঐতিহাসিক লালদিঘীর মাঠে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় উৎসুক জনতা হাত নেড়ে শোভাযাত্রাকে স্বাগত জানান এবং পথচারীরাও স্বতস্ফুর্তভাবে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহন করেন।

শোভাযাত্রা শেষে লালদিঘীর মাঠে জাগ্রত ছাত্র যুব জনতার উদ্যোগে ক্যাসিনো ব্যবসায়ী, দুর্নীতিবাজ, অর্থ পাচারকারী এবং অনুপ্রবেশকারীদের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়।

Feb2
Feb2

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে কাজ করবে সরকার: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:38 pm
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে কাজ করবে সরকার: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী

বন্যাকবলিত মানুষের পাশে সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন। শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

পাহাড় ধসের ঝুঁকি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী মানুষকে নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসনের পরিকল্পনা করছে সরকার। এ লক্ষ্যে সরকারি খাসজমি ও পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবহার করা যায় কি না, তা বিবেচনা করা হচ্ছে।

নির্বিচারে পাহাড় কাটা ও বন উজাড়ের কারণে ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়ছে। প্রকৃতির স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হলে এর বিরূপ প্রভাব পড়বেই।

বন্যা-পরবর্তী স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনীয় ওষুধ মজুদ রয়েছে। সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সম্ভাব্য রোগব্যাধি প্রতিরোধে আগাম প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, মৎস্যচাষি ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পুনর্বাসনে সরকার কাজ করবে। কৃষি উৎপাদন পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতি সচল রাখার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শিশু খাদ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজন অনুযায়ী শিশু খাদ্য বিতরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিশুদ্ধ পানির সংকট মোকাবিলায় পানি পরিশোধন যন্ত্র ও বোতলজাত পানি সরবরাহের ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, স্বাস্থ্য বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান সমন্বিতভাবে কাজ করছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল সভায় বন্যাকবলিত জেলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি ও করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

প্রত্যন্ত এলাকাতেও ত্রাণ পৌঁছাতে সব বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:26 pm
প্রত্যন্ত এলাকাতেও ত্রাণ পৌঁছাতে সব বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলার বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং ত্রাণ কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বপ্রাপ্ত জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছে দিতে প্রশাসনের পাশাপাশি কোস্ট গার্ড, বিজিবি, আনসার এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা সমন্বিতভাবে কাজ করছেন। প্রত্যন্ত অঞ্চলের দুর্গত মানুষও যাতে সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে প্রশাসনের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে দুর্যোগ পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, গত পাঁচ দিন ধরে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলার দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের পক্ষ থেকে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সেই দায়িত্বের অংশ হিসেবে তিনি চট্টগ্রামে এসে প্রশাসনের সঙ্গে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছেন।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত একটি গণতান্ত্রিক সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছেন এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। পরিস্থিতির উন্নতি হলে ধাপে ধাপে পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, এরইমধ্যে চট্টগ্রাম জেলার সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। আগের দিন দীর্ঘ সময় ধরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুর্যোগ পরিস্থিতি, ক্ষয়ক্ষতি এবং ত্রাণ কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়েছে।

ত্রাণ কার্যক্রমের বিষয়ে তিনি বলেন, যেখানে প্রয়োজন, সেখানে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতেও সহায়তা পৌঁছে দিতে কোস্ট গার্ড, বিজিবি, আনসার এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা সমন্বিতভাবে কাজ করছেন।

তিনি আরও জানান, দক্ষিণ চট্টগ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলাগুলোতে ত্রাণের পরিমাণ আরও বাড়ানো হচ্ছে। কোনো দুর্গত মানুষ যাতে সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন, সেজন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী আরও ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুনর্গঠন কার্যক্রমও আরও জোরদার করা হবে।

যুবদল নেতা ইকবাল হোসেন’র পরিবারের পক্ষ থেকে রান্না করা খাবার বিতরণ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 3:21 pm
যুবদল নেতা ইকবাল হোসেন’র পরিবারের পক্ষ থেকে রান্না করা খাবার বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি ইকবাল হোসেন এর পরিবারের পক্ষ থেকে উত্তর পতেঙ্গা সি ইউনিট বিএনপি নেতা হাজী ইলিয়াছ হোসেন এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে অতিবৃষ্টির কারণে পানি বন্দি পরিবার এর মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়।

ইকবাল হোসেন পানিবন্দি মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে তাদের দুর্ভোগের কথা শোনেন এবং মাইজপাড় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ নিয়েছি। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন। মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে উত্তর মাইজপাড়া ৪১ নং এবং ৪০ নং ওর্য়াড় মাইজপাড়া এলাকার ২০০ পরিবারের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়।

এ সময় নেতৃবৃন্দরাসহ এলাকার বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।