খুঁজুন
, ,

বিশেষ শিশুদের(অটিজম) অস্বচ্ছল পরিবারদের সিটি মেয়রের ব্যক্তিগত তহবিল হতে উপহার প্রদান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 23 April, 2020, 7:31 pm
বিশেষ শিশুদের(অটিজম) অস্বচ্ছল পরিবারদের সিটি মেয়রের ব্যক্তিগত তহবিল হতে উপহার প্রদান

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, “অটিজম আক্রান্তরা আমাদের পরিবার তথা সমাজের অবিচ্ছেদ্য সদস্য। তাদেরকে সফল ও কর্মক্ষম ব্যক্তিতে পরিণত করতে বাংলাদেশের অটিজম বিষয়ক জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারপারসন ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণপূর্ব এশিয়া অঞ্চলের ‘শুভেচ্ছা দূত’, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা ড.সায়মা ওয়াজেদ হোসেন সর্ব প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন। আজ সমাজ ও রাষ্ট্রে অটিজমরা স্বাভাবিকদের ন্যয় প্রতিষ্ঠিত।

তিনি বলেন, আমাদের সকলেরই সমাজে সমানভাবে খেয়ে পরে বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে, তেমনি রয়েছে অটিজমদেরও। এই মহামারীতে তাদেরও কষ্ট হচ্ছে, কিন্তু শারীরিক কিংবা মানসিকগত সমস্যার কারনে তারা লাইনে দাঁড়িয়ে ত্রাণ গ্রহন করতে পারছেন না। এই উপলব্ধি থেকে আমি উদ্যোগ গ্রহণ করেছি অটিজম সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কিংবা ব্যক্তি পর্যায়ে ভোগ্যপন্য সামগ্রী উপহার হিসেবে পৌঁছে দেব।

তিনি বলেন, অটিজম আক্রান্তদের সামাজিক ও পারিবারিক চ্যালেঞ্জ রয়েছে তা মোকাবিলায় আমরাদেরকে দায়িত্ব নিয়েই এগিয়ে আসতে হবে। মেয়র বলেন, আমি মনে করি আমরা যদি বিশেষ শিশুদের(অটিজম) খাদ্যের জোগান দিতে পারি তাহলে তারা ঘরে থেকে সুস্থ পরিবেশে জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাবে।

তিনি আরো বলেন, অটিজম আক্রান্তদের মৌলিক অধিকার পেতে সমাজে জায়গা করে দিতে হবে যাতে তারা তাদের অবদান রাখতে পারে। অন্যথায় আমরা দায় এড়াতে পারবো না।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে টাইগারপাস্থ চসিক নগরভবনের সম্মেলন কক্ষে চট্টগ্রামের বিশেষ শিশুদের(অটিজম) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহের অস্বচ্ছল ও কর্মহীন ১৮০ পরিবারকে সিটি মেয়রের ব্যক্তিগত তহবিল হতে ভোগ্যপন্য উপহার হিসেবে তুলে দেয়ার সময় মেয়র এসব কথা বলেন।

আজ প্রদত্ত ১১ টি অটিজম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ভোগ্যপন্য উপহার তুলে দেয়া হয়েছে সেগুলো হলো-চট্টগ্রাম সেনা নিবাসস্থ প্রয়াসকে ১২ টি, বাংলাদেশ নৌ-বাহিনীর আশার আলোকে ১২টি, স্পেকট্রা স্কুল অব অটিজমকে ৩৪ টি, প্রেরণা অটিজম স্কুলকে ৮টি, দিপালয় অটিজম স্কুলকে ১০ টি, মাতৃস্নেহ অটিজম একাডেমীকে ৮টি, ড্রীম স্ট্রারস্ অটিজম একাডেমীকে ১০ টি, সুইট বাংলাদেশ চট্টগ্রামকে ২০ টি, সেহের অটিজম সেন্টারকে ৯টি,নিষ্পাপ স্কুল অব অটিজমকে ৫০ টি, প্রাক প্রাথমিক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্কুলকে ৭টি সহ মোট ১৮০ টি পরিবারের মাঝে এই উপহার তুলে দেয়া হয়।

এসময় প্রতিষ্ঠান সমূহের প্রতিনিধি কপৌরাল হোসেন, মাহবুব খান, নাজিম উদ্দিন, চুমকি চক্রবর্তী, মনিষা সেনগুপ্ত, তাব্বাসুম জেরিন, সোমা চক্রবর্তী, লায়ন এম.এইচ খান, চসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুদীপ বসাক ও ঝুলন কুমার দাশ সহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় মেয়র এই সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্টদের অবহিত করে বলেন এই দুর্যোগকালীন মূহুর্তে বিশেষ শিশুদের (অটিজম) জরুরী স্বাস্থ্য সেবা ও ত্রাণ সহায়তার প্রয়োজন হলে তাঁকে যেন মুঠোফনে অথবা ক্ষুদে বার্তায় অবশ্যই জানানো হয়।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

সাত অঞ্চলে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 3 September, 2026, 8:29 am
সাত অঞ্চলে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা

দেশের সাত অঞ্চলের ওপর দিয়ে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এদিকে বুধবার রাতে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত সারাদেশের সম্ভাব্য পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 3 September, 2026, 8:18 am
নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ

নেপালের ভোটেকোশি নদীতে গত ২৬ আগস্ট ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার ঘটনা ঘটে। এতে শত শত মানুষ নিহত হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন অবকাঠামো ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যারমধ্যে আছে হাইড্রোপাওয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোও। আর এ কারণে বাংলাদেশে নেপালের বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।

গতকাল বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্ট।

এতে বলা হয়েছে, বর্ষাকালে নদীর পানি বাড়লে হাইড্রোপাওয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ে। এ সময় নিজেদের চাহিদা মিটিয়েও নেপালের বাড়তি বিদ্যুৎ থাকে। যা রপ্তানি করা হয়।

বাংলাদেশ সদ্যই ভারতীয় গ্রিড ব্যবহার করে নেপালের বিদ্যুৎ আনছিল। তবে এখন এ বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।

কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, ভোটেকোশি নদীতে আকস্মিক বন্যার পর অনেক হাইড্রোপাওয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেছে।

শুষ্ক মৌসুমেও নেপাল গড়ে ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করে আসছিল। কিন্তু এখন এটি ৬৫০ মেগাওয়াটে নেমে এসেছে।

নেপালে শীতকালে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যায়। এ কারণে দেশটিকে বিদ্যুৎ আমদানি করতে হতো। তবে হাইড্রোপাওয়ার প্রকল্পের মাধ্যমে নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে দেশটি আঞ্চলিক বিদ্যুৎ রপ্তানিকারকের ভূমিকায় আসছিল।

বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানির অনুমোদন ছিল ২২ দশমিক ১ মেগাওয়াটের চিলমি হাইড্রোপাওয়ার প্রজেক্ট এবং ২৪ মেগাওয়াটের ত্রিশূলি হাইড্রোপাওয়ার প্রজেক্টের। এ দুটি কেন্দ্রই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে গত সপ্তাহ থেকে তারা বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রেখেছে।

প্রতিষ্ঠান দুটি মার্কিন ডলারের বিনিময়ে ভারতের গ্রিড দিয়ে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি শুরু করেছিল।

নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দীর্ঘায়ু কুমার শ্রেষ্ঠ বলেছেন, “বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা দুটি কেন্দ্রেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ কারণে আমরা ভারতকে বিকল্প হিসেবে অন্য প্রজেক্ট থেকে বিদ্যুৎ পাঠানোর সুযোগ দিতে অনুরোধ করেছি।”

সাড়ে পাঁচ মাস পর দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 2 September, 2026, 11:48 pm
সাড়ে পাঁচ মাস পর দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস

সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ মাস পর দেশে ফিরেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টায় মির্জা আব্বাসকে বহনকারী ফ্লাইটটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

এ সময় তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাসও সঙ্গে ছিলেন।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

গত ১১ মার্চ ইফতারে পানি পান করার সময় হঠাৎ জ্ঞান হারান মির্জা আব্বাস। অবস্থার উন্নতি না হলে গভীর রাতে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

১৫ মার্চ শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসার পর তাকে মালয়েশিয়ায় চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মির্জা আব্বাস।