খুঁজুন
, ,

মিরসরাইতে র্কমহীন ৩ হাজার হোটেল শ্রমিকের মানবতের জীবন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 30 April, 2020, 5:45 pm
মিরসরাইতে র্কমহীন ৩ হাজার হোটেল শ্রমিকের মানবতের জীবন

আশরাফ উদ্দিন, মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:::করোনা ভাইরাস (কোভডি-১৯) এর প্রার্দূভাবে র্কমহীন হয়ে পড়েছে চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই উপজেলায় দুই শতাদিক হোটেল রস্টেুরেন্টের প্রায় ৩ হাজার শ্রমিক কর্মচারী। দীর্ঘ দেড় মাস ধরে হোটেল রেষ্টুরেন্ট বন্ধ থাকায় চরম কষ্টে দিন কাটছে র্কমহারা এসব শ্রমিক র্কমচারীদের। র্দীর্ঘদিন প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ক্ষতির মুখে হোটেল মালিকরাও।

জানা গেছে, মিরসরাই উপজেলার বিভিন্ন বাজারে অবস্থিত প্রায় দুই শতাধিক হোটেল রেষ্টুরেন্ট রয়েছে। এসব হোটেল রেষ্টুরেন্টে প্রায় ৩ হাজার শ্রমিক কাজ করে। দৈনিক বেতনে কাজ করে যা আয় হয় তা দিয়ে তাদের সংসার চলে। কিন্তু গত দড়েমাস ধরে তারা বেকার বসে থাকায় অনেক কষ্টে খেয়ে না খেয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে দিন কাটছে তাদের।

মিরসরাই পৌরসভায় অবস্থতি আল মক্কা রেষ্টুরেন্টের মালিক রবিউল হোসেন রবি বলেন, রেষ্টুরেন্ট বন্ধ থাকায় আমরা অনেক ক্ষতির সম্মুক্ষিন হচ্ছি। আরো কতদিন এভাবে চলবে জানিনা। আমার এখানে ৩০জন শ্রমিক কাজ করতো। এখন তাদের অনেকেই কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। কেউ তাদের সাহায্য সহযোগীতা করেনি।

একাধিক হোটেল শ্রমিক জানান, হাতে কাজ নেই, পয়সাও নেই। যতই সময় যাচ্ছে ততই আতঙ্ক বাড়ছে, আয় রোজগার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। চারদিকে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের খবর শুনলেও তাদের ভাগ্যে এখনো কোন সাহায্য জোটেনি।

মিরসরাই সদরের র্পাকইন রেষ্টুরেন্টের র্কমচারি মোঃ হাসান ও আলা উদ্দিন বলেন, এক মাসের বেশি সময় ধওে রেষ্টুরেন্ট বন্ধ। বাড়িতে যাওয়ার সময় মালিক যে টাকা দিয়েছে তা ১০ দিনে খরচ হয়ে গিয়েছে। এরপর থেকে অনেক কষ্টে আমাদের দিন যাচ্ছে। চারদিকে ত্রাণ সামগ্রী দেয়ার কথা শুনতেছি, কিন্তু আমাদের ত্রাণ দেয়া তো দুরের কথা কেউ আমাদের একবার কেমন আছি জেজ্ঞেস ও করেনি।

র্পাকইন রেষ্টুরেন্টের মালিক শাহাদাত হোসেন বলেন, শ্রমিকরা বার বার ফোন দিচ্ছে কখন রেষ্টুরেন্ট খুলবো। তারা বাড়ি থেকে চলে আসতে চাইছে। আর পারছে না বসে থাকতে। রমজান উপলক্ষে প্রশাসনের বিধি মেনে ৩ ঘন্টা ইফতারি আইটেম বিক্রির জন্য খোলার জন্য চিন্তা করছিলাম, কিন্তু হিসেব করে দেখলাম পুজিও উঠবেনা। তাই খোলা রাখার চিন্তা বাদ দিয়েদিয়েছি।

বারইয়ারহাট গ্রীণর্পাক রেষ্টুরেন্টের মালিক নজরুল ইসলাম লিটন বলেন, রমজান উপলক্ষে ভোক্তাদের চাহিদার কথা বিবচেনা করে হরেক রকম আইটেম ইফতারি তৈরি করা হয়। ব্যাস্ত সময় পার করে কারিগররা। অথচ করোনা ভাইরাসের প্রভাবে এখন সেই আবস্তা আর নেই। আমাদের রেষ্টুরেন্টে ৪০ জন কর্মচারী রয়েছে। যারা এখন মানবেতর জীবন যাপন করছে। আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করবো হোটেল শ্রমিকদের তালিকা তৈরি করে যেন সরকারিভাবে ত্রাণের ব্যাবস্থা করা হয়।

এব্যাপারে ৫নং ওর্য়াড কমশিনার জহরি উদ্দিনের সাথে সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সরকারের নির্দেশিত ১১ ক্যাটাগরির নাগরিকদের আমরা ত্রাণসহায়তা সম্বব হয় নি। যার কারনে হোটেল শ্রমিকরা আওতার বাহিরে ছিল। যেহেতু স্থানিয়ভাবে ত্রাণ বিতরণ করা হয় নিশ্চই হোটেল শ্রমিকরা তাদের এলাকায় ত্রান পেতে পারে।

২৪ ঘণ্টা/এম আর/আশরাফ

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।