খুঁজুন
, ,

অসহায় পশু-পাখীদেরও খাবার দিয়ে বাঁচিয়ে রাখা উচিত:চসিক মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 8 May, 2020, 7:45 pm
অসহায় পশু-পাখীদেরও খাবার দিয়ে বাঁচিয়ে রাখা উচিত:চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন আজ দুপুরে নগরীর কাজীর দেউড়িস্থ স্টেডিয়াম এলাকার অভুক্ত ভবঘুরে কুকুরদের খাবার দিয়েছেন।

সিটি মেয়রের উদ্যোগে কুকুরদের জন্য প্রত্যেক পাড়ায় মহল্লায় আজ প্রায় ১ মাস যাবত এই রান্না করা খাবার বিতরণ চলছে।

রান্নাকরা খাবারগুলো প্রতিদিন বিভিন্ন পশুপ্রেমী ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট সংগটনের মাধ্যমে পরিবেশন করা হয়ে থাকে।

খাবার দেয়াকালে মেয়র বলেন, দীর্ঘ প্রায় দুমাস যাবত অঘোষিত লক ডাউনের কারণে দেশের প্রাণীকূল বিশেষ করে কুকুরগুলো অভুক্ত অবস্থায় অসহায়ভাবে দিন পার করছে। দোকাপাট রেস্তোরাঁগুলো বন্ধ থাকায় কুকুরগুলো এখন খেতে না পেয়ে অসহায় হয়ে পড়ছে। জ্বালাতন করছে পাড়া প্রতিবেশিদের। আমাদের চিন্তা করতে হবে তাদেরও প্রান আছে,বেঁচে থাকার জন্য তাদেরও খাদ্যের প্রয়োজন। স্বাভাবিকাবস্থায় এই কুকুরগুলো প্রতিদিন গড়ে এক কেজি ময়লা আবর্জনা খেয়ে আমাদের পরিচ্ছন্ন কাজের অংশীদারিত্ব করছে। সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে আমরা মানুষের জন্য সাহায্য নিয়ে যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছি সেভাবে অসহায় পশু-পাখী, বিড়াল-কুকুরকেও আমাদের খাবার দিয়ে বাঁচিয়ে রাখা উচিত। কারণ পৃথিবীর ভারসাম্য রক্ষায় প্রত্যেক প্রাণীরই প্রয়োজন রয়েছে। আর কুকুরতো প্রভুভক্ত একটি প্রানীও বটে।

খাবার দেয়ার সময় সাংবাদিক আলী আব্বাস, ফারুক, ছাএনেতা দিদারুল আলম, হেলাল উদ্দিন, যুবলীগ নেতা মামুনুর রশীদ মামুন, আনিছ, জসিম উদ্দিন, পেয়ারু, মোশাররফ হোসেন লিটন,টিপু দাশ প্রমূখ সিটি মেয়রের সাথে ছিলেন।

আইনজীবী ক্লার্কদের মধ্যে ভোগ্যপণ্য বিতরণ করলেন সিটি মেয়র

করোনা সংক্রমণের এই দুর্যোগ সময়ে চট্টগ্রাম আদালতের ১শত জন আইনজীবী ক্লার্কদের মাঝে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন ভোগ্যপণ্য বিতরণ করেছেন। এই উপলক্ষে গতকাল চট্টগ্রাম আদালত ভবন আইনজীবী ক্লার্ক এসোসিয়েশন কার্যালয়ে ভোগ্যপণ্য বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র বলেন,করোনা ভাইরাস সংক্রমণের এই দুর্যোগ সময়ে স্থবির হয়ে পড়েছে অর্থনীতির চাকা। দীর্ঘদিন আদালত বন্ধ থাকার কারনে এর সাথে সংশ্লিস্টরা নিদারুন কষ্টে দিনাতিপাত করছে। এই বিষয়টি মানবিক বিবেচনায় তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি। এদিকে জামিন শুনানী না হওয়ার কারনে জামিন পাওয়ার হকদারেরা জামিন পাচ্ছেন না। বিষয়টি অনেক দু:খজনক। মেয়র বলেন, নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষের দুর্ভোগ বেড়ে চলেছে। করোনা পরিস্থিতিতে আদালতের আইনজীবী ক্লার্করা মানবেতর কষ্টে দিনাতিপাত করছেন। মধ্যবিত্ত শ্রেণীর এই মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের মানবিক দায়িত্ব। মানুষের জীবন জীবিকা রক্ষায় সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তবে মানবিকতার তাগিদে সরকারের পাশাপাশি বিত্তবান শ্রেণীকেও মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আজ সঠিক সময়। চট্টগ্রাম আইনজীবী ক্লার্ক এসোসিয়েশন সভাপতি নুরুল আবছারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী বক্তব্য রাখেন। এসময় আইনজীবী ক্লার্ক এসোসিয়েশন সাধারণ সম্পাদক তাপস ধর, ক্লার্ক এসোসিয়েশন সাবেক সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিকী, আইনজীবী সহকারী শংকর দাশ,আবু সালেহ জঙ্গিসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।