খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

১৭ লাখ টাকায় মুশফিকের ব্যাট কিনলেন আফ্রিদি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২০, ১১:১৫ অপরাহ্ণ
১৭ লাখ টাকায় মুশফিকের ব্যাট কিনলেন আফ্রিদি

বাংলাদেশে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। কমিউনিটি ট্রান্সমিশনের কারণে ভাইরাসের গতিরোধ করা অনেকটাই অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আক্রান্তদের চিকিৎসা ও ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের জন্য প্রয়োজন বড় অঙ্কের অর্থ সহায়তা।

সেই ভাবনা থেকেই নিজের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির ব্যাট নিলামে তুলেছিলেন মুশফিকুর রহিম। জাতীয় দলের অধিনায়ক থাকাকালে ২০১৩ সালে দেশের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন মুশফিক। গল টেস্টের সেই ইনিংসে মুশফিক যে ব্যাট দিয়ে কিনেছিলেন, তা তোলা হয়েছিল নিলামে। সেই ব্যাট কিনে নিয়েছে পাকিস্তানি ক্রিকেটার শহীদ আফ্রিদির গড়া শহীদ আফ্রিদি ফাউন্ডেশন।

ভুয়া বিডিংয়ের কারণে কিছুটা ঝক্কি-ঝামেলা পোহাতে হলেও ব্যাটটির নিলাম সম্পন্ন হয়েছে। প্রায় ১৭ লাখ (১৬ লাখ ৮০ হাজার) টাকায় ব্যাটটি বিক্রি হয়েছে নিলামে, যার ভিত্তিমূল্য ধরা হয়েছিল ৬ লাখ টাকা। গত ১০ মে রাতে মুশফিকের ব্যাটের নিলাম শুরু হয়। ব্যাট বিক্রির পুরো অর্থই করোনাভাইরাস মোকাবেলায় কাজে খরচ করা হবে।

২০১৩ সালে গল টেস্টে ঐতিহাসিক এক কীর্তি করে বসেছিলেন মুশফিকুর রহিম। দেশের ইতিহাসের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন শক্তিশালী শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। এরপর তিনি হাঁকিয়েছেন আরও একটি ডাবল সেঞ্চুরি। কিন্তু গলের সেই ২০০ রানের ইনিংস স্বভাবতই বিশেষ কিছু হয়ে আছে। বিশেষ কিছু হয়ে আছে সেই ব্যাটটিও, যে ব্যাট দিয়ে ২০০ রানের ইনিংসটি সাজিয়েছিলেন মুশফিক। প্রিয় ও ঐতিহাসিক সেই ব্যাটটিই তিনি তোলেন নিলামে।

যদিও ভুয়া বিডিংয়ে নিলাম একপর্যায়ে স্থগিত করা হয়। নিলাম শুরুর পরপরই চড়া মূল্য হাঁকাচ্ছিলেন বেনামী ভুয়া বিডাররা। সংশোধিত তথ্য হালনাগাদের পর আবারো বেনামী ও নীল সিনেমার তারকাদের নামধারী বিডাররা দর হাঁকাতে থাকেন। এতে ব্যাটের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে ব্যাটের নিলাম স্থগিত করেন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…