খুঁজুন
, ,

সন্দ্বীপে যুবলীগ সভাপতির নেতৃত্বে আ’লীগ নেতার বাড়িতে হামলা,নারীসহ আহত ৭

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 16 May, 2020, 11:30 am
সন্দ্বীপে যুবলীগ সভাপতির নেতৃত্বে আ’লীগ নেতার বাড়িতে হামলা,নারীসহ আহত ৭

সন্দ্বীপের মুছাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের বাড়িতে বাড়িতে দলবেধে দফায় দফায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। সন্দ্বীপ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ছিদ্দিকুর রহমানের নেতৃত্বে এই হামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় নারীসহ ৭ জন মারাত্মকভাবে আহত হয়ে বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

শুক্রবার (১৫ মে) ইফতারের আগে থেকে শুরু হয়ে এই ঘটনার রেশ চলতে থাকে রাত পর্যন্ত।

হামলার শিকার মুছাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোবারক ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে বলেন, ‘রাকিব নামের এক ছাত্রলীগ কর্মী গত তিন মাস ধরে মোবাইল ফোনে আমার স্ত্রীকে বিরক্ত করছে। রাকিবকে ব্যক্তিগতভাবে এসব অপকর্ম করতে নিষেধ করার পরেও সে দ্বিগুন হারে বিরক্ত করে যাচ্ছিলো, রাকিবসহ আরো কয়েকজন বখাটে প্রতিনিয়ত পুকুর পাড়ে আড্ডা দিতো যে কারনে মোবারকের বাড়ির মহিলারা পুকুর ব্যবহার করতেও সমস্যায় পরতো, গত শুক্রবার (১৫ মে) বিকেলে সে আমার বাড়ির পুকুর পাড়ে আড্ডা মারতে আসলে আমি তাকে জোর করে তাড়িয়ে দিয়েছিলাম।

এরপর আমি বাজারে গিয়ে কিছু সদাইপাতি কিনে ফেরার পথে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ভাগ্নে ও অপহরণ মামলার আসামী নুরনবী শাকিল ও রাকিবসহ ২০-২৫ জন মিলে আমার ওপর অতর্কিত হামলা করে। ইফতারের আগ মুহূর্তে তারা আবার বাড়িতে এসে আমার ওপর হামলা চালায়। এ সময় আমার মাকেও লাঠি ও দা’য়ের পিঠ দিয়ে মেরে আহত করে। এসময় আমাদের ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাবেক সেক্রেটারি ফোরকানের ছেলে আমাকে বাঁচাতে আসে। এর জের ধরে পরে ফোরকানের পরিবারের ওপরও তারা হামলা চালায়।’

তৃতীয় দফায় মুছাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ফোরকান উদ্দীনের বাড়িতে হামলার সময় উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নিজে উপস্থিত ছিলেন জানিয়ে ফোরকান উদ্দিন চট্টগ্রাম বলেন, ‘হঠাৎ ছিদ্দিকসহ ২৫-৩০ জনের সন্ত্রাসী বাহিনী এসে আমার মা, বউ, ছেলেদের ওপর হামলা চালায়। আমার যে ছেলে মোবারককে বাঁচিয়েছিল তাকে না পেয়ে অন্যদের ওপর তারা হামলা চালায়। আমরা এখন গাছুয়া হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছি। এই ঘটনার কথা সন্দ্বীপের এমপিসহ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, আওয়ামী লীগ সভাপতি সবাইকে জানানো হয়েছে।’ সুস্থ হলে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে বলে তিনি জানান।

এই বিষয়ে মুছাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল খায়ের নাদিম বলেন, ‘এই ঘটনা খুবই দুঃখজনক। যুবলীগ সভাপতি ছিদ্দিকের নেতৃত্বে হামলা হয়েছে। মোবারক ও ফোরকানের পরিবারের কয়েকজনকে মেরে রক্তাক্ত করা হয়েছে। এই ঘটনা এমপি মহোদয়কে জানিয়েছি। তিনি চিকিৎসা করতে বলেছেন। পরে তিনি ঘটনা দেখবেন বলে জানিয়েছেন।’

তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে যুবলীগ সভাপতি ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘আমি হামলার সময় ছিলাম না। হামলার পর পুলিশ যখন তদন্ত করতে গেছে তখন সেখানে আমিও গিয়েছিলাম। আমি এখন থানায় আছি।’

এদিকে ছিদ্দিকুর রহমান পুলিশের তদন্ত দলের সাথে ঘটনাস্থল ঘুরে থানায় এসেছেন বলার মিনিট দশেক বাদে বিস্তারিত জানতে চাইলে সন্দ্বীপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ শরীফুল ইসলাম বলেন, ‘আমি কিছু জানিনা। ঘটনা তদন্ত করতে থানা থেকে লোক গেছে, তারা আসলে বলতে পারবো।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক যুবলীগ সভাপতির নির্যাতনের স্বীকার এলাকাবাসী থেকে পাওয়া তথ্যে জানা যায় সিদ্দিকুর দীর্ঘদিন যাবত এলাকায় ত্রাসের রাজনীতি কায়েম করে যাচ্ছে তার ভয়ে কেউ মুখ খুলতেও ভয় পায়। সন্ত্রাসী বাহিনীর বেশিরভাগ সদস্য সিদ্দিকের আত্মীয় স্বজন বলে জানা যায়। এদের মধ্যে তার ভাগ্নে রাজু ও নুরনবী শাকিল গতবছর এক স্কুল ছাত্রীকে অপহরণ করে ও অপহৃত ছাত্রীর ভাইকে কুপিয়ে আহত করার মামলার আসামী।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।