খুঁজুন
শনিবার, ১১ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

করোনায় মারা গেলেন কক্সবাজারের সাংবাদিক মোনায়েম খান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২০, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
করোনায় মারা গেলেন কক্সবাজারের সাংবাদিক মোনায়েম খান

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ডেইলি ফিনেন্সিয়াল এক্সপ্রেস এর কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি, সিনিয়র সাংবাদিক আবদুল মোনায়েম খান ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি–রাজিউন)।

রোববার (৭ জুন) বেলা আড়াইটার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ-তে নেয়ার পর পরই তিনি শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করেন।

বিষয়টি আবদুল মোনায়েম খানের সাথে থাকা তার সহধর্মিণীর ভাই জয়নাল আবেদীন নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মোনায়েম খানের অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন ছিলো। তাঁর শরীরে অক্সিজেন সিসুরেশনের মাত্রা ৬০-৪০ এ উঠা নামা করছিলো। যা সুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবে ৯৩ দরকার।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের করোনা ওয়ার্ডের রেড জোনে চিকিৎসাধীন থাকা আবদুল মোনায়েম খানের অবস্থার গুরতর অবনতি হয় রোববার ৭জুন ভোর থেকে। পরে কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আজম নাসিরের সহায়তায় একই হাসপাতালে তার জন্য আইসিইউ এর ব্যবস্থা করে রোববার বেলা ২টার পর তাকে আইসিইউ-তে নেওয়া হয়। আইসিইউ-তে নেওয়ার পর পরই আবদুল মোনায়েম খান সবাইকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে না ফেরার দেশে চলে যান।

মোনায়েম খান (৫৪) কক্সবাজার শহরের তারাবনিয়ার ছরা কবরস্থান রোডের মরহুম কানুনগো বদিউল আলমের জ্যেষ্ঠ পুত্র।

সাংবাদিক মোনায়েম খান গত মে থেকে প্রচন্ড জ্বরে ভুগছিলেন। গত ৩১ মে তার ও তার সন্তান, কক্সবাজার সিটি কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র মোহাইমেন এর স্যাম্পল টেস্টে দেওয়া হয়। গত ৩১ মে আবদুল মোনায়েম খান ও সন্তান মোহাইমেন এর, ‘পজেটিভ’ রিপোর্ট আসে। ১ জুন রাতে আবদুল মোনায়েম খানকে উখিয়া SARI Isolation & treatment centre এ ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে গত ৩ জুন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে তাকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছিলো।

২৪ ঘণ্টা/এম আর/রানা

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…