খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মানবতার উজ্জল দৃষ্টান্ত, বৌদ্ধ মুক্তিযোদ্ধার শেষকৃত্যে গাউসিয়া কমিটি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২০, ৪:২২ অপরাহ্ণ
মানবতার উজ্জল দৃষ্টান্ত, বৌদ্ধ মুক্তিযোদ্ধার শেষকৃত্যে গাউসিয়া কমিটি

২৪ ঘণ্টা ডট নিউজ। রাউজান প্রতিনিধি : চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার উত্তর পোমরা বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিশিষ্ট ব্যাবসায়ি সুব্রত বিকাস বডুয়া (৬৭) জ্বর ও শ্বাস কষ্ট নিয়ে মারা গেলে তাঁর গোসল ও শেষ কৃত্য সম্পন্ন করলেন গাউসিয়া কমিটির কর্মীরা।

আজ রোববার সকালে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটির সদস্য ও উত্তর জেলা কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আলহাজ্ব আহসান হাবিব চৌধুরীর নেতৃত্বে গাউসিয়া কমিটি রাউজান ও রাঙ্গুনিয়া উপজেলা শাখার সেচ্ছাসেবী টিম একাজে অংশ নেন।

মুক্তিযোদ্ধার পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে তিনি গতকাল শনিবার বিকাল ৪ টায় নগরীর একটি হাসপাতালে মারা যান। একই দিন রাতে তাঁর লাশ বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। এরপর গোসল ও শেষ কৃত্যের কাজ করতে গাউসিয়া কমিটির সহযোগিতা চান পরিবার। সাড়া দেন গাউসিয়া কমিটির কর্মীরা। পরে রোববার সকালে শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

গাউসিয়া কমিটির একাজের কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটির সদস্য ও উত্তর জেলা কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আলহাজ আহসান হাবিব চৌধুরী বলেন মুঠোফোনে পরিবারটির সহযোগিতার আবেদনের খবর পেয়ে রোববার সকাল ১০ টায় গাউসিয়া কমিটির কর্মীরা লাশ অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামিয়ে গোসল দেয়া ও শেষ কৃত্যের কাজ সম্পন্ন করেন।বৌদ্ধ মুক্তিযোদ্ধার শেষকৃত্যে গাউসিয়া কমিটি

এরমধ্যে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা প্রশাসন ও গার্ড অব অনার প্রদান করেন। তিনি বলেন বৌদ্ধ ধর্মের নিয়ম অনুযায়ী তাঁদের ধর্ম গুরুরা তাঁদের সহযোগীতা করেন।

মারা যাওয়া মুক্তিযোদ্ধার ছেলে তমাল বড়ুয়া বলেন শনিবার তাঁর বাবা নগরীর একটি হাসপাতালে শ্বাস কষ্ট নিয়ে মারা যান। এরপর রোববার সকালে লাশ গোসল ও শেষকৃত্য করেন গাউসিয়া কমিটির স্বেচ্ছাসেবীরা। তাঁদের ধর্মীয় গুরুদের সহযোগীতা নিয়ে গাউসিয়া কমিটি শেষকৃত্য সম্পন্ন করেন বলে জানান তিনি।

গোসল ও শেষকৃত্যে অন্যান্যদের মধ্যে অংশনেন রাঙ্গুনিয়া উপজেলা গাউসিয়া কমিটির সাধারণ মাষ্টার জাফর, রাউজান ফকীর হাট গাউছিয়া কমিটির সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম, গহিরা ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার আলী, রাউজান দক্ষিণ হিংগলা তৈয়বীয়া স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক মাকসুদুল আলম সুমন, সিকদার ঘাঠা ইউনিট শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক তাওহীদুল ইসলাম জব্বার ও মুক্তি যুদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডার সদস্য সচিব অর্জুন রড়ুয়া প্রমুখ।

২৪ ঘণ্টা/নেজাম উদ্দিন রানা/আর এস পি

Feb2

পটিয়ায় মুক্তিপণের জন্য অপহরণ, বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার: প্রতিবেশীসহ ৫ জন গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ২:২৩ অপরাহ্ণ
পটিয়ায় মুক্তিপণের জন্য অপহরণ, বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার: প্রতিবেশীসহ ৫ জন গ্রেপ্তার

আবদুল্লাহ আল নোমান পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের পটিয়ায় অপহরণের দুই দিন পর পাঁচ বছর বয়সী শিশু মো. জায়হানের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ভোরে পটিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ গোবিন্দারখীল গ্রামের পূর্বপাড়া এলাকার একটি ময়লার ভাগাড়ে যৌথ অভিযানে ডিবি ও থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মো. সাইফুল, শাহানুর, নিহা, নিহান ও ওয়াসিফা।

পুলিশ জানায়, তাদের বসতঘরের পেছনের ময়লার ভাগাড় থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

এর আগে অপহৃত শিশুর পরিবারের শয়নকক্ষের বিছানায় একটি হাতে লেখা মুক্তিপণের চিঠি পাওয়া যায়। চিঠিতে শিশুটিকে ফেরত পেতে ৩০ মিনিটের মধ্যে ৩ লাখ টাকা এবং পরিবারের একজনের আনলক করা মোবাইল ফোন নির্দিষ্ট স্থানে রেখে যেতে বলা হয়েছিল। ঘটনাটি জানার পর পুলিশ চিরকুটটি আলামত হিসেবে জব্দ করে তদন্ত শুরু করে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে বাড়ির সামনের রাস্তায় খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় শিশু জায়হান। দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পরও তাকে না পেয়ে প্রথমে পরিবারের ধারণা ছিল, সে পাশের পুকুরে পড়ে গেছে। পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় পুকুরে তল্লাশি চালিয়েও কোনো সন্ধান না মেলায় পটিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। একই সময়ে উদ্ধার হয় মুক্তিপণের সেই চিঠি।

নিহত শিশুর স্বজনদের অভিযোগ, অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে প্রতিবেশীরাই শিশুটিকে অপহরণ করে। পরে বিষয়টি ফাঁস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তাকে হত্যা করে মরদেহ বস্তায় ভরে ময়লার ভাগাড়ে ফেলে রাখা হয়। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার পর অভিযুক্তরাই পরিবারের সঙ্গে শিশুটিকে খোঁজার নাটকও করেছিল।

চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাতকানিয়া সার্কেল) আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী জানান, ভোরে অভিযান চালিয়ে বাড়ির পাশের ডোবা সংলগ্ন স্থান থেকে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

উজবেকিস্তানকে বিশ্বমঞ্চ চেনাল কলম্বিয়া

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ১২:৩৪ অপরাহ্ণ
উজবেকিস্তানকে বিশ্বমঞ্চ চেনাল কলম্বিয়া

ফুটবল বিশ্বকাপে প্রথমবার চমক দেখানোর স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নেমেছিল উজবেকিস্তান। তবে নবাগতদের সেই রঙিন স্বপ্নকে লাতিন আমেরিকার মাঠের কঠোর বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিল কলম্বিয়া। উজবেক ডিফেন্সের সব প্রতিরোধ ভেঙে ৩-১ গোলের বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে লাতিন আমেরিকার দেশটি।

ম্যাচের শুরু থেকেই চেনা লাতিন ছন্দে আক্রমণ চালাতে থাকে কলম্বিয়া। এরপরও প্রথম গোলে র জন্য ৪০ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় তাদের। এসময় গোল করে দলকে লিড এনে দেন ড্যানিয়াল মুনোজ। লুইস দিয়াজের দেওয়া পাসে গোলটি করেন তিনি। প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-০ ব্যবধানে।

ম্যাচে ফিরতে দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণ বাড়াতে থাকে উজবেকিস্তান। সেই সুবাদে ৬০তম মিনিটে আসে সমতাসূচক গোলটি। গোলটি করেন আববোসবেক ফয়জুললভ।

কিন্তু তাতেও শেষ রক্ষা হয়নি প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে আসা দলটির। এরপর উজবেকিস্তানের জালে আরও দুবার বল পাঠায় কলম্বিয়া। ৬৫তম মিনিটে দলের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন লুইস দিয়াজ। আর ম্যাচের একদম অন্তিম মুহূর্তে ব্যবধান ৩-০ করেন জেমিনটন ক্যাম্পাজ।

এই জয়ের ফলে গ্রুপ পর্বে নিজেদের অবস্থান অনেকটাই মজবুত করল কলম্বিয়া। সর্বোচ্চ তিন পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে অবস্থান তাদের। আর টেবিলের তলানিতে রয়েছে উজবেকিস্তান।

৯৫তম মিনিটের গোলে পানামাকে হারাল ঘানা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৯:৫১ পূর্বাহ্ণ
৯৫তম মিনিটের গোলে পানামাকে হারাল ঘানা

পানামা তাদের বিশ্বকাপ ইতিহাসের প্রথম পয়েন্ট পাওয়ার খুব কাছে ছিল। ঘানাকে রুখে দেওয়ার একেবারে দ্বারপ্রান্তে ছিল তারা। কিন্তু যোগ করা সময়ে আচমকা গোল হজম করল দলটি। তাতে ৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে জয়শূন্যই থাকতে হলো তাদেরকে।

বদলি গোলকিপারের বীরত্বের পর যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে গোল করে ঘানা। তাতে ১-০ ব্যবধানে জিতে ‘এল’ গ্রুপে নিজেদের প্রথম ম্যাচ জিতল তারা।

২০১০ সালের কোয়ার্টার ফাইনালিস্ট ঘানা যোগ করা সময়ের একেবারে শেষ মুহূর্তে গোল করে। টরন্টোতে কালেব ইয়েরেঙ্কির একমাত্র গোল গড়ে দেয় ম্যাচের পার্থক্য। বেঞ্চ থেকে উঠে এসে তাকে গোল বানিয়ে দেন ব্রান্ডন থমাস আসান্তে।

অথচ পুরো ম্যাচজুড়ে পানামার দাপট ছিল। ৬২ শতাংশ বল দখলে রেখেছিল তারা। ১১টি শটও নিয়েছিল পানামা, বিপরীতে ঘানার আটটি। ঘানার বদলি গোলকিপার বেঞ্জামিন আসারে শেষ ৪৫ মিনিট গোলপোস্টে থেকে তিন সেভে পানামাকে হতাশ করেন।

এর মধ্যে তিনি বক্সের মধ্যে থেকে নেওয়া দুটি শট ঠেকান। দলের উদ্ধারকর্তা হিসেবে ম্যাচে ছাপ রাখেন আসারে। তারপর অপ্রত্যাশিতভাবে শেষ মুহূর্তে গোল খেয়ে বসে পানামা। থমাস আসান্তে আলগা বল পেয়ে বাঁ দিক দিয়ে ঢোকেন এবং গোলমুখের সামনে বল ঠেলে দেন। সেখান থেকে ইয়েরেঙ্কি জাল কাঁপান।

ঘানা তাদের মিডফিল্ডার থমাস পার্টিকে ছাড়া মাঠে নামে। ইংল্যান্ডে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত এই ফুটবলারকে ভিসা দেয়নি কানাডা।

প্রথমার্ধে গোলে নেওয়া একমাত্র শট এসেছিল দুই মিনিটের মধ্যে। পানামা ফরোয়ার্ড সিসিলিও ওয়াটারম্যান নিচু ক্রস পান আমির মুরিলোর কাছ থেকে। বক্সের মাঝ থেকে শট নেন তিনি। কিন্তু আতি জিগি ডানপাশে ডাইভ দিয়ে বল ফিরিয়ে দেন।

এই গোলকিপার কয়েকটি সংঘর্ষের ধাক্কা সামলানোর পর হাফটাইমে বদলি হয়ে মাঠ ছাড়েন। তার পরিবর্তে নেমে নায়কের ভূমিকা পালন করেন আসারে।