খুঁজুন
, ,

ভেজাল ঔষধ বিক্রয়, বিপণন এবং উচ্চমূল্যের সিন্ডিকেটকে ক্রসফায়ার দেওয়ার দাবী সুজনের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 16 June, 2020, 6:41 pm
ভেজাল ঔষধ বিক্রয়, বিপণন এবং উচ্চমূল্যের সিন্ডিকেটকে ক্রসফায়ার দেওয়ার দাবী সুজনের

করোনাকালীন পরিস্থিতিতে ভেজাল ঔষধ বিক্রয়, বিপণন এবং উচ্চমুল্যের সিন্ডিকেটের সাথে জড়িতদের ক্রসফায়ারের মতো কঠিন শাস্তি প্রদানের দাবী জানিয়েছেন নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) বেলা সাড়ে ১২টায় নগরীর ঔষধ পাড়া খ্যাত হাজারী লেইনে নাগরিক উদ্যোগ আয়োজিত প্রচারণায় উক্ত দাবী জানান।

এ সময় সুজন বলেন, হাজারী লেইন নগরীর বিশাল ঔষধের চাহিদার বিশাল একটি অংশ পূরণ করে। ঐতিহ্যগতভাবে এ বাজারের প্রচুর সুনাম রয়েছে। নগরীর অনেক নামী দামী ব্যবসায়ীও হাজারী লেইনে ঔষধ ব্যবসার সাথে জড়িত।

করোনাভাইরাসকালীন বর্তমান সময়ে মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের চেয়েও একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে হাজির হয়েছে ঔষধ।

তাছাড়া ভাইরাসজনিত কারণে নগরীর অধিকাংশ এলাকার জনগন জ্বর, সর্দি, কাঁশিসহ বিভিন্ন মৌসুমী রোগে ভূগছে। এ পরিস্থিতিতে একটি চক্র জনগনের নিত্য প্রয়োজনীয় ঔষধ সামগ্রীর কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে জনগনকে ভোগান্তিতে ফেলছে। দেখা যাচ্ছে যে সাধারণ রোগীর জ্বরের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধপত্রও পাওয়া যাচ্ছে না এখানে।

সাধারণ জ্বরের জন্য ডাক্তারের পরামর্শকৃত সহজলভ্য ঔষধ যেমন- নাপা এক্সটেন্ড, প্যারাসিটামল, এইস এক্স আর, এইস পাওয়ার, সিভিট, ডকসিক্যাপ, জিম্যাক্সসহ জিথ্রক্স চাইলেই পাওয়া যাচ্ছে না।

অথচ এসব ওষুধগুলো আগে ঔষধের দোকানে হাতের নাগালেই পাওয়া যেতো। প্রশ্ন করলে সরবরাহ নেই বলে সোজা জবাব বিক্রয়কর্মীর, অথচ বাড়তি মূল্য দিলে নিমিষেই পাওয়া যাচ্ছে এসব ঔষধপত্র। এভাবে বাড়তি মূল্য নিয়ে জনগনের পকেট কেটে রাতারাতি কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে গিয়েছে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীচক্র।

যেন করোনা তাদের জীবনে আশীর্বাদ হয়ে নেমে এসেছে। করোনাকালীন পরিস্থিতিতে মানুষের জীবন মৃত্যুর এ সন্ধিক্ষণে ঔষধই যখন জীবন বাঁচিয়ে রাখার একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান হিসেবে প্রতিটি ঘরে ঘরে হাজির হয়েছে ঠিক সেই মূহুর্তে ঔষধের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, ভেজাল ঔষধ বিক্রয়, বিপণন, ঔষধ লুকিয়ে রাখা এবং ঔষধের উচ্চ মূল্যের মতো গর্হিত কাজ করছে এক শ্রেণীর অসাধু সিন্ডিকেট ব্যবসায়ী।

তিনি বলেন, এরা মানবতার শত্রু, এরা অমানুষ, এরা গণদুশমন। এদের বিরুদ্ধে ক্রসফায়ারই একমাত্র উপযুক্ত শাস্তি বলে মত প্রকাশ করেন তিনি, না হয় করোনা আক্রান্ত রোগীদের বাঁচানো কোনভাবেই সম্ভব হবে না।

দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন গ্রাম থেকেও মানুষজন ঔষধের জন্য এসে বাজারের দোকানে দোকানে ঘুরে কাংখিত ঔষধ না পেয়ে বিফল মনোরথে বাড়ীতে ফিরে যাচ্ছে। অথবা কোনভাবে পেলেও অস্বাভাবিক উচ্চমূল্য তাদেরকে প্রচন্ডরকম নিরাশ করছে।

তিনি আরো বলেন, অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যবৃদ্ধির দুষ্টু সিন্ডিকেট চক্রটি জনগনের স্বাস্থ্যসেবার আবশ্যকীয় উপাদান ঔষধের উপর ভর করেছে। করোনা পরিস্থিতিকে পুঁজি করে জনগনকে অস্থির করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য এসব ওষুধের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এছাড়া যেসব ঔষধ জ্বর, সর্দি এবং কাশির জন্য অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ সেসব ঔষধগুলো অধিক হারে উৎপাদনের মাধ্যমে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিজস্ব বিক্রয়কর্মীর মাধ্যমে জনগনের কাছে পৌছে দেওয়ার অনুরোধ জানান। ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্টানগুলোর সময় এসেছে এখন সরকারের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে জনগনের পাশে দাড়ানোর। কোন ধরনের দুষ্টু চক্রের ফাঁদে পা দেওয়া হবে আত্নঘাতি সিদ্ধান্ত।

নাগরিক উদ্যোগের প্রচারনা চলাকালীন সময়ে হাজারী লেইনে উপস্থিত ক্রেতা সাধারণ সুজনকে হাততালি দিয়ে ধারাবাহিকভাবে জনসম্পৃক্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অভিনন্দন জানান।

ক্রেতাসাধারণ এক পর্যায়ে তাঁকে কাছে পেয়ে তাদের হতাশার কথা ব্যক্ত করেন ও ঔষধের দুস্প্রাপ্যতা এবং উচ্চমূল্য নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

তিনি নিজেও বিভিন্ন দোকানের সামনে ভ্রাম্যমান ব্যবসায়ী কর্তৃক বিক্রয়কৃত বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা সামগ্রী হেক্সিসল, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, ডেটল ও স্যাভলন পরীক্ষা করে ভেজাল এবং নিম্নমানের অননুমোদিত পণ্য বিক্রয়ের প্রমান পান। যেগুলোর ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কোন অনুমোদন নেই। বিভিন্ন নামী দামী ব্র্যান্ডের লোগো সুপার কম্পোজের মাধ্যমে নকল করে ভেজাল পণ্যকে বোতলে ভরে ক্রেতাসাধারণকে প্রতারিত করছে এসব ভ্রাম্যমান ব্যবসায়ীরা। তাদেরকে এসব ভেজাল পণ্য বিক্রয়ের ব্যাপারে হাতেনাতে অভিযুক্ত করলে তারা এসব পণ্য আর বিক্রয় করবেন না বলে অঙ্গীকার করেন।

তিনি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা সাদা পোশাকে ক্রেতা সেজে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করার সবিনয় অনুরোধ জানান। ঔষধ নৈরাজ্য বন্ধের দাবীতে প্রশাসনের যে কোন কর্মসূচীতে নাগরিক উদ্যোগ প্রয়োজনে যে কোন সহযোগিতা করতে অঙ্গীকারাবদ্ধ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 11:05 am
সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ স্বর্ণালংকারে দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ দুই হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

​শুক্রবার (৯ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এ তথ্য জানিয়েছে। সোনার এই নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

​বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, আজ (​শুক্রবার) সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এই নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

​নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালংকারে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। যা গতকাল ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা।

​২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এখন থেকে বিক্রি হবে এক লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা।

​সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 9:45 pm
জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নের এক বিশেষ সভা অদ্য বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় চট্টগ্রামস্থ একটি রেস্টুরেন্ট’র হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস এর সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব তানভীর মল্লিকের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেকেএ এর নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ সেলিম।

সভায় জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নাল কমিটি গঠনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জাতীয় কমিটির প্রস্তাবনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রামের বিশেষ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ শাহেদ-কে চট্টগ্রাম রিজিয়নের নতুন চেয়ারম্যান পদে মনোনীত করা হয়।

বরণ অনুষ্ঠানে জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ-কে জেকেএ-এর টাই পরিয়ে দেন এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস ব্যাজ পরিয়ে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল, পিআরইউর সদস্য সচিব ইমরান এমি, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, সেলিম উদ্দিন রাসেল, জাফর আহমেদ খোকন, জিল্লুর রহমান জুয়েল, আতিকুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, রাশেদুল কলিম, শাবাব ইয়াজদানী, মঞ্জুর আলম মঞ্জুসহ কারাতের খেলোয়াড় বৃন্দ।

সভায় নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন কমিটি ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দেন।

জঙ্গল সলিমপুরে সারদার আদলে হচ্ছে পুলিশ একাডেমি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 7:47 pm
জঙ্গল সলিমপুরে সারদার আদলে হচ্ছে পুলিশ একাডেমি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে রাজশাহীর সারদার আদলে প্রায় ৩০০ একর জায়গাজুড়ে একটি পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে ৭২ একর জায়গায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির দ্বিতীয় সভা’ এবং ‘চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত সভা’ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা জানান মন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের সরকারি খাসজমি উদ্ধার করে এলাকাটিকে সন্ত্রাসমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে রাজশাহীর সারদার আদলে প্রায় ৩০০ একর জায়গায় পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে। পাশাপাশি ৭২ একর জায়গায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তর করা হবে।

তিনি বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের অবৈধ অধিবাসীদের পুনর্বাসন এবং সরকারি জমিতে নিয়মতান্ত্রিক সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকায়, বিশেষ করে রঙ্গিখালী ও নোয়াখালীপাড়ায় পাহাড়কেন্দ্রিক অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনা রোধে রামুর ১০ ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের নেতৃত্বে দুটি সেনাবাহিনী ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ক্যাম্পের বাইরের ক্ষতিগ্রস্ত কাঁটাতারের বেড়া পুনর্নির্মাণ, সোলার লাইট স্থাপন, সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো এবং ওয়াচ টাওয়ার ও কন্ট্রোল টাওয়ার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ক্যাম্পের অভ্যন্তরে অপরাধ দমনে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, মাদক কারবার, অনলাইন জুয়া, মানবপাচার ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা বন্ধে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) নেতৃত্বে সমন্বিত যৌথ অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

তিনি জানান, এপিবিএনে কর্মরত প্রায় ৪০০ উপপরিদর্শক (এসআই) পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে মামলার তদন্তভার দেওয়ার আইনি এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে। এতে অপরাধ দমন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তবে জরুরি পরিস্থিতিতে সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেলের নেতৃত্বে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুযায়ী নিরাপত্তা জোরদারের বিধান বহাল রয়েছে বলেও জানান তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক মহলের সহযোগিতা এবং জাতিসংঘের সমন্বিত উদ্যোগে দ্রুততম সময়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব বলে সরকার বিশ্বাস করে।