খুঁজুন
, ,

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে চট্টগ্রাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে: মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 5:43 pm
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে চট্টগ্রাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে: মেয়র

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে চট্টগ্রামের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, আমদানি-রপ্তানি ও শিল্পায়নের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে চট্টগ্রাম দেশীয় উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ীদেরও আকৃষ্ট করছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার মতো আয়োজনের মাধ্যমে দেশীয় উদ্যোক্তারা বিদেশি ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) চট্টগ্রামের কাজীরদেউরীস্থ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে ২০ দিনব্যাপী ৭ম এশিয়া আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা বাংলাদেশ-২০২৬ -এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মিয়া ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের উদ্যোগে আয়োজিত এ মেলা চলবে ৮ অক্টোবর থেকে ২৭ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত। মেলায় বাংলাদেশ ছাড়াও পাকিস্তান, ভারত, থাইল্যান্ড, চীন ও ইরানসহ বিভিন্ন দেশের উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীরা অংশগ্রহণ করছেন।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা প্রতিনিয়ত নতুন নতুন পণ্য ও সেবা নিয়ে কাজ করছেন। কিন্তু উৎপাদিত পণ্যের যথাযথ বাজার সৃষ্টি, প্রচার, প্রসার ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিতি অর্জন করা উদ্যোক্তাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ ধরনের বাণিজ্য মেলা উদ্যোক্তাদের সেই সুযোগ তৈরি করে দেয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম হচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। চট্টগ্রাম বন্দর, শিল্পাঞ্চল, ব্যবসা-বাণিজ্য ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগের কারণে এ নগরীর সঙ্গে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তাই চট্টগ্রামে দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার আয়োজন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

মেয়র দেশীয় উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্যের গুণগত মান উন্নয়ন, আধুনিক বিপণনব্যবস্থা গ্রহণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য উৎপাদনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, শুধু স্থানীয় বাজারের ওপর নির্ভর না করে উদ্যোক্তাদের রপ্তানিমুখী চিন্তা করতে হবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের চাহিদা তৈরি করতে হলে পণ্যের মান, ব্র্যান্ডিং, প্যাকেজিং ও বিপণন ব্যবস্থায় আরও আধুনিকতা আনতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা শুধু পণ্য প্রদর্শনের জায়গা নয় এটি ব্যবসায়িক সম্পর্ক তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। বিভিন্ন দেশের উদ্যোক্তাদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, নতুন ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব সৃষ্টি এবং বিনিয়োগের সুযোগ তৈরির ক্ষেত্রেও এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

চট্টগ্রামকে আরও ব্যবসাবান্ধব ও আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার কথা উল্লেখ করে মেয়র বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্যের বিকাশের সঙ্গে নগর ব্যবস্থাপনার উন্নয়নও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করা গেলে চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হবে।

মিয়া ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের উদ্যোগের প্রশংসা করে মেয়র বলেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের উৎপাদিত পণ্যের বাজার সৃষ্টি, প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে বিভিন্ন বাণিজ্য মেলার আয়োজন করে আসছে। এ ধরনের উদ্যোগ দেশীয় ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বৃহৎ উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন বাজার ও ব্যবসায়িক সম্ভাবনা তৈরিতে সহায়ক হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আবুল হাসেম বক্কর। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মিয়া ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ইসহাক মিয়া।

অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনকে ফুল দিয়ে বরণ করেন মিয়া ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ইসহাক মিয়া। বিশেষ অতিথি আবুল হাসেম বক্করকে ফুল দিয়ে বরণ করেন মিয়া ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের ম্যানেজার মো. তানভীর আহমেদ। পরে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

আয়োজকরা জানান, বাংলাদেশের উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের উন্নয়নে মিয়া ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে। উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্যের বাজার সৃষ্টি, প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন মেলা আয়োজন ও পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় ৮ থেকে ২৭ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত ২০ দিনব্যাপী ৭ম এশিয়া আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা বাংলাদেশ-২০২৬ আয়োজন করা হয়েছে।

মেলায় বিভিন্ন দেশের উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত ও বাজারজাতকৃত পণ্য প্রদর্শন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে দেশীয় পণ্যের প্রচার ও প্রসারের পাশাপাশি বিদেশি উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন।

Feb2
Feb2

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 9:45 pm
জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নের এক বিশেষ সভা অদ্য বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় চট্টগ্রামস্থ একটি রেস্টুরেন্ট’র হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস এর সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব তানভীর মল্লিকের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেকেএ এর নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ সেলিম।

সভায় জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নাল কমিটি গঠনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জাতীয় কমিটির প্রস্তাবনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রামের বিশেষ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ শাহেদ-কে চট্টগ্রাম রিজিয়নের নতুন চেয়ারম্যান পদে মনোনীত করা হয়।

বরণ অনুষ্ঠানে জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ-কে জেকেএ-এর টাই পরিয়ে দেন এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস ব্যাজ পরিয়ে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল, পিআরইউর সদস্য সচিব ইমরান এমি, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, সেলিম উদ্দিন রাসেল, জাফর আহমেদ খোকন, জিল্লুর রহমান জুয়েল, আতিকুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, রাশেদুল কলিম, শাবাব ইয়াজদানী, মঞ্জুর আলম মঞ্জুসহ কারাতের খেলোয়াড় বৃন্দ।

সভায় নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন কমিটি ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দেন।

জঙ্গল সলিমপুরে সারদার আদলে হচ্ছে পুলিশ একাডেমি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 7:47 pm
জঙ্গল সলিমপুরে সারদার আদলে হচ্ছে পুলিশ একাডেমি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে রাজশাহীর সারদার আদলে প্রায় ৩০০ একর জায়গাজুড়ে একটি পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে ৭২ একর জায়গায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির দ্বিতীয় সভা’ এবং ‘চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত সভা’ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা জানান মন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের সরকারি খাসজমি উদ্ধার করে এলাকাটিকে সন্ত্রাসমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে রাজশাহীর সারদার আদলে প্রায় ৩০০ একর জায়গায় পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে। পাশাপাশি ৭২ একর জায়গায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তর করা হবে।

তিনি বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের অবৈধ অধিবাসীদের পুনর্বাসন এবং সরকারি জমিতে নিয়মতান্ত্রিক সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকায়, বিশেষ করে রঙ্গিখালী ও নোয়াখালীপাড়ায় পাহাড়কেন্দ্রিক অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনা রোধে রামুর ১০ ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের নেতৃত্বে দুটি সেনাবাহিনী ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ক্যাম্পের বাইরের ক্ষতিগ্রস্ত কাঁটাতারের বেড়া পুনর্নির্মাণ, সোলার লাইট স্থাপন, সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো এবং ওয়াচ টাওয়ার ও কন্ট্রোল টাওয়ার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ক্যাম্পের অভ্যন্তরে অপরাধ দমনে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, মাদক কারবার, অনলাইন জুয়া, মানবপাচার ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা বন্ধে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) নেতৃত্বে সমন্বিত যৌথ অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

তিনি জানান, এপিবিএনে কর্মরত প্রায় ৪০০ উপপরিদর্শক (এসআই) পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে মামলার তদন্তভার দেওয়ার আইনি এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে। এতে অপরাধ দমন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তবে জরুরি পরিস্থিতিতে সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেলের নেতৃত্বে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুযায়ী নিরাপত্তা জোরদারের বিধান বহাল রয়েছে বলেও জানান তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক মহলের সহযোগিতা এবং জাতিসংঘের সমন্বিত উদ্যোগে দ্রুততম সময়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব বলে সরকার বিশ্বাস করে।

ইভিনিং মার্কেটের মাধ্যমে হকার সমস্যার সমাধান করা হবে: মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 7:40 pm
ইভিনিং মার্কেটের মাধ্যমে হকার সমস্যার সমাধান করা হবে: মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীর নিউমার্কেট এলাকায় ফুটপাত ও সড়ক দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ও প্রতিবন্ধকতা উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানকালে মেয়র বলেন, নগরীর ফুটপাত ও সড়ক দখল করে হকার ব্যবসা পরিচালনার কারণে সাধারণ নাগরিকদের চলাচলে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করতে ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করা জরুরি। একই সঙ্গে হকারদের জীবিকা ও বাস্তবতাও বিবেচনায় নিতে হবে। এ কারণে শুধু উচ্ছেদ করে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, হকারদের জন্য পরিকল্পিতভাবে ইভিনিং মার্কেট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময় ও নির্ধারিত স্থানে হকাররা যাতে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করা হবে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন হকারদের জীবিকার সুযোগ অব্যাহত থাকবে, অন্যদিকে নগরীর ফুটপাত ও সড়কে নাগরিকদের চলাচলের অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম নগরীকে একটি শৃঙ্খলিত, পরিচ্ছন্ন ও নাগরিকবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে হবে। নগরবাসীর চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এমন কোনো স্থাপনা বা কার্যক্রম অনুমোদন করা হবে না। তবে হকারদের পুনর্বাসন ও বিকল্প ব্যবস্থার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।

অভিযানকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, নগরীর ফুটপাত ও সড়ক কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। এগুলো সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য। অবৈধভাবে ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনা কিংবা সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে জনদুর্ভোগ তৈরি করতে দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামকে একটি পরিচ্ছন্ন, যানজটমুক্ত ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চসিক ধারাবাহিকভাবে উচ্ছেদ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করছে। একদিকে অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা হবে, অন্যদিকে উচ্ছেদ করা জায়গা যাতে পুনরায় দখল না হয়, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি থাকবে।

মেয়র আরও বলেন, নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বাণিজ্যিক এলাকার ফুটপাত পথচারীদের জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে। ব্যবসায়ীদেরও আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনা এবং নির্ধারিত জায়গা ব্যবহারের আহ্বান জানান তিনি।

নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, ফুটপাত ও জনসাধারণের চলাচলের স্থান দখলমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করা হবে বলে জানান মেয়র।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমানসহ ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ।