খুঁজুন
শনিবার, ২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

করোনায় ঘরবন্দি শিশুদের সঙ্গী ভার্চুয়াল আড্ডা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২০, ৮:৪৮ পূর্বাহ্ণ
করোনায় ঘরবন্দি শিশুদের সঙ্গী ভার্চুয়াল আড্ডা

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃকোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে বন্ধ স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়। ঘরবন্দী লাখো শিক্ষার্থী। ক্লাস-কোচিং, খেলার মাঠ, বন্ধুদের সাথে আড্ডা, আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়ানো, সাংস্কৃতিক আচার-অনুষ্ঠান কিংবা উপাসনালয়ে গিয়ে প্রার্থনা, কিছুই করার সুযোগ নেই। ফলে এখন অনেকটা বাধ্য হয়েই ভার্চুয়াল আড্ডায় নির্ভর করতে হচ্ছে ফেইসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার, ইউটিউব, নেটফ্লিক্স এ করোনার দিনে তাদের সঙ্গী। আর এসব অনলাইন দুনিয়াই এখন তাদের জগৎ।

করোনায় আক্রান্ত সারা বিশ্ব। বাংলাদেশেও করোনার আক্রমন থেকে মু্ক্তি পাচ্ছেনা। এখন বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিও বন্ধ রয়েছে। বিভিন্ন বয়সের শিক্ষার্থীরা লম্বা একটা ছুটি কাটাচ্ছে নিজ নিজ গৃহে বসে। শহরে শিশুদের খেলার সুযোগ এমনিতেই কম। যেটুকু সুযোগ ছিল শিশুদের খেলাধুলার , তাও কেড়ে নিয়েছে প্রাণঘাতী মহামারী নভেল করোনা ভাইরাস। লকডাউনের এই সময়ে পরিবারের সাথেই ঘরে আটকে আছে শিশুরাও।

সময় কাটাতে বর্তমানে বিনোদনের জন্য সঙ্গী হয়েছে ফেইসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার, ইউটিউব।

বড়রা আবার অনলাইনে পড়াশোনা করতেছে। ঘরে বন্দি থাকতে থাকতে অলস সময় কাটাতে শিশুরা মোবাইলে বা ল্যাপটপে কার্টন ছবি দেখছে বা গেইম খেলছে। প্রযুক্তি যেমন আশির্বাদ হয়ে আসছে তেমনি প্রযুক্তি অতিমাত্রায় ব্যবহারে হতে পারে ক্ষতির কারণ।

তৃতীয় শ্রেনীর ছাত্র নয়ন গত। গত ১৭ মার্চ থেকে ঘর থেকে বের হতে পারছে না । ফলে মোবাইল এখন তার একমাত্র সঙ্গী। এই দুই যন্ত্রে সিনেমা দেখে ও বিভিন্ন অ্যাপস ব্যবহার করে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিয়েই দিন কাটে নয়নের।

নয়ন বলেন, সারাদিন ঘরে বসে তো সময় কাটে না। বাইরের বেরোনোরও সুযোগ নেই। তাই মোবাইলে বন্ধুদের সাথে ভার্চুয়াল আড্ডা দিয়ে আর সিনেমা দেখেই সময় কাটাতে হয়।

নবম শ্রেণীর ছাত্র সোহরাব। ঠাকুরগাঁওয়ের একটি নামকরা বেসরকারি স্কুলে পড়াশোনা করে। নিয়মিত স্কুলে যায়, বন্ধুদের সাথে খেলাধুলা করে, একসাথে আড্ডা দেয় ঠিকমতো পড়ালেখা করে। ভালোভাবেই চলছিলো তার দিনগুলো। কিন্তু মার্চ মাসের মাঝামাঝি হতে সবকিছু এলোমেলো হয়ে যায়। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে স্কুল-কলেজ বন্ধ করে দেওয়া হয়, বাড়ির বাইরে যাওয়ার বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। হঠাৎ সে নিজেকে চার দেয়ালে বন্দি অনুভব করে। তাই সময় কাটাতে মোবাইলের প্রতি ঝুঁকে পড়ে। এখন তার দিন কাটে মোবাইলে ভিডিও গেমস খেলে, ফেইসবুক চালিয়ে আর মুভি দেখে। উপরের চরিত্রটি রূপক অর্থে ব্যবহৃত হলেও বর্তমানে এরকম অনেক নয়নকে খুঁজে পাওয়া যাবে।

করোনা ভাইরাস তান্ডব চালিয়ে যাচ্ছে সমগ্র বিশ্বে এবং যার ফলে স্থবির হয়ে পড়েছে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন। আমাদের দেশে এ বছরের ১৭ মার্চ থেকে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কাজেই শিক্ষার্থীসহ সকলে নিজেদের ঘরে জীবনযাপন করছে। খুব বেশি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তাই দেশের ও বিদেশের আত্মীয়স্বজনদের খোঁজ খবর হোক কিংবা বন্ধুদের সাথে আড্ডাই হোক প্রায় সব কিছুই এখন মোবাইলে করতে হচ্ছে। দিনের বেশিরভাগ সময় এখন আমাদের কাটছে মোবাইলে।

ফলে অনেকেই মোবাইলের প্রতি আসক্ত হয়ে যাচ্ছে। ঘরবন্দি থাকার কারণে মোবাইল ফোন হয়ে গেছে আমাদের পরম বন্ধু। মোবাইলে গেমস, ফেসবুক চ্যাটিং, ইউটিউব দেখার পরিমাণ অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। একটু পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায় করোনা প্রাদুর্ভাবের আগে মানুষ নিজ নিজ প্রয়োজনে যতটুকু পরিমাণ মোবাইল ব্যবহার করতো এখন সেই ব্যবহার আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকার কারণে মোবাইলের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে। মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে অনেকেই মোবাইলের প্রতি আসক্ত হয়ে মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে, তাদের স্বাস্থ্যের উপর সৃষ্টি হচ্ছে বিরূপ প্রভাব। এ ক্ষেত্রে তাদের দৃষ্টিশক্তিতে সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশী।

তাছাড়া অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার মাথায় টিউমারের সৃষ্টি করে, ঘুমের সমস্যা বা নিদ্রাহীনতা দেখা দিতে পারে। মোবাইলের প্রতি আসক্ত হওয়ার কারণে একঘেয়েমি, স্মৃতিশক্তি লোপ এবং বিভিন্ন মানসিক সমস্যা সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই আমাদের স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল হয় মোবাইলের পরিমিত ব্যবহার নিশ্চিত করা উচিত। করোনায় সবচেয়ে বেশি লাভবান হচ্ছে মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলো।

কেননা যে কোনো সেবার জন্য ফোন করলে আগে করোনার সতর্কতা বিষয়ক ম্যাসেজ দেয় তবে তা বিনামূল্যে নয়। এর জন্য টাকা কেটে নেয়। আমার মনে হয় এটা অমানবিক। করোনার সতর্কতার মেসেজটি বিনামূল্যে দিতে পারতো। তাছাড়া এখন অনেকের অবসর সময়ের সঙ্গী হচ্ছে মোবাইল ফোন।

ফলে মোবাইল ফোনের ব্যবহার অনেকাংশে বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিশু-কিশোরদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন-কম্পিউটার যতটা সম্ভব দূরে রাখাই ভালো। এগুলো তাদের কল্পনাশক্তিকে সীমিত করে ফেলে। এছাড়া চোখ ও মস্তিষ্কেরও ক্ষতি করে। মোবাইলের অপব্যবহার আমাদের জীবনের মূল্যবান অনেক সময় তাকে নষ্ট করছে। মোবাইল সারা দুনিয়াকে হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে। আমরা চাইলে এখন মুহূর্তের মধ্যেই মোবাইলের মাধ্যমে যেকোনো তথ্য জেনে নিয়ে নিজেদের আরও সমৃদ্ধ করতে পারি। তাই মোবাইল ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রোডাক্টিভ হয়ে সুনির্দিষ্ট সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত।

তাছাড়া করোনা পরিস্থিতিতে আমরা অনেকটা অপ্রত্যাশিতভাবে অবসর সময় পেয়েছি। কাজেই আমাদের পরিবারের সাথে খুব ভালোভাবে সময় কাটানো উচিত। অবসর সময় কাটানোর জন্য আমরা অনেক গল্পের বই পড়তে পারি। ঘরের বিভিন্ন কাজে পরিবারের মানুষদের সাহায্য করতে পারি।

২৪ ঘণ্টা/এম আর/গৌতম

Feb2

হাইতিকে উড়িয়ে গ্রুপের শীর্ষে ব্রাজিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৮:৫৮ পূর্বাহ্ণ
হাইতিকে উড়িয়ে গ্রুপের শীর্ষে ব্রাজিল

মরক্কোর বিপক্ষে কষ্টার্জিত ড্রয়ের পর তীব্র সমালোচনার শিকার হয়েছিল ব্রাজিল। আজ ফিলাডেলফিয়াতে হাইতির বিপক্ষে সেই সমালোচকদের মুখ যেন বন্ধ করে দিলো সেলেসাওরা। ম্যাথিউস কুনহার জোড়া গোলে প্রথমার্ধেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় তারা। দ্বিতীয়ার্ধে কয়েকটি সুযোগ নষ্ট এবং অফসাইডে গোল বাতিলের কারণে ব্যবধান বাড়েনি। হাইতিকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষে উঠে গেল তারা।

দুই ম্যাচ শেষে মরক্কোর সমান ৪ পয়েন্ট পেলেও গোলব্যবধানে (+৩) এগিয়ে থেকে সবার উপরে ব্রাজিল। স্কটল্যাান্ডকে আগের ম্যাচে ১-০ গোলে হারানোর পর মরক্কো (+১) শীর্ষে উঠলেও ব্রাজিলের জয়ে নেমে গেছে দুই নম্বরে। হাইতিকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করা স্কটিশরা ৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে, শেষ ম্যাচে তারা খেলবে আনচেলত্তির দলের বিপক্ষে।

রেফারির ম্যাচের শেষ বাঁশি। ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামের ব্রাজিল সমর্থকদের উল্লাস। ২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রথম জয়। এতে স্বস্তি মিললেও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার হিসাব নিকাশে তৃপ্তির ঢেঁকুর তোলার সুযোগ নেই।

ব্রাজিল প্রথমার্ধে ৩-০ গোলে এগিয়ে ছিল। দ্বিতীয়ার্ধে আরও কয়েকটি গোলের প্রত্যাশা ছিল ব্রাজিল সমর্থকদের। এই অর্ধে ব্রাজিলের একটি গোল বাতিল হলেও হাইতি যথেষ্ট দাপট দেখিয়েছে। ব্রাজিলের গোলরক্ষক কমপক্ষে ২-৩ টি নিশ্চিত গোল বাঁচিয়েছেন। একটি গোললাইন সেভও হয়েছে।

হাইতি ব্রাজিলের তুলনায় সব সূচকে পিছিয়ে। এরপরও হাইতির খেলা আজ প্রশংসা কুড়িয়েছে। বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধে ব্রাজিলের ডিফেন্স একাধিকবার ভাঙন ধরাতে পেরেছে অপেক্ষাকৃত দুর্বল দলটি। যা ব্রাজিলের কোচ আনচেলত্তির জন্য অত্যন্ত ভাবনার। টানা দুই ম্যাচ হেরে হাইতি টুর্নামেন্ট থেকে বিদায়ের পথে এরপরও ব্রাজিলের বিপক্ষে খানিকটা লড়াকু পারফরম্যান্স হাইতির বড় প্রাপ্তি।

ব্রাজিল হাইতির জালে পাঁচ বার বল পাঠালেও বৈধ গোলের সংখ্যা তিনটি। দুই অর্ধে একটি করে গোল বাতিল হয় ব্রাজিলের। আরেকটি আক্রমণ পোস্টে লেগে ফেরত আসে। ২৩ মিনিটে ব্রাজিলের হয়ে গোলের সুচনা করেন কুনহা। গুইমারেসের পাস থেকে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের শট হাইতির গোলরক্ষক পুরোপুরি ঠেকাতে পারেননি। ফিরতি বলে কুনহা গোল করেন। ১৩ মিনিট পর পাল্টা আক্রমণে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র কুনহার উদ্দেশ্যে বাড়ান নিখুঁত এক পাস। গোল করতে ভুল হয়নি।

প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে গোলদাতা ভিনিসিয়ুস নিজেই। পাকেতা হাইতি রক্ষণভাগের মাথার ওপর দিয়ে তার উদ্দেশ্যে বল বাড়ান। দ্রুতগতিতে বক্সে প্রবেশ করে প্লেসিংয়ে গোল করেন।

বিশ্বকাপের ‘দ্রুততম’ গোলে স্কটল্যান্ডকে হারালো মরক্কো

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৭:১২ পূর্বাহ্ণ
বিশ্বকাপের ‘দ্রুততম’ গোলে স্কটল্যান্ডকে হারালো মরক্কো

ড্র করে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছিল মরক্কো। তবে বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ১–০ গোলে হারিয়েছে মরক্কো। মাত্র ৭১ সেকেন্ডেই করা ইসমায়েল সাইবারির গোলই জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে আফ্রিকার দেশটি।

ম্যাচের শুরুতেই আক্রমণে যায় মরক্কো। ম্যাচের ৭১ সেকেন্ডের মাথায় ডান দিক থেকে বাড়ানো বল পেয়ে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে জালে জড়ান ইসমায়েল সাইবারি। যা এই টুর্নামেন্টের দ্রুততম গোল।

এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বিশ্বকাপে দ্রুততম গোল করেছিল চেক প্রজাতন্ত্রের সাদিলেক। ম্যাচের ৬ মিনিটে গোল করেছিলেন তিনি। অন্যদিকে, সাইবারি এটি টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় গোল। ব্রাজিলের বিপক্ষে গোলের দেখা পেয়েছিলেন এই স্ট্রাইকার।

গোল হজমের পর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে স্কটল্যান্ড। বিশেষ করে শেষ দিকে আক্রমণের চাপ বাড়ায় দলটি। এক পর্যায়ে দুটি পেনাল্টির আবেদনও জানায় স্কটিশরা, কিন্তু কোনোটিই আমলে নেননি রেফারি।

শেষ পর্যন্ত সমতায় ফেরার মতো গোল আর পায়নি স্কটল্যান্ড। ফলে মূল্যবান তিন পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ‘সি’তে স্কটল্যান্ডকে টপকে ওপরে উঠে গেলো মরক্কো।

টানা দুই জয়ে বিশ্বকাপের নকআউটে উঠল যুক্তরাষ্ট্র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৬:৫২ পূর্বাহ্ণ
টানা দুই জয়ে বিশ্বকাপের নকআউটে উঠল যুক্তরাষ্ট্র

ইনজুরিতে আক্রান্ত তারকা ফরোয়ার্ড ক্রিস্টিয়ান পুলিসিচকে ছাড়াই বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র। টুর্নামেন্টের অন্যতম আয়োজক দেশটি নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচেই জিতেছে। আজ (শনিবার) অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে মার্কিনীরা পা রেখেছে রাউন্ড অব থার্টি টু–তে।।

এর আগে ১৯৯৪ সালে সর্বশেষ বিশ্বকাপের আয়োজক ছিল যুক্তরাষ্ট্র। সেবার তারা গ্রুপপর্বে সেরা তৃতীয় স্থানধারী দলগুলোর একটি হিসেবে পরবর্তী রাউন্ডে ওঠে। তবে ওই আসরে চ্যাম্পিয়ন হওয়া ব্রাজিলের কাছে হেরে বিদায় নেয় শেষ ষোলো থেকে। এবারই প্রথম আসরের প্রথম দুই ম্যাচ জিতে যুক্তরাষ্ট্র নকআউট পর্ব নিশ্চিত করল।

ম্যাচের মাত্র ১১ মিনিটেই অস্ট্রেলিয়ার ক্যামেরন বার্গেসের আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র। বাঁ দিক দিয়ে দারুণ এক দৌড়ে আক্রমণে ওঠেন ফোলারিন বালোগুন। গত ম্যাচে জোড়া গোল করা এই স্ট্রাইকার সতীর্থ রিকার্ডো পেপি’র উদ্দেশে বল বাড়ালে, তার আগেই সামনে থাকা সকারুজ ডিফেন্ডারে গায়ে লেগে তাদের জালৈ জড়ায়।

এরপর ৪৩ মিনিটে ২১ বছর বয়সী অ্যালেক্স ফ্রিম্যানের যুক্তরাষ্ট্রের স্কোরলাইন ২-০ করেছেন। সেট-পিস থেকে আসা আক্রমণে সার্জিনো ডেস্টের ডিফ্লেক্টেড শট হেড করে জালে পাঠান ফ্রিম্যান। ভিডিও রিভিউয়ের পর গোলটি নিশ্চিত করা হয়। যা বিশ্বকাপে তার প্রথম গোল।

এর আগে বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক মেক্সিকো নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচ জিতেই সবার আগে নকআউট পর্বে উঠেছে। এবার সেই দলে আরেক আয়োজক যুক্তরাষ্ট্রও যোগ দিলো।