খুঁজুন
মঙ্গলবার, ৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২২শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

করোনায় ঘরবন্দি শিশুদের সঙ্গী ভার্চুয়াল আড্ডা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২০, ৮:৪৮ পূর্বাহ্ণ
করোনায় ঘরবন্দি শিশুদের সঙ্গী ভার্চুয়াল আড্ডা

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃকোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে বন্ধ স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়। ঘরবন্দী লাখো শিক্ষার্থী। ক্লাস-কোচিং, খেলার মাঠ, বন্ধুদের সাথে আড্ডা, আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়ানো, সাংস্কৃতিক আচার-অনুষ্ঠান কিংবা উপাসনালয়ে গিয়ে প্রার্থনা, কিছুই করার সুযোগ নেই। ফলে এখন অনেকটা বাধ্য হয়েই ভার্চুয়াল আড্ডায় নির্ভর করতে হচ্ছে ফেইসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার, ইউটিউব, নেটফ্লিক্স এ করোনার দিনে তাদের সঙ্গী। আর এসব অনলাইন দুনিয়াই এখন তাদের জগৎ।

করোনায় আক্রান্ত সারা বিশ্ব। বাংলাদেশেও করোনার আক্রমন থেকে মু্ক্তি পাচ্ছেনা। এখন বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিও বন্ধ রয়েছে। বিভিন্ন বয়সের শিক্ষার্থীরা লম্বা একটা ছুটি কাটাচ্ছে নিজ নিজ গৃহে বসে। শহরে শিশুদের খেলার সুযোগ এমনিতেই কম। যেটুকু সুযোগ ছিল শিশুদের খেলাধুলার , তাও কেড়ে নিয়েছে প্রাণঘাতী মহামারী নভেল করোনা ভাইরাস। লকডাউনের এই সময়ে পরিবারের সাথেই ঘরে আটকে আছে শিশুরাও।

সময় কাটাতে বর্তমানে বিনোদনের জন্য সঙ্গী হয়েছে ফেইসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার, ইউটিউব।

বড়রা আবার অনলাইনে পড়াশোনা করতেছে। ঘরে বন্দি থাকতে থাকতে অলস সময় কাটাতে শিশুরা মোবাইলে বা ল্যাপটপে কার্টন ছবি দেখছে বা গেইম খেলছে। প্রযুক্তি যেমন আশির্বাদ হয়ে আসছে তেমনি প্রযুক্তি অতিমাত্রায় ব্যবহারে হতে পারে ক্ষতির কারণ।

তৃতীয় শ্রেনীর ছাত্র নয়ন গত। গত ১৭ মার্চ থেকে ঘর থেকে বের হতে পারছে না । ফলে মোবাইল এখন তার একমাত্র সঙ্গী। এই দুই যন্ত্রে সিনেমা দেখে ও বিভিন্ন অ্যাপস ব্যবহার করে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিয়েই দিন কাটে নয়নের।

নয়ন বলেন, সারাদিন ঘরে বসে তো সময় কাটে না। বাইরের বেরোনোরও সুযোগ নেই। তাই মোবাইলে বন্ধুদের সাথে ভার্চুয়াল আড্ডা দিয়ে আর সিনেমা দেখেই সময় কাটাতে হয়।

নবম শ্রেণীর ছাত্র সোহরাব। ঠাকুরগাঁওয়ের একটি নামকরা বেসরকারি স্কুলে পড়াশোনা করে। নিয়মিত স্কুলে যায়, বন্ধুদের সাথে খেলাধুলা করে, একসাথে আড্ডা দেয় ঠিকমতো পড়ালেখা করে। ভালোভাবেই চলছিলো তার দিনগুলো। কিন্তু মার্চ মাসের মাঝামাঝি হতে সবকিছু এলোমেলো হয়ে যায়। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে স্কুল-কলেজ বন্ধ করে দেওয়া হয়, বাড়ির বাইরে যাওয়ার বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। হঠাৎ সে নিজেকে চার দেয়ালে বন্দি অনুভব করে। তাই সময় কাটাতে মোবাইলের প্রতি ঝুঁকে পড়ে। এখন তার দিন কাটে মোবাইলে ভিডিও গেমস খেলে, ফেইসবুক চালিয়ে আর মুভি দেখে। উপরের চরিত্রটি রূপক অর্থে ব্যবহৃত হলেও বর্তমানে এরকম অনেক নয়নকে খুঁজে পাওয়া যাবে।

করোনা ভাইরাস তান্ডব চালিয়ে যাচ্ছে সমগ্র বিশ্বে এবং যার ফলে স্থবির হয়ে পড়েছে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন। আমাদের দেশে এ বছরের ১৭ মার্চ থেকে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কাজেই শিক্ষার্থীসহ সকলে নিজেদের ঘরে জীবনযাপন করছে। খুব বেশি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তাই দেশের ও বিদেশের আত্মীয়স্বজনদের খোঁজ খবর হোক কিংবা বন্ধুদের সাথে আড্ডাই হোক প্রায় সব কিছুই এখন মোবাইলে করতে হচ্ছে। দিনের বেশিরভাগ সময় এখন আমাদের কাটছে মোবাইলে।

ফলে অনেকেই মোবাইলের প্রতি আসক্ত হয়ে যাচ্ছে। ঘরবন্দি থাকার কারণে মোবাইল ফোন হয়ে গেছে আমাদের পরম বন্ধু। মোবাইলে গেমস, ফেসবুক চ্যাটিং, ইউটিউব দেখার পরিমাণ অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। একটু পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায় করোনা প্রাদুর্ভাবের আগে মানুষ নিজ নিজ প্রয়োজনে যতটুকু পরিমাণ মোবাইল ব্যবহার করতো এখন সেই ব্যবহার আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকার কারণে মোবাইলের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে। মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে অনেকেই মোবাইলের প্রতি আসক্ত হয়ে মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে, তাদের স্বাস্থ্যের উপর সৃষ্টি হচ্ছে বিরূপ প্রভাব। এ ক্ষেত্রে তাদের দৃষ্টিশক্তিতে সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশী।

তাছাড়া অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার মাথায় টিউমারের সৃষ্টি করে, ঘুমের সমস্যা বা নিদ্রাহীনতা দেখা দিতে পারে। মোবাইলের প্রতি আসক্ত হওয়ার কারণে একঘেয়েমি, স্মৃতিশক্তি লোপ এবং বিভিন্ন মানসিক সমস্যা সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই আমাদের স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল হয় মোবাইলের পরিমিত ব্যবহার নিশ্চিত করা উচিত। করোনায় সবচেয়ে বেশি লাভবান হচ্ছে মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলো।

কেননা যে কোনো সেবার জন্য ফোন করলে আগে করোনার সতর্কতা বিষয়ক ম্যাসেজ দেয় তবে তা বিনামূল্যে নয়। এর জন্য টাকা কেটে নেয়। আমার মনে হয় এটা অমানবিক। করোনার সতর্কতার মেসেজটি বিনামূল্যে দিতে পারতো। তাছাড়া এখন অনেকের অবসর সময়ের সঙ্গী হচ্ছে মোবাইল ফোন।

ফলে মোবাইল ফোনের ব্যবহার অনেকাংশে বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিশু-কিশোরদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন-কম্পিউটার যতটা সম্ভব দূরে রাখাই ভালো। এগুলো তাদের কল্পনাশক্তিকে সীমিত করে ফেলে। এছাড়া চোখ ও মস্তিষ্কেরও ক্ষতি করে। মোবাইলের অপব্যবহার আমাদের জীবনের মূল্যবান অনেক সময় তাকে নষ্ট করছে। মোবাইল সারা দুনিয়াকে হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে। আমরা চাইলে এখন মুহূর্তের মধ্যেই মোবাইলের মাধ্যমে যেকোনো তথ্য জেনে নিয়ে নিজেদের আরও সমৃদ্ধ করতে পারি। তাই মোবাইল ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রোডাক্টিভ হয়ে সুনির্দিষ্ট সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত।

তাছাড়া করোনা পরিস্থিতিতে আমরা অনেকটা অপ্রত্যাশিতভাবে অবসর সময় পেয়েছি। কাজেই আমাদের পরিবারের সাথে খুব ভালোভাবে সময় কাটানো উচিত। অবসর সময় কাটানোর জন্য আমরা অনেক গল্পের বই পড়তে পারি। ঘরের বিভিন্ন কাজে পরিবারের মানুষদের সাহায্য করতে পারি।

২৪ ঘণ্টা/এম আর/গৌতম

Feb2

হরমুজে নতুন প্রকল্প ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ ঘোষণা করলেন ট্রাম্প

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ১০:০১ পূর্বাহ্ণ
হরমুজে নতুন প্রকল্প ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ ঘোষণা করলেন ট্রাম্প

ইরানের অবরোধের কারণে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য জলপথ হরমুজ প্রণালিতে আটকা পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলো লক্ষ্য করে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামের নতুন একটি প্রকল্প শুরু করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল রোববার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করা এক বার্তায় এ ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

আরব উপসাগর ও পারস্য উপসাগরকে সংযুক্তকারী ১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ হরমুজ প্রণালি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য জলপথ। বিশ্বের এক পঞ্চমাংশ তেল-গ্যাস ও জ্বালানি পণ্য এই প্রণালি দিয়ে পরিহবন করা হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ জারি করে ইরান। ফলে প্রণালি, আরব উপসাগর ও পারস্য উপসাগরে আটকা পড়ে শতাধিক জাহাজ।

রোববারের পোস্টে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’-এর মূল উদ্দেশ্য হবে হরমুজ প্রণালি ও তার আশপাশে আটকা পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপদে প্রণালি পার হতে সহায়তা করা; অর্থাৎ হরমুজ পেরোতে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে প্রহরা দেবে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী।

ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে ট্রাম্প বলেছেন, “বিশ্বের অনেক দেশের বাণিজ্যিক জাহাজ হরমুজে আটকা পড়েছে। এসব দেশের অধিকাংশই মধ্যপ্রাচ্যে চলমান আঞ্চলিক সংঘাতের সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট নয় এবং তারা আমাদের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে যে আমাদের নৌবাহিনী যেন আটকা পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে প্রণালি থেকে বের হতে সহযোগিতা করে।”

“আমরা তাদের অনুরোধে ইতিবাচক সাড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আটকা পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলো যেন নিশ্চিন্তে তাদের গন্তব্য রওনা হতে পারে— তা নিশ্চিত করতে এবং সেসব জাহাজের নিরপেক্ষ-নিরপরাধ ক্রুদের মুক্ত করতে হরমুজ প্রণালিতে শিগগিরই প্রজেক্ট ফ্রিডম প্রকল্প শুরু হচ্ছে।”

যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় সোমবার সকাল, অর্থাৎ বাংলাদেশ স্থানীয় সময় সোমবার রাত থেকে হরমুজে ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ শুরু হচ্ছে বলে ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট।

রোববারের পোস্টে ট্রাম্প হরমুজের নতুন এই প্রকল্পকে ‘মানবিক সহায়তা প্রচেষ্টা’ উল্লেখ করে বলেছেন, দিনের পর দিন আটকে থাকার কারণে অনেক জাহাজে ক্রুদের খাদ্য ও জরুরি সরবরাহের সংকট দেখা দিয়েছেন। ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ কার্যকর হলে এই প্রকল্প থেকে সবপক্ষ লাভবান হবে বলেও দাবি করেছেণ তিনি।

“আমি আমার সব প্রতিনিধিকে এই মর্মে নির্দেশ দিয়েছি যে তারা যেন বিভিন্ন দেশকে জানায় যে তাদের জাহাজ এবং ক্রুদের নিরাপদে হরমুজ থেকে বের করতে আমরা আমাদের সেরা প্রচেষ্টা চালাব।”

যদি নতুন এই প্রকল্প কার্যকরের পথে কোনো প্রকার ‘হস্তক্ষেপ’ ঘটে— তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ‘শক্তির সঙ্গে’ তার বিরুদ্ধে সাড়া দেবে বলে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

শপথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ণ
শপথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনে নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নিয়েছেন।

রোববার (৩ মে) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ কক্ষে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

সংসদ সচিবালয় জানায়, রাত ৯টায় সংসদ ভবনের পূর্ব ব্লকের লেভেল-১ এ অবস্থিত শপথ কক্ষে এই শপথ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় সংসদের স্পিকার নব-নির্বাচিত এই নারী জনপ্রতিনিধিদের শপথ বাক্য পাঠ করান। নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের এই শপথ গ্রহণের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ পূর্ণাঙ্গ রূপ পেল।

এর আগে, গত ৩০ এপ্রিল নির্বাচন কমিশন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৪৯ জনের গেজেট প্রকাশ করে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, ৫৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন (এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুম বাদে, তিনি ১৯ মিনিট পর মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন)। এদের মধ্যে বিএনপি জোটে ৩৬ জন বৈধ প্রার্থী, জামায়াত জোটের ১২ জন বৈধ প্রার্থী ও স্বতন্ত্রদের জোটের এক বৈধ প্রার্থীরসহ মোট ৪৯ জন বৈধ প্রার্থীকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করে তাদের নামে গেজেট প্রকাশ করা হয়।

বিএনপির ৩৬ নির্বাচিত নারী সংসদ সদস্য (এমপি) হলেন – সেলিমা রহমান, শিরিন সুলতানা, রাশেদা বেগম হিরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আর্লি, মোছাম্মত ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, শাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলুফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জেবা আমিন খান, মাহমুদা হাবিবা, সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিঞ্জ, সুবর্ণা শিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বিথীকা বিনতে হুসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানছুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলম, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, শওকত আর আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানা।

জামায়াত জোটের ১২ এমপি হলেন- নুরুন্নিসা সিদ্দীকা, মারজিয়া বেগম, সাবিকুন্নাহার মুন্নী, নাজমুন নাহার নীলু, মাহফুজা হান্নান, সাজেদা সামাদ, শামছুন্নাহার বেগম, ইঞ্জি: মারদিয়া মমতাজ, রোকেয়া বেগম, ডা. মাহমুদা আলম মিতু, তাসমিয়া প্রধান ও ইঞ্জি: মাহবুবা হাকিম।

এছাড়া স্বতন্ত্র জোটের সুলতানা জেসমিনকে এমপি নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।

হামের উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
হামের উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু

গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে নতুন করে আরও এক হাজার ২৬১ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

রোববার (০৩ মে) বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত হামে ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ২৪৪ জন।

১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৩১৩ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৪০ হাজার ৪৯১ জন।

এ পর্যন্ত হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৭ হাজার ৮১৬ জন এবং হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ২০ হাজার ৯০ জন।