খুঁজুন
, ,

দাফতরিক কাজের পদ বিলুপ্ত, কর্ম গতিতে ব্যাঘাতের আশঙ্কা

রেলের সরঞ্জাম বিভাগে কুচক্রীদের থাবা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 2 November, 2022, 6:33 pm
রেলের সরঞ্জাম বিভাগে কুচক্রীদের থাবা

বিশেষ প্রতিবেদক: রেলে খালাসি পদের লোক দিয়ে যেমন দাফতারিক কর্ম সম্পাদন করা হয় তেমনি ওয়েম্যান দিয়ে স্টেশনে সিগন্যালের কাজ সম্পাদন করার মত ঘটনাও ঘটছে। ফলে রেল দুর্ঘটনায় যাত্রী নিহতসহ কোচ ও ইঞ্জিন ক্ষতিগ্রস্তের ঘটনা বিরল নয়। সম্প্রতি ডিস্ট্রিক কন্ট্রোলার অব ষ্টোরস(ডিসিওএস/জি) এর আওতায় থাকা প্রিন্টিং প্রেস এর সহকারী সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক ও সংশ্লিষ্ট ডিপোর কে, এল এবং এম ওয়ার্ডকে (ডিসিওএস/পাহাড়তলীর) আওতায় নিয়ে যাওয়ার কু—পরিকল্পনা চলছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

রেল মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সরঞ্জাম বিভাগের আওতায় থাকা প্রিন্টিং শাখায় মোট ২৭৯ জন কর্মরত থাকার কথা। নতুন করে এ শাখায় ৯টি পদ সৃজনের প্রস্তাবনা দেয়া হলেও সুপারিশ করা হয়েছে ৭টি।

তবে বিলুপ্ত করা হচ্ছে ১৮২ টি পদ। রেলের নতুন জনবল কাঠামো কার্যকর হলে এ বিভাগে কর্মরত থাকবে মাত্র ১০৪ জন।

বিলুপ্ত পদগুলোর মধ্যে সহকারী সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক এর দুটি পদ বিলুপ্তসহ প্রিন্টার গ্রেড—১ এর ৫টি পদ, কম্পোজিটর গ্রেড—২ এর ১৪টি পদ, প্রিন্টার গ্রেড—২ এর ১৩টি পদ, সহকারী মেশিনম্যান ৭টি পদ, খালাসি ১২টি পদসহ ১৮২টি পদ বিলুপ্ত হবার কথা রয়েছে। এদিকে, ইনভেন্ট্রি কন্ট্রোল শাখায় ২২ জন কর্মরত থাকার কথা থাকলেও তা কমিয়ে ২০ জনে আনা হচ্ছে।

সিনিয়র সহকারী পরিচালকের একটি ক্যাডার পদ নতুনভাবে সৃজন করা হচ্ছে। এ শাখায় স্টোর কিপার ১টি ও পরিদর্শক ২টি পদ বিলুপ্ত করার কথা রয়েছে। তিনটি পদ বিলুপ্তির পর এ শাখায় কর্মরত থাকবে ২০ জন।

এ ব্যপারে সরঞ্জাম বিভাগের এক কর্মকতা ক্ষোভের সঙ্গে বলেছেন, অর্গাণোগ্রাম বাতিল করে একটি চক্র এ ধরনের নীল নকশা্ তৈরী করে প্রিন্টিং প্রেসের কাজে ব্যাঘাত সৃষ্টির অপপ্রয়াস চালাচ্ছে।

এছাড়াও এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতির সরকারী আদেশনামা অমান্য করা হচ্ছে। চক্রটি প্রিন্টিং প্রেসের অবক্ষয়ে উঠে পড়ে লেগেছে।

এদিকে, পাহাড়তলীস্থ প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রণ দফতরের লোকবল সংখ্যা ১৮৬ জন উর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী/সরঞ্জাম দুটি পদ সৃষ্টি করার প্রস্তাবনা থাকলেও বিলুপ্ত করা হচ্ছে সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা ২ জন, প্রধান সহকারী ৪ জন, উচ্চমান সহকারী ৫৫ জন, কম্পিউটার অপারেটর ২ জন, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর ৪ জন, অফিস সহায়ক ১৮ জন, পরিচ্ছন্নতা কর্মী ১ জনসহ মোট ৮৬টি পদ বিলুপ্ত করা হচ্ছে। ফলে এ দফতরের জনবল কাঠামো হবে ১০২ জন।

অপরদিকে, পাহাড়তলীস্থ ইন্সপেকশন শাখায় জনবল কাঠামো ছিল ১৫৬ জন। লিস্টার ট্রাক ড্রাইভারের একটি পদ নতুন সৃজন করে ৯৪টি পদ বিলুপ্ত করা হচ্ছে। বিলুপ্তকৃত পদের মধ্যে রয়েছে স্টোর কিপার ২ জন,

সহকারী স্টোর কিপার ২ জন, উপসহকারী প্রকৌশলী (সরঞ্জাম) ১ জন, প্রধান সহকারী ১ জন, উচ্চমান সহকারী ১৭ জন, মেটেরিয়াল চেকার ৪ জন, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর ৪ জন, একজন করে টিনস্মিথ, কার্পেন্টার, গ্রিজার, পেকার, লেটারম্যান, লেবেলম্যান, দফতরি, ক্লিনার।

এছাড়াও ২ জন লেবার সর্দার, ২ জন রেকর্ড সাপ্লাইয়ার, ৪৫ জন খালাসি, ৫ জন অফিস সহায়কসহ ৯৪টি পদ বিলুপ্ত করে ১৫৬ জনবল থেকে কমিয়ে ৬৩ জনে নামিয়ে আনা হচ্ছে।

আরো জানা গেছে, পাহাড়তলীস্থ সরঞ্জাম বিভাগের শিপিং শাখায় মোট জনবল কাঠামো ছিল ৪শ জন। এরমধ্যে থেকে বিলুপ্ত করা হচ্ছে ২৯৮ জনকে। নতুন করে সিনিয়র সহকারী নিয়ন্ত্রক একটি ক্যাডার পদ সৃজন করা হচ্ছে।

অপরদিকে, সহকারী সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক ক্যাডার পদটি বিলুপ্ত করার পাশাপাশি সহকারী স্টোর কিপার ৩টি, ওয়ার্ড কিপার ১৫টি, সহকারী পরিদর্শক ৪টি, উচ্চমান সহকারী ৬৩টি, মেটেরিয়াল চেকার ৪৬টি, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর ১৭টি, খালাসি ৯০টি, অফিস সহায়ক ১৪টিসহ বিভিন্ন পদে ২৯৮ জনবল কাঠামোর পদ বিলুপ্ত করা হচ্ছে। এ শাখায় মাত্র ১০৩ জন জনবল কাঠামো বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে রেল মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

২৪ঘণ্টা/জেআর

Feb2
Feb2

পতেঙ্গায় ২ টন চোরাচালানের কয়লাসহ ২টি কাঠের বোট জব্দ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 21 September, 2026, 10:31 am
পতেঙ্গায় ২ টন চোরাচালানের কয়লাসহ ২টি কাঠের বোট জব্দ

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অভিযান চালিয়ে ২ টন খনিজ কয়লা ও চোরাচালানের কাজে ব্যবহৃত দুটি কাঠের বোট জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড। জব্দ করা কয়লার আনুমানিক মূল্য ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) পতেঙ্গা থানাধীন কর্ণফুলী চ্যানেলের ১৮ নম্বর ঘাটসংলগ্ন এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান চালায় কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গা।

কোস্ট গার্ড জানায়, অভিযান চলাকালে ওই এলাকায় সন্দেহজনক দুটি কাঠের বোটে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় বোট দুটি থেকে প্রায় ২ টন খনিজ কয়লা জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে চোরাচালানের কাজে ব্যবহৃত দুটি সাম্পান বোটও জব্দ করা হয়।

কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। জব্দ করা কয়লা ও বোটের বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড। চোরাচালান রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।

ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসররা আন্দোলন না করে নাশকতা করছে : রেলপথ প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 21 September, 2026, 9:22 am
ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসররা আন্দোলন না করে নাশকতা করছে : রেলপথ প্রতিমন্ত্রী

রেলপথে নাশকতা ঠেকাতে স্টেশন ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিরাপত্তা জোরদার এবং নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব। তিনি বলেন, নাশকতার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসররা আন্দোলন না করে নাশকতা করছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্টেশনের ২ নম্বর প্লাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা একটি যাত্রীবাহী ট্রেনের কোচে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।

রেলপথ প্রতিমন্ত্রী বলেন, যারা নাশকতা করছে, তারা নাশকতাকারী এবং জুলাই-আগস্টে পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর। তারা ডিসেম্বরকে সামনে রেখে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু আন্দোলন না করে নাশকতা করছে। দেশের মানুষ তাদের বিতাড়িত করেছে এবং তারা পালিয়ে গেছে। এখন জনসমর্থন না থাকায় পরাজিত ও পলাতক সেই শক্তি নাশকতার মাধ্যমে জনমনে ভীতি তৈরি করতে চাচ্ছে।

তিনি বলেন, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের জন্য ছাত্র-জনতা বুকের রক্ত দিয়ে গণতান্ত্রিক ধারা বাস্তবায়ন করেছে। নাশকতাকারীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। বাংলাদেশের মানুষের নিরাপত্তা ও গণতন্ত্র অব্যাহত রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রেলপথ প্রতিমন্ত্রী বলেন, রেল কর্তৃপক্ষ, আরএনবি, পুলিশ, রেলওয়ে পুলিশসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা ও নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নাশকতাকারীরা যেসব স্থান দিয়ে রেলস্টেশনে প্রবেশ করতে পারে, সেসব জায়গা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গতকালের ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে রিমান্ডে নেওয়া হবে। নাশকতার সঙ্গে যারাই জড়িত, তাদের ধরে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঘটনাস্থলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অনেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা মিডিয়ার সামনে কথা বলতে অভ্যস্ত নন। তবে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামেরা ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

অগ্নিকাণ্ডের স্থান সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঘটনাটি মূল প্ল্যাটফর্মে ঘটেনি। ওয়াশ প্ল্যান্টের দিক থেকে ট্রেনটি আসার সময় সেখানে গানপাউডার ব্যবহার করে আগুন দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগুন খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল। এতে বোঝা যায়, যারা এই কাজ করেছে তারা পরিকল্পনা করেই এসেছিল। তবে নিরাপত্তা বাহিনীর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কারণে আগুন ছড়িয়ে পড়তে পারেনি। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দেখা গেছে, যেখানে আগুন লাগানো হয়েছে সেখানে অন্ধকার ছিল। স্টেশনে আসার পরপরই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে রেলপথ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে একটি গ্যারেজ পুরোপুরি পুড়ে গেছে। এর বাইরে ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তদন্তের পর জানা যাবে।

আরও নাশকতার আশঙ্কা আছে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যারা নাশকতাকারী, তারা নাশকতার চেষ্টা করবেই। নাশকতা করে কোনো গণতান্ত্রিক সরকারের পতন ঘটানো যায়নি। বিএনপি সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার এবং তারাই জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছেন। নাশকতাকারীদের জনগণ ও প্রশাসন মিলে প্রতিহত করবে।

রেলপথের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে প্রশাসন, আরএনবি, পুলিশ ও রেল কর্তৃপক্ষ উপস্থিত হয়েছে। এখন আরও নিরাপত্তা জোরদার করা হবে, যাতে কোনো দিক দিয়ে অঘটন না ঘটে। দুষ্কৃতিকারীরা চেষ্টা করবে, একই সঙ্গে তাদের প্রতিহত করার চেষ্টাও করা হবে।

অগ্নিকাণ্ডের কারণে রেল চলাচলে বড় ধরনের শিডিউল বিপর্যয় হবে না বলেও জানান রেলপথ প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ঘটনার কারণে প্রায় এক ঘণ্টা বিলম্ব হয়েছে। তবে এর কারণে বড় ধরনের শিডিউল বিপর্যয় হবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 21 September, 2026, 8:42 am
যুক্তরাষ্ট্রের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল পৌনে ৬টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নিউইয়র্কের উদ্দেশে যাত্রা করেন তিনি। সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।

এ সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরকারের কয়েকজন মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, রাজনীতিক ব্যক্তিত্ব, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা এবং ব্যক্তিগত কর্মকর্তারা রয়েছেন।