খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাউজানের সাংসদের এপিএস পরিচয়ে প্রতারণা : তিন প্রতারককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২০, ১০:৩১ অপরাহ্ণ
রাউজানের সাংসদের এপিএস পরিচয়ে প্রতারণা : তিন প্রতারককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

নেজাম উদ্দিন রানা, রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : হ্যালো…আমি সাংসদের এপিএস। স্যারের সাথে একটু কথা বলুন। কখনো এমপির কন্ঠ অনুসরণ করতেন। এভাবে মানুষের সাথে কথা বলার এক পর্যায়ে কৌশলে টাকা পাঠানোর কথাটি বলতেন। পরে তাদের ব্যবহৃত বিকাশ নম্বরে এসে যেতো টাকা। টাকাগুলো বিকাশ এজেন্টের কাছ থেকে উত্তোলন করে নিজেরাই ভাগ-ভাটোয়ারা করে নিতেন। এভাবেই বেশ ভাল ভাবেই চলছিল প্রতারক চক্রের টাকা আদায়ের কৌশলটা। কিন্তু কথায় চোরের দশদিনতো গৃহস্তের একদিন।

এবার আর শেষ রক্ষা হয়নি। রাউজানে এসেই ফেঁসে গেলেন এই প্রতারক চক্রের দুজন। পরে তাদের দেওয়া তথ্যানুসারে তিনজনকে গ্রেফতারসহ ১০ হাজার টাকা, দুইশ পিস ইয়াবা, প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত সিম ও মোবাইল জব্দ করে তিনজনকে আদালতে সোপর্দ করেছে রাউজান থানা পুলিশ।

সোমবার (২২ জুন) দুপুরে রাউজান থানায় সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, রবিবার রাতে রাউজানের পশ্চিম গুজরা ইউনিয়নের কাগতিয়া এলাকায় দুই যুবক নিজেদের রাউজানের সংসদ সদস্যের এ.পি.এস পরিচয় দিলে উপজেলা যুবলীগ নেতা আব্দুল্লাহ আল মাসুদ স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের আটকে রেখে রাউজান থানায় খবর দিলে রাউজান থানার ওসির নির্দেশে নোয়াপাড়া ফাঁড়ির পুলিশ রাতে দুই প্রতারককে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে।

আটককৃতরা হলেন চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার শোভনদন্ডী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের জাফর আহমেদের ছেলে মো. এহসানুল হক (২৬), চন্দনাইশ উপজেলার কঞ্চনপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মৃত আব্দুর রহমানের পুত্র মো. নুরুল আলম প্রকাশ সুমন (৪০)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারের পর থানায় পুলিশের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে দুজন ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের কাছ থেকে প্রতারণা করে বিকাশের মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে এহছানুল হক প্রকাশ হাসান আরো জানায়, প্রতারণা করে হাতিয়ে নেওয়া অর্থ সুমনের স্ত্রী তারানা নাজ শবনম এর বিকাশ নম্বরে আসে। সেগুলো থেকে কিছু পরিমাণ অর্থের ভাগ পান সুমন ও তার স্ত্রী।

হাসানের স্বীকারোক্তিমতে নগরীর ডবলমুরিং থানার পানওয়ালা পাড়ার তিন রাস্তার মোড়ে সুমনের ভাড়া বাসায় গিয়ে তার স্ত্রী তারানা নাজ শবনমের দেওয়া তথ্য মোতাবেক মোতাবেক পটিয়ার শোভনদন্ডী ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের আশাতা গ্রামস্থ হাজী আহমদ সফার বাড়ির এহছানের ঘরের স্টিলের আলমিরায় রক্ষিত প্রতারণার ১০ হাজার টাকা জব্দ করে।

রাউজান থানা সূত্রে জানা গেছে, প্রতারক এহছানুল হক গত ১২ জুন রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ব্যবহৃত সরকারি মোবাইল নাম্বারে ফোন করে রাউজানের সাংসদের এ পি এস পরিচয় দেয়। পরে গ্রেফতারের পর এহছানুল হকের কাছ থেকে পুলিশের জব্দ করা সিমের নাম্বারের সাথে রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সাংসদের এপিএস পরিচয়ে করা ফোন নাম্বারটি মিলে যায়।

শুধু রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নয় এহেছানুল বিভিন্ন সময়ে নানা কৌশলে এমপি, কাউন্সিলরসহ বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পরিচয় দিয়ে মানুষকে ফাঁদে ফেলে বিকাশের মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নিতেন।

রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেপায়েত উল্লাহ সংবাদ সন্মলনে বলেন, রাউজানের সাংসদ এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীসহ একাধিক সংসদ সদস্যসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির পরিচয় দিয়ে তাঁরা মানুষের কাছ থেকে কৌশলে টাকা হাতিয়ে নিতেন।

ওসি কেপায়েত উল্লাহ আরও বলেন, সংসদ সদস্যদের টার্গেট করে তাদের নাম ভাঙ্গিয়ে তাদের এপিএস সেজে মানুষকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে টাকা আদায় করাটাই ছিল তাদের নেশা। সম্পর্কে তারা একে অন্যের আত্নীয়। প্রতারক এহসানের বিরুদ্ধে নগরীর সিএমপি’র কতোয়ালী থানা, পাঁচলাইশ মডেল থানা, ব্রাক্ষণবাড়িয়ার সদর থানা, এসএমপি’র কোতোয়ালি মডেল থানা, চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই ও পটিয়া থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

আটককৃত মো. এহসানুল হক, নুরুল আলম (সুমন) ও সুমনের স্ত্রী তারানা নাজ শবনমের বিরুদ্ধে রাউজান থানায় মামলা রুজু শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…