খুঁজুন
সোমবার, ১১ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লোহাগাড়ায় কেন্দ্রীয় আ.লীগ নেতা আমিনুল ইসলামের রোগমুক্তিতে দোয়া মাহফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২০, ৪:০৪ অপরাহ্ণ
লোহাগাড়ায় কেন্দ্রীয় আ.লীগ নেতা আমিনুল ইসলামের রোগমুক্তিতে দোয়া মাহফিল

লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার গণমানুষের প্রিয় নেতা আমিনুল ইসলাম আমিনের রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) আছর নামাজের পর হানজ্বালা থানা রাস্তার মাথা জামে মসজিদে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেন লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ।

দোয়া মাহফিল ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মসজিদের খতিব মাওলানা নুরুল ইসলাম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক শাহজাদা তৈয়বুল হক বেদার, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদ, উপ-দপ্তর সম্পাদক এমএস মামুন, কার্যনির্বাহী সদস্য মো: রফিকুল ইসলাম, নুরুল আবছার, হারুনুর রশিদ রাসু, আওয়ামী লীগের লোহাগাড়া সদর ইউনিয়ন সভাপতি জসিম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক হেফাজত উল্লাহ সিকদার, পুটিবিলা ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক ফোরাত বিন হানিফ চৌধুরী শাকিল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক নুরুল কবির সলিল, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আবছার উদ্দিন, আমিনুল ইসলামের ব্যাক্তিগত সহকারী সমাজসেবক মিরান হোসেন মিজান, আ.লীগ নেতা ইকবাল বাহাদুর, বেলাল উদ্দীন, উপজেলা শ্রমিক লীগের দপ্তর সম্পাদক মো : হোসেন মাসুম, উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক একেএম পারভেজ, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের চুনতি ইউনিয়ন সভাপতি ইরফান আলী, সাধারণ সম্পাদক শেখ ছোটন, কলাউজান ইউনিয়ন সভাপতি মাহমুদুল হক, লোহাগাড়া সদর ইউনিয়ন সভাপতি রেজাউল হক, সাধারণ সম্পাদক মুরাদ সিকদার, আমিরাবাদ ইউনিয়ন সভাপতি শহীদুল ইসলাম, আধুনগর ইউনিয়ন সভাপতি আতিকুর রহমান ফরহাদ, পদুয়া ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক হোবাইর সিকদার, পুটিবিলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আনসার, মোজাহিদ, যুবলীগ নেতা হারুনুর রশিদ, উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা রাশেদ, সাহেদ, তারেকুল ইসলাম ইমন ও জুয়েলসহ দু’শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। পরে তবারুক বিতরণ করা হয়।

এদিকে, ইতোপূর্বে কেন্দ্রীয় আ.লীগ নেতা আমিনুল ইসলামের রোগমুক্তি কামনায় লোহাগাড়া সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, বড়হাতিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, উপজেলা শ্রমিক লীগ, দরবেশ হাট আওয়ামী পরিবার, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের চুনতি, কলাউজান, লোহাগাড়া সদর, চরম্বা ইউনিয়ন শাখা ও বড়হাতিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের উদ্যোগে খতমে কুরআন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত হয়।

উল্লেখ্য, গত ২২ জুন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম করোনা শনাক্ত হলে হোম আইসোলেশে থেকে চিকিৎসা গ্রহণ করছেন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর/আজাদ

Feb2

প্রতিটি মেয়ের ভবিষ্যৎ গড়ায় রাষ্ট্র হবে সহায়ক শক্তি : জুবাইদা রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৪:১৯ অপরাহ্ণ
প্রতিটি মেয়ের ভবিষ্যৎ গড়ায় রাষ্ট্র হবে সহায়ক শক্তি : জুবাইদা রহমান

কন্যাশিশুদের নিরাপত্তা এবং সুন্দর মানবিক বিকাশ নিশ্চিত করার মাধ্যমে প্রতিটি মেয়ে যে ভবিষ্যৎ গড়তে চায়, সেই পথে রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির পরিবর্তে বরং এগিয়ে নেওয়ার সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও চিকিৎসক ডা. জুবাইদা রহমান।

সোমবার (১১ মে) রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক) আয়োজিত সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।

জুবাইদা রহমান বলেন, শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে। আজ পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পেরে আমার খুবই ভালো লাগছে। সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ে নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে অবদান রাখার জন্য সমিতির সকল সদস্যকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। আপনারা আপনাদের কর্মের মাধ্যমে আগামীর প্রজন্মকে সমাজে অবদান রাখার পথ দেখিয়ে দিতে সহায়তা করছেন। বর্তমান ও ভবিষ্যতের সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে গৃহীত আপনাদের সমাজসেবামূলক পরিকল্পনাগুলো সমন্বিতভাবে একটি সুন্দর, সুস্থ ও মানবিক সমাজ গঠনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে।

তিনি বলেন, আমরা সকলে যদি নিজ নিজ ক্ষেত্র থেকে কাঙ্ক্ষিত সমাজ গঠনে অবদান রাখি, তাহলে নিশ্চয়ই সেটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব, ইনশাআল্লাহ। নারীরা পরিবার ও সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে কেন্দ্রবিন্দু থেকে স্বাস্থ্য ও গ্রামীণ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী বলেন, স্বনির্ভরতার লক্ষ্যে ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্পে যোগ্যতার ভিত্তিতে নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহ প্রদান অত্যন্ত জরুরি। এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, উন্নয়ন কার্যক্রম এবং মার্কেটিং সাপোর্ট প্রদান করা গেলে নারীদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে পারিবারিক সচ্ছলতা বৃদ্ধি, সন্তানদের শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথ আরও সুগম করা সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের মাঝে আজ পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির সভানেত্রী অধ্যাপিকা নাসিমা ফেরদৌসী উপস্থিত নেই। আমরা মহান আল্লাহ তাআলার কাছে তার আশু রোগমুক্তি কামনা করছি।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সহধর্মিণী হাসিনা আহমেদ, সংস্কৃতি সচিব কানিজ মওলা, বাংলাদেশ পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির সহ-সভানেত্রী মিসেস সাবিনা আওলাদ প্রমুখ।

পুলিশ প্রশাসনের কোনো পদই চিরস্থায়ী নয় : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ২:৪২ অপরাহ্ণ
পুলিশ প্রশাসনের কোনো পদই চিরস্থায়ী নয় : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকার যেমন চিরস্থায়ী নয়, তেমনি প্রশাসনের কোনো পদই কারো জন্য চিরকাল সংরক্ষিত থাকে না। পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্বের সঙ্গে আপোস না করার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেছেন, সততা, মেধা ও দক্ষতা হবে পুলিশ বাহিনীর নিয়োগ বদলি কিংবা পদোন্নতির মূলনীতি।

তিনি বলেন, আমরা চিরস্থায়ী নই। এটি অতীতেও বিভিন্ন সময় প্রমাণিত হয়েছে এবং পৃথিবীর সব দেশেও এটি প্রমাণিত। ঠিক একইভাবে জনপ্রশাসন কিংবা পুলিশ প্রশাসনের কোনো পদও কারো জন্যই চিরস্থায়ী নয়।

সোমবার (১১ মে) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘শাপলা’ হলে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষ্যে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার পুলিশ বাহিনীকে এমন রূপ দিতে চায় যা হবে সত্যিকারভাবে জনবান্ধব। পুলিশ প্রশাসন হলো সরকারের আয়না। দুর্নীতি-সন্ত্রাসের ঘটনাকে রাজনৈতিক পরিচয়ে নয়, ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করুন। তিনি বলেন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী যথাযথ চেষ্টা করলে সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর নিরাপদ মানবিক বাংলাদেশ গড়ার পথে এক ধাপ এগিয়ে যাবে দেশ। পুলিশ সদস্যদের বহুমুখী দক্ষ হওয়া প্রয়োজন। পুলিশের যেকোনো জায়গায় কাজ করার মানসিকতা জরুরি। এসময় পেশাদারিত্বের সঙ্গে কোনো কম্প্রোমাইজ না করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জুলাই সনদ প্রতিটি অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে সরকার। সততা, মেধা ও দক্ষতাই হবে পুলিশ বাহিনীর নিয়োগ, বদলি কিংবা পদোন্নতির মূলনীতি। জনগণ কীভাবে সরকারকে দেখে বা মূল্যায়ন করে তা অনেকটাই নির্ভর করে পুলিশের ভূমিকার ওপর। তাই বাহিনীর সদস্যদের মানবিকতার গুণগুলো রপ্ত করতে হবে। রূপপুর, টানেল এবং পদ্মা সেতুতে অপ্রয়োজনীয় খরচ না হলে সবক্ষেত্রেই বেটার কিছু করা যেত বলে এসময় মন্তব্য করেন তিনি।

সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর, গণতান্ত্রিক, নিরাপদ ও মানবিক একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই মন্তব্য করে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনি ইউনিফর্মের বাইরে গিয়ে আমার এই কথার সঙ্গে একমত পোষণ করবেন। আমি বিশ্বাস করি, একজন নাগরিক হিসেবে ইউনিফর্মে থেকেও আপনি একজন মানুষ হিসেবে এই আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন চাইবেন। একজন বাংলাদেশি হিসেবে এই কথাটি শুধু একটি স্লোগান নয়, আমরা এই লক্ষ্য বাস্তবায়ন করতে চাই।

তিনি বলেন, সারাদেশের মাঠপর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে আপনারা সরাসরি ভূমিকা রাখছেন। আপনাদের ওপর অর্পিত এই দায়িত্ব যদি সফলভাবে পালনে সক্ষমতার পরিচয় দেন, তবে আমি বিশ্বাস করি একটি নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পথে আমরা একধাপ এগিয়ে যেতে সক্ষম হবো।

তারেক রহমান বলেন, পুলিশ প্রশাসনের নির্দিষ্ট কিছু পদ নয়, বরং প্রতিটি পদই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যে কর্মকর্তা যে পজিশনেই দায়িত্বরত থাকুন না কেন, প্রশাসনের সকল পদে কাজ করার পেশাদার মানসিকতা থাকা অত্যন্ত জরুরি। শুধুমাত্র পদোন্নতি কিংবা পছন্দের জায়গায় পোস্টিংয়ের প্রত্যাশা করলে তা পেশাদারিত্বের সঙ্গে আপস হয়ে যায়। নিজের চাহিদা অনুযায়ী পোস্টিং পেলে সাময়িকভাবে তুষ্ট হওয়া যায় ঠিকই, কিন্তু এটি প্রফেশনালিজমের পরিপন্থী। তাই আহ্বান থাকবে, যার যেখানে দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে, সেই কাজটি গুরুত্বসহকারে পালন করুন। তবেই আমরা একটি দক্ষ, গতিশীল এবং পেশাদার পুলিশ প্রশাসন গড়ে তুলতে পারবো।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৌশলী ও ইতিবাচক কার্যক্রমের মাধ্যমে পুলিশের ওপর জনগণের আস্থা ও নির্ভরতা সৃষ্টি হলে ৫ আগস্ট পরবর্তী মব ভায়োলেন্স-এর মতো সমস্যাগুলো সফলভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব।

তিনি বলেন, গত দেড়-দুই বছরে এমন অনেক পরিস্থিতি আপনারা দক্ষতার সঙ্গে সামাল দিয়েছেন। দীর্ঘ দুই দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনের পর ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বর্তমান সরকার জনগণের কাছে একটি গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক সরকার হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এই সরকার পুলিশ বাহিনীকে এমন এক রূপে দেখতে চায় যেখানে পুলিশ হবে সত্যিকারের জনবান্ধব এবং মানুষের আস্থার প্রতীক। সাধারণ মানুষ যেন পুলিশ প্রশাসনকে সরকারের দর্পণ বা আয়না হিসেবে দেখতে পায়। সুতরাং পুলিশ প্রশাসনের সাফল্য মানেই সরকারের সফলতা। একটি শক্তিশালী, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠনে আপনাদের ভূমিকা অপরিহার্য।

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, সরকার দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও অপশাসনের বিরুদ্ধে কোনো আপস করতে চায় না। আমি পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, দুর্নীতি ও সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণে কোনো ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয় মুখ্য নয়; যে বা যারা অপরাধে লিপ্ত হবে, তাদের অপরাধী হিসেবেই বিবেচনা করবেন। কোনো ব্যক্তি বা দল আপনাদের পরিচয় নয়, বরং আপনারাই আইনের রক্ষক। আপনারা রাষ্ট্র এবং জনগণের কল্যাণে দায়িত্ব পালন করবেন।

অব্যবহৃত ৬ শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৯:১৬ পূর্বাহ্ণ
অব্যবহৃত ৬ শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বিভিন্ন স্থানে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকা ছয়টি শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ দিয়েছেন।

গত ১২ এপ্রিল একটি জাতীয় দৈনিকে ‘৩২০ কোটি টাকা খরচে ৬ শিশু হাসপাতালের ভবন পড়ে আছে’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হলে তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়, রংপুর, খুলনা, রাজশাহী, বরিশাল, সিলেট ও কুমিল্লায় আধুনিক ছয়টি হাসপাতাল ভবন নির্মাণ করা হলেও জনবল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাবে বছরের পর বছর সেগুলো অব্যবহৃত পড়ে আছে।

সড়ক-মহাসড়কে গরুর হাট বন্ধ ও অস্ত্র উদ্ধারে কড়া নির্দেশ
পত্রিকার খবরটি আমলে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত এবং স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী অবিলম্বে এই ছয়টি হাসপাতাল পরিদর্শন করে সেগুলো কার্যকরের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে আগামী ২ জুনের মধ্যে এই নির্দেশনার বাস্তবায়ন ও অগ্রগতির সার্বিক প্রতিবেদন পেশ করার সময়সীমা বেধে দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি বৈঠকের তথ্য নিশ্চিত করে জানান, বৈঠকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বর্তমান অবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালটি আংশিক চালু থাকলেও একে ৫০০ শয্যার পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালে রূপান্তর করতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) অধীনে নির্মিত সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালসহ অন্যান্য অচল হাসপাতালগুলো দ্রুত চালুর তাগিদ দেন তিনি।

এদিকে, নীলফামারীতে ১ হাজার শয্যাবিশিষ্ট প্রস্তাবিত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতাল-এর কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে চীনা দূতাবাসকে সম্পৃক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সদর উপজেলায় নির্মিতব্য এই প্রকল্পটি বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী প্রতিটি জেলায় আধুনিক সেকেন্ডারি স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতির অংশ।

স্বাস্থ্য সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী সংবাদ মাধ্যমকে জানান, দেশের উত্তরাঞ্চলে, বিশেষ করে রংপুর বিভাগে প্রায় ২ কোটি মানুষের বসবাস। দারিদ্র্য ও সীমিত অবকাঠামোর কারণে এই অঞ্চলে জটিল রোগের চিকিৎসা নিশ্চিত করা কঠিন। এ অবস্থায় বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতালটি নির্মিত হলে এটি ওই অঞ্চলের প্রধান রেফারেল কেন্দ্র হিসেবে স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও বলেন, উত্তরাঞ্চলে উন্নত চিকিৎসা সেবা সম্প্রসারণ সরকারের একটি সময়োপযোগী ও কৌশলগত পদক্ষেপ।