খুঁজুন
সোমবার, ১১ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশে ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের প্রধান হাতিয়ার হউক রোবটিক্স : লোহাগাড়ায় মুনীর চৌধুরী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২২, ৮:২৩ পূর্বাহ্ণ
বাংলাদেশে ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের প্রধান হাতিয়ার হউক রোবটিক্স : লোহাগাড়ায় মুনীর চৌধুরী

লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের মহাপরিচালক ও সরকারের অতিরিক্ত সচিব মুহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশের প্রতিটি শহর থেকে গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত যদি আমরা রোবটিক্স শিক্ষা এবং তার ব্যবহার পৌঁছে দিতে পারি তাহলে বাংলাদেশের ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হয়ে উঠবে রোবটিক্স।

বাংলাদেশে ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশের প্রতিটি বিভাগ, জেলা ও উপজেলায় রোবটিক্স ইন্সটিটিউট প্রতিষ্টা করে এর প্রসার ঘটাতে হবে। তবেই আমরা সফল হবো বলে বিশ্বাস করি। তারপরও জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর সারা বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, সেমিনার ও অলিম্পিয়াড আয়োজনের মাধ্যমে রোবটিক্স শিক্ষার প্রসারে কাজ করে যাচ্ছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের মাধ্যমে রিসার্চ ল্যাব চট্টগ্রামও সারা দেশের উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে রোবটিক্স শিক্ষার প্রসারে কাজ করে যাচ্ছে।

আজ শনিবার (৫ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় লোহাগাড়ার মোস্তাফা বেগম গার্লস হাই স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত সাইন্স এন্ড রোবটিক্স অলিম্পিয়াডে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেন্স মোকাবিলার প্রস্তুতি হিসেবে রোবটিক্স শিক্ষাকে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দিতে দেশের উপজেলা পর্যায়ে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় এই প্রথম রোবটিক্স অলিম্পিয়াডটি অনুষ্টিত হয়। সকাল ৭টা থেকে শুরু হয়ে দিনব্যাপী দুইটি পর্বে এ অলিম্পিয়াডটি চলে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: শরীফ উল্যাহর সভাপতিত্বে অনুষ্টিত অলিম্পিয়াডের প্রথম পর্বের আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন লোহাগাড়া উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এম ইব্রাহিম কবির, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মোহাম্মদ শাহজাহান, লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো : আতিকুর রহমান, রিসার্চ ল্যাব চট্টগ্রামের প্রধান উপদেষ্টা ড. মহিউদ্দিন মাহী, মোস্তাফিজুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ এ. কে. এম ফজলুল হক চৌধুরী, আমিরাবাদ সুফিয়া আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা শাহাদাত হোসেন, লোহাগাড়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, রিসার্চ ল্যাব চট্টগ্রামের প্রতিষ্টাতা পরিচালক প্রকৌশলী জাহেদ হোসাইন নোবেল, রিসার্চ ল্যাব চট্টগ্রামের প্রধান সমন্বয়ক সুকান্ত শর্মা শিপ্লব এবং লোহাগাড়া উপজেলা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো : ইলিয়াছ প্রমুখ।

একইদিন বিকেল ৫টায় ইউএনও মো : শরীফ উল্যাহর সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন লোহাগাড়া উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এম. ইব্রাহিম কবির।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এম. ইব্রাহিম কবির বাংলাদেশে ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় রোবটিক্স সাইন্স শিক্ষাকে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা এবং রোবটিক্স ব্যবহারের ক্ষেত্র প্রস্তুত করতে রাষ্ট্রীয়ভাবে পৃষ্ঠপোষকতা জরুরী বলে অভিমত ব্যক্ত করেন। পরে অতিথিবৃন্দরা বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

এদিকে, লোহাগাড়া উপজেলা প্রশাসন ও পরিষদের আয়োজনে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের অর্থায়নে এবং রিসার্চ ল্যাব চট্টগ্রামের পরিচালনায় দিনব্যাপী এ সায়েন্স এন্ড রোবটিক্স অলিম্পিয়াডে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের মিউজুবাস প্রদর্শনী, রোবটিক্স কুইজ প্রতিযোগিতা, রোবট প্রজেক্ট শোকেসিং প্রতিযোগিতা, রোবট তৈরিকরণ ওয়ার্কসপ, ফুটবট প্রতিযোগিতা ও ড্রোন শো অনুষ্টিত হয়।

উক্ত অলিম্পিয়াডে উপজেলার ৫৮টি শিক্ষা প্রতিষ্টানের প্রায় ৬ হাজার শিক্ষার্থী ও অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন এবং ২৭টি শিক্ষা প্রতিষ্টানের ৫৪৩ জন শিক্ষার্থী বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন।

২৪ঘণ্টা/এসএ

Feb2

অব্যবহৃত ৬ শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৯:১৬ পূর্বাহ্ণ
অব্যবহৃত ৬ শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বিভিন্ন স্থানে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকা ছয়টি শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ দিয়েছেন।

গত ১২ এপ্রিল একটি জাতীয় দৈনিকে ‘৩২০ কোটি টাকা খরচে ৬ শিশু হাসপাতালের ভবন পড়ে আছে’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হলে তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়, রংপুর, খুলনা, রাজশাহী, বরিশাল, সিলেট ও কুমিল্লায় আধুনিক ছয়টি হাসপাতাল ভবন নির্মাণ করা হলেও জনবল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাবে বছরের পর বছর সেগুলো অব্যবহৃত পড়ে আছে।

সড়ক-মহাসড়কে গরুর হাট বন্ধ ও অস্ত্র উদ্ধারে কড়া নির্দেশ
পত্রিকার খবরটি আমলে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত এবং স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী অবিলম্বে এই ছয়টি হাসপাতাল পরিদর্শন করে সেগুলো কার্যকরের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে আগামী ২ জুনের মধ্যে এই নির্দেশনার বাস্তবায়ন ও অগ্রগতির সার্বিক প্রতিবেদন পেশ করার সময়সীমা বেধে দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি বৈঠকের তথ্য নিশ্চিত করে জানান, বৈঠকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বর্তমান অবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালটি আংশিক চালু থাকলেও একে ৫০০ শয্যার পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালে রূপান্তর করতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) অধীনে নির্মিত সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালসহ অন্যান্য অচল হাসপাতালগুলো দ্রুত চালুর তাগিদ দেন তিনি।

এদিকে, নীলফামারীতে ১ হাজার শয্যাবিশিষ্ট প্রস্তাবিত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতাল-এর কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে চীনা দূতাবাসকে সম্পৃক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সদর উপজেলায় নির্মিতব্য এই প্রকল্পটি বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী প্রতিটি জেলায় আধুনিক সেকেন্ডারি স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতির অংশ।

স্বাস্থ্য সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী সংবাদ মাধ্যমকে জানান, দেশের উত্তরাঞ্চলে, বিশেষ করে রংপুর বিভাগে প্রায় ২ কোটি মানুষের বসবাস। দারিদ্র্য ও সীমিত অবকাঠামোর কারণে এই অঞ্চলে জটিল রোগের চিকিৎসা নিশ্চিত করা কঠিন। এ অবস্থায় বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতালটি নির্মিত হলে এটি ওই অঞ্চলের প্রধান রেফারেল কেন্দ্র হিসেবে স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও বলেন, উত্তরাঞ্চলে উন্নত চিকিৎসা সেবা সম্প্রসারণ সরকারের একটি সময়োপযোগী ও কৌশলগত পদক্ষেপ।

সড়ক-মহাসড়কে গরুর হাট নয়; অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ অভিযানের নির্দেশ চট্টগ্রাম ডিসির

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ৯:১৪ অপরাহ্ণ
সড়ক-মহাসড়কে গরুর হাট নয়; অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ অভিযানের নির্দেশ চট্টগ্রাম ডিসির

আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চট্টগ্রামে সড়ক, মহাসড়ক ও রেললাইনের পাশে গরুর হাট বসানো যাবে না বলে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। একই সঙ্গে ফেরিঘাটে যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ অভিযান জোরদার এবং উৎসবকেন্দ্রিক দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।

রোববার (১০ মে) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব নির্দেশনা দেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, রাজনৈতিক মামলাসংক্রান্ত প্রায় ২০০টি মামলার নিষ্পত্তির প্রস্তাব গত মাসেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে সড়ক দুর্ঘটনা ও জনদুর্ভোগ এড়াতে সবাইকে সতর্কভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সড়ক দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না হয়, সে জন্য প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, রাস্তা, মহাসড়ক কিংবা রেললাইনের পাশে কোনো অবস্থাতেই গরুর হাট বসানো যাবে না। যানজট ও জনদুর্ভোগ এড়াতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে কঠোর অবস্থানে থাকতে হবে। কর্ণফুলী এলাকার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জায়গাসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে কোনো পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।

ফেরি পারাপারে নিরাপত্তার বিষয়েও বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন জেলা প্রশাসক। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী কুমিরা-গুপ্তছড়া ও সন্দ্বীপ রুটসহ সব ফেরিঘাটে বাস বা ট্রাক ফেরিতে ওঠার আগে সব যাত্রীকে নামিয়ে নিরাপদভাবে পারাপার নিশ্চিত করতে হবে। এ বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে ফেরিঘাট এলাকায় নির্দেশনামূলক ব্যানার টানানোর কথাও বলেন তিনি।

সভায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেন জেলা প্রশাসক। চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় সাম্প্রতিক সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়—এমন কোনো পরিস্থিতি চলতে দেওয়া যাবে না। সন্ত্রাস, অস্ত্রের মহড়া, চাঁদাবাজি ও মাদককারবার কঠোর হাতে দমন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, উন্নত বিশ্বের মতো উৎসবের সময় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানোর সংস্কৃতি চালু করা প্রয়োজন। ঈদকে কেন্দ্র করে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসতে ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।

সভায় চট্টগ্রাম জেলার গত মাসের সার্বিক অপরাধচিত্র পর্যালোচনা করা হয়। আলোচনায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, ঈদুল আজহা সুষ্ঠুভাবে উদযাপন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, চোরাচালান দমন ও যানজট নিরসনের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।
নতুন ব্রিজ এলাকা ও চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে যানজট কমাতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিভিন্ন বক্তা বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা গেলে যানজট অনেকাংশে কমবে। রাস্তার ওপর বাজার ও দোকান বসানো এবং যেখানে-সেখানে সিএনজিচালিত অটোরিকশা দাঁড় করানো বন্ধ করতে হবে।

বিভিন্ন বক্তার বক্তব্যের জবাবে পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি বলেন, জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক পাচার ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। কিশোর গ্যাং, মাদক ব্যবসায়ী ও দুর্বৃত্তদের তালিকা প্রস্তুত করে জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহায়তায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সভায় আরও বলা হয়, আন্দোলনের নামে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি বা যানজট তৈরি করে জনজীবন অচল করা যাবে না। চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে। কোনো ব্যক্তি রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদাবাজি করলে তার বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ছাড়া ঈদ উপলক্ষে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়কারীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জেল-জরিমানার ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়। শ্রমিকদের ঈদের আগে বেতন-বোনাস পরিশোধে মালিকপক্ষকে অনুরোধ জানানো হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির উপদেষ্টা ও সংসদ সদস্য নুরুল আমিন, সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী, সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক, সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামসহ জেলা পুলিশ, সিএমপি, নৌবাহিনী, এনএসআই, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা।

পরিবহন খাতের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হবে : মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ৮:১৯ অপরাহ্ণ
পরিবহন খাতের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হবে : মেয়র

চট্টগ্রাম প্রাইম মুভার ট্রেইলার ওনার্স এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন–এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

রবিবার চসিকের প্রধান নগর ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাৎকালে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ পরিবহন খাতের বিভিন্ন সমস্যা, দাবি-দাওয়া ও পেশাগত প্রতিবন্ধকতার বিষয় মেয়র মহোদয়ের কাছে তুলে ধরেন।

এ সময় তারা নগরের সড়ক ব্যবস্থাপনা, ভারী যানবাহন চলাচল, ট্রেইলার পার্কিং সংকট এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনায় বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতা কামনা করেন।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “চট্টগ্রাম দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী। এ নগরের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল রাখতে পরিবহন খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই খাতের যৌক্তিক সমস্যা সমাধানে সমন্বিতভাবে কাজ করা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “নগরবাসীর স্বার্থ রক্ষা এবং যানজট ও জনদুর্ভোগ কমিয়ে সুশৃঙ্খল পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। চট্টগ্রামকে আধুনিক, নিরাপদ ও পরিকল্পিত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।”

সাক্ষাৎ শেষে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মেয়র মহোদয়কে ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।