খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নিষিদ্ধ জালে সয়লাব ঠাকুরগাঁওয়ের গ্রাম-গঞ্জ, বিলুপ্তির পথে দেশীয় মাছ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২০, ১১:৪৮ অপরাহ্ণ
নিষিদ্ধ জালে সয়লাব ঠাকুরগাঁওয়ের গ্রাম-গঞ্জ, বিলুপ্তির পথে দেশীয় মাছ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : রমজান আলী খানের  ফেসবুক সূত্রে জানা যায় ঠাকুরগাঁওয়ের সদর উপজেলার গ্রামগুলোতে সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে কারেন্ট জালের ফাঁদে দেশীয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্তির পথে। বর্ষার এই মৌসুমে মাছের প্রজনন কালীন সময়।

এ উপজেলার গ্রামের বিভিন্ন হাটে চলছে অবৈধ ভাবে কারেন্ট জাল কেনা বেচা, সেগুলো স্থানীয় হাটবাজারে প্রকাশ্যে ও অভিনব কায়দায় বিক্রয় করলেও এখন পর্যন্ত মৎস্য বিভাগকে কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি।

কারেন্ট জাল ক্রয় বিক্রয়ের ফলে আাশেপাশে নদ, নদী,খাল, বিলে কারেন্ট জালদিয়ে অনেক কে মাছ ধরতে দেখা যায়। যার কারণে ধ্বংস হচ্ছে দেশীয় প্রজাতির মাছ, নিধন হচ্ছে দেশীয় মাছ গুলো।

মাছে ভাতে বাঙালী। বহুল প্রচলিত এই প্রবাদটি বাঙালীর ঐতিহ্য ও জীবন পরিচালনায় ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আমাদের প্রধান খাবার ভাত ও মাছ। যা কোনো বাঙালীই অস্বীকার করতে পারবে না। তবে অতীত ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান রেখে কেউ ‘মাছে ভাতে বাঙালীর সত্যতা স্বীকার করলেও বাস্তবতার নিরিখে তা অস্বীকার করার সময় সম্মুখে দাঁড়িয়ে। কারণ দেশীয় প্রজাতি অর্থাৎ আমাদের অতি পরিচিত মাছ গুলো যেভাবে বিলুপ্ত হচ্ছে, তাতে আগামী দিনের বাঙালী খাবার তালিকায় যুক্ত হবে নতুন কিছু। ভাতের সাথে মাছ শব্দটি উধাও হতে আর বেশি দিন বাকি নেই বলে মনে হচ্ছে।

বর্ষার পানি জমা হতে না হতেই করেন্ট জাল দিয়ে নদী-নালায় চলছে মাছ নিধনের মহা ‘উৎসব’!এসব হাট বাজারে জালের দোকান গুলোতে অবৈধ কারেন্ট জালের ছড়াছড়ি বিক্রি হচ্ছে অভিনব কায়দায়। প্রশাসনের চোখে ফাঁকি দিতে দোকান গুলোর সামনে প্লাষ্টিকের বস্তা বা ব্যাগে করে কয়েকজন জাল নিয়ে বসে থাকে আর জালের দোকান গুলোতে ক্রয় করতে গেলে লোক বুঝে দরদাম করে তাদের লোকের ব্যাগ বা বস্তা থেকে জাল বের করে দেওয়া হয়। প্রশাসনের চোখে ফাঁকি দিয়ে প্রতিদিন এভাবে শতশত অবৈধ কারেন্ট জাল ক্রয় বিক্রি চলছে। বিভিন্ন এলাকার মানুষ কারেন্ট জাল ক্রয়ের জন্য আসে।

এলাকার সচেতন লোকজন বলেন, এ ভাবে অবৈধ কারেন্ট জাল ক্রয় বিক্রয় বন্ধ না করলে একদিন দেশীয় প্রজাতির মাছ আমাদের খাবার তালিকা থেকে বাদ পড়ে যাবে যা এখনো কিছুটা হলেও আমরা উপলব্ধি করছি। তাই মৎস বিভাগ ও প্রশাসন কতৃপক্ষের কাছে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহন করে অবৈধ কারেন্ট জাল ক্রয় বিক্রি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর/গৌতম

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…