খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাই আশ্রয় প্রশ্রয় দাতা; নিরুপায় পুলিশ প্রশাসন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২০, ১০:০৭ অপরাহ্ণ
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাই আশ্রয় প্রশ্রয় দাতা; নিরুপায় পুলিশ প্রশাসন

আশরাফ উদ্দিন, মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : মিরসরাই উপকূলীয় সাহেরখালী ইউনিয়নের বেড়িবাধ সংলগ্ন দোকানগুলোতে চুরি ঘটনা যেন নিত্য কর্ম পাতি নেতাদের। এমন কোন দিন নেই যে তারা এসব দোকানে চুরি করেনা। সাগর উপকূলীয় এলাকা হওয়ার কারণে চুরি করে নিরাপদে বন জঙ্গলে গা-ঢাকা দেয় সহজেই।

সরজমিনে গিয়ে কথা হয় বেড়িবাধ এলাকায় বেশ কয়েকজন দোকানির সাথে। তাদের মধ্যে একজন সেলিম সওদাগর, তিনি একটি চায়ের দোকান পরিচালনা করেন।

তিনি জানান, গত জুন মাসের প্রথমদিকে রাতের বেলা তার দোকানটি চুরি হয়ে যায়। চোরের দল তার দোকানের সৌর-বিদ্যুতের ব্যাটারি, সিগারেট, কোলড্রিংস ও অন্যান্য খাদ্য সামগ্রি মিলে প্রায় ১৬ হাজার টাকার মালামাল নিয়ে যায়।

বিষয়টি স্থানিয় চেয়্যারম্যান কামরুল ইসলামকে জানানোর জন্য ফোন করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে ওয়ার্ড মেম্বার জয়নাল আবেদিন দুলালকে অবহতি করলে মেম্বার বলেন রাতের বেলা দোকান পাহারাদিয়ে চোরদের হাতে নাতে ধরতে পারলে বিচার করা হবে।

এই দোকানি অভিযোগ করে জানান, এসব কারা করে মেম্বার-চেয়ারম্যান ভালো করেই জানেন, তাদের কাছে এদের ব্যাপারে ক্ষতিগ্রস্থ সকলেই অভিযোগ করেছেন। আমরা নাম জানলেও বলতে পারিনা, কারন এর আগেও নাম বলার কারনে কয়েক জনকে হুমকি-ধমকি দিয়েছে এসব পাতি নেতারা।

সাহেরখালী বনবিভাগের বিট কর্মকর্তা শহীদ মিয়া জানান, বিট অফিসের ২টি ব্যাটারি চুরি হয়েগেলেও মুখ খোলার সাহস হচ্ছে না। জানাজানি হলে থানায় জিড়ি করতে হবে, আসামী ধরার জন্য চাপ আসবে, ঝামেলা আরো বাড়বে। এখানে গত দুই বছর আছি আমি, দরজা খোলা রেখে ঘুমাতাম কখনো এমন ঘটনা ঘটেনি। গত দুই তিন মাস খুবই খারাপ অবস্থা, ৭ থেকে ৮টা দোকানে চুরি হয়েছে একের পর এক, ছাগল চুরি হয়েছে গরু জবাই করে গোস্ত নিয়ে গেছে। স্থানীয় লোকজনরাই কোন প্রকার প্রতিবাদ প্রতিরোধ করছে না। আমরা মাত্র দুইজন লোক থাকি বহিরাগত, আমরা মুখ খুললে দেখা যাবে রাতের বেলা হামলা করবে। তাই ঝামেলায় না গিয়ে নিজের পকেট থেকে জরিমানা দিয়ে ব্যাটারি কিনে দেব, তবু ঝামেলায় যাবো না।

অন্য একজন ব্যাবসায়ি জয়নাল আবেদিন জানান, তার দোকান থেকে সৌর-বিদ্যুতের একটি ব্যাটারি, সিগারেট, কোমল পানিয়, চিপস, বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী ও ক্যাশ থেকে নগদ টাকা সহ প্রায় ৩০ হজার টাকার মালামাল চুরি হয়ে যায়। তিনি উপজেলা রেডক্রিসেন্ট এর ২নং টিম লিড়ার ও স্থানিয় আওয়ামিলীগ সদস্য। চুরির অভিযোগ করলে সরকারের সম্মান নষ্ট হবে, এলাকার ছেলেরা করছে ,নিজের ও দলের জন্য এটি একটি লজ্জার বিষয়। তাই থানায় অভিযোগ করতে গিয়েও ফিরে এসেছেন মাঝ পথ থেকে।তবে স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার কে চুরির বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত করেছেন।

তিনি জানান, কারা এসব করে ওয়ার্ড মেম্বার তাদের সম্পর্কে অবগত আছেন ভূক্তভোগি ও ক্ষতিগ্রস্থ অনেকেই মেম্বারকে অভিযোগ করে জানিয়েছেন।

নাজিম সওদাগর বলেন, রোজার শেষ সপ্তাহ তারাবির নামাজ পড়তে গেলে দোকানের তালা ভেঙ্গে তার দোকানের মালামাল ও নগদ টাকা সহ প্রায় ১৩ হাজার টাকার জিনিস চুরি করে নিয়ে যায়। এই ব্যাপারে স্থানিয় মেম্বারকে জানানো হয়েছে তবে এখনো কোন সুরাহ হয়নি। অভিযুক্তদের ডাকাও হয়নি।

এমন আবস্থায় উপকূলিয় এলাকার লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ও ভয় কাজ করছে। কোন দিন কার দোকানে চুরি হয়, কার উপর হামলা নির্যাতন হয় এই ভয়ে।(চলবে)

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…