খুঁজুন
, ,

আমার মেয়াদকালীন সময়ে কেউ দুর্নীতি করে পার পাবেনা-সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 13 August, 2020, 5:38 pm
আমার মেয়াদকালীন সময়ে কেউ দুর্নীতি করে পার পাবেনা-সুজন

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন করপোরেশনের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে তাঁর কঠোর অবস্থান নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। সেই সাথে নির্দেশ দিয়েছেন নগরীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে চসিকের ব্যাহাত সম্পত্তি উদ্ধারের।

তিনি আজ টাইগারপাসস্থ নগরভবনের সম্মেলন কক্ষে সিটি করপোরেশনের রাজস্ব বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বৈঠকে এই ঘোষণা দেন।

তিনি আরো বলেন, আমার মেয়াদকালীন সময়ে কেউ দুর্নীতি করে পার পাবেনা। আমি যদি নিজে দুর্নীতি করি তাহলে আমাকে কেনো আপনারা সুযোগ দেবেন। আপনাদেরও দ্বায়িত্ব আছে। চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের চিত্র দেখে প্রশাসক অসন্তোষ প্রকাশ করে আগামী একমাসের মধ্যে সর্বোচ্চ রাজস্ব আদায় এবং চট্টগ্রাম মহানগরের সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দেন।

রাজস্ব বিভাগে কর্মরতরা তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্য সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে পালন করার তাগাদা দিয়ে প্রশাসক বলেন, আপনাদের উপরই চসিকের আর্থিক সঙ্গতি নির্ভরশীল। বকেয়া হোল্ডিং ট্যাক্স, ট্রেড লাইসেন্সসহ চসিকের আয় সংশ্লিস্ট খাতসমূহকে শক্তিশালী করতে রাজস্ব বিভাগে কর্মরতদের ভূমিকা অপরিসীম।

তিনি বলেন, চসিকের রাজস্ব খাতটি হচ্ছে আমাদের মূল চালিকা শক্তি। এথেকেই চসিকের সকল কর্মকান্ড পরিচালিত হয়। তাই হোল্ডিং ট্যাক্স প্রদানে নগরবাসীকে উব্দুদ্ধ করতে রাজস্ব বিভাগে কর্মরতদের পরামর্শ দেন প্রশাসক।

সম্প্রতি রাজস্ব বিভাগে আভ্যন্তরিন বদলী বিষয় তুলে ধরে প্রশাসক বলেন, এটি একটি চলমান পক্রিয়া। এতে করে এক সার্কেলে কর্মরতরা অন্য সার্কেলে গিয়ে অভিজ্ঞতা আদান-প্রদানের সুযোগ পাবেন। রাজস্ব আদায়কারীদের মধ্যে যারা তাদের টার্গেট ফিলাপ ও আয়বর্ধক কাজে অবদান রাখবেন তাদের চসিকের পক্ষ থেকে পুরস্কৃত করা হবে বলে প্রশাসক জানান অন্যথায় ব্যর্থতার দায়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনও করা হবে।

তিনি রাজস্ব আনাদায়ী হোল্ডিং নম্বরগুলো চিহ্নিত করে স্ব স্ব এলাকায় প্রদর্শনের ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা দেন।

মতবিনিময়কালে চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামসুদ্দোহা,সবিচ আবু শাহেদ চৌধুরী, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মুফিদুল আলম, প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, রাজস্ব কর্মকর্তা সাহেদা পারভীন, সহকারী এস্টেট অফিসার আবদুল্লাহ আল মামুন, কর কর্মকর্তা মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন, মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, নুরুল আলম, এস এম সালাউদ্দিন, মোহাম্মদ ইউসুফ,উপ কর কর্মকর্তা এখলাস উদ্দিন আহমদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

চসিকের ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত, অলংকার মোড়ে উচ্ছেদ হলো অবৈধ দোকান

চট্টগ্রাম নগরীর প্রবেশদ্বার সিটি গেইট হতে অলংকারমোড়ে এতদিন যাবত অবৈধ স্থাপনাসমূহ শহরের সৌন্দর্যহানি ও যানজটের কারণ হয়ে উঠেছিল। চসিকের বর্তমান প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন দায়িত্ব নেয়ার পর এই বিষয়টি আমলে এনে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশনা প্রদান করেন। এরই অংশ হিসেবে আজ বৃহষ্পতিবার সকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী ও স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) জাহানারা ফেরদৌস এর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হয়।

অভিযানকালে নগরীর অলংকার মোড়স্থ ২টি যাত্রী ছাউনি সংলগ্ন অবৈধ দুটি দোকান ও নির্মাণাধীন স্থাপনা উচ্ছেদ করে রাস্তা ও ফুটপাতের জায়গা অবৈধ দখলমুক্ত করা হয়।

উল্লেখ্য উক্ত সড়কে আরো কিছু অবৈধ দোকানপাট থেকে যাওয়ায় মানবিক দিক বিবেচনায় তাদেরকে আগামী ২৫ তারিখের মধ্যে নিজ দায়িত্বে সকল স্থাপনা সরিয়ে নেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়। অন্যথায় কর্পোরেশন উচ্ছেদকালে উচ্ছেদের সমস্ত ব্যয়ভারসহ জরিমানা আদায় করা হবে। আজকের এই উচ্ছেদের ফলে জনমনে স্বস্থি ও যানজট অনেকাংশে কমে আসবে বলে অভিমত জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এজন্য তারা প্রশাসকসহ চসিকের সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান।

অভিযানকালে চসিক অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ এ.কে.এম রেজাউল করিম,নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাদাত মোহাম্মদ তৈয়বসহ সিএমপি পুলিশ ও চসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী ম্যাজিস্ট্রেটদ্বয়ের সাথে ছিলেন।

চসিক প্রশাসক খোরশেদ আলম এর সাথে
দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম.এ মালেকের সৌজন্য সাক্ষাত

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, বাংলাদেশের প্রথম দৈনিক আজাদী চট্টগ্রামের একটি মাসদর্পন। বিশেষত চট্টগ্রামের রাজনীতি,সাহিত্য,সংস্কৃতি ও শিল্প বিকাশে এ গণমাধ্যমটি যুগের চাহিদা পূরণ করেছে। আমি মনে করি দৈনিক আজাদী কর্তৃপক্ষ তাদের অতিতের কথা স্মরণ রেখে সংবাদ পত্র জগতে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে যাবে। যারা আজাদীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তাদের চাওয়া পাওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করবে এবং আজাদীর সাথে সংশ্লিষ্টরাও মালিক পক্ষের সাথে সু-সম্পর্ক বজিয়ে রেখে সাংবাদিকতা ও জনদায়বদ্ধতার ক্ষেত্রটিকে একটি শৃজনশীল ক্ষেত্র হিসেবে সুন্দর ও পারস্পরিক সহাবস্থানের সেতুবন্ধন রচনা করবেন।

তিনি আজ অপরাহ্নে দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম.এ মালেক এর বাসভবনে তাঁর সাথে সৌজন্য সাক্ষাতকালে একথাগুলো বলেন।

তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত পাঁচটি দৈনিক পত্রিকার প্রকাশনা আকস্মিকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। প্রায় পনের দিন ধরে পাঠকরা এসব পত্রিকা পড়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সংবাদমাধ্যম সূত্রমতে জানা যায় চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিইউজে) বেতন বোনাসের দাবিতে দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেকের বাসা ঘেরাও কর্মসূচি পালনের পর থেকে এই সংকটজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে সাংবাদিকসহ পত্রিকায় কর্মরতরা গভীর সংকটের মধ্যে পড়েছেন। শুধু তা নয়, পাঠকরাও তাদের তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সাংবাদিক, কর্মকর্তা-কর্মচারিসহ প্রেস শ্রমিকরা চাকরি হারানোর শঙ্কায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। মহামারী করোনা পরিস্থিতিতে এমনিতেই পত্রিকার বিক্রি আগের তুলনায় অনেকাংশে কম, তার ওপর আকস্মিক পত্রিকার প্রকাশনা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শত,শত হকারের উপার্জনের পথও সংকুচিত হয়ে পড়েছে। এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে উভয় পক্ষকে আলোচনার টেবিলে বসে সংকটময় এ পরিস্থিতি উত্তরনের অনুরোধ জানান চসিক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, চট্টগ্রামবাসী চাতকের মত তাকিয়ে আছে কখন ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে প্রিয় পত্রিকাগুলো আবারও পড়তে পারবেন।

জাতীয় শোক দিবস-২০২০ উপলক্ষ্যে চসিকের কর্মসূচী
স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকীতে জাতীয় শোক দিবস ২০২০ ইং পালনের লক্ষ্যে জাতীয় কর্মসূচীর আলোকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কর্মসূচীর মধ্যে ১৪ই আগস্ট শুক্রবার সকালে চসিক পরিচালিত সকল কিন্ডারগার্টেন ও বিদ্যালয় এবং কলেজ পর্যায়ে অন লাইন (পযরবভবফঁপধঃরড়হড়ভভরপব১৮@ুধযড়ড়.পড়স ঠিকানায় পিডিএফ বা জেপিজি ফরম্যাটে প্রেরণ) রচনা প্রতিযোগিতা ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা।

১৫ আগস্ট শনিবার সকালে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকাসহ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পতাকা অর্ধনমিত করণ (চসিকের প্রধান কার্যালয়সহ সকল আঞ্চলিক অফিস, ওয়ার্ড অফিস, স্কুল, কলেজ, হাসপাতালসহ কর্পোরেশনের অন্যান্য সকল কার্যালয়) এবং কালো ব্যাজ ধারণ। সকাল ৯টা ০১ মিনিটে টাইগারপাস্থ নগরভবন প্রাঙ্গনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পন, সকাল ৯ টা ১৫ মিনিটে টাইগারপাস্থ নগরভবনের মিলনায়তনে খতমে কোরআন, মিলাদ মাহফিল, বিশেষ মোনাজাত, এতিম সমাবেশ, তবারুক বিতরণ ও আলোচনা সভা। সকাল ১০ টায় টাইগারপাসে বৃক্ষরোপন কর্মসুচী উদ্বোধন। সকাল সাড়ে ১০ টায় দিনব্যাপী ফ্রি স্বাস্থ্যসেবা প্রদান কর্মসূচী । এর পর চসিক পরিচালিত মসজিদ ও ফোরকানিয়া মাদ্রাসা, সমূহে মিলাদ ও বিশেষ মোনাজাত এছাড়াও মন্দির, গির্জা ও প্যাগোড়ায় বিশেষ প্রার্থনা করা হবে।

উল্লেখিত সকল কর্মসূচীতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন চসিক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন। চসিকের এসব কর্মসূচীগুলোতে সংশ্লিস্ট সকলকে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা হলো।

দানেশ ফাউন্ডেশন চারাগাছ প্রদান: আজ সকালে টাইগারপাসস্থ চসিক নগরভবনে ৫শ চারাগাছ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজনের হাতে তুলে দিয়েছেন দানেশ ফাউন্ডেশন। এসব চারাগাছের মধ্যে ফলজ,বনজ ও ওষুধি গাছ রয়েছে।

এসময় চসিক প্রধান প্রকৌশলী লে.কর্ণেল সোহেল আহমদ, মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ এ কে এম রেজাউল করিম, ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আদিল মো. সরফরাজ চৌধুরী, উপদেষ্টা এস এম নুরুল হক, আকতার মিয়া, আনাস চৌধুরী, শোয়েবুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

চট্টগ্রামে ডিবি অফিসের সামনেই ইয়াবার হাট, হাটের রাজা ইয়াবা সম্রাট জয়, জড়িত গোয়েন্দা পুলিশের কিছু অসাধু সদস্য

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 9:56 pm
চট্টগ্রামে ডিবি অফিসের সামনেই ইয়াবার হাট, হাটের রাজা ইয়াবা সম্রাট জয়, জড়িত গোয়েন্দা পুলিশের কিছু অসাধু সদস্য

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি::চট্টগ্রামের মুনছুরাবাদে ডিবি (গোয়েন্দা) পুলিশের কার্যালয়ের সামনে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে প্রকাশ্যে মাদক বেচাকেনার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

জানাগেছে, চট্টগ্রামের ইয়াবা সম্রাট নামে খ্যাত জয় প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬ টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে প্রকাশ্যে ইয়াবাসহ নানা নেশাজাত দ্রব্য বিক্রি করে । প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার মাদক জাত দ্রব্য বিক্রি হয় কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে। এ ছাড়া পার্শ্ববর্তী রেশন স্টোর ও পুলিশের ব্র্যাক থেকেও ইয়াবা সাপ্লাই করে জয়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, জয় এর এই অবৈধ মাদক ব্যবসার সাথে কিছু অসাধু গোয়েন্দা পুলিশের সদস্য জড়িত । ফলে নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে মাদকের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে জয়।

‎অনুসন্ধানে জানাযায়, গনি আহামদের ছেলে জাবেদ ওরফে জয়, কাজীর দেউড়ি ২ নং গলির বাসিন্দা হলেও বর্তমানে বাকলিয়া থানার বলির হাট এলাকায় বসবাস করে।

সুত্র জানায়, ডিবি পুলিশের কনেস্টেবল আজাদ, রবিউল,  হানিফ, সঞ্জয়, আব্দুর রহিম, ইয়াবা সম্রাট জাবেদ ওরফে জয় এর সহযোগী বলে জানা গেছে।

‎এছাড়া কর্ণফুলী ক্লাব থেকে রূপসা বেকারী পর্যন্ত ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণ জয়কে ডিবি অফিসার হিসাবে চিনে ও জানে, অনেকেই আবার জয়কে জয় স্যার বলে সম্বোধন করে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিবি পুলিশের কয়েকজন সদস্য বলেন, আইনের লোকেরা যখন বেআইনি কাজে জড়িয়ে পড়ে তখন কিছুই বলার থাকে না। পুলিশের ব্র্যাকে মাদক দ্রব্য রেখে গোয়েন্দা পুলিশের অফিসের সামনে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে চট্টগ্রামের চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী মিস্ত্রী পাড়ার বিপ্লব ও বউ বাজারে ডাইল নুরুকে নিয়ে জয় যে মাদকের হাট বসায় তা মেনে নেওয়ার নয়। গোয়েন্দা পুলিশের যে সদস্যরা জয়ের সাথে জড়িত তারা সবাই কোটি কোটি টাকার মালিক তাদের টাকার দাপটে আমরা অসহায়। খোদ উর্ধ্বতনরাও টাকার কাছে জিম্মি বলে মনে হয়।

‎নেশাগ্রস্থ অবস্থায় জয় যখন পুলিশ ব্র্যাকে শুয়ে থাকে তখনও কিছুই বলার থাকেনা। সন্ধ্যা হলে নগরীর চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীরা আসে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে ।

‎সিএমপিতে দীর্ঘ দিন ধরে চট্টগ্রামের বাকলিয়ার মাদক সম্ম্রাট ইছহাক, সোবহান, ও পাহারতলীর মাদক সম্ম্রাট টেক্সি জসিম আলমগীর ও কদম তলীর শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ি আলো সহ আরো অসংখ্য মাদক ব্যবসায়ীর নিকট মাদক ও ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রয় করে আসছে।

ক্লাবের ভিতরে মাঠে চেয়ার নিয়ে বসে থাকে, জয় , ডাইল নুরু ও ইয়াবা সম্রাট বিপ্লব। পার্টি আসলে ব্র্যাক থেকে মাদক দ্রব্য নিয়ে আসে অসাধু পুলিশ সদস্যরা।

‎এই বিষয়ে জয়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি অসংলগ্ন কথাবার্তা বলেন। একবার বলেন আমি ফার্নিচার ব্যবসায়ী, আবার বলেন আমি এইসব ছেড়ে দিয়েছি। আবার অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে বলেন, আমি জানি কে এইসব আমার ব্যাপারে বলেছে। আপনার খবর নিয়ে দেখবো আপনি কে ?

‎মাদকের ব্যাপারে সারাদেশের প্রসাশন জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষনা করলেও সিএমপি গোয়েন্দা কার্যালয়ের সামনে এমন কান্ডকে ভাবিয়ে তোলে সচেতন মহলকে।

‎এই বিষয়ে ডিসি (ডিবি উত্তর) এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সিএমপিতে একসঙ্গে ৫ থানার ওসি রদবদল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 9:29 pm
সিএমপিতে একসঙ্গে ৫ থানার ওসি রদবদল

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) পাঁচ থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পদে বড় ধরনের রদবদল করা হয়েছে। একই আদেশে কয়েকজন ওসিকে বদলি এবং বিভিন্ন ইউনিট থেকে নতুন কর্মকর্তাদের থানায় পদায়ন করা হয়েছে।

শনিবার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ রদবদলের তথ্য জানানো হয়।

আদেশ অনুযায়ী, কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের পুলিশ পরিদর্শক নুর আহমদকে কর্ণফুলী থানার ওসি, সিটিএসবির মোহাম্মদ আবদুর রহিমকে খুলশী থানার ওসি এবং কর্ণফুলী থানার বর্তমান ওসি মো. ইখতিয়ারউদ্দিনকে বায়েজিদ বোস্তামি থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

এ ছাড়া ডিবি বন্দর জোনের পুলিশ পরিদর্শক মো. জয়নাল আবেদীন মন্ডলকে হালিশহর থানার ওসি এবং খুলশী থানার বর্তমান ওসি মোজাম্মেল হককে পাঁচলাইশ মডেল থানার ওসি করা হয়েছে।

অন্যদিকে, পাঁচলাইশ মডেল থানার বর্তমান ওসি মো. জাহেদুল ইসলামকে বদলি করে সিটিএসবিতে পদায়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি সিটিএসবির মোহাম্মদ একরাম উল্লাহকে সদরঘাট থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

সিএমপির জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

পাহাড়ে ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 8:20 pm
পাহাড়ে ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলের তিন জেলায় বসবাসরত পাহাড়ি-বাঙালি সব সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি সুদৃঢ় করে সরকার ঘোষিত ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নই যথেষ্ট নয়; দুর্গম ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে শিক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তি এবং দক্ষতার বিকাশ ঘটিয়ে তাদের সুনাগরিক ও মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে।

আজ রোববার রাঙ্গামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক আয়োজিত তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রশিক্ষণ সনদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী ও নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে প্রতিমন্ত্রী উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা- কর্মচারীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও অধিকার নিশ্চিত করার বৃহৎ দর্শন নিয়ে ১৯৭৬ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই স্বপ্ন ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে ধর্ম, বর্ণ বা গোত্র নির্বিশেষে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দিতে হবে।

তরুণদের উদ্দেশ্যে ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, ফ্রিল্যান্সিংসহ আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে যেন তারা ঘরে বসেই উপার্জন করতে পারেন এবং এই আয়কে সরকার করমুক্ত ঘোষণা করেছে। একইসঙ্গে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি যুবকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে উন্নয়ন বোর্ডকে নতুন নতুন স্কিম গ্রহণের নির্দেশনা দেন।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সরকার জনগণের সেবক। সেবার মানসিকতা নিয়ে সর্বোচ্চ নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে যেন জনগণকে সেবার জন্য বারবার অফিসে আসতে না হয়, বরং সেবা পৌঁছে যায় মানুষের দোরগোড়ায়। এসডিজি অর্জনে মন্ত্রণালয় ও উন্নয়ন বোর্ডকে সমন্বিত পরিবারের মতো কাজ করতে হবে। এ সময় তিনি বোর্ডের শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণ করা, পেনশন সুবিধার বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ এবং পাড়া কেন্দ্রের কর্মীদের বেতন ও সুযোগ-সুবিধা যৌক্তিক পর্যায়ে উন্নীত করতে ডিপিপি (DPP) সংশোধনের আশ্বাস দেন।

দিনব্যাপী সফরকালে প্রতিমন্ত্রী ৫০ জন নারীকে সেলাই মেশিন ও ২৫০টি স্কুলে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী বিতরণ করেন। এছাড়া তিনি রাঙ্গামাটি শিশু পার্কের ওয়াচ টাওয়ার, জেলা পরিষদের ই-লার্নিং সেন্টার এবং খাগড়াছড়ি-রাঙ্গামাটি সড়কে মহাপুরম খালের ওপর ব্রিজের উদ্বোধন করেন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ্ আহাম্মদ, জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, সদস্য (অর্থ) সুমন বড়ুয়া, সদস্য (পরিকল্পনা) জাহিদ ইকবালসহ সামরিক-বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।