খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বারইখাল খনন-কুলগাঁও বাস টার্মিনাল জলাবদ্ধতা ও যানজট নিরসনের সবুজ সংকেত:সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২০, ৫:১৮ অপরাহ্ণ
বারইখাল খনন-কুলগাঁও বাস টার্মিনাল জলাবদ্ধতা ও যানজট নিরসনের সবুজ সংকেত:সুজন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন আজ সকালে নগরীর জনদুর্ভোগ ও ভোগান্তি লাঘবে বাস্তবায়নাধীন দু’টি প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনকালে বলেন, এই প্রকল্প দু’র সুফল নগরবাসীর জীবনমান উন্নয়নে বড় অবদান রাখবে। নাগরিক দুর্ভোগের প্রধান কারণ জলাবদ্ধতা ও যানজট। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই দুইটি সমস্যা নিরসনের অংশ হিসেবে চসিক নগরীতে পূর্ব বাকলিয়ায় বলিরহাটে বারইখাল খনন প্রকল্প ও কুলগাঁওয়ে বালুছড়াই বাস টার্মিনাল প্রকল্প বাস্তবায়নে পদে পদে সকল বাধা অতিক্রম করে এখন স্বপ্ন ও প্রত্যাশার প্রাপ্তিযোগ ঘটাতে যাচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, অত্যাধুনিক আন্তর্জাতিক মানের নগরী হিসেবে গড়ে উঠতে প্রাকৃতিক বন্দর সহ সকল উপাদান বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও চট্টগ্রাম তা হতে পারেনি। একটি পরিকল্পিত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে হলে যে ধরণের যুগোপযোগী পরিকল্পনা থাকা দরকার তা এতদিন ছিল না। ফলে এক সময়ের ছোট-খাট সমস্যাগুলো এখন আমাদের মাথা ব্যথার বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর বড় প্রমাণ জলাবদ্ধতা ও যানজট। চাক্তাই খাল দখল এবং প্রায় দু’ডজন খাল বিলুপ্তি নগরীতে জলাবদ্ধতার মূল উৎস এবং গণ ও পণ্য পরিবহনের জন্য বড় টার্মিনাল না থাকায় যেখানে সেখানে অবৈধ পরিবহন স্ট্যান্ডগুলো যানজট সমস্যাকে অনিবার্য করে তুলেছে। তাই এই দুইটি বিষয়কে মাথায় রেখে আমাদেরকে এগুতে হবে এবং প্রধানমন্ত্রী সেই ভাবেই এগুতে আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন।

তিনি উল্লেখ করেন যে, এই দু’টি বাস্তবায়নাধীন প্রকল্প নগরীতে জলাবদ্ধতা ও যানজট সংকট নিরসনের সবুজ সংকেত। তিনি পূর্ব বাকলিয়া বলিরহাটে জাইকার অধীনে ১৩’শ কোটি টাকা ব্যয় বরাদ্দকৃত বারইখাল খনন প্রকল্পটির বিবরণী তুলে ধরে জানান, ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খালটি সরাসরি চাক্তাই খালের সাথে যুক্ত হবে এবং ওই খাল হয়ে পানি কর্ণফুলী নদীতে গিয়ে পড়বে। খালটির প্রশস্থ ৬৫টি ফুট। দু’পাশে থাকবে ২০ ফুট প্রশস্থ সড়ক ও ৬ ফুট প্রশস্থ ওয়ার্কওয়ে। বিগত ৬ বছর ধরে বিভিন্ন কারণে এই প্রকল্পটির বাস্তবায়ন কাজ ঝুলে ছিল। আমরা প্রয়োজনীয় দেনদরবার করে প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ আবার শুরু করতে পেরেছি। চসিকের প্রকৌশল সহ সংশ্লিষ্ট বিভাগকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং প্রকৌশলীদের এই ব্যাপারে অর্পিত দায়িত্ব পালন করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

তিনি কুলগাঁও বালুছড়াই ৮.১ একর জায়গার ওপর চসিকের উদ্যোগে বাস্তবায়নাধীন বাস টার্মিনাল প্রকল্প এলাকা পরিদর্শণকালে জানান, এই প্রকল্পটি ভূমি অধিগ্রহণের কাজ চলমান রয়েছে। ইতোপূর্বে চসিক ভূমি অধিগ্রহণের জন্য সরকারের ভূমি অধিগ্রহণ বিভাগকে ১৩০ কোটি টাকা প্রদান করেছে। এই প্রক্রিয়াটি করোনাকালে কিছুটা গতি হারালেও তাকে আবারও চাঙ্গা করার জন্য আমি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ও তাগিদ প্রদান করে আসছি। আশাকরি এ ক্ষেত্রে আর কোন সময় ক্ষেপন করা হবে না এবং অধিগ্রহণ কাজ সমাপ্ত হলে ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে অবকাঠামো নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন শুরু হবে।

তিনি বলেন, এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে সমগ্র উত্তর চট্টগ্রাম এবং পাবর্ত্য রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলার মধ্যে বিদ্যমান যানজট সমস্যা আর থাকবে না। খুব সহজেই এই বাস টার্মিনাল থেকে পরিবহন মালিক, চালক, শ্রমিক এবং যাত্রী সাধারণ বিড়ম্বনামুক্ত আরামদায়ক সহজলব্য সেবা পাবেন। এর আগে তিনি প্রকল্প পরিদর্শনের জন্য যাবার পথে বহদ্দারহাট মোড়ে রাস্তার উপর যত্রতত্র ভাবে বিভিন্ন রিক্সা, ভ্যান, সিএনজি ট্যাক্সির যানবাহনের স্ট্যান্ড দেখে গাড়ী থেকে সেখানেই নেমে পড়েন এবং নিজ উদ্যোগে রাস্তার উপর দাঁড়িয়ে থাকা যানবাহনগুলোকে সরে যাওয়ার জন্য তাৎক্ষণিক নির্দেশ দেন। ফলে খুব দ্রুতই এই প্রশস্থ সড়কটি জন ও যানবাহন চলাচলে উপযোগী হয়ে ওঠে। এ জন্য এলাকাবাসী এগিয়ে এসে প্রশাসককে ধন্যবাদ জানান।

এ সময় অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক, তত্ত্ববধায়ক প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম, আবু ছালেহ, প্রশাসকের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, নির্বাহী প্রকৌশলী ফরহাদুল আলম, আবু সিদ্দীক, শাহিনুল ইসলাম, এস্টেট অফিসার মো. কামরুল ইসলাম চৌধুরী, প্রকৌশলী মফিজুল ইসলামসহ চসিকের প্রকৌশলী ও পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…