খুঁজুন
শনিবার, ৯ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ ধনীর তালিকায় বাংলাদেশি তরুণ আশিক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৯, ৯:০৩ অপরাহ্ণ
অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ ধনীর তালিকায় বাংলাদেশি তরুণ আশিক

অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ ৩৮ জন ‘তরুণ ধনী’র তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের নাগরিক আশিক আহমেদ। তার সম্পত্তির পরিমাণ ১৪৮ মিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ হাজার ২৫০ কোটি টাকারও বেশি)। তিনি ‘ডেপুটি’ হিসাব রক্ষণাবেক্ষণকারী একটি সফটওয়্যারের প্রধান নির্বাহী (সিও) ও সহপ্রতিষ্ঠাতা।

বৃহস্পতিবার দেশটির ব্যবসা ও অর্থ বিষয়ক দৈনিক ‘অস্ট্রেলিয়ান ফিন্যান্সিয়াল রিভিউ’ দেশটির শীর্ষ ‘তরুণ ধনী’ দের তালিকা প্রকাশ করেছে। ৩৮জনের তালিকায় আশিক আহমেদের অবস্থান ২৫ নম্বরে।

আশিক আহমেদ মাত্র ১৭ বছর বয়সে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন। এরপর মেলবোর্নের একটি ফাস্ট ফুড চেইনে বার্গার ফ্লিপ করার কাজ শুরু করেছিলেন তিনি।

কিন্তু আশিকের গণিত এবং বিজ্ঞানে আগ্রহী ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি ২০০৮ সালে সহ-প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে ‘ডেপুটি’ নামে একটি সফটওয়্যার তৈরি করেন। মূলত সফটওয়্যার এর ব্যবসা করেই ধনীর কাতারে পৌঁছান তিনি।

শীর্ষ ‘তরুণ ধনী’র তালিকায় স্থান পাওয়ার বিষয়ে আশিক আহমেদ নিজের অনুভূতি সম্পর্কে বলেন, ‘‘এটা আমার জন্য দারুণ একটি ব্যাপার। আমি কখনোই শুধু অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্যে কাজ করিনি। বরং শুরু থেকেই অর্থের চেয়ে সমস্যার সমাধান করা আমাদের প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য ছিল।’’

অস্ট্রেলিয়ান সংবাদমাধ্যম এসবিএস নিউজকে এক সাক্ষাৎকারে আশিক বলেন, প্রথম দিকে আমি ঘণ্টাভিত্তিক বেতনে কাজ করতাম। সেসময় আমি দেখেছি, যারা ঘণ্টাভিত্তিক কাজ করেন, হিসাব রাখার ক্ষেত্রে তাদেরকে বেশ কিছু সমস্যায় পড়তে হয়। আবার মালিকপক্ষের যারা কাজের হিসাব রাখেন, তাদেরও বেশ কিছু সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। এই সমস্যা সমাধান করা যায় কীভাবে সে বিষয়টি আমার মাথায় কাজ করতে থাকে। তখন গণিত, বিজ্ঞান ও কর্মক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা-চ্যালেঞ্জের সমন্বয়ে সমস্যা সমাধানের একটি গাণিতিক উপায় আমরা খুঁজে বের করার চেষ্টা করি এবং শেষ পর্যন্ত আমরা ‘ডেপুটি’ নামের এই সফটওয়্যারটি তৈরি করি।

‘ডেপুটি’ এমন একটি সফটওয়্যার যা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের কাজের সময়সূচি তৈরির পাশাপাশি বেতন প্রদানের হিসাবের রক্ষণাবেক্ষণ অত্যন্ত সহজ করে দেয়।

বর্তমানে বিশ্বে ১ লাখ ৮৪ হাজার প্রতিষ্ঠান ‘ডেপুটি’ সফটওয়্যার ব্যবহার করছে। এদের মধ্যে নাসা ও কান্টাসের (অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বড় এয়ারলাইন্স) নামও বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

Feb2

সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ণ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহতের খবর পাওয়া গেছে।

শনিবার (৯ মে) সকালে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

নিহত মো. মুরসালিন (২০) কসবা উপজেলার ধজনগর গ্রামের মো. হেবজু মিয়ার ছেলে। তিনি স্থানীয় শাহআলম ডিগ্রী কলেজের শিক্ষার্থী। নিহত অন্যজনের নাম জানা যায়নি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, শুক্রবার রাত আনুমানিক ১১টা ৫ মিনিটে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার প্রায় ১৫ বাংলাদেশি চোরাকারবারি ভারতীয় চোরাকারবারিদের সহযোগিতায় চালানের উদ্দেশে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে ধজনগর-পাথারিয়াদ্বার এলাকায় প্রবেশ করে।

পরে ভারত থেকে চালানি মালামাল নিয়ে ফেরার সময় বিএসএফের ৪৯ ব্যাটালিয়নের পাথারিয়াদ্বার ক্যাম্পের টহল দল তাদের বাধা দেয়। এ সময় বিএসএফ সদস্যদের সঙ্গে বাংলাদেশি চোরাকারবারিদের ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

একপর্যায়ে বিএসএফ সদস্যরা ছররা বন্দুক থেকে দুই রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এতে মুরসালিন গুরুতর আহত হন। পরে ভারতের হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়। এছাড়া গুলিতে আহত অন্য একজনও একই হাসপাতালে মারা গেছেন।

বিজিবি জানায়, আহত দুইজনকে ভারতের একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন তাদের মৃত্যু হয় বলে বিএসএফ কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।

ঘটনার পর ৬০ বিজিবি সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক বিএসএফ কমান্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিহতদের লাশ বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে কাজ করছেন। একই সঙ্গে বিএসএফকে প্রটেস্ট নোট পাঠানো এবং ফ্ল্যাগ মিটিং আয়োজনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বিজিবি আরও জানায়, নিহত দুই ব্যক্তি আগে থেকেই চোরাচালানি মালামাল পরিবহণের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

বিজিবির ৬০ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল এসএম শরিফুল ইসলাম বলেন, বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি মারা গেছেন। তাদের একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। অন্যজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। বিএসএফ জানিয়েছে, তাদের হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে লাশ ফেরত দেওয়া হবে। বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ছামিউল ইসলাম বলেন, নিহত মুরসালিন একজন কলেজ ছাত্র। অপর নিহতের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

কাপাসিয়ায় একই পরিবারের ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ১০:০২ পূর্বাহ্ণ
কাপাসিয়ায় একই পরিবারের ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে একই পরিবারের ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

শুক্রবার (৮ মে) রাতে ওই গ্রামের প্রবাসী মনিরের স্ত্রী-সন্তানসহ ৫ জনকে হত্যা করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে বাড়ির ভেতরে রক্তাক্ত অবস্থায় মরদেহগুলো দেখতে পেয়ে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করে।

কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহিনুর আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, নিহতদের মধ্যে প্রবাসী মনিরের স্ত্রী ও সন্তান রয়েছেন। তবে নিহত অন্যদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাস্থল ঘিরে তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের শনাক্তে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের মাধ্যমে গড়ে উঠবে ‘নতুন বাংলাদেশ’: ডিসি জাহিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ণ
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের মাধ্যমে গড়ে উঠবে ‘নতুন বাংলাদেশ’: ডিসি জাহিদ

তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মাদক ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেছেন, “নতুন বাংলাদেশ” গড়ার লক্ষ্যে সরকার যে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ তারই একটি দূরদর্শী উদ্যোগ।

শুক্রবার (৮ মে) “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬” এর চট্টগ্রাম জেলা পর্বের সপ্তম দিনের বিভিন্ন ইভেন্টের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম বলেন,মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সবচেয়ে উজ্জ্বল মাইলফলক স্থাপিত হয়েছে “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস”-এর এই যাত্রার মাধ্যমে। আমরা এই আয়োজনের মাধ্যমে একটি দক্ষ, প্রত্যয়শীল ও দেশপ্রেমিক জাতি গঠন করতে চাই—যে জাতি নিজে সুস্থ থাকবে এবং একটি সুস্থ সমাজ গড়ে তুলবে।

খেলাধুলা শুধু শারীরিক সুস্থতাই নিশ্চিত করে না, এটি মানসিক বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই স্পোর্টস কার্যক্রমের মাধ্যমে আমরা আমাদের নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতে চাই।

তিনি আরো বলেন, খেলাধুলা আমাদের শেখায় কীভাবে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে হয়, কীভাবে পরাজয় মেনে নিতে হয় এবং কীভাবে সেই পরাজয় থেকে আবার জয়ের পথে ফিরে আসতে হয়। আমরা বিশ্বাস করি, একজন মানুষ সবসময় জয়ী হতে পারে না; কিন্তু জয়ী হতে হলে তাকে প্রতিযোগিতার মনোভাব ধরে রাখতে হবে।

তিনি বলেন,আমরা মনে করি না যে সবাইকে শুধু ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা অফিসারই হতে হবে। পৃথিবীতে এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা খেলাধুলার মাধ্যমে নিজেদের দেশকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিত করে তুলেছেন। আমরা ব্রায়ান লারাকে চিনি, শচীন টেন্ডুলকারকে চিনি, মেসি, রোনালদো ও ম্যারাডোনাকে চিনি—কারণ তাঁরা তাঁদের দেশকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরেছেন।
আমরা চাই, আমাদের আগামী প্রজন্মের প্রতিটি সন্তানও একদিন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করুক। আর সে জন্য প্রয়োজন কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়। কঠোর পরিশ্রম এবং অবিচল প্রচেষ্টা ছাড়া কোনো সমাজ বা রাষ্ট্রের পরিবর্তন সম্ভব নয়,যোগ করেন জেলা প্রশাসক।

জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান থাকবে—আপনারা সন্তানদের তাদের স্বপ্ন অনুযায়ী বেড়ে উঠতে সহায়তা করুন। তারা কোন বিষয়ে আগ্রহী, কোন পথে এগোতে চায়, সেটি গুরুত্ব দিয়ে তাদের উৎসাহ দিন।

জেলা প্রশাসক বলেন, রাষ্ট্রের উন্নয়নের অনেকগুলো দিক রয়েছে। আমরা সব ক্ষেত্রেই বাংলাদেশকে বিকশিত করতে চাই এবং মেধা ও যোগ্যতার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নেতৃত্ব দিতে চাই। আজকের এই উদ্যোগ সেই প্রতিশ্রুতিরই একটি অংশ।

জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এমন একটি সুচিন্তিত, প্রত্যয়শীল ও সময়োপযোগী উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য। আমরা বিশ্বাস করি, “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস”-এর মাধ্যমে গড়ে ওঠা নতুন প্রজন্ম একদিন বাংলাদেশের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করবে এবং দেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।

চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম
বলেন, নিয়মিত খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ তরুণদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে এটি যুবসমাজকে ইতিবাচক ও সৃজনশীল ধারায় সম্পৃক্ত রাখতে সহায়তা করে।

এদিন সকালে চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে অ্যাথলেটিক্স, সিজেকেএস মিলনায়তনে দাবা, সিজেকেএস জিমনেসিয়ামে মার্শাল আর্ট এবং সিজেকেএস সুইমিং পুলে সাঁতার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পরে জেলা স্টেডিয়ামে চারটি ইভেন্টের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা শেষে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শরীফ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম এবং চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটির সদস্যসচিব হাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আবদুল বারী।

অ্যাথলেটিক্সের ১০০ মিটার দৌড়ে বালক বিভাগে বায়েজিদ থানার মোহাম্মদ জাওয়াদ কাদের এবং বালিকা বিভাগে ফটিকছড়ি উপজেলার প্রেমা চৌধুরী প্রথম হয়ে “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬” এর দ্রুততম বালক ও বালিকার গৌরব অর্জন করেন।

অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ীদের মধ্যে মেডেল ও সনদ বিতরণ করেন।

এদিকে, প্রতিযোগিতার ফুটবল ও ক্রিকেটের বালক-বালিকা বিভাগের ফাইনাল শনিবার সকালে অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে ফুটবলের ফাইনাল এবং সাগরিকা মহিলা কমপ্লেক্স ও সাগরিকা আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম সংলগ্ন মাঠে ক্রিকেটের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ফাইনাল শেষে জেলা স্টেডিয়ামে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হবে।