খুঁজুন
সোমবার, ১৩ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

টিভি নাটক : ৮ প্রজন্মের সেরা অভিনেত্রী যারা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১১:৫৯ অপরাহ্ণ
টিভি নাটক : ৮ প্রজন্মের সেরা অভিনেত্রী যারা

টেলিভিশন নাটকের প্রথম প্রজন্মের অভিনেত্রীর কথা উঠতেই সবার প্রথম যার নাম জোরে সোরে উঠে আসে তিনি হচ্ছেন ফেরদৌসী মুজমদার। কেবল প্রথম প্রজন্ম বললেও কম বলা হবে। টেলিভিশনের প্রথম নাটকের অভিনেত্রীও তিনি। নাটকটির নাম ছিল ‘একতলা দোতলা’। এরপর বহু বছর তিনি দাপটের সঙ্গে অভিনয় করেছেন। বর্তমানে তাকে তেমন নাটকে দেখা যায় না। কেবল টেলিভিশন নাটকেই নয়, থিয়েটারেও তিনি সরব। বেতারেও প্রচুর নাটক করেছেন। কিছু চলচ্চিত্রেও কাজ করেছেন। বিটিভির ইতিহাসে সবচেয়ে আলোচিত নাটক সংশপ্তক-এ হুরমতি চরিত্রে অভিনয় করে সব মানুষের মনে জায়গা করে নেন অভিনেত্রী হিসেবে।

টেলিভিশন নাটকের প্রথম প্রজন্ম:

প্রথম প্রজন্মের অভিনেত্রীদের মধ্যে ফেরদৌসী মজুমদার ছাড়াও ডলি আনোয়ার, আলেয়া ফেরদৌসী, শরমিলী আহমেদ, আজমেরী জামান রেশমা, দিলশাদ খানমের নাম উঠে আসে অনায়াসে। ওই সময়ে সুজাতা ও রোজী সামাদও টিভি নাটকে অভিনয় করেন। যদিও পরে তারা সিনেমায় ঝুঁকেন। ডলি আনোয়ারও সিনেমায় অভিনয় করেন। ডলি আনোয়ারের বিখ্যাত সিনেমার নাম সূর্য দীঘল বাড়ি। ডলি আনোয়ারের বিখ্যাত নাটকের মধ্যে রয়েছে-বকুলপুর কত দূর, জোনাকি জ্বলে। ডলি আনোয়ার আত্নহত্যা করেন।

নিধুয়া পাথার কান্দে নাটকে অভিনয় করে আলোচনায় আসেন আলেয়া ফেরদৗসী। শরমিলী আহমেদ অভিনীত ওই সময়ের আলোচিত নাটক মালঞ্চ। এছাড়া বিটিভির ইতিহাসে প্রথম ধারাবাহিক নাটক দম্পতিতে অভিনয় করেন শরমিলী আহমেদ। আজমেরী জামান রেশমা আলোচনায় আসেন মুখরা রমণী বশীকরণ, ধূপছায়া, বিষুবরেখা, শেষের কবিতাসহ আরও বেশ কিছু নাটকে অভিনয় করে। দিলশাদ খানম ব্যাপক পরিচিতি পান রক্তকরবী নাটকে অভিনয় করে। অন্যদিকে সমালোচকরা দিলশাদ খানমকে প্রথম প্রজন্মের একটু পর এবং দ্বিতীয় প্রজন্মের একটু আগের শিল্পী বলে অভিহিত করেন।

দ্বিতীয় প্রজন্ম:

টেলিভিশন নাটকের দ্বিতীয় প্রজন্মের মধ্যে সুবর্ণা মুস্তাফা, মিতা চৌধুরী, রিনি রেজা, শম্পা রেজা, সারা যাকের, প্রিসিলা পারভীন, আফরোজা বাণু প্রমুখের নাম বলতেই হবে। বিশেষ করে টিভি নাটকের দ্বিতীয় প্রজন্মের অভিনেত্রীদেরকে বলা হয়ে থাকে সবচেয়ে আলোচিত জেনারেশনের একটি। সমসাময়িক এই অভিনেত্রীদের প্রত্যেকেই যার যার নামে জনপ্রিয়, পরিচিত এবং আলোচিত। কেবল মাত্র সুবর্ণা মুস্তাফার উদাহরণ দিলেই অনেক হয়ে যায়।

মিতা চৌধুরী বরফ গলা নদী নাটকে অভিনয় করে আলোচনায় আসেন। রিনি রেজা আলোচনায় আসেন রক্তে আঙুরলতা নাটকে অভিনয় করে। একটি মাত্র নটকে অভিনয় করেই তারকা বনে যান শম্পা রেজা। নাটকটির নাম ইডিয়ট। তারপর চার বছর অভিনয় করেননি শম্পা রেজা। চার বছর পর ফিরে আসেন অশ্রুত গান্বার নাটকে অভিনয় দিয়ে। প্রিসিলা পারভীন আলোচনায় আসেন মারিয়া আমার মারিয়া নাটকে অভিনয় করে। আফরোজা বাণু আলোচনায় আসেন কুমুর নিজের জীবন নাটকে অভিনয় করে। অন্যদিকে সকাল সন্ধ্যা ধারাবাহিকে শিমু ভাবী চরিত্রটিতে অভিনয় করে নাটকের জগতে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেন আফরোজা বাণু।

দ্বিতীয় প্রজন্মের এইসব আলোচিত অভিনেত্রীদের সঙ্গে একটা সময়ে এসে অভিনয় শুরু করেন নায়লা আজাদ নুপুর। তারও পরে এসে নাম লেখান শান্তা ইসলাম, তারানা হালিম, লুতফুন নাহার লতা, শায়লা নেসার, আন্নি বেগ। তারানা হালিম শিশু শিল্পী হলেও দ্বিতীয় প্রজন্মের শিল্পীদের সাথে সম্পৃক্ততা ঘটান নিজেকে নতুন করে। স্নেহ, যত দূরে যাই, ঢাকায় থাকি, তারানা হালিমের ক্যারিয়ারের আলোচিত নাটক।

লুতফুন নাহার লতার আলোচিত নাটক বহুব্রীহি। এদিকে সুবর্ণা মুস্তাফার কিছুটা পরে এসে অভিনয়ে নাম লেখান ডলি জহুর। ডলি জহুরের আলোচিত নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে এইসব দিনরাত্রি, কুসুম, দৃষ্টিদান। তবে, সেই সময়ের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অভিনেত্রী হিসেবে যার নাম উঠে আসে, তিনি সুবর্ণা মুস্তাফা। তার সমসাময়িক অভিনেত্রীদের তালিকায় উঠে আসে কেয়া চৌধুরী ও রেহনুমার নামও।

দ্বিতীয় প্রজন্মের পথচলা শুরু মূলত ৭০ দশক থেকে আশির দশকের প্রায় শেষ নাগাদ। এই দশকের শিল্পীরা টিভি নাটককে একটি ভালো অবস্থানে নিয়ে গেছেন। এসময়ের আরও কিছু শিল্পীর নাম উঠে আসে। তারা হলেন রুবিনা, তানি আহমেদ, রোকসানা শিরিন, ইলোরা গহর, সাজিয়া আফরিন, উমি রহমান, জলি নাসরিন প্রমুখ।

তৃতীয় প্রজন্ম:

টেলিভিশন নাটকে তৃতীয় প্রজন্মের আগমন নব্বই দশকে। এই সময়ের অভিনেত্রীরা হলেন শমী কায়সার, বিপাশা হায়াত, আফসানা মিমি, নুসরাত ইয়াসমিন টিসা, দীপা ইসলাম, উমি হাসিন, সাবিনা বারী লাকী, মুনিরা ইউসুফ মেমী, ত্রপা মজুমদার। এই জেনারেশনের আরও অভিনেত্রীরা হলেন ফারজানা অপি, তাহমিনা, তমালিকা, আবিদা আলী, বিজরী বরকত উল্লাহ, মিতা নূর, সিতিমা এনাম, রুবিনা পারভীন রুনা প্রমুখ।

তৃতীয় প্রজন্মের অন্যতম অভিনেত্রী বিপাশা হায়াতের প্রথম নাটক প্রচার হয় ১৯৮৭ সালে। বিবাহ নামের নাটকটির নাট্যকার ছিলেন হুমায়ূন আহমেদ। নাটকটির প্রযোজক ছিলেন নওয়াজীশ আলী খান। এরপর বিপাশা হায়াত আলোচনায় আসেন সুপ্রভাত ঢাকা নাটকে অভিনয় করে।

১৯৮৯ সালে প্রথম টিভি নাটকে অভিনয় করেন শমী কায়সার। নাটকের নাম কে বা আপন কে বা পর। শমী কায়সার আলোচিত হন যত দূরে যাই নাটকে অভিনয় করে। এরপর দর্শকপ্রিয়তা পান কোন কাননের ফুল, ছবি শুধু ছবি নয়, অন্ব শিকারি, ছোট ছোট ঢেউ নাটকে অভিনয় করে। তমালিকা আলোচনায় আসেন কোথাও কেউ নেই নাটকে অভিনয় করে। একই নাটকে অভিনয় করে আলোচনায় আসেন আফসানা মিমি ও বিজরী বরকতউল্লাহ অভিনয় করে। অবশ্য আফসানা মিমি বউ কথা কও নাটকে অভিনয় করে সবার ভালোবাসা পান।

চতুর্থ প্রজন্ম:

টিভি নাটকের চতুর্থ প্রজন্মের শুরুটা হয় তারিন ও ঈশিতাকে দিয়ে। তারিন ও ঈশিতার অভিনয়ের এক বছরের মধ্যে টিভি নাটকে নাম লেখান অপি করিম। তারপর আসেন রিচি সোলায়মান। কিছুদিন পর আগমন ঘটে জয়া আহসান এর। যদিও তারিন, ঈশিতা, অপি ও রিচি শিশু শিল্পী হিসেবেও কাজ করেছেন। কিন্তু শমী-মিমি-বিপাশার পরের জেনারেশনের অপ্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠেন তারিন ও অপি করিম। একটা সময়ে এসে জয়া আহসানও নিজের আসন শক্ত করে নেন।

পাত্রী সংবাদ নটকটি দিয়ে তারিন নায়িকা হিসেবে টিভি নাটকে উপস্থিত হন। এর অন্ব শিকারি ধারাবাহিক দিয়ে তারিনের ক্যারিয়ার উজ্জ্বল হয়। ঈশিতা লাইম লাইটে আসেন আবদুল্লাহ আল মামুনের শীর্ষবিন্দু নাটকটি দিয়ে। যদিও তারিন ও ঈশিতার আরও অনেক আলোচিত নাটক আছে। অপি করিম শিশু শিল্পীর ইমেজ ছেড়ে বড় হয়ে নাটকে অভিনয় শুরু করার পর, পেছনে সবুজ গ্রাম নাটকটি দিয়ে আলোচনায় আসেন। জয়া আহসান সংশয় নাটক দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেন। এরপর যদিও জয়াকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একটার পর একটা ভালো নাটকে অভিনয় করে জয়া তার অবস্থান শক্ত করেন। অপি করিমও ভালো ভালো নাটকে অভিনয় করে সবার মন জয় করে নেন।

পঞ্চম প্রজন্ম:

টিভি নাটকের পঞ্চম জেনারেশনের শুরু মেহের আফরোজ শাওন, সুমাইয়া শিমু, দীপা খন্দকার, নাদিয়া আহমেদ, চাঁদনী, সানজিদা প্রীতি, গোলাম ফরিদা ছন্দা প্রমুখ অভিনেত্রীদের দিয়ে। এরা প্রত্যেকেই প্রায় বিশ বছর ধরে অভিনয় করছেন এবং এখনো অভিনয়ে সরব সবাই। প্রত্যেকের রয়েছে জনপ্রিয় নাটক। এই জেনারেশনের কাজ জনপ্রিয়তা পাবার পর অভিনয়ে আসেন নুসরাত ইমরোজ তিশা। তিশা একটা সময়ে নিজেই নিজের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠেন। অসংখ্য ভালো নাটকে তিশা অভিনয় করেন। সিনেমায়ও ক্যারিয়ার গড়েন। দুই মাধ্যমেই তিশার জনপ্রিয়তা। এই জেনারেশনের আরেকজন আলোচিত অভিনেত্রীর নাম শ্রাবন্তী।

ষষ্ঠ প্রজন্ম:

টিভি নাটকের ষষ্ঠ জেনারেশনের শুরু খুব বেশি আগে নয়। জাকিয়া বারী মমকে এই জেনারেশনের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী ধরা হয়। শ্রাবস্তী তিন্নিও এই সময়ের আরেকজন আলোচিত অভিনেত্রী। যদিও পরে নিজের ক্যারিয়ার ধরে রাখতে পারেননি। এই জেনারেশনের আরও অভিনেত্রীদের মধ্যে রয়েছেন সোহানা সাবা, বিদ্যা সিনহা মিম, বাঁধন, বিন্দু, মুনমুন, প্রভা, নওশীন, সারিকা, নোভা, প্রমুখ।

সপ্তম প্রজন্ম:

এই জেনারেশনের সবচেয়ে আলোচিত মুখ মেহজাবীন। অনেক ভালো ভালো কাজ মেহজাবীনের ক্যারিয়ারে জমা হচ্ছে। দিন দিন তার ক্যারিয়ার উজ্জ্বল হচ্ছে। এছাড়া অপর্ণা, মৌসুমী হামিদ, শবনম ফারিয়া, স্পর্শিয়া, সাফা কবির, নাদিয়া নদীদেরও এই প্রজন্মের কাতারে রাখা যায়।

অষ্টম প্রজন্ম:

এই প্রজন্ম বা মেহজাবিনদের পরের কাতার ধরলে সবচেয়ে আলোচনায় তাসনিয়া ফারিন। যদিও সপ্তম প্রজন্মের দৌরাত্বই চলছে এখনো। সেখানে পঞ্চম, যষ্ঠ থেকেও অনেকে সমানতালে অভিনয় করে যাচ্ছেন। তবে গেল দুয়েক বছরের হিসাব ধরলে সবচেয়ে আলোচনায় তাসনিয়া ফারিন। লাক্সের নাদিয়া মিম, মিম মানতাশা, নাবিলা ইসলামরাও ভালো করছেন। তানজিন তিশা মিউজিক ভিডিওতে অনেকদিন আগে আসলেও অভিনয়ে তাকে এই প্রজন্মেরই হিসাব করা যায়। খুব বেশিদিন হয়নি তিনি অভিনয়ে আলোচিত হয়েছেন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

হজযাত্রীদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩৬ অপরাহ্ণ
হজযাত্রীদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

পবিত্র হজ পালনে হজযাত্রীদের সর্বোত্তম সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সভা কক্ষে হজ ব্যবস্থাপনাসংক্রান্ত জাতীয় কমিটির সভায় প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশনা দেন বলে জানিয়েছেন তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

তিনি বলেন, পবিত্র হজ সামনে। আজ (রোববার) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে হজ ব্যবস্থাপনাসংক্রান্ত জাতীয় কমিটির বৈঠক হয়েছে। হজযাত্রীরা যেসব সমস্যার সম্মুখীন হন, সেগুলো চিহ্নিত করে তা কীভাবে দূর করা যায় কিংবা কমিয়ে আনা যায়, সে বিষয়ে সভায় প্রধানমন্ত্রী কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এবার হজযাত্রীদের সেবায় যারা নিয়োজিত থাকবেন, তারা সর্বোত্তম সেবা নিশ্চিত করতে হবে। হাজীদের যাতে কোনো দুর্ভোগ পোহাতে না হয়, সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।’

এদিকে, আগামী ১৮ এপ্রিল রাত থেকে এ বছর হজের ফ্লাইট শুরু হবে। বাংলাদেশ থেকে ৭৮ হাজার ৫০০ হজযাত্রী পবিত্র হজ পালনে সৌদি আরব যাবেন। এ বছর সরকারি উদ্যোগে ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি উদ্যোগে ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজ পালন করবেন। এসব হজযাত্রীর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে যাবেন ৫০ শতাংশ। অন্যরা সোদিয়া এয়ারলাইন্স ও ফ্লাইনাস বিমান সংস্থার ফ্লাইটে যাবেন।

সভায় হজ ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, হাজীদের সব তথ্যাদি অনলাইনে সন্নিবেশিত করা, হজ এজেন্সির কাজের মূল্যায়ন, যেসব হজ এজেন্সি নিয়ে অভিযোগ রয়েছে সেগুলো চিহ্নিত করা, হাজীদের গাইডের জন্য মোয়াল্লেম সৌদি আরবে বসবাসরত প্রবাসীদের থেকে নিয়োগের (আগামী হজে থেকে) ব্যবস্থা করা প্রভৃতি বিষয়ে আলোচনা হয়।

সভায় ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা, প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, সংসদ সদস্য শামীম কায়সার লিংকন, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তারসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবগণ, হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) এর সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ার ও মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, এবছর বাংলাদেশ থেকে ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রী হজ পালন করবেন। আসছে ১৮ এপ্রিল হজ ফ্লাইট শুরু হবে।

সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন কারামুক্ত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৫১ অপরাহ্ণ
সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন কারামুক্ত

হত্যাচেষ্টা মামলায় দুপুরে জামিন পাওয়ার পর কারামুক্ত হলেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেলে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হন তিনি।

কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার কাওয়ালিন নাহার বলেন, কারাগারে জামিননামা পৌঁছানোর পরই যথাযথ প্রক্রিয়া অনুযায়ী একটু আগে তাকে (সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী) রিলিজ করা হয়েছে।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৮ জুলাই রাজধানীর লালবাগ থানাধীন আজিমপুর সরকারি কলোনির ভেতরে অন্যান্য আন্দোলনকারীর সঙ্গে মিছিল করছিলেন মো. আশরাফুল ওরফে ফাহিম নামে এক ব্যক্তি। ঘটনার দিন আসামিদের ছোঁড়া গুলিতে তার বাম চোখ নষ্ট হয়ে যায়। গত ১৭ জুলাই লালবাগ থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন আশরাফুল।

এর আগে, তার আইনজীবী এ বি এম হামিদুল মিজবাহ জানিয়েছিলেন, আর কোনো মামলায় আটকাদেশ না থাকায় শিরীন শারমিনের কারামুক্তিতে বাধা নেই।

দাম বাড়ল ফার্নেস অয়েলের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
দাম বাড়ল ফার্নেস অয়েলের

ফার্নেস অয়েলের (এইচএফও) দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিইআরসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি লিটার ফার্নেস অয়েলের দাম ৭০ টাকা ১০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৯৪ টাকা ৬৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ লিটারে দাম বেড়েছে ২৪ টাকা ৫৯ পয়সা। নতুন এই মূল্য রোববার মধ্যরাত ১২টা থেকে কার্যকর হবে।

রোববার জারি করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কমিশন জানায়, বাংলাদেশ জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ কমিশন আইন, ২০০৩-এর ধারা ৩৪(৪) ও ৩৪(৬) অনুসারে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) এবং তেল বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে গণশুনানি শেষে বিস্তারিত পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের আদেশ অনুযায়ী ফার্নেস অয়েলের মূল্য প্রতি তিন মাস অন্তর বা প্রয়োজন অনুযায়ী সমন্বয়ের বিধান রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের মার্চ মাসে অপরিশোধিত তেল আমদানি না হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে পরিশোধিত ফার্নেস অয়েলের গড় দর এবং মার্কিন ডলারের বিনিময় হার বিবেচনায় নিয়ে মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ লক্ষ্যে ১৫ মার্চ একটি কমিটি গঠন করা হয়, যা মার্চ মাসের প্ল্যাটস সূচকভিত্তিক গড় মূল্য এবং বিনিময় হার বিশ্লেষণ করে এপ্রিল মাসের জন্য নতুন মূল্য সুপারিশ করে। পরে ৫ ও ১২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিশন সভায় ওই সুপারিশ পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

নতুন দামের ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্প খাত এবং বৃহৎ জ্বালানি নির্ভর প্রতিষ্ঠানের ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। বিশেষ করে ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে উৎপাদন খরচ বাড়ার প্রভাব শেষ পর্যন্ত ভোক্তা পর্যায়েও পড়তে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।