খুঁজুন
, ,

দেশের গন্ডি পেরিয়ে শেখ হাসিনা এখন বিশ্ব নন্দিত নেতা: রেজাউল করিম চৌধুরী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 28 September, 2020, 10:34 pm
দেশের গন্ডি পেরিয়ে শেখ হাসিনা এখন বিশ্ব নন্দিত নেতা: রেজাউল করিম চৌধুরী

জাতির পিতার কন্যা জননেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী, দেশরত্ন শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর নিরোগ দীর্ঘায়ু কামনায় খতমে কোরআন, দোয়া মাহফিল, মোনাজাত ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত চসিক মেয়র পদপ্রার্থী, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারন সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মো. রেজাউল করিম চৌধুরী।

আজ সকালে নিজ বাসভবন প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রেজাউল করিম বলেন, আমাদের প্রিয় নেত্রী এখন আর নির্দিষ্ট গন্ডিতে সীমাবদ্ধ নন। তিনি এখন বিশ্বনন্দিত একজন রাষ্ট্রনায়ক, বিশ্ব শান্তির অগ্রদূত, বিশ্ব মানবতার জননী, সাম্যতার ভিত্তিতে বিশ্ব অর্থনৈতিক উন্নয়নে অনুকরনীয় নেতৃত্ব। ৭৫ পরবর্তী অন্ধকার সময়ে খুনী স্বৈরাচারের যাঁতাকলে পৃষ্ট এদেশ ও মানুষের মুক্তি, গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও জনগনের ভাগ্যের পরিবর্তনের ১৯৮১ সালে জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হাল ধরেন আজকের বিশ্বনেত্রী জাতির জনকের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। স্বৈরাচারী সরকার সেদিন তাঁকে এবং ছোট বোন রেহানাকে নির্বাসনে থাকতে বাধ্য করেছিলেন। কিন্তু তাঁর অদম্য ইচ্ছা শক্তির কাছে হার মানে স্বৈরাচার।

তিনি ১৮৮১ সালের ১৭ মে সর্বোচ্চ ঝুঁকি নিয়ে খুনী সরকারের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে দেশে ফিরেন। লক্ষ্য ছিল বাংলার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ও গনতন্ত্র উদ্ধার করে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা। বার বার কারাভোগ ও নিশ্চিত মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েও লক্ষ্যচ্যুত হননি তিনি। দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিতে সক্ষম হন। অল্প সময়ে সকল সূচকে অভাবনীয় উন্নতি সাধন করে দেশকে বিশ্ববাসীকে বিষ্ময়ে অভিভূত করে অনন্য মর্যাদায় আসীন করেছেন। বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় তিনি এখন পথ প্রদর্শক, মানবতার মূর্ত প্রতিক, দক্ষ শাসক। আজ তাঁর জন্মের শুভ ক্ষণটিকে স্মরণ করে তাঁর নিরাপদ, নিরোগ ও দীর্ঘ জীবন কামনায় আমি রাব্বুল আল আমিনের দরবারে দু’হাত তুলে ফরিয়াদ জানাচ্ছি।

সভায় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, শফিক আদনান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক হাজী আবু তাহের, উপপ্রচার সম্পাদক শহিদুল আলম, অধ্যাপক মাসুম চৌধুরী, ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি সামশুল আলম, ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আশরাফুল আলম, ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি নুর মোহাম্মাদ, ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. রাশেদ আলী জাহাঙ্গীর, ১৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের আহবায়ক মো. ইউনুস কোম্পানি, ১৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি আহমদ ইলিয়াস, ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক সাইফুদ্দিন খালেদ, ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক শেখ সোরোয়ার্দী, ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আবদুর রহিম, ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক মো. নাজিমউদ্দিন, ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক এডভোকেট আইয়ুব খান, ১৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আমিনুল হক রন্জু, ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক মো. জসিম উদ্দিন, ১৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক আলী নেওয়াজ, ১৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক মো. মুসা ও আকবর আলি আকাশ, ১৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক হাজী সেলিম রহমান, বেসরকারি কারা পরিদর্শক আজিজুর রহমান আজিজ, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা নাছির উদ্দিন নোবেল, আব্দুর রাজ্জাক, মাহমুদ ইউসুফ মিনার,আবু সাঈদ সুমন, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা হাবিবুর রহমান তারেক, আরাফাত রহমান কচি, নোমান চৌধুরী সহ-সভাপতি চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ,চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সাধারন সম্পাদক রনি মির্জা, হাসান আলী, চান্দগাঁও থানা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. শাহেদ, চান্দগাঁও থানা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক শহিদুল আলমসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, এলাকার বিভিন্ন সমাজের সর্দ্দারবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, ছাত্রলীগ ও এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণ।

২৪ ঘণ্টা

Feb2
Feb2

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদ ছাড়ার গুঞ্জন, উত্তরসূরি নিয়ে আলোচনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 23 July, 2026, 1:28 pm
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদ ছাড়ার গুঞ্জন, উত্তরসূরি নিয়ে আলোচনা

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শিগগির পদত্যাগ করতে পারেন—রাজনৈতিক অঙ্গনে এমন জল্পনা এখন জোরালো। সরকার ও ক্ষমতাসীন বিএনপির সংশ্লিষ্ট একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রের দাবি, শারীরিক অসুস্থতাকে পদত্যাগের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হতে পারে। যদিও এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত বঙ্গভবন বা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপতি পদে নতুন মুখ কে, তা নিয়েও রয়েছে জোর আলোচনা।

সূত্রগুলোর দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে পদত্যাগের জন্য এরই মধ্যে বিএনপির উচ্চপর্যায় থেকে বার্তা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তার সম্ভাব্য উত্তরসূরি নিয়েও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির কাছে ওই বার্তা পৌঁছে দেওয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, খুব শিগগির রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের সম্ভাবনা রয়েছে।

রাষ্ট্রপতি পদে সাহাবুদ্দিনের উত্তরসূরি হিসেবে কে আসতে পারেন, তা নিয়েও চলছে নানান আলোচনা। সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে চুক্তিভিত্তিক দায়িত্ব পালনকারী একাধিক সচিবের নাম সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে সামনে এসেছে বলে সূত্রগুলোর দাবি।

যদিও এর আগে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান ও বেগম সেলিমা রহমানের নামও আলোচনায় ছিল। তবে বিএনপির নেতারা প্রকাশ্যে এ বিষয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন নিয়ে কোনো আলোচনা চলছে কি না—জানতে চাইলে বিএনপির দলীয় সংসদ সদস্য শাহাদাৎ হোসেন সেলিম জাগো নিউজকে বলেন, ‘এ বিষয়ে আমার জানা নেই।’

ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি একেবারেই অবগত নই। আর এমন কিছু ঘটলে (রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ) শূন্য পদে অনেক নামই আলোচিত হবে, এটাই স্বাভাবিক।’

বেগম সেলিমা রহমানও বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি জানি না। তাই মন্তব্য করা ঠিক হবে না।’

এদিকে, বঙ্গভবনকেন্দ্রিক একটি সূত্রের দাবি, রাষ্ট্রপতি তার অধস্তন কর্মীদের শিগগির বঙ্গভবন ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পদত্যাগের পর তিনি কিছুদিন বিশ্রাম নেওয়ার পাশাপাশি চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে পারেন বলেও ওই সূত্র জানিয়েছে।

সংবিধান কী বলছে?
বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি স্পিকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরযুক্ত পত্র দিয়ে পদত্যাগ করতে পারেন।

৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কিংবা অসুস্থতা বা অন্য কোনো কারণে তিনি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

আর ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, পদত্যাগ, মৃত্যু বা অপসারণের কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় ক্ষমতাসীন বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

সূত্রগুলোর দাবি, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে বর্তমানে চুক্তিভিত্তিক দায়িত্ব পালনকারী একাধিক সচিবের নাম সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে। প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা এবং সরকারের শীর্ষ নেতৃত্বের আস্থা—এ দুই বিষয়কে গুরুত্ব দিয়েই তাদের নাম বিবেচনায় এসেছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে দল ও সরকারের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে আরও আলোচনা হবে।

নীতিনির্ধারকদের মতে, পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নতুন রাষ্ট্রপতির মেয়াদকালেই অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। ফলে নতুন রাষ্ট্রপতিকে সম্ভাব্য রাজনৈতিক চাপ মোকাবিলার সক্ষমতা, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা এবং গ্রহণযোগ্যতার বিষয়ও এক্ষেত্রে গুরুত্ব পাচ্ছে।

যে প্রেক্ষাপটে এই আলোচনা
মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। আওয়ামী লীগের মনোনয়নে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ২০২৮ সালের এপ্রিলে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতন, সংসদ ভেঙে দেওয়া এবং অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবর্তনের সময়ও তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।

গণঅভ্যুত্থানের পর ছাত্রনেতারা তার অপসারণের দাবিতে আন্দোলন করেন। বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালন করা হয়। তবে মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার তাকে অপসারণের কোনো উদ্যোগ নেয়নি।

পরবর্তী সময়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতায় এলে রাষ্ট্রপতি ও সরকারের রাজনৈতিক পটভূমিতে পার্থক্য তৈরি হয়। যদিও সরকার বা বিএনপি প্রকাশ্যে কখনো তার পদত্যাগ দাবি করেনি, তবু রাষ্ট্রপতির ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছিল।

সাহাবুদ্দিনকে রাষ্ট্রপতি করা নিয়েও আওয়ামী লীগ সরকারের সময় আলোচনা-সমালোচনা হয়েছিল। ২০১১ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান এবং এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তখন দুটি প্রতিষ্ঠানের মালিক ছিল এস আলম গ্রুপ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, সম্প্রতি রাষ্ট্রপতিকে বিএনপির উচ্চপর্যায়ের মনোভাব জানানো হয়েছে। শেষ পর্যন্ত তিনি পদত্যাগ করলে গণঅভ্যুত্থান ও পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনের পর রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটবে। পাশাপাশি ক্ষমতায় আসার পর প্রথমবারের মতো নিজেদের মনোনীত একজনকে রাষ্ট্রপতি করার সুযোগ পাবে বিএনপি।

পরবর্তী অর্থাৎ চতুর্দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনও নতুন রাষ্ট্রপতির মেয়াদকালেই অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। ফলে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, তা নিয়েই এখন রাজনৈতিক মহলে সবচেয়ে বেশি কৌতূহল।

র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পেলেন নৌবাহিনীর নতুন প্রধান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 23 July, 2026, 1:07 pm
র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পেলেন নৌবাহিনীর নতুন প্রধান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বিদায়ী নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান বৃহস্পতিবার নতুন নৌপ্রধানকে র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি জানান, সকালে ঢাকা সেনানিবাসের সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর অফিসে এই আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়।

তিনি বলেন, র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরানোর পর নতুন নৌবাহিনী প্রধানকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ভাইস অ্যাডমিরাল মিজবাহ উল আজীম বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম শামসুল ইসলাম, বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান, সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. শাহীনুর রহমান, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সেক্রেটারি আতিকুর রহমান রুমন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

রিয়ার অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিজবাহ উল আজীমকে গত ১৬ জুলাই ভাইস অ্যাডমিরাল হিসেবে পদোন্নতি দিয়ে নৌবাহিনী প্রধানের দায়িত্ব দেয় সরকার।

তিনি সর্বশেষ ওমানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের দায়িত্বে ছিলেন। নৌবাহিনীর শীর্ষ পদে অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসানের স্থলাভিষিক্ত হলেন।

রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের সপ্তদশ ব্যাচের ছাত্র মিজবাহ উল আজীম ১৯৮৭ সালে বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে কমিশন পান।

চাকরি জীবনে তিনি ঢাকা ও চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলসহ নৌবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কমান্ডের নেতৃত্ব দিয়েছেন।

বাংলাদেশ নেভাল একাডেমির কমান্ডেন্টের দায়িত্বও তিনি পালন করেছেন।

জিয়া হত্যা মামলার আসামি মোজাফফর ট্রাইব্যুনালে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 23 July, 2026, 12:01 pm
জিয়া হত্যা মামলার আসামি মোজাফফর ট্রাইব্যুনালে

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার আলোচিত আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে তাকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। এদিন ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রসিকিউশন জানায়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকার অভিযোগে মোজাফফরের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় তাকে আজ হাজির করার জন্য নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেফতার দেখানোসহ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবেদন করবে প্রসিকিউশন।

এর আগে, ২১ জুলাই জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মোজাফফরের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চেয়ে আবেদন করে প্রসিকিউশন।

উল্লেখ্য, প্রায় ৪৫ বছর পলাতক থাকার পর গত ১৫ জুলাই রাতে রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে মোজাফফর হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন তাকে ঢাকা সেনানিবাসের মিলিটারি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এদিকে, চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ফেনীতে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য গত ২১ জুলাই দিন ধার্য ছিল। ওই দিন আরও দুই মাস সময় চেয়েছে প্রসিকিউশন। কিন্তু মোজাফফরের সঙ্গে তার যোগসাজশের অভিযোগ থাকায় নতুন তারিখ দেননি আদালত। এজন্য তাকেও আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।