খুঁজুন
, ,

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি খোরশেদ আলম সুজনের কৃতজ্ঞতা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 4 August, 2020, 8:54 pm
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি খোরশেদ আলম সুজনের কৃতজ্ঞতা

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজনকে নিয়োগ প্রদান করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন নবনিযুক্ত প্রশাসক।

আজ মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ এর স্মারক নম্বর:৪৬.০০.০০০০.০৭১.১৮.০৯২.২০২০.৪০৮/১(১৫), তারিখ: ৪ আগস্ট ২০২০ খ্রিষ্টাব্দ মোতাবেক প্রশাসক নিয়োগের এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

তিনি আরো বলেন জাতির জনকের কন্যা, প্রধানমন্ত্রী যে আস্থা এবং বিশ্বাস নিয়ে এ দায়িত্ব অর্পন করেছেন তা জীবন দিয়ে হলেও রক্ষায় সচেষ্ট থাকবেন তিনি। নিজের জীবনের সমস্ত মেধা ও মনন দিয়ে নগরবাসীর সেবা করার প্রত্যয় জ্ঞাপন করে তিনি বলেন আমার যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা সবকিছু দিয়ে কাজ করার চেষ্টা করবো। নগরবাসীর যে কোন দুর্ভোগ কিংবা সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করবেন নবনিযুক্ত প্রশাসক সুজন।

তিনি দায়িত্ব পালনকালে চট্টগ্রামের আপামর জনসাধারণসহ ইলেকট্রনিক মিডিয়া, প্রিন্ট মিডিয়া এবং অনলাইন মিডিয়ায় কর্মরত সকল সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।

এছাড়া নেতাকর্মীদের আবেগকে ধারন করার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন আগস্ট মাস শোকের মাস, এ মাসে আমাকে অভিনন্দন জানাতে ফুল নিয়ে বাড়াবাড়ি কিংবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অতিরিক্ত কিছু লিখে শোকের পরিবেশটাকে প্রশ্নবিদ্ধ না করারও অনুরোধ জানান তিনি।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

বেগম জিয়ার ৮১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 15 August, 2026, 5:27 pm
বেগম জিয়ার ৮১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) বাদ জোহর নগরের নসিমন ভবনস্থ বিএনপির দলীয় কার্যালয় জামে মসজিদে এ মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

এতে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান এবং চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমানসহ মহানগর ও কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন এবং দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তাঁর দীর্ঘ সংগ্রামের কথা স্মরণ করা হয়। এ সময় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

দোয়া মাহফিলে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনসহ বিভিন্ন সময়ে নিহত দলীয় নেতাকর্মীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়। পাশাপাশি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ জিয়া পরিবারের সদস্যদের দীর্ঘায়ু ও কল্যাণ এবং দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর এবং কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য শামসুল আলম।

এ সময় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, এম এ আজিজ, এডভোকেট আব্দুস সাত্তার, সৈয়দ আজম উদ্দিন, এস এম সাইফুল আলম, কাজী বেলাল উদ্দিন, শফিকুর রহমান স্বপন, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, শাহ আলম, শওকত আজম খাজা, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন ও আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য এডভোকেট মফিজুর হক ভুঁইয়া, ইকবাল চৌধুরী, অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, এস এম আবুল ফয়েজ, আবুল হাশেম, ইস্কান্দার মির্জা, জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, খোরশেদ আলম, গাজী সিরাজ উল্লাহ, কামরুল ইসলাম, শিহাব উদ্দিন আলম, আনোয়ার হোসেন লিপু, মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, মশিউর আলম স্বপন, মোশারফ হোসেন ডিপটি, জাফর আহমেদ, মাহাবুব রানা, নুর উদ্দিন হোসেন নুরু, মোহাম্মদ মুসা, মোহাম্মদ আজম, আশরাফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ ইউসুফ।

পরে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত এবং দেশ, জাতি ও বিএনপির নেতাকর্মীদের সার্বিক কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

এ্যাব কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথে ‘পিআরইউ’‌র সাক্ষাৎ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 15 August, 2026, 5:01 pm
এ্যাব কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথে ‘পিআরইউ’‌র সাক্ষাৎ

এসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ(এ্যাব) কেন্দ্রীয় সংসদের আহ্বায়ক সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম তুহিন এবং এ্যাব কেন্দ্রীয় সংসদের সদস্য সচিব আশির দশকের সাবেক চুয়েট ছাত্রদল নেতা ইঞ্জিনিয়ার শোয়েব বাশরী হাবলুর সাথে সৌজন্যে সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন সাংবাদিকদের প্লাটফর্ম পলিটিক্যাল রিপোর্টার্স ইউনিটি (পিআরইউ) নেতৃবৃন্দ।

সংগঠনের আহ্বায়ক ও দৈনিক দিনকাল চট্টগ্রাম ব্যুরো চীফ হাসান মুকুলের নেতৃত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন পিআরইউ’র সদস্য সচিব ইমরান ইমি, সদস্য জহিরুল ইসলাম জহির, পিআরইউ’র উপদেষ্টা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সাজ্জাদ হোসেন খাঁন, পিআরইউ’র সদস্য মঞ্জুর মোরশেদ রনী, মোঃ কামরুজ্জামান, কামরুল হাসান রিয়াদ, সালে আহমদ খোকন, জাবেদ শাফায়েত সুবহান, মেহেদী হাসান, রিফাতুল ইসলাম শাওন, জাহেদ হোসেন ইফতি‌, কাজী সাকলাইন মুস্তাফা, মোঃ জাকির হোসেন প্রমুখ।

নিরাপত্তাহীনতা থাকলে চিকিৎসকদের বিদেশমুখিতা বন্ধ হবে না : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 15 August, 2026, 4:31 pm
নিরাপত্তাহীনতা থাকলে চিকিৎসকদের বিদেশমুখিতা বন্ধ হবে না : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার লক্ষ্য শুধু অবকাঠামো ও প্রযুক্তির সম্প্রসারণ নয়। উন্নত প্রযুক্তি, দক্ষ মানবসম্পদ, সুশাসন ও সময়োপযোগী নীতির সমন্বয়ের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি মানুষের জন্য সহজলভ্য, সাশ্রয়ী ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য। একইসঙ্গে হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন যতই করা হোক, চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখিতা বন্ধ করা যাবে না।

শনিবার (১৫ আগস্ট) ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটালের ভবন-২ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে লিখিত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, নতুন ভবন উদ্বোধনের মাধ্যমে দেশের আধুনিক ও বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আরও এক ধাপ এগোনো সম্ভব হয়েছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৬ সালের ২৩ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়া এই হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। সময়ের প্রয়োজনে আরও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিয়ে হাসপাতালটি আজ আকার ও আয়তনে বড় রূপ ধারণ করেছে। তিনি হাসপাতালের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, চিকিৎসক, নার্স, হেলথ টেকনিশিয়ানসহ সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

‘নিউরোচিকিৎসার সক্ষমতা বহুগুণ বাড়বে’

নিউরোলজিক্যাল বা স্নায়ুবিক জটিলতা বর্তমানে বিশ্বজুড়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্ট্রোক, ইপিলেপসি বা খিঁচুনি, পারকিনসন্স ডিজিজ, ডিমেনশিয়া কিংবা মেরুদণ্ডের জটিল রোগের মতো সমস্যায় দেশে আধুনিক ও বিশেষায়িত চিকিৎসার চাহিদা প্রতিনিয়ত বাড়ছে।

৫০০ শয্যার আধুনিক ভবন উদ্বোধনের মাধ্যমে এ ধরনের রোগের চিকিৎসা সক্ষমতা বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আধুনিক আইসিইউ, অপারেশন থিয়েটার, সর্বাধুনিক ডায়াগনস্টিক সুবিধা ও বিশেষায়িত ওয়ার্ডের সমন্বয়ে গঠিত নতুন ভবনটি শুধু রোগী ভর্তির ধারণক্ষমতা বাড়াবে না, চিকিৎসা গবেষণা ও উচ্চতর শিক্ষার ক্ষেত্রেও বড় মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ যেন স্বল্প খরচে বিশ্বমানের নিউরোচিকিৎসা পান, সেই লক্ষ্যেই ‘নিউরোসায়েন্স-২’ নির্মাণ করা হয়েছে। আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি, অতিরিক্ত বেড ও দক্ষ জনবলের সমন্বয়ে গড়ে তোলা এই ব্যবস্থা দেশের হাজারো রোগীর জন্য আশার আলো বয়ে আনবে।

‘প্রযুক্তির সঙ্গে মানবিকতাও জরুরি’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু প্রযুক্তি থাকলেই একটি স্বাস্থ্যব্যবস্থা উন্নত হয় না। এর সঙ্গে মানবিকতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রযুক্তি রোগ শনাক্ত করতে পারে, কিন্তু রোগীর ভয়, উদ্বেগ ও মানসিক কষ্ট বুঝে তাকে আশ্বস্ত করার ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের মানবিক আচরণের বিকল্প নেই।

রোগীর প্রতি চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীর সহানুভূতিশীল আচরণ, মনোযোগ দিয়ে রোগীর কথা শোনা, তার মানসিক অবস্থা বোঝা এবং সম্মানজনক আচরণ চিকিৎসার মান অনেক বাড়িয়ে দেয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তবে চিকিৎসাসেবা ও চিকিৎসার পরিবেশ নির্বিঘ্ন রাখার দায়িত্ব শুধু চিকিৎসকের নয় বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, চিকিৎসক, রোগী ও রোগীর উদ্বিগ্ন স্বজন—এই তিন পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সম্মান ও সহানুভূতির সম্পর্ক বজায় থাকা জরুরি।

তারেক রহমান বলেন, এই তিন পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সম্মানের পরিবর্তে চিকিৎসকেরা যদি নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করেন, কিংবা রোগী ও তার স্বজনেরা চিকিৎসকদের ওপর বিশ্বাস ও মর্যাদার সম্পর্ক অনুভব না করেন, তাহলে হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন যতই করা হোক, চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখিতা বন্ধ করা যাবে না।

‘স্বাস্থ্যসেবা সবার জন্য সমানভাবে প্রাপ্য হওয়া জরুরি’

স্বাস্থ্যের অধিকার শুধু মৌলিক অধিকার নয়, এটি একটি জাতির অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নতিরও চাবিকাঠি বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য ও সবার জন্য সমানভাবে প্রাপ্য হওয়া জরুরি। উন্নত চিকিৎসা যদি শুধু শহরের বিত্তবান মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে সেটিকে পূর্ণাঙ্গ আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা বলা যায় না।

প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ, দরিদ্র জনগোষ্ঠী ও প্রান্তিক মানুষের কাছেও সাশ্রয়ী ও মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দিতে বর্তমান সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানান তিনি।

ইউনিয়নে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, উপজেলা হাসপাতাল ১৫১ শয্যার

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলের একজন রোগীকে যেন যেকোনো চিকিৎসার জন্য প্রচুর অর্থ ব্যয় করে রাজধানীতে আসতে না হয়, সে জন্য সরকার ই-হেলথ কার্ডের মাধ্যমে একটি আধুনিক ও কার্যকর রেফারেল ব্যবস্থা গড়ে তোলার পাশাপাশি চিকিৎসাসুবিধা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু করেছে।

এর অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে পূর্ণাঙ্গ প্রাইমারি হেলথ কেয়ার ইউনিট প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি বর্তমান সরকারের মেয়াদকালেই পর্যায়ক্রমে প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালকে ১৫১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে উন্নীত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

অক্টোবরে চালু হবে পাঁচ বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল

শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘সুস্থ আগামী’ বিনির্মাণের লক্ষ্যে শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া সবার দায়িত্ব ও কর্তব্য। এ লক্ষ্যেই বর্তমান সরকার শিশুদের জন্য নতুন শিক্ষা কারিকুলাম প্রণয়ন করছে।

একইভাবে শিশুস্বাস্থ্যের প্রতিও সরকার বিশেষভাবে নজর দিয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর অংশ হিসেবে খুলনা, বরিশাল, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগ এবং কুমিল্লা জেলায় একটি করে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল চালুর কাজ শুরু হয়েছে। আগামী অক্টোবর মাসে একযোগে এই পাঁচটি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল চালু করতে সরকার সক্ষম হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দের কথা উল্লেখ

জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে এ যাবৎকালের সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ দিয়ে বর্তমান সরকার প্রমাণ করেছে যে ‘সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্য শুধু স্লোগান নয় বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, সরকার দেশে একটি কার্যকর স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যাতে মানুষ দেশের ভেতরেই সব ধরনের স্বাস্থ্যসেবা পায়। তবে স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবার উন্নয়নে সরকার যত উদ্যোগই গ্রহণ করুক না কেন, চিকিৎসক, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, গবেষক এবং সর্বোপরি স্বাস্থ্য খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার ভূমিকার ওপরই স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবার সাফল্য নির্ভর করবে।

‘অর্থাভাবে কেউ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হবে না’

সরকার এমন একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেখানে চিকিৎসা পাওয়ার জন্য কোনো নাগরিককে দেশের বাইরে যেতে হবে না এবং অর্থাভাবে কেউ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হবে না—এমন প্রত্যয়ের কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, একজন সাধারণ মানুষের মানসম্মত চিকিৎসাসেবা প্রদান সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীদের মাধ্যমেই নিশ্চিত করা সম্ভব।