খুঁজুন
, ,

ক্যারাভান নগরবাসীর হৃদয়ে আশার সঞ্চার সৃষ্টি করেছে : চসিক প্রশাসক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 7 October, 2020, 10:51 pm
ক্যারাভান নগরবাসীর হৃদয়ে আশার সঞ্চার সৃষ্টি করেছে : চসিক প্রশাসক

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, ক্যারাভান কর্মসূচী নগরবাসীর হৃদয়ে আশার সঞ্চার সৃষ্টি করেছে। এ কর্মসূচী নিয়ে জনগনের দোরগোড়ায় যাচ্ছি। তাৎক্ষণিক সেবা দিচ্ছি। সিটি কর্পোরেশনকে জনগনের আস্থার প্রতিষ্টানে পরিণত করার প্রানান্ত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি যাতে জনগণএবং সিটি কর্পোরেশনের মাঝে কোন দেয়াল না থাকে। তবে যেখানেই আমি যাই আমার অনুপস্থিতিতে একই অবস্থায় পূনরাবৃত্তি ঘটছে। এ ব্যাপারে যারা যুক্ত আছেন সেসব বিভাগকে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, ক্যারাভান একটি সামাজিক আন্দোলন। পুঞ্জিভূত সমস্যা থেকে উত্তরনের জন্য এ কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। যেখানেই সমস্যা সেখানেই প্রাথমিক সমাধান। নগরবাসীর প্রতি আমার আহবান থাকবে যেখানে সমস্যা বা ভোগান্তি দেখবেন আমাকে জানাবেন আমি সাথে সাথে ব্যবস্থা নেবো।

তিনি আজ বিকেলে নগরীর মুরাদপুর হইতে অক্সিজেন পর্যন্ত চসিকের প্রকৌশল ও পরিচ্ছন্ন বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত টিম নিয়ে ‘নগর সেবায় ক্যারাভান’ কার্যক্রমে এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, জলজট নিরসনে দ্রুত পানি নিস্কাশনে নর্দমা সংস্কার ও পরিস্কার পরিচ্ছনের কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। ড্রেন সংস্কার করতে গিয়ে বাঁধ দেয়ার কারণে পানি জমে মশার বিস্তার ঘটছে দেখে প্রশাসক তাৎক্ষণিক মশার ওষুধ ছিটান এবং এর কার্যক্রম চলমান রাখার জন্য প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তাকে নির্দেশ প্রদান করেন।

নগরীর সড়ক সমূহে অনুমোদনহীন গাড়ীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় তা বন্ধের দিক নির্দেশনা দিয়ে প্রশাসক বলেন, ইদানিং লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, অনুমোদনহীন এবং গ্রামাঞ্চলের গাড়ী নগরীতে প্রবেশ করে তীব্র যানজট ও সড়ক দূর্ঘটনা ঘটাচ্ছে। তাই এর প্রতিকারে এদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশ প্রশাসনকে অনুরোধ জানান তিনি।

রাস্তার উভয় পাশের ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপানাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে অযাচিত পণ্য সামগ্রী রাখা থেকে বিরত থাকুন এবং দোকানের সামনে সবসময় পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন।

তিনি নগরীর হাটহাজারী সড়কের ময়দার মিল এলাকায় ফুটপাতের উপর ঠেলাগাড়ী, ভ্যানগাড়ী ও মালামাল দেখে তাৎক্ষণিক সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন। অবস্থার পরিবর্তন না হলে আগামীকাল থেকে এ এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হবে বলে এলাকাবাসীকে জানান তিনি।

প্রশাসক অক্সিজেন মোড়ে পৌঁছালে সম্মিলিত ছাত্র সমাজের ব্যানারে ধর্ষকের বিচারের দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচি দেখে তাদের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করেন এবং ধর্ষনকারীদের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য ছাত্রসমাজসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান। প্রশাসক ধর্ষনকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী জানান।

তিনি আরও বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে। তাই সবাইকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলতে হবে। এছাড়া নিয়মিত মাস্ক পরিধান এবং সাবান দিয়ে বারেবারে হাত ধোয়ারও আহবান জানান তিনি। তাছাড়া মৌসুমগত কারণে এখন ডেঙ্গুর প্রভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে। ডেঙ্গু’র বিস্তার রোধে ডিসেম্বর পর্যন্ত মশক নিধন অভিযান অব্যাহত থাকার এবং যেখানে মশার উপদ্রব দেখা দিবে সেখানে মশক নিধন অভিযান পরিচালনা করারও নির্দেশনা দেন প্রশাসক।

প্রসঙ্গক্রমে তিনি আরো বলেন, মাদক একটি আন্তর্জাতিক সমস্যা। এর সাথে যারা যুক্ত তাদেরকে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশে আইনের আওতায় আনা হবে।

এ সময় প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শফিকুল মান্নান সিদ্দিকীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2
Feb2

৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি, ৭ উপজেলায় সেনা মোতায়েন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:47 am
৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি, ৭ উপজেলায় সেনা মোতায়েন

চট্টগ্রামে টানা ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় অন্তত ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দিতে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার-এর আওতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে জেলার সাতটি উপজেলায় মোতায়েন করা হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের জরুরি অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন ও ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সদস্যরা বন্যাদুর্গত এলাকায় অনুসন্ধান, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ ও বাঁশখালী উপজেলা ব্যাপকভাবে প্লাবিত হয়েছে। এতে এসব এলাকার প্রায় ৪ লাখ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এবং পানিবন্দি হয়ে আছেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১০ পদাতিক ডিভিশনের উদ্ধারকারী দল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দ্রুত দুর্গত এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে, ভারী বর্ষণের কারণে বোয়ালখালী, হাটহাজারী ও ফটিকছড়ি উপজেলাতেও ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এসব এলাকায় জরুরি উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সেনাসদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

আইএসপিআর আরও জানিয়েছে, দুর্গত এলাকায় আটকে পড়া মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম আরও দ্রুত ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে ২৪ পদাতিক ডিভিশন ইতোমধ্যে বন্যাকবলিত এলাকায় তিনটি ক্যাম্প স্থাপন করেছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দেশের যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে বেসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দুর্গত এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেনাবাহিনীর উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি সরকারের অনুরোধ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:37 am
শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি সরকারের অনুরোধ

ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক শেখ হাসিনার কোনো ধরনের ভাষণ, বিবৃতি বা বক্তব্য টেলিভিশন, বেতার, সংবাদপত্র, অনলাইন নিউজ পোর্টাল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার ও প্রকাশ না করতে দেশের সব গণমাধ্যমের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।

আদালতের নির্দেশনা ও প্রচলিত আইন মেনে চলার স্বার্থে শুক্রবার (১০ জুলাই) তথ্য অধিদপ্তরের এক তথ্যবিবরণীতে এ আহ্বান জানানো হয়।

তথ্যবিবরণীতে দেশের প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সব ধরনের গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন।

বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, আদালত কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত কোনো পলাতক অপরাধীর বক্তব্য, সাক্ষাৎকার কিংবা অডিও-ভিডিও ভাষণ গণমাধ্যমে প্রচারের ওপর আইনি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

তাই দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং আদালতের নির্দেশনার প্রতি সম্মান জানিয়ে পলাতক শেখ হাসিনার যেকোনো ধরনের ভাষণ, বিবৃতি বা বক্তব্য (সরাসরি কিংবা ধারণকৃত) টেলিভিশন, বেতার, সংবাদপত্র, নিউজ পোর্টাল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার ও প্রকাশ না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।

সরকার প্রত্যাশা করে, দেশের সব গণমাধ্যম, সংশ্লিষ্ট অংশীজন এবং নাগরিকবৃন্দ প্রচলিত আইন ও আদালতের নির্দেশনার প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করবেন এবং তা প্রতিপালনে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবেন।

বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন-নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:28 am
বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন-নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সারা দেশে ভারী বর্ষণ ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শুক্রবার (১০ জুলাই) প্রায় সারাদিনই তিনি বন্যাকবলিত ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) এবং সিভিল সার্জনদের সঙ্গে কথা বলে সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মন্ত্রী, সচিব এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও কথা বলেন। তিনি উদ্ধার, ত্রাণ, চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও সমন্বিত ও কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি জানান, বন্যাকবলিত জেলাগুলোতে উদ্ধার, পুনর্বাসন ও চিকিৎসাসহ সার্বিক কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ ইসলাম অমিতকে দায়িত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় শনিবার তিনি, ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেইন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে চট্টগ্রামে যাবেন।

আতিকুর রহমান রুমন জানান, কয়েকটি এলাকায় বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে বলে প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তবে পরিস্থিতি এখনো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বন্যাকবলিত এলাকার নারী ও শিশু, বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের প্রতি বিশেষ যত্নশীল থাকার নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি দুর্যোগকালীন পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে যেন কোনো অসাধু চক্র চুরি-ডাকাতি বা অন্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াতে না পারে, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকারও নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, চিকিৎসাসেবা এবং অন্যান্য জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।

এদিকে, বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা শুরু থেকেই বন্যাকবলিত এলাকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা ও ত্রাণ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত রয়েছেন।