খুঁজুন
, ,

রেললাইনে ঘুমিয়ে থাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত ৩

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 18 October, 2020, 9:48 am
রেললাইনে ঘুমিয়ে থাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত ৩

নেত্রকোনার বারহাট্টায় রেললাইনের ওপর ঘুমিয়ে থাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে ৩ জন নিহত হয়েছেন।

আজ রোববার (১৮ অক্টোবর) ভোরে নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার স্বল্প দশাল গ্রামে হাওর এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে ছেড়ে মোহনগঞ্জ যাওয়ার পথে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ার ঘটনা ঘটে

নিহতরা হলেন- স্বল্পদশাল গ্রামের হেকিমের ছেলে জাহাঙ্গীর ও স্বপন এবং বডু মিয়ার ছেলে মুখলেছ।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, কয়েকজন জেলে রাতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। পরে তারা রেল লাইনের ওপর ঘুমিয়ে পড়েন। এ সময় ওই লাইনে একটি ট্রেন এলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নেত্রকোণার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ফখরুজ্জামান জুয়েল দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2
Feb2

নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 19 September, 2026, 2:50 pm
নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান পর সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। জারি করা ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ অনুযায়ী চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে বেতন বৃদ্ধির একটি অংশ এবং পর্যায়ক্রমে ২০২৭ সালের জুলাই থেকে শতভাগ বেতন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একইভাবে পেনশনভোগীরাও পর্যায়ক্রমে বর্ধিত নিট পেনশন পাবেন।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন-১ অনুবিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এরপর তা গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়

আদেশ অনুযায়ী, ১ জুলাই নতুন বেতনস্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ করে বেতন বৃদ্ধির মোট অঙ্কের ৪০ শতাংশ নবম ও এর ওপরের গ্রেডে এবং ৫০ শতাংশ ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের ১ জুলাই থেকে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেওয়া হবে।

পরবর্তী ধাপে ১ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধির মোট অঙ্কের ৭০ শতাংশ ৯ম গ্রেড ও তদূর্ধ্ব এবং ৭৫ শতাংশ ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের দেওয়া হবে।

এরপর ১ জুলাই ২০২৭ থেকে বার্ষিক বেতনবৃদ্ধি বা ইনক্রিমেন্টসহ মূল বেতন শতভাগ কার্যকর হবে।

আদেশে আরও বলা হয়েছে, কর্মচারীরা ১ জুলাই থেকে আদেশ জারির তারিখ পর্যন্ত সময়ের বেতন বকেয়া হিসেবে পাবেন।

পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রেও একইভাবে পর্যায়ক্রমে বর্ধিত নিট পেনশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিদ্যমান নিট পেনশন স্ল্যাব ২০ হাজার ১ টাকা ও তদূর্ধ্বের ক্ষেত্রে নিট পেনশন বৃদ্ধির মোট অঙ্কের ৪০ শতাংশ এবং ১ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত স্ল্যাবের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ বিদ্যমান নিট পেনশনের সঙ্গে যোগ করে দেওয়া হবে।

আগামী বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ২০ হাজার ১ টাকা ও তদূর্ধ্বের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির ৭০ শতাংশ এবং ১ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত স্ল্যাবের ক্ষেত্রে ৭৫ শতাংশ দেওয়া হবে।

আগামী বছরের ১ জুলাই থেকে বার্ষিক বৃদ্ধি বা ইনক্রিমেন্টসহ নিট পেনশন শতভাগ কার্যকর হবে। অবসরভোগী ও আজীবন পারিবারিক পেনশনভোগীরাও গত ১ জুলাই থেকে আদেশ জারির তারিখ পর্যন্ত সময়ের নিট পেনশন বকেয়া হিসেবে পাবেন।

এ ছাড়া গত ১ জুলাই থেকে আগামী বছরের ৩০ জুনের মধ্যে কোনো কর্মচারী অবসর-উত্তর ছুটি শেষে অবসরে গেলে তার ‘গ্রস ও নিট পেনশন জাতীয় বেতনস্কেল, ২০২৬’ অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে।

হতাশ হয়ে মাথা গরম করবেন না : শফিকুর রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 19 September, 2026, 9:34 am
হতাশ হয়ে মাথা গরম করবেন না : শফিকুর রহমান

বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত লং মার্চ সফলতায় অনেকের মাথা গরম হয়ে গিয়েছে। মাথা গরমের কিছু লক্ষণ গত দুইদিন ধরে রাজধানীতে আমরা দেখতে পাচ্ছি। আমরা অনুরোধ করব হতাশ হয়ে মাথা গরম করবেন না।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখী লং মার্চ কর্মসূচির উদ্বোধনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আজকে আমাদের দ্বিতীয় দফার লং মার্চ। প্রথম দফা ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আল্লাহর মেহেরবানীতে সফলভাবে এতে অনেকের মাথা গরম হয়ে গেছে। মাথা গরমের কিছু লক্ষণ গত দুই দিন ধরে রাজধানীতে আমরা দেখতে পাচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা অনুরোধ করব, হতাশ হয়ে মাথা গরম করবেন না। বরঞ্চ জনতার দাবি মেনে নেওয়ার চেষ্টা করুন। আজকে আট দফা, মনে রাখবেন, এটা নয় দফা হতে পারে, ১০ দফা হতে পারে। আবার জাতির প্রয়োজনে যেকোনো সময় এটা এক দফায় পরিণত হতে পারে।’

এক দফায় পরিণত হলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে উল্লেখ করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘এক দফায় যখন পরিণত হবে, তখন কিন্তু পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ হবে। আমরা বলি, সেই পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার আগে সাম্প্রতিক অতীত থেকে শিক্ষা নিন। শিক্ষা নিয়ে জনগণের দাবি মেনে নিন।’

দাবি না মানলে কোনো চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র কাজে আসবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘যদি দাবি মানতে ব্যর্থ হন, তাহলে পরিষ্কার বলে দিচ্ছি, কোনো চক্রান্ত-ষড়যন্ত্রে কোনো কাজ হবে না। আমরা কোনো কিছুকেই পরোয়া করব না। কারণ আমরা কোনো দলীয় দাবি নিয়ে মাঠে নামিনি। আমরা ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে মাঠে নেমেছি।’

১১ দলের সঙ্গে দেশের ১৮ কোটি মানুষ রয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘আজকে ১৮ কোটি মানুষ ১১ দলের সঙ্গে আছে। সেই দাবি আদায় করে আমরা ঘরে ফিরব, ইনশাআল্লাহ।’

জনগণকে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা জনগণকে কথা দিচ্ছি, এ লড়াই শুরু হয়েছে। দাবি আদায় করেই ঘরে ফিরব, ইনশাআল্লাহ।’

ব্যানার, ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলে লং মার্চের গণজোয়ার বন্ধ করা সম্ভব নয়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 19 September, 2026, 9:22 am
ব্যানার, ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলে লং মার্চের গণজোয়ার বন্ধ করা সম্ভব নয়

লং মার্চ ঠেকাতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা সারা দেশে দেখতে পাচ্ছি—লং মার্চের পক্ষে যে ঐতিহাসিক গণজোয়ার শুরু হয়েছে, সেটাকে প্রতিরোধ করার জন্য গতকাল রাত থেকে আমাদের ব্যানার ও ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। তবে ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলে লং মার্চের এই গণজোয়ার বন্ধ করা সম্ভব হবে না।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লং মার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ঢাকা টু চট্টগ্রাম ঐতিহাসিক লং মার্চ সফল করার পরে আজকে আমরা শুরু করতে যাচ্ছি ঢাকা থেকে রংপুরের আমাদের সেই ঐতিহাসিক লং মার্চ। রংপুরের আজকের এই ঐতিহাসিক লং মার্চ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতৃত্বে, আট দফা দাবিতে।

তিনি বলেন, সরকার গুম আইন পাস করেছে, মানবাধিকার আইন পাস করেছে, র‌্যাবের নাম বদলিয়ে এসআরবি করেছে এবং এই সরকারের যেখানে দায়িত্ব ছিল মানবাধিকারের সুরক্ষা দেওয়া, তারা মানবাধিকার হরণ করার সব ধরনের প্রেক্ষাপট তৈরি করছে। শেখ হাসিনার সরকার জনগণের অধিকার হরণ করতে যেসব আইন এবং প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে, বর্তমান সরকারও ঠিক একই আইন এবং প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবহার করতে শুরু করছে। আমরা বলতে চাই, বিগত ১৬ বছর আমরা লড়াই করেছিলাম মানবাধিকারের জন্য, গণতন্ত্রের জন্য। আপনারা আমাদের সঙ্গে ছিলেন।

বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি এখন সরকারে এসে নিজেরাই জনগণের মানবাধিকার হরণ করছে, গণতন্ত্রকে ধ্বংস করছে। যারা গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে, অতীতে তাদের স্থান হয়েছে ইতিহাসে। তারেক রহমানকে নির্ধারণ করতে হবে, তিনি কীভাবে ক্ষমতা থেকে চলে যাবেন। তিনি কি হেলিকপ্টার করে পালিয়ে দেশ থেকে যাবেন, নাকি সম্মানের সহিত ক্ষমতা থেকে পদত্যাগ করবেন?

তিনি আরও বলেন, আমরা জানি, এরশাদও সম্মানের সঙ্গে পদত্যাগ করেছিলেন। ফলে তারেক রহমানকে তার যাওয়ার রাস্তা নিজেকেই বাছাই করে নিতে হবে।

লং মার্চ ঠেকাতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, আমরা সারা দেশে দেখতে পাচ্ছি, লং মার্চের পক্ষে যে ঐতিহাসিক গণজোয়ার শুরু হয়েছে, সেটাকে প্রতিরোধ করার জন্য গতকাল রাত থেকে আমাদের যেই রাস্তা, যেই রোড, সেখানে আমাদের যেসব ব্যানার, ফেস্টুন, ১১ দলের সেই ব্যানার, ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। ব্যানার, ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলে এই লং মার্চের গণজোয়ার বন্ধ করা সম্ভব হবে না।

নাহিদ ইসলাম বলেন, দফা বাড়ছে। কিন্তু আমরা জানি, সব দফা কোথায় এসে ঠেকবে? এক দফায়। সেটার জন্য প্রস্তুত হন। ইনশাআল্লাহ, যত বাধাই হোক, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আজকের এই লং মার্চ সফল করব। ইনশাআল্লাহ। রংপুরে দেখা হবে।