খুঁজুন
, ,

লক্ষ্মীপুরে ইউপি উপনির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ আ’লীগ হতাশ বিএনপি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 19 October, 2020, 4:38 pm
লক্ষ্মীপুরে ইউপি উপনির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ আ’লীগ হতাশ বিএনপি

অ আ আবীর আকাশ, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি : লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার ৬ নং কেরোয়া ইউনিয়ন পরিষদ ও চন্দ্রগঞ্জ থানার ১০ নং চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ উপ নির্বাচনে সরেজমিন ঘুরে জানা গেছে ২০ অক্টোবর আসন্ন নির্বাচনে তৃণমূল পর্যায়ে আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ থাকলেও বিএনপিকে মাঠে তেমন একটা দেখা যায়নি।

প্রধান রাজনৈতিক দুই দল সমর্থিত প্রার্থীদের মাঠে উপস্থিতি থাকার কথা থাকলেও আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী রেখা আক্তার মাঠে আছেন কিন্তু বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী নজরুল ইসলাম সরকার মাঠে নেই। তেমন একটা গণসংযোগ করছেন বলেও শোনা যায়নি।

বিভিন্ন স্থানে ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে তৃণমূল পর্যায়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তাদের মনোনীত ব্যক্তিকে জয়যুক্ত করার জন্য সকল অঙ্গ সংগঠন ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। জোরালো ভাবে তারা তাদের গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মাঠে উপস্থিত ভোটারদের সাথে জনসংযোগও তেমন একটা করননি। অনেক স্থানে ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থীর দেখা পাননি তারা।

এদিকে আওয়ামী লীগের নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছেন বিজয়ের ব্যাপারে তারা শতভাগ আশাবাদী। ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কাজী শামসুল ইসলাম সামু বলেন-‘প্রয়াত চেয়ারম্যান শাহজাহান কামালের আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা এবং বর্তমান সরকারের উন্নয়নমুখী কর্মকান্ডে সাধারণ মানুষ খুশী। তাই সাধারণ জনগণ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকেই তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।এছাড়া নির্বাচন হচ্ছে একটি সম্মিলিত প্রয়াস, সেখানেও রয়েছে আমাদের ইস্পাত কঠিন সমন্বয়। সার্বক্ষণিক নৌকার বিজয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন জেলা, উপজেলা ও পৌর আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ।

এদিকে এ প্রতিবেদকের নিকট হতাশা প্রকাশ করেছেন ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের বহু নেতা-কর্মী।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন নেতা বলেন-‘নির্বাচনী মাঠে আমরা একটি বারের জন্যও জেলাতো দূরের কথা উপজেলা পর্যায়ের কোন নেতাকেও পাইনি।’ সাবেক সাংসদ আবুল খায়ের ভূঁইয়া শুধুমাত্র সার্বক্ষণিক খোজঁ-খবর নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন কেউ কেউ।

উক্ত বিষয়ে জানতে চাইলে ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক জহির আলম বাচ্চু বলেন-‘চরম বিতর্কিত ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেওয়ায় দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা ক্ষুব্ধ হলেও দলের স্বার্থে সকলকে সংগঠিত করে একটি ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে নির্বাচনী সফলতা অর্জনের জন্য কাজ করছি। কিন্তু দুঃখের বিষয় আমি নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক হওয়ার পরও প্রার্থী আমার সাথে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ রক্ষা করছেন না। জানিনা এর রহস্যই বা কি!’

এ বিষয়ে জানতে চেয়ে বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যানপ্রার্থী নজরুল ইসলাম সরকারকে একাধিকবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের উপনির্বাচনেও আওয়ামী লীগের সকল অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনসহ ঐক্যবদ্ধ হয়ে দল সমর্থিত ও প্রয়াত চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বাবুলের মতো একজন সৎ যোগ্য একনিষ্ঠ ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান হিসেবে বিজয়ী করার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। সেই লক্ষে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নুরুল ইসলাম কাজ করে যাচ্ছেন।

এখানেও বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী কিবা বিএনপি জেলা-উপজেলা পর্যায়ের কোনো নেতাকর্মীর প্রচারণা বা গণসংযোগ করতে দেখা যায়নি। ভোটাররা জানিয়েছেন বিএনপি মাঠে নেই, তাদের প্রচার-প্রচারণাও নেই। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা গেছে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীর দেখা পাননি তারা।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2
Feb2

চট্টগ্রামে ডিবি অফিসের সামনেই ইয়াবার হাট, হাটের রাজা ইয়াবা সম্রাট জয়, জড়িত গোয়েন্দা পুলিশের কিছু অসাধু সদস্য

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 9:56 pm
চট্টগ্রামে ডিবি অফিসের সামনেই ইয়াবার হাট, হাটের রাজা ইয়াবা সম্রাট জয়, জড়িত গোয়েন্দা পুলিশের কিছু অসাধু সদস্য

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি::চট্টগ্রামের মুনছুরাবাদে ডিবি (গোয়েন্দা) পুলিশের কার্যালয়ের সামনে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে প্রকাশ্যে মাদক বেচাকেনার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

জানাগেছে, চট্টগ্রামের ইয়াবা সম্রাট নামে খ্যাত জয় প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬ টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে প্রকাশ্যে ইয়াবাসহ নানা নেশাজাত দ্রব্য বিক্রি করে । প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার মাদক জাত দ্রব্য বিক্রি হয় কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে। এ ছাড়া পার্শ্ববর্তী রেশন স্টোর ও পুলিশের ব্র্যাক থেকেও ইয়াবা সাপ্লাই করে জয়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, জয় এর এই অবৈধ মাদক ব্যবসার সাথে কিছু অসাধু গোয়েন্দা পুলিশের সদস্য জড়িত । ফলে নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে মাদকের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে জয়।

‎অনুসন্ধানে জানাযায়, গনি আহামদের ছেলে জাবেদ ওরফে জয়, কাজীর দেউড়ি ২ নং গলির বাসিন্দা হলেও বর্তমানে বাকলিয়া থানার বলির হাট এলাকায় বসবাস করে।

সুত্র জানায়, ডিবি পুলিশের কনেস্টেবল আজাদ, রবিউল,  হানিফ, সঞ্জয়, আব্দুর রহিম, ইয়াবা সম্রাট জাবেদ ওরফে জয় এর সহযোগী বলে জানা গেছে।

‎এছাড়া কর্ণফুলী ক্লাব থেকে রূপসা বেকারী পর্যন্ত ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণ জয়কে ডিবি অফিসার হিসাবে চিনে ও জানে, অনেকেই আবার জয়কে জয় স্যার বলে সম্বোধন করে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিবি পুলিশের কয়েকজন সদস্য বলেন, আইনের লোকেরা যখন বেআইনি কাজে জড়িয়ে পড়ে তখন কিছুই বলার থাকে না। পুলিশের ব্র্যাকে মাদক দ্রব্য রেখে গোয়েন্দা পুলিশের অফিসের সামনে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে চট্টগ্রামের চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী মিস্ত্রী পাড়ার বিপ্লব ও বউ বাজারে ডাইল নুরুকে নিয়ে জয় যে মাদকের হাট বসায় তা মেনে নেওয়ার নয়। গোয়েন্দা পুলিশের যে সদস্যরা জয়ের সাথে জড়িত তারা সবাই কোটি কোটি টাকার মালিক তাদের টাকার দাপটে আমরা অসহায়। খোদ উর্ধ্বতনরাও টাকার কাছে জিম্মি বলে মনে হয়।

‎নেশাগ্রস্থ অবস্থায় জয় যখন পুলিশ ব্র্যাকে শুয়ে থাকে তখনও কিছুই বলার থাকেনা। সন্ধ্যা হলে নগরীর চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীরা আসে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে ।

‎সিএমপিতে দীর্ঘ দিন ধরে চট্টগ্রামের বাকলিয়ার মাদক সম্ম্রাট ইছহাক, সোবহান, ও পাহারতলীর মাদক সম্ম্রাট টেক্সি জসিম আলমগীর ও কদম তলীর শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ি আলো সহ আরো অসংখ্য মাদক ব্যবসায়ীর নিকট মাদক ও ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রয় করে আসছে।

ক্লাবের ভিতরে মাঠে চেয়ার নিয়ে বসে থাকে, জয় , ডাইল নুরু ও ইয়াবা সম্রাট বিপ্লব। পার্টি আসলে ব্র্যাক থেকে মাদক দ্রব্য নিয়ে আসে অসাধু পুলিশ সদস্যরা।

‎এই বিষয়ে জয়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি অসংলগ্ন কথাবার্তা বলেন। একবার বলেন আমি ফার্নিচার ব্যবসায়ী, আবার বলেন আমি এইসব ছেড়ে দিয়েছি। আবার অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে বলেন, আমি জানি কে এইসব আমার ব্যাপারে বলেছে। আপনার খবর নিয়ে দেখবো আপনি কে ?

‎মাদকের ব্যাপারে সারাদেশের প্রসাশন জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষনা করলেও সিএমপি গোয়েন্দা কার্যালয়ের সামনে এমন কান্ডকে ভাবিয়ে তোলে সচেতন মহলকে।

‎এই বিষয়ে ডিসি (ডিবি উত্তর) এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সিএমপিতে একসঙ্গে ৫ থানার ওসি রদবদল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 9:29 pm
সিএমপিতে একসঙ্গে ৫ থানার ওসি রদবদল

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) পাঁচ থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পদে বড় ধরনের রদবদল করা হয়েছে। একই আদেশে কয়েকজন ওসিকে বদলি এবং বিভিন্ন ইউনিট থেকে নতুন কর্মকর্তাদের থানায় পদায়ন করা হয়েছে।

শনিবার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ রদবদলের তথ্য জানানো হয়।

আদেশ অনুযায়ী, কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের পুলিশ পরিদর্শক নুর আহমদকে কর্ণফুলী থানার ওসি, সিটিএসবির মোহাম্মদ আবদুর রহিমকে খুলশী থানার ওসি এবং কর্ণফুলী থানার বর্তমান ওসি মো. ইখতিয়ারউদ্দিনকে বায়েজিদ বোস্তামি থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

এ ছাড়া ডিবি বন্দর জোনের পুলিশ পরিদর্শক মো. জয়নাল আবেদীন মন্ডলকে হালিশহর থানার ওসি এবং খুলশী থানার বর্তমান ওসি মোজাম্মেল হককে পাঁচলাইশ মডেল থানার ওসি করা হয়েছে।

অন্যদিকে, পাঁচলাইশ মডেল থানার বর্তমান ওসি মো. জাহেদুল ইসলামকে বদলি করে সিটিএসবিতে পদায়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি সিটিএসবির মোহাম্মদ একরাম উল্লাহকে সদরঘাট থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

সিএমপির জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

পাহাড়ে ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 8:20 pm
পাহাড়ে ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলের তিন জেলায় বসবাসরত পাহাড়ি-বাঙালি সব সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি সুদৃঢ় করে সরকার ঘোষিত ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নই যথেষ্ট নয়; দুর্গম ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে শিক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তি এবং দক্ষতার বিকাশ ঘটিয়ে তাদের সুনাগরিক ও মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে।

আজ রোববার রাঙ্গামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক আয়োজিত তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রশিক্ষণ সনদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী ও নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে প্রতিমন্ত্রী উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা- কর্মচারীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও অধিকার নিশ্চিত করার বৃহৎ দর্শন নিয়ে ১৯৭৬ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই স্বপ্ন ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে ধর্ম, বর্ণ বা গোত্র নির্বিশেষে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দিতে হবে।

তরুণদের উদ্দেশ্যে ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, ফ্রিল্যান্সিংসহ আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে যেন তারা ঘরে বসেই উপার্জন করতে পারেন এবং এই আয়কে সরকার করমুক্ত ঘোষণা করেছে। একইসঙ্গে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি যুবকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে উন্নয়ন বোর্ডকে নতুন নতুন স্কিম গ্রহণের নির্দেশনা দেন।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সরকার জনগণের সেবক। সেবার মানসিকতা নিয়ে সর্বোচ্চ নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে যেন জনগণকে সেবার জন্য বারবার অফিসে আসতে না হয়, বরং সেবা পৌঁছে যায় মানুষের দোরগোড়ায়। এসডিজি অর্জনে মন্ত্রণালয় ও উন্নয়ন বোর্ডকে সমন্বিত পরিবারের মতো কাজ করতে হবে। এ সময় তিনি বোর্ডের শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণ করা, পেনশন সুবিধার বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ এবং পাড়া কেন্দ্রের কর্মীদের বেতন ও সুযোগ-সুবিধা যৌক্তিক পর্যায়ে উন্নীত করতে ডিপিপি (DPP) সংশোধনের আশ্বাস দেন।

দিনব্যাপী সফরকালে প্রতিমন্ত্রী ৫০ জন নারীকে সেলাই মেশিন ও ২৫০টি স্কুলে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী বিতরণ করেন। এছাড়া তিনি রাঙ্গামাটি শিশু পার্কের ওয়াচ টাওয়ার, জেলা পরিষদের ই-লার্নিং সেন্টার এবং খাগড়াছড়ি-রাঙ্গামাটি সড়কে মহাপুরম খালের ওপর ব্রিজের উদ্বোধন করেন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ্ আহাম্মদ, জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, সদস্য (অর্থ) সুমন বড়ুয়া, সদস্য (পরিকল্পনা) জাহিদ ইকবালসহ সামরিক-বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।