খুঁজুন
সোমবার, ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লক্ষ্মীপুরে ইউপি উপনির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ আ’লীগ হতাশ বিএনপি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২০, ৪:৩৮ অপরাহ্ণ
লক্ষ্মীপুরে ইউপি উপনির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ আ’লীগ হতাশ বিএনপি

অ আ আবীর আকাশ, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি : লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার ৬ নং কেরোয়া ইউনিয়ন পরিষদ ও চন্দ্রগঞ্জ থানার ১০ নং চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ উপ নির্বাচনে সরেজমিন ঘুরে জানা গেছে ২০ অক্টোবর আসন্ন নির্বাচনে তৃণমূল পর্যায়ে আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ থাকলেও বিএনপিকে মাঠে তেমন একটা দেখা যায়নি।

প্রধান রাজনৈতিক দুই দল সমর্থিত প্রার্থীদের মাঠে উপস্থিতি থাকার কথা থাকলেও আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী রেখা আক্তার মাঠে আছেন কিন্তু বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী নজরুল ইসলাম সরকার মাঠে নেই। তেমন একটা গণসংযোগ করছেন বলেও শোনা যায়নি।

বিভিন্ন স্থানে ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে তৃণমূল পর্যায়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তাদের মনোনীত ব্যক্তিকে জয়যুক্ত করার জন্য সকল অঙ্গ সংগঠন ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। জোরালো ভাবে তারা তাদের গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মাঠে উপস্থিত ভোটারদের সাথে জনসংযোগও তেমন একটা করননি। অনেক স্থানে ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থীর দেখা পাননি তারা।

এদিকে আওয়ামী লীগের নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছেন বিজয়ের ব্যাপারে তারা শতভাগ আশাবাদী। ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কাজী শামসুল ইসলাম সামু বলেন-‘প্রয়াত চেয়ারম্যান শাহজাহান কামালের আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা এবং বর্তমান সরকারের উন্নয়নমুখী কর্মকান্ডে সাধারণ মানুষ খুশী। তাই সাধারণ জনগণ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকেই তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।এছাড়া নির্বাচন হচ্ছে একটি সম্মিলিত প্রয়াস, সেখানেও রয়েছে আমাদের ইস্পাত কঠিন সমন্বয়। সার্বক্ষণিক নৌকার বিজয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন জেলা, উপজেলা ও পৌর আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ।

এদিকে এ প্রতিবেদকের নিকট হতাশা প্রকাশ করেছেন ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের বহু নেতা-কর্মী।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন নেতা বলেন-‘নির্বাচনী মাঠে আমরা একটি বারের জন্যও জেলাতো দূরের কথা উপজেলা পর্যায়ের কোন নেতাকেও পাইনি।’ সাবেক সাংসদ আবুল খায়ের ভূঁইয়া শুধুমাত্র সার্বক্ষণিক খোজঁ-খবর নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন কেউ কেউ।

উক্ত বিষয়ে জানতে চাইলে ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক জহির আলম বাচ্চু বলেন-‘চরম বিতর্কিত ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেওয়ায় দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা ক্ষুব্ধ হলেও দলের স্বার্থে সকলকে সংগঠিত করে একটি ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে নির্বাচনী সফলতা অর্জনের জন্য কাজ করছি। কিন্তু দুঃখের বিষয় আমি নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক হওয়ার পরও প্রার্থী আমার সাথে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ রক্ষা করছেন না। জানিনা এর রহস্যই বা কি!’

এ বিষয়ে জানতে চেয়ে বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যানপ্রার্থী নজরুল ইসলাম সরকারকে একাধিকবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের উপনির্বাচনেও আওয়ামী লীগের সকল অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনসহ ঐক্যবদ্ধ হয়ে দল সমর্থিত ও প্রয়াত চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বাবুলের মতো একজন সৎ যোগ্য একনিষ্ঠ ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান হিসেবে বিজয়ী করার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। সেই লক্ষে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নুরুল ইসলাম কাজ করে যাচ্ছেন।

এখানেও বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী কিবা বিএনপি জেলা-উপজেলা পর্যায়ের কোনো নেতাকর্মীর প্রচারণা বা গণসংযোগ করতে দেখা যায়নি। ভোটাররা জানিয়েছেন বিএনপি মাঠে নেই, তাদের প্রচার-প্রচারণাও নেই। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা গেছে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীর দেখা পাননি তারা।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2

ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ ও অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। এসময় ছাত্রদলের হামলায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন নেতা-কর্মী আহত হন।

আজ শুক্রবার (২২ মে) দুপুর ২টার দিকে শহরের পুরাতন কালেক্টরেট মসজিদের সামনে এই ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় শেষে মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী। এ সময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ তাঁর সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে যান।

তাদের মধ্যে কথা বলার এক পর্যায়ে হঠাৎ পেছন থেকে কয়েকজন যুবক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ করে এবং অতর্কিত হামলা চালায়। এই হামলায় এনসিপির স্থানীয় কয়েকজন যুবক আহত হয়েছেন।

ভুক্তভোগী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে এক পোস্টে হামলার বিস্তারিত জানান। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জুমার নামাজ আদায় করে মসজিদ থেকে বের হওয়ার পরপরই পুলিশের উপস্থিতিতেই ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালায়।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পোস্টে লেখেন, “প্রথমে ডিম, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়, এরপর হকিস্টিক দিয়ে অতর্কিতভাবে আঘাত করা হয়। তিনজনের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। আমাকে লক্ষ্য করেও কিল-ঘুষি মারা হয়।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা এ সময় তাদের মোবাইল ফোন, ক্যামেরা এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার পর তারা থানায় অবস্থান নিয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান। একই সাথে ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপি থানার সামনে আবারও হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে তিনি ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন।

এই ঘটনার পর এনসিপির নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। বিক্ষোভ থেকে তারা স্বরাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন এবং হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।

 

চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ (শুক্রবার) দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাকলিয়া থানার এক কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, ভুক্তভোগী শিশুর পিতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় গ্রেপ্তার মনিরকে আসামি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বাকলিয়ার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় তিন বছর বয়সী এক শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা দেখে স্বজন ও স্থানীয়দের সন্দেহ হয়, সে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিকেলের দিকে রাস্তায় নেমে আসেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত যুবকের নাম মনির। তিনি স্থানীয় একটি ডেকোরেশন দোকানে কাজ করেন। তাদের অভিযোগ, মনির তাদের কাছে নিজের অপরাধ স্বীকারও করেছেন।

অভিযুক্ত মনির নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে একটি তথ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লেও এর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

গতকাল বিকেল ৪টার দিকে স্থানীয়রা অভিযুক্তের অবস্থান নিশ্চিত করে ‘বিসমিল্লাহ ম্যানশন’ নামের একটি ভবন ঘেরাও করে রাখেন। একপর্যায়ে ভবনটির কলাপসিবল গেট ভেঙে ফেলার চেষ্টাও করা হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। অন্যদিকে অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পথ আটকে দেয় এবং তাকে নিজেদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। বিকেল সাড়ে চারটা থেকে পুলিশকে অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয়রা। এরপর রাত আটটার দিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন স্থানীয়রা। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। স্থানীয়দের বাধার মুখে তখন পুলিশ অভিযুক্ত নিয়ে যেতে পারেনি।

পরে রাত ১১টা সময় দিকে জনবল বাড়ায় পুলিশ। পরে বিদ্যুৎ বন্ধ করে অভিযুক্তকে পুলিশের পোশাক পরিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় ফাঁকা গুলি, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে পুলিশ। এসময় স্থানীয়রা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেয়। এতে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যার শিকার আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় এখনও থামেনি মানুষের ক্ষোভ আর কান্না।

শুক্রবার (২২ মে) সকাল থেকেই পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় রামিসাদের বাসার সামনে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ছোট-ছোট সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায় স্থানীয়দের।

সেখানে গিয়ে দেখা যায়, বেলা ১১টার পর থেকে রামিসাদের বাসার সামনের গলিতে একে একে জড়ো হন নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। অনেকের হাতে ছিল ‘রামিসার হত্যাকারীর ফাঁসি চাই’, ‘শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচার চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড।

এসময় এলাকাজুড়ে ছিল থমথমে পরিবেশ। স্থানীয়দের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হলে সমাজে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না।

একটি মানববন্ধনে অংশ নেওয়া লামিয়া খানম নামে এক নারী বলেন, আমরা নিজের সন্তানদের নিয়েই এখন আতঙ্কে আছি। একটা শিশুকে এত নির্মমভাবে হত্যা কোনো মানুষ করতে পারে না।

এদিকে সন্তান হারানোর শোকে এখনও প্রায় নির্বাক রামিসার মা-বাবা। শুক্রবার (আজ) দুপুর ১২টার দিকে মেয়ের কুলখানি ও মিলাদে অংশ নিতে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন তারা। যাওয়ার আগে বাসার সামনে জড়ো হওয়া মানুষদের কান্না আর সান্ত্বনার শব্দে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।

পরিবারের স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে সিরাজদিখানে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের সময় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। রামিসার মা এখনও মেয়ের জামাকাপড় ও ব্যবহৃত জিনিসপত্র বুকে জড়িয়ে কাঁদছেন। আর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বারবার মেয়ের শেষ আবদারের কথা মনে করে ভেঙে পড়ছেন। দুই দিন আগে মেয়ের জন্য একটি বোরকা কিনে এনেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই বোরকা আর পরা হয়নি রামিসার।

গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় নিজ বাসার পাশ থেকে নিখোঁজ হয় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। পরে প্রতিবেশী সোহেল রানার ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ গোপনের চেষ্টা করেন। ঘটনার পর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছেন। এ ঘটনায় সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।