খুঁজুন
, ,

চসিক প্রশাসকের হাতে পরিচ্ছন্ন কর্মীর জন্য ৪ হাজার শীতবস্ত্র দিল বিজিএমইএ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 23 November, 2020, 7:19 pm
চসিক প্রশাসকের হাতে পরিচ্ছন্ন কর্মীর জন্য ৪ হাজার শীতবস্ত্র দিল বিজিএমইএ

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশেনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, তৈরী পোশাক রফতানী খাত বৈদেশিক আয়ের বড় উৎস। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনাকালে এই খাতে বড় ধরণের আর্থিক প্রণোদনা যুগিয়েছেন। ফলে বৈশ্বিক আর্থিক ধ্বসের মধ্যেও তৈরী পোশাক রফতানী শিল্প খাত ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং সামগ্রিক উন্নয়ন ও অথনৈতিক সক্ষমতার চাকা সচল রয়েছে। তিনি আজ বিকেলে খুলশীতে আঞ্চলিক কার্যালয়ে বিজেএমই’র পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্ন বিভাগের ৪ হাজার কর্মীদের শীতবস্ত্র প্রদানকালে একথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, তৈরী পোশাক রফতানী শিল্প কারখানাগুলো করোনাকালের প্রাথমিক দুর্গতি কাটিয়ে উঠে উৎপাদনে ভাল ভাবে ফিরে আসাটাই একটি ইতিবাচক বার্তা। এই বার্তাটির অর্থ হলো শূন্য থেকে শুরু করে পূর্নতা অর্জন করা। বাংলাদেশ তা বার বার প্রমাণ করেছে।

তিনি করোনাকালে বিজিএমইএ’র সেবামূলক কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন, এতে মানবতা জয়ী হয়েছে এবং মানুষ বেঁচে থাকার ভরসা পেয়েছে।

তিনি বলেন, সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মাঝে শীত বস্ত্র উপহার বিজিএমইএ’র একটি মহৎ উদ্যোগ, যা প্রশংসনীয়। তিনি বিজিএমইএ’র প্রস্তাবিত সৌন্দর্য্যবর্ধন কর্মসূচীর বিষয়ে সম্মতি জ্ঞাপন করেন। চট্টগ্রাম শহরকে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্ন নগর হিসেবে গড়ে ব্যবসা বিনিয়োগ বান্ধব নগরীতে পরিণত করার লক্ষ্যে বিজিএমইএ সহ ব্যবসায়ী সমাজের সহযোগিতা কামনা করেন ।

এ সময় বিজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আবদুস সালাম, সহ-সভাপতি এ. এম. চৌধুরী সেলিম, পরিচালকবৃন্দের মধ্যে অঞ্জন শেখর দাশ, মোহাম্মদ মুসা, মোহাম্মদ আতিক, খন্দকার বেলায়েত হোসেন ও এনামুল আজিজ চৌধুরী, প্রাক্তন প্রথম সহ-সভাপতি নাছির উদ্দিন চৌধুরী, প্রাক্তন সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ফেরদৌস, প্রাক্তন পরিচালক সাইফ উল্লাহ মনসুর সহ গার্মেন্টস্্ শিল্পের মালিকগণ ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর প্রশাসকের একান্ত সচিব মোঃ আবুল হাশেমসহ উদ্ধর্তন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আবদুস সালাম বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে চট্টগ্রামকে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম শহরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করায় তিনি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর প্রশাসককে ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, বিজিএমইএ’র সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচীর অংশ হিসেবে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদেরকে আসন্ন শীতে নির্বিঘেœ কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে বিজিএমইএ’র পক্ষ থেকে শীত বস্ত্র উপহার হিসেবে প্রদান করতে পারায় বিজিএমইএ গর্বিত।

তিনি চট্টগ্রামে বিদেশী বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও ব্যবসা-বাণিজ্যে সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে অবকাঠামোগত উন্নয়ন সহ বিভিন্ন কার্যক্রমে বিজিএমইএ সহ ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে মর্মে আশ্বস্থ করেন।

অনুষ্ঠান শেষে বিজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আবদুস সালাম চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন এর কাছে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের (সেবক) জন্য চার হাজারের অধিক পিস শীত বস্ত্র হস্তান্তর করেন।

প্রশাসক খুলশীস্থ বিজিএমইএ ভবনের প্রবেশ পথে রাস্তার উভয় পার্শ্বে বিজিএমইএ’র প্রস্তাবিত সৌন্দর্য্যবর্ধনের স্থান পরিদর্শন করেন।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।