খুঁজুন
, ,

মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন থেকে নেতাকর্মীদের বিচ্যুত করতে পারবে না: পারভেজ রেজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 24 November, 2020, 8:28 pm
মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন থেকে নেতাকর্মীদের বিচ্যুত করতে পারবে না: পারভেজ রেজা

কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি, চট্টগ্রাম বিভাগীয় টিম প্রধান এবিএম পারভেজ রেজা বলেছেন, জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে জগদ্দল পাথরের মত অবৈধভাবে ক্ষমতা আঁকড়ে ধরেছে আওয়ামীলীগ। মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও চেতনার নামে দেশে লুটপাট, নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। দেশের মানুষকে ধোঁকা দিয়ে সম্পদ বিদেশে পাচার করা হচ্ছে। আর জোর করে ক্ষমতার মসনদ দখল করে বিএনপি নেতাকর্মীদের উপর স্টীম রোলার চালানো হচ্ছে। বিচার বিভাগকে প্রভাবিত করে বিএনপির নেতাকর্মীদের কারাগারে প্রেরণ করা হচ্ছে।
কোনো অপশক্তি ও ষড়যন্ত্রই সত্য ও ন্যায় এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন থেকে নেতাকর্মীদের বিচ্যুত করতে পারবে না। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, জনগণের ভোট ও মৌলিক অধিকারসমূহ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে ও দেশনায়ক তারেক রহমানকে ফিরিয়ে আনতে হবে। বিএনপির
ভ্যানগার্ড হিসেবে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলকে সুসংগঠিত ভাবে গড়ে তুলতে সর্বস্তরের নেতাকর্মীকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে।

তিনি আজ মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম মহানগরীর আওতাধীন থানা ও ওয়ার্ড কমিটি গঠন কল্পে বাকলিয়া, পাহাড়তলী ও হালিশহর থানার কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সভাপতি শওকত আজম খাজা বলেন, অশুভ শক্তির হাত থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে। তারেক রহমানের
নেতৃত্বে আমরা দেশে গণতন্ত্র ফিরে আনব। দেশে গণতন্ত্র ফিরে আসলে তারেক রহমান বীরের ভেসে দেশে ফিরে আসবে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর ১৯দফা বাস্তবায়নে তিনি কাজ করবেন।

সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচএম রাশেদ খান বলেন, গণতন্ত্র, সংবিধান, আইনের শাসন ও মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে বিএনপির কোন বিকল্প নেই। ৯০ই এ রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে
স্বৈরাচার সরকারকে উৎখাত করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গণতন্ত্র ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। ফ্যাসিস্ট সরকারকে উৎখাত করতে জনগণকে সাথে নিয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে গণআন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
জনগণের গণআন্দোলনের কাছে নতিস্বীকার করতে বাধ্য হবে।

চট্টগ্রাম নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু বলেন, দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষ আওয়ামীলীগকে পছন্দ করে না। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে পারবেনা জেনেই তারা জোর করে ক্ষমতা দখল করেছে। দেশে আইনের শাসন বলে কিছু নেই। পুরো রাষ্ট্রযন্ত্রকে বিরোধী মত দমনে ব্যবহার করা
হচ্ছে। কিন্তু সবকিছুরই একটা শেষ আছে। আওয়ামী স্বৈরাচারী শক্তিকেও বিদায় নিতে হবে। সময়ের ব্যবধানে তারাও ইতিহাসের আস্থাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হবে।

চট্টগ্রাম নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এইচএম রাশেদ খানের সভাপতিত্বে, নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলুর
সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সওগাতুল ইসলাম সাগির, সহ-সাধারণ সম্পাদক এমজি মাসুম রাসেল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সরওয়ার হোসেন সারু।

উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন, সহ-সভাপতি আসাদুজ্জামান দিদার, হারুন আল রশিদ, সেলিম রেজা, হারুনুর রশিদ, সাংগঠনিক
সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জমির উদ্দিন নাহিদ, সিরাজুল ইসলাম ভূঁইয়া, জসিম উদ্দিন রকি, আবু বক্কর রাজু, আনোয়ার হোসেন এরশাদ, গোলাম সরোয়ার, সহ-সাধারণ সম্পাদক হাজী মোহাম্মদ আলম, জাকির হোসেন, মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, এমএ হানিফ, সোহাগ খান , দেলোয়ার হোসেন বাবু, নিজাম
উদ্দিন বুলু, সৈয়দ মফিজ উদ্দিন সুমন, সহ-সাংগঠনিক ইসহাক খান, মোঃ নাসির উদ্দিন, মোঃ লিটন , মিজানুর রহমান সাইফুল।

সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য আকবর হোসেন মানিক, মোঃ আবুল কালাম , জাহাঙ্গীর হোসেন , সহ-সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য মোঃ জাহিদুল ইসলাম, জাকির হোসেন মিশু, শরীফ আহমেদ রানা, কার্যকরী সদস্য মোঃ রাজীব, মেহেদী হাসান সহ প্রমুখ।

Feb2
Feb2

নিলামে পণ্য বিক্রি করে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা আয় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 8 September, 2026, 9:11 am
নিলামে পণ্য বিক্রি করে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা আয় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস

অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করে ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সাড়ে পাঁচ বছরে ৫৯৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা আয় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস।

এর মধ্যে গত দেড় বছরেই আয় হয়েছে ২৮৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা, যা নিলাম রাজস্বে একটি উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির চিত্র তুলে ধরে। একই সঙ্গে এ উদ্যোগের ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের ইয়ার্ডে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা পণ্য সরানোর পাশাপাশি সরকারের রাজস্বও বাড়ছে।

কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা কনটেইনার খালি করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। এর আওতায় নিলামযোগ্য পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে এবং নিলামের উপযোগী নয়-এমন পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে ২৪টি নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। এসব নিলামে ১ হাজার ৮১৪টি লট বিক্রি করে ১১৫ কোটি ৬৪ লাখ টাকা রাজস্ব আয় হয়।

২০২২ সালে ৪২টি নিলামের মাধ্যমে ১ হাজার ৩৮১টি লট বিক্রি করে আয় হয় ১৩০ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। ২০২৩ সালে ২৩টি নিলামে ৬৩২টি লট বিক্রি করে রাজস্ব আসে ৪১ কোটি ১৩ লাখ টাকা।

২০২৪ সালে ৫৫টি নিলামের মাধ্যমে ৫১১টি লট বিক্রি করে ২৭ কোটি ২৯ লাখ টাকা আয় হয়। ২০২৫ সালে ৬০টি নিলামে ১ হাজার ৪০টি লট বিক্রি করে আয় হয় ১২৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।

চলতি বছরের জুন পর্যন্ত ৪৫টি অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ৩৮৩টি লট বিক্রি করে ১৫৭ কোটি ৪৮ লাখ টাকা আয় হয়েছে।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম ব্যবস্থাপনা ও শ্রমিক ঠিকাদার হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান কে এম করপোরেশনের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মোরশেদ জানান, কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী নিলাম ব্যবস্থাপনা, পণ্যের তালিকা প্রস্তুত (ইনভেন্টরি) এবং নিলামকৃত পণ্য বুঝিয়ে দেওয়ার কাজে তার প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত রয়েছে।

তিনি বলেন, ২০২৫ থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত নিলামের মাধ্যমে ২৮৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা আয় হয়েছে, যা এত স্বল্প সময়ে নিলাম থেকে রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে একটি রেকর্ড।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম শাখার সহকারী কমিশনার আবু সুফিয়ান বলেন, এনবিআরের নির্দেশনা অনুযায়ী খালাস না হওয়া পণ্য অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘গত কয়েক বছরে নিলামের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিলাম করা পণ্য বিক্রি থেকে রাজস্ব আয়ও বেড়েছে।’

তিনি আরও জানান, নিলামের উপযোগী নয়-এমন পণ্য সরিয়ে বন্দরের ইয়ার্ড খালি করার প্রচেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে।

ইতালিতে হামলার শিকার অভিনেত্রী বাঁধন, লাইভে যা বললেন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 8 September, 2026, 8:34 am
ইতালিতে হামলার শিকার অভিনেত্রী বাঁধন, লাইভে যা বললেন

ইতালিতে বাংলাদেশের অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মানসিক হেনস্তা করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশ সময় সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক ভিডিওবার্তায় বাঁধন নিজেই এই ঘটনার বিবরণ দেন।

অভিনেত্রী জানান, ইতালির একটি স্থানীয় পার্কে তিনি তার ভাইয়ের পরিবারের সঙ্গে ঘুরতে গিয়েছিলেন। সেখানে একদল ব্যক্তি হুট করে তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা তাকে লক্ষ্য করে কোল্ড ড্রিংকস (কোক) ও ডিম ছুড়ে মারে এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। তা ছাড়া তার হাত থেকে মোবাইল ফোনও কেড়ে নিয়ে ছুড়ে ফেলে দেয়া হয়।

বাঁধনের অভিযোগ, হামলাকারীরা তাকে ‘জুলাইযোদ্ধা’ আখ্যা দিয়ে তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করার চেষ্টা করে। বাঁধন দাবি করেন, আক্রমণকারীরা তাকে জোরপূর্বক ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিতে বাধ্য করে এবং পুরো ঘটনাটির ভিডিও ধারণ করে। পুরো সময় জুড়ে তার সঙ্গে অত্যন্ত গালমন্দ ও অসংগত আচরণ করা হয়।

ভিডিওবার্তায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বাঁধন বলেন, ‘‘আমার গায়ে হাত তোলা হয়েছে এবং আমার ভাইয়ের স্ত্রীকেও ধাক্কা দেয়া হয়েছে। আপনাদের এ ধরনের অসংলগ্ন ও সহিংস আচরণ থেকে বের হয়ে আসা উচিত। এভাবে উদ্দেশ্য হাসিল বা নিজেদের অবস্থান ফেরানো সম্ভব নয়।’’

ভিডিওটিতে তিনি সজীব ওয়াজেদ জয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘‘সজীব ওয়াজেদ জয় নিজেও বর্তমানে ভেনিসে অবস্থান করছেন। আশা করি আপনারা বিষয়টি তার কাছে পৌঁছে দেবেন।’’

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একদল লোক নিজেদের ছাত্রলীগ কর্মী বলে দাবি করে বাঁধনকে ‘জুলাই জঙ্গি’ বলে গালিগালাজ করছে এবং বারবার তার ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করছে।

উল্লেখ্য, ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ চলচ্চিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করা আজমেরী হক বাঁধন বর্তমানে ঐতিহ্যবাহী ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন।

চট্টগ্রামে পাহাড় কাটার অভিযোগে রাতব্যাপী অভিযান, সরেজমিনে পরিদর্শন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 7 September, 2026, 9:10 pm
চট্টগ্রামে পাহাড় কাটার অভিযোগে রাতব্যাপী অভিযান, সরেজমিনে পরিদর্শন

চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় কাটার অভিযোগ ও পাহাড়ের ঢালে নির্মাণকাজের বিষয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গতকাল ৬ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, পরিবেশকর্মী শফিক আহমেদ এবং পুলিশ ফোর্সের সমন্বয়ে এ পরিদর্শন পরিচালনা করা হয়।

পরিদর্শনকালে বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন ‘রুপসী’ নামক পাহাড়, আকবর শাহ থানাধীন উত্তর পাহাড়তলী মৌজার দাগ নং ১৭৭, ১৭৮, ১৮৯ ও ১৮০-এ বিদ্যমান পাহাড় এবং উত্তর পাহাড়তলী মৌজার হারবাতলী মা আমেনা মসজিদ সংলগ্ন পাহাড় সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়।

পরিদর্শনকালে উত্তর পাহাড়তলী মৌজার দাগ নং ১৭৭, ১৭৮, ১৮৯ ও ১৮০-এ বিদ্যমান পাহাড়ের ঢালে কিছু দেওয়াল সদ্য নির্মিত অবস্থায় পাওয়া যায়। পাহাড়ের ঢালে এ ধরনের দেওয়াল নির্মাণের বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট ভূমি মালিককে ৭ সেপ্টেম্বর সকালে নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। তবে রাতের সরেজমিন পরিদর্শনকালে সেখানে কোনো ব্যক্তিকে পাহাড় কাটার কাজে নিয়োজিত অবস্থায় পাওয়া যায়নি।

এছাড়া আকবর শাহ থানাধীন উত্তর পাহাড়তলী মৌজার হারবাতলী মা আমেনা মসজিদ সংলগ্ন পাহাড় পরিদর্শনকালে পাহাড় কাটার কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। পরিদর্শনকালে সেখানে কোনো ব্যক্তিকেও পাহাড় কাটার কাজে নিয়োজিত অবস্থায় পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন ‘রুপসী’ নামক পাহাড় পরিদর্শনকালে কোনো ব্যক্তিকে পাহাড় কাটতে দেখা যায়নি। তবে নির্মাণস্থলের ভূমির শ্রেণি ‘ছনখোলা’ বা ‘নাল’ নাকি পাহাড়—তা যাচাই করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড় ও পরিবেশ সুরক্ষায় নিয়মিতভাবে এ ধরনের সরেজমিন পরিদর্শন ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে। পাহাড় কাটার অভিযোগ বা পরিবেশবিধি লঙ্ঘনের তথ্য পাওয়া গেলে তা যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।