খুঁজুন
রবিবার, ১২ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন থেকে নেতাকর্মীদের বিচ্যুত করতে পারবে না: পারভেজ রেজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২০, ৮:২৮ অপরাহ্ণ
মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন থেকে নেতাকর্মীদের বিচ্যুত করতে পারবে না: পারভেজ রেজা

কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি, চট্টগ্রাম বিভাগীয় টিম প্রধান এবিএম পারভেজ রেজা বলেছেন, জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে জগদ্দল পাথরের মত অবৈধভাবে ক্ষমতা আঁকড়ে ধরেছে আওয়ামীলীগ। মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও চেতনার নামে দেশে লুটপাট, নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। দেশের মানুষকে ধোঁকা দিয়ে সম্পদ বিদেশে পাচার করা হচ্ছে। আর জোর করে ক্ষমতার মসনদ দখল করে বিএনপি নেতাকর্মীদের উপর স্টীম রোলার চালানো হচ্ছে। বিচার বিভাগকে প্রভাবিত করে বিএনপির নেতাকর্মীদের কারাগারে প্রেরণ করা হচ্ছে।
কোনো অপশক্তি ও ষড়যন্ত্রই সত্য ও ন্যায় এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন থেকে নেতাকর্মীদের বিচ্যুত করতে পারবে না। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, জনগণের ভোট ও মৌলিক অধিকারসমূহ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে ও দেশনায়ক তারেক রহমানকে ফিরিয়ে আনতে হবে। বিএনপির
ভ্যানগার্ড হিসেবে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলকে সুসংগঠিত ভাবে গড়ে তুলতে সর্বস্তরের নেতাকর্মীকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে।

তিনি আজ মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম মহানগরীর আওতাধীন থানা ও ওয়ার্ড কমিটি গঠন কল্পে বাকলিয়া, পাহাড়তলী ও হালিশহর থানার কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সভাপতি শওকত আজম খাজা বলেন, অশুভ শক্তির হাত থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে। তারেক রহমানের
নেতৃত্বে আমরা দেশে গণতন্ত্র ফিরে আনব। দেশে গণতন্ত্র ফিরে আসলে তারেক রহমান বীরের ভেসে দেশে ফিরে আসবে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর ১৯দফা বাস্তবায়নে তিনি কাজ করবেন।

সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচএম রাশেদ খান বলেন, গণতন্ত্র, সংবিধান, আইনের শাসন ও মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে বিএনপির কোন বিকল্প নেই। ৯০ই এ রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে
স্বৈরাচার সরকারকে উৎখাত করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গণতন্ত্র ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। ফ্যাসিস্ট সরকারকে উৎখাত করতে জনগণকে সাথে নিয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে গণআন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
জনগণের গণআন্দোলনের কাছে নতিস্বীকার করতে বাধ্য হবে।

চট্টগ্রাম নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু বলেন, দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষ আওয়ামীলীগকে পছন্দ করে না। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে পারবেনা জেনেই তারা জোর করে ক্ষমতা দখল করেছে। দেশে আইনের শাসন বলে কিছু নেই। পুরো রাষ্ট্রযন্ত্রকে বিরোধী মত দমনে ব্যবহার করা
হচ্ছে। কিন্তু সবকিছুরই একটা শেষ আছে। আওয়ামী স্বৈরাচারী শক্তিকেও বিদায় নিতে হবে। সময়ের ব্যবধানে তারাও ইতিহাসের আস্থাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হবে।

চট্টগ্রাম নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এইচএম রাশেদ খানের সভাপতিত্বে, নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলুর
সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সওগাতুল ইসলাম সাগির, সহ-সাধারণ সম্পাদক এমজি মাসুম রাসেল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সরওয়ার হোসেন সারু।

উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন, সহ-সভাপতি আসাদুজ্জামান দিদার, হারুন আল রশিদ, সেলিম রেজা, হারুনুর রশিদ, সাংগঠনিক
সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জমির উদ্দিন নাহিদ, সিরাজুল ইসলাম ভূঁইয়া, জসিম উদ্দিন রকি, আবু বক্কর রাজু, আনোয়ার হোসেন এরশাদ, গোলাম সরোয়ার, সহ-সাধারণ সম্পাদক হাজী মোহাম্মদ আলম, জাকির হোসেন, মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, এমএ হানিফ, সোহাগ খান , দেলোয়ার হোসেন বাবু, নিজাম
উদ্দিন বুলু, সৈয়দ মফিজ উদ্দিন সুমন, সহ-সাংগঠনিক ইসহাক খান, মোঃ নাসির উদ্দিন, মোঃ লিটন , মিজানুর রহমান সাইফুল।

সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য আকবর হোসেন মানিক, মোঃ আবুল কালাম , জাহাঙ্গীর হোসেন , সহ-সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য মোঃ জাহিদুল ইসলাম, জাকির হোসেন মিশু, শরীফ আহমেদ রানা, কার্যকরী সদস্য মোঃ রাজীব, মেহেদী হাসান সহ প্রমুখ।

Feb2

দাম বাড়ল ফার্নেস অয়েলের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
দাম বাড়ল ফার্নেস অয়েলের

ফার্নেস অয়েলের (এইচএফও) দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিইআরসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি লিটার ফার্নেস অয়েলের দাম ৭০ টাকা ১০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৯৪ টাকা ৬৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ লিটারে দাম বেড়েছে ২৪ টাকা ৫৯ পয়সা। নতুন এই মূল্য রোববার মধ্যরাত ১২টা থেকে কার্যকর হবে।

রোববার জারি করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কমিশন জানায়, বাংলাদেশ জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ কমিশন আইন, ২০০৩-এর ধারা ৩৪(৪) ও ৩৪(৬) অনুসারে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) এবং তেল বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে গণশুনানি শেষে বিস্তারিত পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের আদেশ অনুযায়ী ফার্নেস অয়েলের মূল্য প্রতি তিন মাস অন্তর বা প্রয়োজন অনুযায়ী সমন্বয়ের বিধান রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের মার্চ মাসে অপরিশোধিত তেল আমদানি না হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে পরিশোধিত ফার্নেস অয়েলের গড় দর এবং মার্কিন ডলারের বিনিময় হার বিবেচনায় নিয়ে মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ লক্ষ্যে ১৫ মার্চ একটি কমিটি গঠন করা হয়, যা মার্চ মাসের প্ল্যাটস সূচকভিত্তিক গড় মূল্য এবং বিনিময় হার বিশ্লেষণ করে এপ্রিল মাসের জন্য নতুন মূল্য সুপারিশ করে। পরে ৫ ও ১২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিশন সভায় ওই সুপারিশ পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

নতুন দামের ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্প খাত এবং বৃহৎ জ্বালানি নির্ভর প্রতিষ্ঠানের ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। বিশেষ করে ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে উৎপাদন খরচ বাড়ার প্রভাব শেষ পর্যন্ত ভোক্তা পর্যায়েও পড়তে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

ভোজ্যতেলের দাম বাড়ছে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৫১ অপরাহ্ণ
ভোজ্যতেলের দাম বাড়ছে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

দেশে আপাতত ভোজ্যতেলের দাম বাড়ছে না। রোববার দেশের ভোজ্যতেল সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনা বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের এ কথা জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

তিনি বলেন, দেশের মানুষেরা এ সময় বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে-যুদ্ধ নানা কারণে শঙ্কার মধ্যে আছে। আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হচ্ছে- এরমধ্যে যেন কোনো পণ্যের দাম না বাড়ে। সেটিকে লক্ষ্য হিসেবে নিয়ে আমরা পদক্ষেপ নেব।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভোজ্যতেল নিয়ে আমরা নিয়মিত বসি। এটি একটি সংবেদনশীল পণ্য। এটির দাম বাড়লে ক্রেতারা নাখোশ হন। এজন্য নিয়মিত বিরতিতে আমরা দেশের তেলের সরবরাহ পরিস্থিতি, আমদানি পর্যালোচনা করি। তবে এ বৈঠকে দাম বাড়ানোর বিষয়ে এখনো বলার মতো কোন কিছু হয়নি।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ সময় দেশের ভোজ্যতেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার থেকে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়ে রেখেছিল মিলমালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। তার কয়েকদিন আগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে তারা এ প্রস্তাব দিয়েছিল।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি) প্রস্তাবটি যাচাই-বাছাই করে দাম না বাড়ানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়।

এদিকে আজ অনুষ্ঠিত দুদফা বৈঠকে দেশের তেল সরবরাহকারীদের দাম না বাড়িয়ে মুনাফা সমন্বয়ের জন্য কিছু বাড়তি সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে কি ধরনের সুবিধা দেওয়া হবে সে বিষয়টি চূড়ান্ত হয়নি।

সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবির ঘটনায় মঈনকে প্রধান আসামি করে মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩০ অপরাহ্ণ
সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবির ঘটনায় মঈনকে প্রধান আসামি করে মামলা

রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালে চাঁদা দাবির ঘটনায় সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিনকে (মঈন) এক নম্বর আসামি করে মামলা দায়ের করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

শনিবার (১১ এপ্রির) রাতে সিকেডি হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার ইনচার্জ মো. আবু হানিফ সাবেক যুবদল নেতা মঈনকে প্রধান আসামি করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় সাত থেকে আট জনকে আসামি করে শেরেবাংলা নগর থানায় তিনি এই মামলা দায়ের করেছেন।

রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও বিভাগের শেরে বাংলা নগর জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) আক্কাস আলী। তিনি বলেন, হাসপাতালে চাঁদাবাজির ঘটনায় একজনের নাম উল্লেখ ও আরও ৭/৮ জনকে অজ্ঞাত উল্লেখ করে মামলা নেওয়া হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে আমাদের টিম কাজ করছে।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেছেন, মঈন ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করে আসছে। দাবি করা চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে আসামিরা আমাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১০ এপ্রিল সকালে শেরেবাংলা নগর থানাধীন শ্যামলী ৩ নম্বর রোডে আমার বাসার সামনে এসে দরজা খুলতে বলে। আমার স্ত্রী দরজা খুলে দিলে আসামি মঈন আমার স্ত্রীকে বলে যে, চাঁদা বাবদ এখনই তাদেরকে ৫ লাখ টাকা দিতে হবে। টাকা না দিলে আমাকেসহ আমার স্ত্রীর বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিসাধন করার হুমকি দেয়। আমার স্ত্রী আসামিদের চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করাসহ চিল্লাচিল্লি শুরু করে। এ সময় আমি আসামিদের উপস্থিতি টের পেয়ে বাসার অন্য একটি রুমে অবস্থান করি এবং পরিস্থিতির অবনতি আশঙ্কা করে হাসপাতালে অবস্থানরত আমার ছোট ভাই মো. মনির তালুকদারকে (৩৫) দ্রুত বাসায় আসার জন্য ফোন করি। পরবর্তীতে আমার ভাই বাসায় পৌঁছালে আসামি মঈনসহ অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জন আসামি ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে আরও লোকজন জড়ো করতে থাকে। একপর্যায়ে তারা প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন লোক সমবেত করে সিকেডি হাসপাতালের সামনে এসে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা করে। তারা হাসপাতালের সামনে অবস্থান নিয়ে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করে, উচ্চস্বরে স্লোগান দেয়, গালাগালি করে এবং পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালায়।

আরো উল্লেখ করা হয়, এমনকি তারা সিকেডি হাসপাতালের মালিক মো. কামরুল ইসলামকে উদ্দেশ করে বলে ‘কামরুলের দুই গালে জুতা মারো’ এবং ‘কামরুলের পিঠের চামড়া তুলে নেব’ মর্মে হুমকি সূচক স্লোগান দিতে থাকে। এছাড়াও তারা অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে এবং পুরো ঘটনাটিকে পরিকল্পিতভাবে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে তারা মেডিকেলের ইমার্জেন্সি ডিপার্টমেন্টের সামনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করে, যার ফলে হাসপাতালের স্বাভাবিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। উক্ত ঘটনার বিষয়ে আমি শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশকে সংবাদ দিলে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।