খুঁজুন
, ,

বেগম জিয়ার নেতৃত্বে রাজপথে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে: পারভেজ রেজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 23 November, 2020, 8:24 pm
বেগম জিয়ার নেতৃত্বে রাজপথে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে: পারভেজ রেজা

জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক টিম প্রধান এবি এম পারভেজ রেজা বলেছেন, আজকের বাংলাদেশ গুম খুন ও ধর্ষণের বাংলাদেশ। আজকের বাংলাদেশ লুটপাঠ, দুর্নীতি ও দু:শাসনের বাংলাদেশ। স্বাধীনতার ৫০ বৎসর পূর্তির প্রাক মুহুর্তে আমরা এই বাংলাদেশ চাইনি।

বিরোধী দল ও মতের টুঁটি চেপে ধরে সরকার আজীবন ক্ষমতায় থাকতে চায়। তাদের সে স্বপ্ন জনগণ পূরণ হতে দেবে না। জনগণের দাবী আদায়ে বিএনপি রাজপথে ছিল আগামীতেও থাকবে। আধিপত্যবাদী ফ্যাসিষ্ট সরকারের বিরুদ্ধে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। সেই আন্দোলনে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সৈনিকেরা অগ্রভাগে নেতৃত্ব দিয়ে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করবে।

চট্টগ্রাম মহানগরীর আওতাধীন থানা ও ওয়ার্ড কমিটি গঠনকল্পে সোমবার (২৩ নভেম্বর) সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক কোতোয়ালী, চকবাজার ও আকবর শাহ থানা আয়োজিত কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সওগাতুল ইসলাম সাগির বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার নামে ডিজিটাল কারচুপির মাধ্যমে জনগণের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে। নতুন প্রজন্ম তাদের ভোটের অধিকার হারিয়েছে। শাসক গোষ্ঠীর অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলেই গৃহপালিত দুদক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী লেলিয়ে দেয়া হয়। গনতন্ত্র পুনরুদ্ধারে চলমান আন্দোলনকে নসাৎ করতে বিএনপি নেতা কর্মীদের বানোয়াট গায়েবী মামলা দিয়ে কারাগারে প্রেরণ করা হচ্ছে।

সভাপতির বক্তব্যে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান বলেন, বিএনপিকে ধ্বংস করার সরকারের সকল অপচেষ্টা আজ ব্যর্থ। শত হামলা মামলা নির্যাতন নীপিড়ন স্বত্বেও নেতাকর্মীদের মনোবলকে দুর্বল করতে পারেনি। আগামী প্রজন্মের জন্য একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে তারা যে কোন ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও দেশ নায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনঃরুদ্ধারের আন্দোলন দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত চালিয়ে যাবে।

নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু বলেন, আগামী রাষ্ট্র নায়ক তারেক রহমান জাতীয়তাবাদী দলকে তৃণমূল পর্যায় থেকে সুসংগঠিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ত্যাগী, যোগ্য ও মেধাবীদের সমন্বয়ে শীঘ্রই থানা ওয়ার্ড।কমিটি গঠন করা হবে। নতুন নেতৃত্ব দলকে সুসংগঠিত করবে এবং চলমান আন্দোলনকে বেগবান করবে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে স্থায়ী মুক্ত করে এবং দেশনায়ক তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে এনে জনগণের অধিকার পুন:প্রতিষ্ঠা করবে।

চট্টগ্রাম নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এইচ এম রাশেদ খানের সভাপতিত্বে, নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক কেন্দ্রীয় চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলুর সঞ্চালনায় কর্মী সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সহ-সাধারন সম্পাদক এমজি মাসুম রাসেল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সরওয়ার হোসেন সারু।

চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন, সহ-সভাপতি আসাদুজ্জামান দিদার, মো.সিরাজ উদ্দিন, এডভোকেট সাইদুল ইসলাম, হারুন আল রশিদ, মামুনুর রহমান, হারুনুর রশিদ হারুন, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জমির উদ্দিন নাহিদ, নুরুল আলম শিপু, আনোয়ার হোসেন এরশাদ, আবু বক্কর রাজু, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো.সাজ্জাদ হোসেন, হাসান মাহমুদ, দিদার হোসেন, আলমগীর হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. লিটন, মো.নাছির উদ্দিন, ইকবাল হোসেন রুবেল, সাইফুল আলম দিপু। সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য আকবর হোসেন মানিক, জাহাঙ্গির হোসেন, তাজ উদ্দিন লিটন, আবদুল হান্নান, সহ-সম্পাদক মোঃ জাহিদুল ইসলাম, ইমরান সিদ্দিকী জেকসন, জাকির হোসেন মিশু, মো. রনি, মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল, কার্যকরী সদস্য রুবেল খান, মোঃ সোহেল প্রমুখ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

Feb2
Feb2

নিলামে পণ্য বিক্রি করে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা আয় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 8 September, 2026, 9:11 am
নিলামে পণ্য বিক্রি করে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা আয় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস

অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করে ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সাড়ে পাঁচ বছরে ৫৯৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা আয় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস।

এর মধ্যে গত দেড় বছরেই আয় হয়েছে ২৮৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা, যা নিলাম রাজস্বে একটি উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির চিত্র তুলে ধরে। একই সঙ্গে এ উদ্যোগের ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের ইয়ার্ডে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা পণ্য সরানোর পাশাপাশি সরকারের রাজস্বও বাড়ছে।

কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা কনটেইনার খালি করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। এর আওতায় নিলামযোগ্য পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে এবং নিলামের উপযোগী নয়-এমন পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে ২৪টি নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। এসব নিলামে ১ হাজার ৮১৪টি লট বিক্রি করে ১১৫ কোটি ৬৪ লাখ টাকা রাজস্ব আয় হয়।

২০২২ সালে ৪২টি নিলামের মাধ্যমে ১ হাজার ৩৮১টি লট বিক্রি করে আয় হয় ১৩০ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। ২০২৩ সালে ২৩টি নিলামে ৬৩২টি লট বিক্রি করে রাজস্ব আসে ৪১ কোটি ১৩ লাখ টাকা।

২০২৪ সালে ৫৫টি নিলামের মাধ্যমে ৫১১টি লট বিক্রি করে ২৭ কোটি ২৯ লাখ টাকা আয় হয়। ২০২৫ সালে ৬০টি নিলামে ১ হাজার ৪০টি লট বিক্রি করে আয় হয় ১২৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।

চলতি বছরের জুন পর্যন্ত ৪৫টি অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ৩৮৩টি লট বিক্রি করে ১৫৭ কোটি ৪৮ লাখ টাকা আয় হয়েছে।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম ব্যবস্থাপনা ও শ্রমিক ঠিকাদার হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান কে এম করপোরেশনের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মোরশেদ জানান, কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী নিলাম ব্যবস্থাপনা, পণ্যের তালিকা প্রস্তুত (ইনভেন্টরি) এবং নিলামকৃত পণ্য বুঝিয়ে দেওয়ার কাজে তার প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত রয়েছে।

তিনি বলেন, ২০২৫ থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত নিলামের মাধ্যমে ২৮৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা আয় হয়েছে, যা এত স্বল্প সময়ে নিলাম থেকে রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে একটি রেকর্ড।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম শাখার সহকারী কমিশনার আবু সুফিয়ান বলেন, এনবিআরের নির্দেশনা অনুযায়ী খালাস না হওয়া পণ্য অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘গত কয়েক বছরে নিলামের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিলাম করা পণ্য বিক্রি থেকে রাজস্ব আয়ও বেড়েছে।’

তিনি আরও জানান, নিলামের উপযোগী নয়-এমন পণ্য সরিয়ে বন্দরের ইয়ার্ড খালি করার প্রচেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে।

ইতালিতে হামলার শিকার অভিনেত্রী বাঁধন, লাইভে যা বললেন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 8 September, 2026, 8:34 am
ইতালিতে হামলার শিকার অভিনেত্রী বাঁধন, লাইভে যা বললেন

ইতালিতে বাংলাদেশের অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মানসিক হেনস্তা করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশ সময় সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক ভিডিওবার্তায় বাঁধন নিজেই এই ঘটনার বিবরণ দেন।

অভিনেত্রী জানান, ইতালির একটি স্থানীয় পার্কে তিনি তার ভাইয়ের পরিবারের সঙ্গে ঘুরতে গিয়েছিলেন। সেখানে একদল ব্যক্তি হুট করে তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা তাকে লক্ষ্য করে কোল্ড ড্রিংকস (কোক) ও ডিম ছুড়ে মারে এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। তা ছাড়া তার হাত থেকে মোবাইল ফোনও কেড়ে নিয়ে ছুড়ে ফেলে দেয়া হয়।

বাঁধনের অভিযোগ, হামলাকারীরা তাকে ‘জুলাইযোদ্ধা’ আখ্যা দিয়ে তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করার চেষ্টা করে। বাঁধন দাবি করেন, আক্রমণকারীরা তাকে জোরপূর্বক ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিতে বাধ্য করে এবং পুরো ঘটনাটির ভিডিও ধারণ করে। পুরো সময় জুড়ে তার সঙ্গে অত্যন্ত গালমন্দ ও অসংগত আচরণ করা হয়।

ভিডিওবার্তায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বাঁধন বলেন, ‘‘আমার গায়ে হাত তোলা হয়েছে এবং আমার ভাইয়ের স্ত্রীকেও ধাক্কা দেয়া হয়েছে। আপনাদের এ ধরনের অসংলগ্ন ও সহিংস আচরণ থেকে বের হয়ে আসা উচিত। এভাবে উদ্দেশ্য হাসিল বা নিজেদের অবস্থান ফেরানো সম্ভব নয়।’’

ভিডিওটিতে তিনি সজীব ওয়াজেদ জয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘‘সজীব ওয়াজেদ জয় নিজেও বর্তমানে ভেনিসে অবস্থান করছেন। আশা করি আপনারা বিষয়টি তার কাছে পৌঁছে দেবেন।’’

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একদল লোক নিজেদের ছাত্রলীগ কর্মী বলে দাবি করে বাঁধনকে ‘জুলাই জঙ্গি’ বলে গালিগালাজ করছে এবং বারবার তার ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করছে।

উল্লেখ্য, ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ চলচ্চিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করা আজমেরী হক বাঁধন বর্তমানে ঐতিহ্যবাহী ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন।

চট্টগ্রামে পাহাড় কাটার অভিযোগে রাতব্যাপী অভিযান, সরেজমিনে পরিদর্শন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 7 September, 2026, 9:10 pm
চট্টগ্রামে পাহাড় কাটার অভিযোগে রাতব্যাপী অভিযান, সরেজমিনে পরিদর্শন

চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় কাটার অভিযোগ ও পাহাড়ের ঢালে নির্মাণকাজের বিষয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গতকাল ৬ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, পরিবেশকর্মী শফিক আহমেদ এবং পুলিশ ফোর্সের সমন্বয়ে এ পরিদর্শন পরিচালনা করা হয়।

পরিদর্শনকালে বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন ‘রুপসী’ নামক পাহাড়, আকবর শাহ থানাধীন উত্তর পাহাড়তলী মৌজার দাগ নং ১৭৭, ১৭৮, ১৮৯ ও ১৮০-এ বিদ্যমান পাহাড় এবং উত্তর পাহাড়তলী মৌজার হারবাতলী মা আমেনা মসজিদ সংলগ্ন পাহাড় সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়।

পরিদর্শনকালে উত্তর পাহাড়তলী মৌজার দাগ নং ১৭৭, ১৭৮, ১৮৯ ও ১৮০-এ বিদ্যমান পাহাড়ের ঢালে কিছু দেওয়াল সদ্য নির্মিত অবস্থায় পাওয়া যায়। পাহাড়ের ঢালে এ ধরনের দেওয়াল নির্মাণের বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট ভূমি মালিককে ৭ সেপ্টেম্বর সকালে নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। তবে রাতের সরেজমিন পরিদর্শনকালে সেখানে কোনো ব্যক্তিকে পাহাড় কাটার কাজে নিয়োজিত অবস্থায় পাওয়া যায়নি।

এছাড়া আকবর শাহ থানাধীন উত্তর পাহাড়তলী মৌজার হারবাতলী মা আমেনা মসজিদ সংলগ্ন পাহাড় পরিদর্শনকালে পাহাড় কাটার কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। পরিদর্শনকালে সেখানে কোনো ব্যক্তিকেও পাহাড় কাটার কাজে নিয়োজিত অবস্থায় পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন ‘রুপসী’ নামক পাহাড় পরিদর্শনকালে কোনো ব্যক্তিকে পাহাড় কাটতে দেখা যায়নি। তবে নির্মাণস্থলের ভূমির শ্রেণি ‘ছনখোলা’ বা ‘নাল’ নাকি পাহাড়—তা যাচাই করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড় ও পরিবেশ সুরক্ষায় নিয়মিতভাবে এ ধরনের সরেজমিন পরিদর্শন ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে। পাহাড় কাটার অভিযোগ বা পরিবেশবিধি লঙ্ঘনের তথ্য পাওয়া গেলে তা যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।