খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লক্ষ্মীপুরে এসিড সন্ত্রাসের শিকার ৩ নারী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২০, ৬:২৯ অপরাহ্ণ
লক্ষ্মীপুরে এসিড সন্ত্রাসের শিকার ৩ নারী

অ আ আবীর আকাশ, লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে নার্সিং ইনস্টিটিউটের এক ছাত্রীসহ ৩ নারী এসিড সন্ত্রাসের শিকার হয়েছেন। তারা লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল, নোয়াখালী ও কুমিল্লা হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

জানা গেছে, রায়পুর উপজেলার ৬নং কেরোয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের পূর্ব কেরোয়া গ্রামের দেওয়ানবাড়ির সোলেমান আহাম্মেদ সেলিমের ঘরে এ্যাসিড সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটে। এতে আনোয়ারা বেগম(৪৫) সুমা আক্তার(২২) ও নার্সিং ইনস্টিটিউটের ডিপ্লোমা নার্সিং ছাত্রী সুফিয়া আক্তার রুনা (১৭)নামের ৩ জন আহত হয়। তাদের আত্মচিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে নিলে অবস্থা গুরুতর দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক নোয়াখালী প্রেরণ করেন। সেখানেও কর্তব্যরত চিকিৎসক অবস্থা বেগতিক দেখে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।

চলতি বছরের ২৫মে এসিড সন্ত্রাসের শিকার হলেও এসিড নিক্ষেপকারী মাহফুজুর রহমান রবিবার গ্রেফতার হয়। গ্রেপ্তারকৃত মাহফুজুর রহমান মাজিদ সোলেমান আহাম্মেদ সেলিমের মেঝো কন্যা সুমার স্বামী।

সুমা আক্তার লক্ষীপুর সরকারি কলেজে পড়াশোনা কালীন সময়ে বিভিন্ন প্রলোভনের ফাঁদে ফেলে মাহফুজুর রহমান মাজীদ সুমাকে বিয়ে করে। পরে যখন জানা গেলে প্রতারক মাজিদের আরো তিনজন স্ত্রী রয়েছে তখন সুমার পরিবার বিয়ে ভেঙে দিতে চাইলে মাহফুজুর রহমান মাজীদ বিভিন্ন ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড চালায়।

প্রথমে বিষ প্রয়োগ করে ১১ টি হাঁস মেরে ফেলে, তার নিকট আত্মীয় দেলোয়ার হোসেন নামের এক বখাটেকে দিয়ে বসতঘরে দুইবার আগুন ধরিয়ে দেয়।এতেও ক্ষান্ত না হয়ে সর্বশেষ কৌশলে প্রতারক নারীলোভী জুসের সাথে ঘুমের ঔষধ মিশিয়ে দিয়ে অচেতন করে শাশুড়ি আনোয়ারা বেগম, শালিকা সুফিয়া আক্তার রুনা ও নিজ স্ত্রী সোমা আক্তারের উপর এসিড নিক্ষেপ করে।

এই নিয়ে সোলেমান আহমেদ সেলিম লক্ষীপুর আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা (নং জিআর ১২১/২০) রুজু করলে মাহফুজুর রহমান মাজিদ গ্রেপ্তার হয়।
মাহফুজুর রহমান মাজিদ গ্রেফতার হওয়ার পর তার সঙ্গীয় দেলোয়ার হোসেন সোলেমান আহমেদ সেলিমকে মামলা তুলে নেয়ার জন্য হুমকি ধামকি দেয়। মামলা তুলে না নিলে প্রাণে হত্যা করে লাশ গুম করে ফেলারও হুমকি দেয় বলে এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন মামলার বাদী সোলেমান আহমেদ সেলিম।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…