খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিএন‌পি দে‌শের মানুষের গণতন্ত্র ও ভোটা‌ধিকার প্র‌তিষ্ঠায় সংগ্রাম কর‌ছে: ডা. শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২০, ১১:২৬ অপরাহ্ণ
বিএন‌পি দে‌শের মানুষের গণতন্ত্র ও ভোটা‌ধিকার প্র‌তিষ্ঠায় সংগ্রাম কর‌ছে: ডা. শাহাদাত

চট্টগাম মহানগর বিএন‌পির সভাপ‌তি ও চ‌সিক নির্বাচ‌নে বিএন‌পি ম‌নোনীত মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত‌ হো‌সেন বলেছেন, বিএন‌পি দে‌শের মানুষের গণতন্ত্র ও ভোটা‌ধিকার প্র‌তিষ্ঠায় সংগ্রাম কর‌ছে। বর্তমান অগণতা‌ন্ত্রিক সরকার এদেশের মানুষের ভোটাধিকার, বেঁচে থাকার অধিকার হরণ করেছে। যে চেতনাকে ভিত্তি করে স্বাধীনতা যুদ্ধ হয়েছিল, সেই গণতান্ত্রিক চেতনাকে বর্তমান দখলদার সরকার হরণ করেছে।

সরকার দে‌শের সকল গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দি‌য়ে নি‌জে‌দের অঙ্গ সংগঠ‌নে প‌রিণত ক‌রেছে। যার ফ‌লে গণতন্ত্র, ভোট‌ধিকার সহ জনগণের সব অধিকার হরণ করেছে। সা‌মনে চ‌সিক নির্বাচ‌নে আমা‌দের ভোটা‌ধিকার প্রতিষ্ঠার সু‌যোগ আস‌ছে। তার জন্য আমা‌দের প্রস্তুতি নি‌তে হ‌বে। ভোট ডাকাতরা বাব বার আপনার ভোটা‌ধিকার কে‌ড়ে নি‌তে না পা‌রে, তার জন্য জনগন‌কে সা‌থে নি‌য়ে কেন্দ্র পাহারা দিতে হ‌বে। বাংলাদে‌শের মানুষ গণতন্ত্র ও ভোটা‌ধিার প্রতিষ্ঠায় রাজপ‌থে রক্ত দি‌য়েছে, নি‌জে‌দের অ‌ধিকার প্রতি‌ষ্ঠিত করে‌ছে।

তি‌নি আজ শুক্রবার(৪ ডিসেম্বর) বিকা‌লে ৩নং পাঁচলাইশ ওয়ার্ড বিএন‌পি আ‌য়ো‌জিত ক‌রোনা সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ ও মত বি‌নিময় সভায় প্রধান অ‌তি‌থির বক্ত‌ব্যে উপ‌রোক্ত বক্তব্য রা‌খেন।

ডা.শাহাদাত‌ হো‌সেন আরো বলেন, দেশের মানুষ ভয়াবহ একটা দুঃসময় অতিক্রম করছে। বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে বন্দী করা হয়েছে। বিএনপির লাখ লাখ নেতাকর্মী মিথ্যা মামলার আসামি। শুধু বিএনপির নয়, বাংলাদেশের মানুষ ভয়াবহ একটা অবস্থার মধ্যে, দুঃসময়ের মধ্যে কাটাচ্ছে। এই ভীতিকর অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বলেছেন, বিএনপি গণতন্ত্র ও নির্বাচনে বিশ্বাসী। চ‌সিক নির্বাচ‌নে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। সরকার সত্যিকারভাবে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য করতে চাইলে সভা-সমাবেশ, মিছিল-মিটিং সমান সু‌যোগ নি‌শ্চিত কর‌তে হ‌বে। কিন্তুু প্রশাসন ও সরকার দলীয় সন্ত্রাসীরা বি‌ভিন্ন জায়গায় বিএন‌পি‌কে সভা সমা‌বে‌শে বাধা দি‌চ্ছে। সরকার ও প্রশাসন চাই‌ছে ৫ জানুয়ারির মতো এক তরফা নির্বাচন কর‌তে। য‌দি চ‌সিক নির্বাচ‌নে ভোটাররা যদি ইচ্ছামতো ভোট দিতে না পারে, প্রার্থীরা যদি ভোট চাইতে না পারে, বিএন‌পি নেতাকর্মীরা আর ঘ‌রে ব‌সে থাক‌বেনা। আমা‌দের পিঠ দেওয়ালে ঠে‌কে গেছে। ভোটা‌ধিকার, গণতন্ত্র ‌ও বেঁ‌চে থাকার অ‌ধিকার প্রতি‌ষ্ঠিত ক‌রতে সকল ভেদা‌বেদ ভুলে আমা‌দের ঐ‌ক্যেবদ্ধ হ‌তে হ‌বে।

বি‌শেষ অ‌তি‌থির বক্ত‌ব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএন‌পির সি‌নিঃ সহ-সভাপ‌তি আবু সু‌ফিয়ান ব‌লে‌ছেন, দে‌শে গণতন্ত্রের মুখোশ পরে এক ব্যক্তির শাসন চলছে। আওয়ামী লীগের সরকার গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। শুধুমাত্র জনগণকে বোকা বানানোর জন্য তারা গণতন্ত্রের মুখোশ পরে আ‌ছে। এই ফ্যা‌সিষ্ট সরকারের জুলুম নির্যাতন হ‌তে মু‌ক্তি পে‌তে হ‌লে আ‌ন্দোল‌নের বিকল্প নেই।

পাঁচলাইশ ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও কাউন্সিলর প্রার্থী হাজী মোঃ ইলিয়াছের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক এস এম আবুল কালাম আবুর পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এস এম সাইফুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক মোঃ শাহ আলম, ইস্কান্দার মির্জা, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, আনোয়ার হোসেন লিপু, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কামরুল ইসলাম, সহ সাধারন সম্পাদক শামসুল আলম, জি এম আইয়ুব খান, সহ দপ্তর সম্পাদক মো ইদ্রিস আলী, বায়েজিদ থানা বিএনপির সাধারন সম্পাদক আবদুল কাদের জসিম।

আরো বক্তব্য রাখেন নগর বিএনপির সদস্য আব্দুর রহিম, নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আবু ইউসুফ, থানা বিএনপি নেতা মাহবুবুল আলম, মফজল কোম্পানি, বকতিয়ার আলম, আবুল বশর, আবসার উদ্দিন , মোহাম্মদ নূরু, মোহাম্মদ ইলিয়াস, ওয়ার্ড বিএনপি নেতা ছৈয়দুল হক, জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ ইসমাইল, আব্দুল হালিম কালু, বেলাল সরদার, যুবদলনেতা মহি উদ্দিন জুয়েল, আনোয়ার হোসেন, ছাত্রদল নেতা এম এ হাসান বাপ্পা, রাশেদ খান টিপু, মহিউদ্দিন রুবেল, স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা নাজিম উদ্দিন হিরু, ফিরোজ মাহমুদ, কাজী মহিউদ্দীন, খোরশেদ আলম প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

Feb2

মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের গণশুনানিতে ভিড় বাড়ছেই মানবিক সহায়তা প্রত্যাশী মানুষের। অসুস্থতা, দারিদ্র্য, কর্মহীনতা ও চরম আর্থিক সংকটে পড়ে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন শেষ আশ্রয়ের খোঁজে। এসব আবেদন ঘেঁটে দেখা গেছে—প্রতিটি কাগজের আড়ালে লুকিয়ে আছে বেঁচে থাকার তীব্র আর্তি।

ক্যানসারে আক্রান্ত লাভলী দাস গুপ্তা ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা চালাতে গিয়ে তার পরিবারের সঞ্চয় শেষ হয়ে গেছে। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে তিনি আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) সারা দেশে মানবিক ডিসি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গেলে জীবন ঝুঁকিতে পড়বে জেনে জেলা প্রশাসক তাকে আর্থিক সহয়তা প্রদান করেন তাৎক্ষণিকভাবে।

৫৫ বছর বয়সী মোহাম্মদ সুমন গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছেন। রোগ নির্ণয়ের জন্য তাকে একাধিক পরীক্ষা করাতে হয়েছে একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। এসব পরীক্ষার খরচ বহন করতে গিয়ে তিনি এখন আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত। জেলার অভিভাবককে তিনি জানান, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার মতো সামর্থ্য তার আর নেই। তাকেও নিরাশ করলেন না মানবিক ডিসি।

একইভাবে ৬৫ বছর বয়সী হাছিনা বেগমও চিকিৎসা ব্যয়ের ভারে ন্যুব্জ। বয়সজনিত অসুস্থতায় ভুগলেও অর্থাভাবে নিয়মিত চিকিৎসা নিতে পারছেন না। জীবনের এই শেষ সময়ে চিকিৎসা সহায়তা না পেলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কার কথা জানান জেলার শীর্ষ কর্মকর্তাকে।

জামিলা বেগম নামের এক নারী জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে হাজির হয়ে ডিসি জাহিদুল ইসলামকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকায় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পরিবারের আয়ের কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস না থাকায় তিনি এখন সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। জেলা প্রশাসকের আর্থিক সহয়তা পেয়ে উচ্ছ্বসিত জামিলা।

অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারানোর কথা জানিয়েছেন মো. মনজুর আলম আরেক নাগরিক। আগে উপার্জন করে পরিবার চালালেও বর্তমানে কাজ করতে না পারায় সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে। চিকিৎসা ব্যয় বহনের পাশাপাশি পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ জোগানোও এখন অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানানো হয় জেলা প্রশাসককে। তার পাশেও দাড়ালেন মানবিক ডিসি।

মো. নুরুল ইসলাম আরেক অসহায় নাগরিক দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা নিতে গিয়ে তিনি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। ধার-দেনা করে চিকিৎসা চালালেও এখন আর কোনো উপায় নেই। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে তিনি জেলা প্রশাসকের জরুরি সহায়তা কামনা করেছিলেন। তাকেও ফিরিয়ে দেননি ডিসি জাহিদুল ইসলাম।

একই নামে আরেক প্রবীণ নাগরিক নিজেকে বয়সের ভারে ন্যুব্জ ও অসহায় উল্লেখ করে চিকিৎসা সহায়তা চেয়েছেন। তিনি জানান, শারীরিক দুর্বলতা ও অসুস্থতার কারণে তিনি সম্পূর্ণ অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। তাকেও নিরাশ করেন নাই ডিসি।

রাঙামাটি জেলার লংগদু উপজেলার বাসিন্দা, বর্তমানে চট্টগ্রামে বসবাসরত মো. সামাদ আলী জেলা প্রশাসককে বলেন, দারিদ্র্য ও অসুস্থতার কারণে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ অসহায় উল্লেখ করে ডিসির সহযোগিতা কামনা করেছিলেন। তাকেও নগদ অর্থ সাহায্য করলেন জেলা প্রশাসক।

গণশুনানিতে জমা পড়া আবেদনগুলোর সার্বিক চিত্রে দেখা যায়, অধিকাংশ আবেদনকারী দীর্ঘমেয়াদি বা জটিল রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে অনেকে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। আবার অনেকে অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারিয়ে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে এ ধরনের আবেদন সরাসরি শোনা হচ্ছে এবং তাৎক্ষণিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই প্রক্রিয়া প্রশাসনকে মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে এবং জরুরি সহায়তা প্রদানে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে দিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে আনুষ্ঠানিক বৈঠকের পর তারা একান্তে আলোচনা করেন।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে দুই দেশের আঞ্চলিক ও দ্বীপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে করা এক পোস্টে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেন, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও তার প্রতিনিধিদলকে আজ বিকেলে আতিথেয়তা দিতে পেরে আনন্দিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেছি। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে। আমরা ভবিষ্যতেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে সম্মত।’

গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠন করে বিএনপি। নতুন সরকারের আমলে এটিই বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর।

এ শুভেচ্ছা সফরে গতকাল দিল্লিতে পৌঁছান খলিলুর রহমান। ভারতে পৌঁছানোর প্রথম দিনেই দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর আজ সকালে ভারতের কয়েকজন সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের সঙ্গে প্রাতঃরাশ সভায় যোগদান করেন। বিকেলে ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসবিষয়ক মন্ত্রী হারদীপ সিং পুরির সঙ্গে তার বৈঠকের কথা রয়েছে।

২০২৪-এর জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে ভাটা পড়ে। তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সে সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।

আগামী ১১ ও ১২ তারিখ মরিশাসের পোর্ট লুইসে অনুষ্ঠিতব্য ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলনে যোগ দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এর আগে পারস্পরিক মর্যাদা ও আস্থার ভিত্তিতে দীর্ঘ মেয়াদে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা নিয়ে ভারত সফরে যান তিনি।

বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমিনুল ইসলাম বুলবুলের কমিটি ভেঙে মঙ্গলবার তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি। এই কমিটি এখন গোটা বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকদের আলোচনার বিষয়। এই আলোচনা আজ জায়গা করে নিয়েছে জাতীয় সংসদের অধিবেশনেও।

সেখানেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) তামিম ইকবালের নেতৃত্বে আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। তিনি একজন খেলোয়াড়। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

মূলত, আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবেই এসব কথা বলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘ক্রিকেট বোর্ডসহ সারাদেশের ক্লাবগুলোতে প্রভাব বিস্তার করে অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার ইনকোয়ারি করেছে, তদন্তের পর বোর্ড ভেঙে দেয়া হয়েছে। পরে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বিসিবির আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

এর আগে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘বিসিবি এখন আর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নাই, এটা এখন বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে পরিণত হয়ে গেছে।’