খুঁজুন
, ,

পৌরসভা নির্বাচনের ফলাফল: আওয়ামী লীগ ১৮, বিএনপি ২, স্বতন্ত্র ৩

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 29 December, 2020, 11:16 am
পৌরসভা নির্বাচনের ফলাফল: আওয়ামী লীগ ১৮, বিএনপি ২, স্বতন্ত্র ৩

প্রথম ধাপে ২৩ পৌরসভায় বেসরকারি ফলাফলে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। ২৩ পৌরসভার মধ্যে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের ১৮ জন নির্বাচিত হয়েছেন। বিএনপির বিজয়ী হয়েছেন মাত্র দু’জন। এ ছাড়া স্বতন্ত্র দু’জন এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী একজন প্রার্থী মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন।

এ নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে জাতীয় পার্টি ও বিএনপির।

সোমবার ২৪ পৌরসভায় ভোট গ্রহণ হলেও বিকালে খুলনার চালনা পৌরসভায় বিএনপির মেয়র প্রার্থীর মৃত্যুতে ওই পৌরসভার ফলাফল স্থগিত রাখা হয়।

২৩ পৌরসভায় বেসরকারি ফলাফলে মেয়রপদে জয়লাভ করেছেন : ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা একরামুল হক ৯ হাজার ২৫৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

সিরাজগঞ্জ শাহজাদপুর পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মনির আক্তার খান তরু লোদি বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ২৯০৮৭ ভোট ।

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী ফরিদ আহমেদ অলি ৪ হাজার ৪১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী পৌরসভা নির্বাচনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী শিল্পপতি মাহমুদ আলম লিটন (নারিকেল গাছ)। তিনি পেয়েছেন ৭ হাজার ৭৫০ ভোট।

পাবনার চাটমোহর পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন সাখো বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৬ হাজার ৮১২ ভোট।

রংপুরের বদরগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী নৌকা মার্কায় আহসানুল হক চৌধুরী টুটুল বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৯ হাজার ৭৩৮ ভোট।

চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম মালিক মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ভোট পেয়েছেন ২২ হাজার ৩৩৯।

পঞ্চগড় পৌরসভায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী জাকিয়া খাতুন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি এ পৌরসভায় প্রথম নারী মেয়র। তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১২ হাজার ৫৬ ভোট।

বরিশালের বাকেরগঞ্জ পৌরসভায় মেয়র পদে বিজয়ী হেেছন আওয়ামী লীগের প্রার্থী লোকমান হোসেন ডাকুয়া। তিনি পেয়েছেন ৭ হাজার ৪১ ভোট।

উজিরপুর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন বেপারী। ৫ হাজার ৭০৫ ভোট পেয়ে টানা দ্বিতীয় মেয়াদে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পৌরসভার নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আনোয়ার হাওলাদার বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ৩ হাজার ৩৩৩।

রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভায় আওয়ামী লীগের আব্বাস আলী এবং পুঠিয়ায় বিএনপির আল মামুন খান মেয়র পদে বিজয়ী হয়েছেন। কাটাখালীতে মেয়র পদে নৌকা প্রতীকে আব্বাস আলী পেয়েছেন ১৬ হাজার ১৬৫ ভোট। পুঠিয়ায় ধানের শীষ প্রতীকে আল মামুন খান পেয়েছেন ৫ হাজার ৯২০ ভোট।

কুষ্টিয়ার খোকসা পৌরসভার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তারিকুল ইসলাম বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। এ পৌরসভার নয়টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে সবকটি কেন্দ্রের ভোট গণনা শেষে তারিকুল ইসলাম নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ভোট ৯ হাজার ৩৭২ ভোট।

কুড়িগ্রাম পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. কাজিউল ইসলাম নৌকা প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ১৯ হাজার ৭৭৩।

মানিকগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. রমজান আলী জয়লাভ করেছেন। তিনি পেয়েছেন ৩১ হাজার ৫৮৫ ভোট।

বরগুনার বেতাগীতে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী এ বি এম গোলাম কবির। বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী তিনি পেয়েছেন ৬ হাজার ১০২ ভোট।

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। নৌকা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৫ হাজার ৯৮৮ ভোট।

ঢাকার ধামরাই পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান মেয়র গোলাম কবির (নৌকা) ২৩ হাজার ১১০ ভোট পেয়ে পুনরায় বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন।

চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড পৌরসভায় মেয়র নির্বাচনে বর্তমান মেয়র ও আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা বদিউল আলম আবারও মেয়র হিসেবে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ১০ হাজার ৭৯০ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন।

সুনামগঞ্জের দিরাই পৌরসভায় ৫ হাজার ৯১০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী বিশ্বজিৎ রায়।

নেত্রকোনার মদন পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মো. সাইফুল ইসলাম সাইফকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি ভোট পেয়েছেন ৩ হাজার ১৪১।

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে বিপুল ভোটের ব্যবধানে নৌকার প্রার্থী এস এম ইকবাল হোসেন সুমন জয়ী হয়েছেন। সুমন পেয়েছেন ১২ হাজার ৪১১ ভোট।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।