খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রায়পুরে বাকপ্রতিবন্ধী দুই সন্তানের জননী ধর্ষিত, মাতাব্বরদের দফারফার চেষ্টা!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২ জানুয়ারি, ২০২১, ২:৩৩ অপরাহ্ণ
রায়পুরে বাকপ্রতিবন্ধী দুই সন্তানের জননী ধর্ষিত, মাতাব্বরদের দফারফার চেষ্টা!

লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে বাকপ্রতিবন্ধী দুই সন্তানের জননী ধর্ষিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাটি উপজেলার ৮ নং চরবংশী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডে ঘটেছে।

বাকপ্রতিবন্ধী নির্যাতিত ওই গৃহবধূর মা ও কৃষক কাশেম হাওলাদারের স্ত্রী ছকিনা বেগম জানান-‘সন্ধ্যার পরেই টিভি দেখে ভিকটিম আগুন পোহাতে ঘরের বাহিরে এলে একই এলাকার ব্যাপার বাড়ির কাসেম ব্যাপারীর ছেলে তিন সন্তানের জনক রহিম আলী কৌশলে মেয়েটিকে অদূরে নির্জন পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে।

জানা গেছে, রহিম আলী এর পূর্বেও বিভিন্ন সময় মেয়েদের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয়া সহ বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দিয়েছিল।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন রহিম একটা খারাপ, দুশ্চরিত্রা, নারীলোভী। সে কখন কি করে কেউ বলতে পারবে না।

ভিকটিমের পরিবারটি অত্যন্ত গরীব অসহায় হওয়ার দরুন স্থানীয় মাতবররা একে পুঁজি করে ধর্ষকদের সাথে টাকা নিয়ে দরকষাকষি চালিয়ে যাচ্ছে।

উক্ত ঘটনায় রহিম আলী ও তার স্ত্রী পালিয়ে যাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় চেয়ারম্যান মিন্টু ফরায়েজী বলেন-‘আমি ঘটনাটি শুনেছি। অত্যন্ত দুঃখজনক। তাদেরকে আইনের আশ্রয় নেয়ার পরামর্শ দিয়েছি।’

স্থানীয় হাজিমারা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইউসুফ বলেন- ‘আমাকে ঘটনাটা সম্পর্কে জানিয়েছেন একজন মহিলা মেম্বার প্রার্থী। সে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করার চেষ্টা করছে। স্থানীয় পর্যায়ে মীমাংসা হলে তো ভালই হয়। আইন-আদালত করে উভয় পক্ষের হয়রানি।’

ধর্ষণের বিচার স্থানীয়ভাবে মীমাংসা হয় কিনা জানতে চাইলে তিনি ফোন কেটে দেন।

এসপি রায়পুর সার্কেল স্পীনা রানী প্রামানিক বলেন- ‘ভিকটিমকে তার গার্ডিয়ান নিয়ে রায়পুর থানায় ওসির সাথে দেখা করতে বলেন। মামলা করতে বলেন। আমি ছুটিতে আছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…