খুঁজুন
, ,

জাতীয় পার্টি নেতা আনোয়ারকে উদ্ধারে ২৪ ঘন্টার পর এবার ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 10 January, 2021, 1:49 pm
জাতীয় পার্টি নেতা আনোয়ারকে উদ্ধারে ২৪ ঘন্টার পর এবার ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম

লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলা জাতীয় পার্টির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও উপজেলা জাতীয় যুব সংহতির সিনিয়র সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন নিখোঁজের দীর্ঘ ১২দিনেও কোন ক্লু পায়নি পুলিশ। তাঁকে অতিদ্রুত জীবিত উদ্ধারের দাবীতে সাংবাদিক সম্মেলন করে ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম ঘোষণার পর এবার মানববন্ধন করে ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম ঘোষণা দিয়েছে লোহাগাড়া উপজেলা জাতীয় পার্টির নেতারা।

৯ জানুয়ারী (শনিবার) দুপুর ১২টার দিকে লোহাগাড়া সদরের বটতলী মোটরস্টেশনস্থ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন উপজেলা জাতীয় পার্টি।

লোহাগাড়া উপজেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক আলহাজ্ব মোহাম্মদ ছালেমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়ালী উল্লাহ চৌধুরী মাসুদ, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা কৃষক পার্টির সভাপতি ও জেলা জাপা’র সিনিয়র সদস্য মোহাম্মদ বাদশা, লোহাগাড়া উপজেলা ব্রীকফিল্ড মালিক সমিতির উপদেষ্টা শাহাব উদ্দিন চৌধুরী, উপজেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব মো: সেলিম উদ্দিন সওদাগর, যুগ্ম আহবায়ক মো: বাদশা, ডা: মোহাম্মদ আসিফ, মোঃ আব্বাস উদ্দিন, নিখোঁজ আনোয়ারের ছোট ভাই খোরশেদ আলম শিমুল ও সাইফুল ইসলাম প্রমূখ।

মানববন্ধনে বক্তারা তথ্য-প্রযুক্তির এ যুগে আনোয়ার নিখোঁজের দীর্ঘ ১২ দিনেও পুলিশ কোন ধরনের ক্লু না পাওয়ায় চরম হতাশা ও দুঃখ প্রকাশ করেন।

এছাড়াও বক্তারা বলেন, কয়েকদিন আগে আমরা আনোয়ারকে জীবিত উদ্ধারের দাবী জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ২৪ ঘন্টার মধ্যে উদ্ধার করতে না পারলে মানববন্ধনসহ কঠোর কর্মসূচী পালন করার আল্টিমেটাম ঘোষণা দিয়েছিলাম। তারই ধারাবাহিকতায় পার্টির নেতাকর্মী ও ব্যবসায়ীদের নিয়ে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করছি। আনোয়ারকে উদ্ধার করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছে উল্লেখ করে তারা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে আনোয়ারকে উদ্ধার করতে না পারলে সড়ক অবরোধ করে দক্ষিণ চট্টগ্রাম অচল করে দেয়ার হুঁশিয়ারি দেন। এছাড়াও মানববন্ধনে নিখোঁজ আনোয়ারের ছোট ভাই খোরশেদ আলম শিমুল তাঁর ভাইকে অতিদ্রুত উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরে দিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাাসন ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। মানববন্ধনে জাতীয় পার্টি, জাতীয় যুব সংহতি ও জাতীয় ছাত্র সমাজের নেতৃবৃন্দসহ দু’শতাধিক ব্যবসায়ী উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে লোহাগাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: জাকির হোসাইন মাহমুদ বলেন, জাতীয় পার্টির নেতা আনোয়ার নিখোঁজের ঘটনার এখনো কোন ক্লু পাওয়া যায়নি। তবে তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করতে পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ৩০ ডিসেম্বর বুধবার রাত ৮ টা থেকে ব্যবসায়ী ও জাতীয় পার্টির নেতা আনোয়ার হোসেন নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় হত ৩১ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে নিখোঁজ আনোয়ারের ছোট ভাই মো: সেলিম লোহাগাড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নম্বর-১৪৪০) করেন। নিখোঁজ ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন উপজেলার লোহাগাড়া সদর ইউনিয়নের মৃত আহমদ মিয়া সওদাগরের পুত্র ও লোহাগাড়া উপজেলা জাতীয় যুব সংহতির সিনিয়র সহ-সভাপতি। তিনি গত ২০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত লোহাগাড়া সদর ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জাতীয় পার্টির মনোনীত লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন।

২৪ ঘণ্টা/এ. কে. আজাদ

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।