খুঁজুন
, ,

চট্টগ্রামকে নান্দনিক স্বপ্নপুরী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করব: রেজাউল করিম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 14 January, 2021, 10:04 pm
চট্টগ্রামকে নান্দনিক স্বপ্নপুরী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করব: রেজাউল করিম

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে উপলক্ষে দলীয় প্রচারনার ৭মদিনে নগরীর ২৫নং রামপুর, ১১নং দক্ষিন কাট্টলী ও ২৬নং উত্তর হালিশহর ওয়ার্ডে গণসংযোগ করেছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মো. রেজাউল করিম চৌধুরী।

গণসংযোগকালে উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক ও ২৬নং উত্তর হালিশহর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মোহাম্মদ হোসেন, উত্তর জেলা আওয়ামীলীগ নেতা এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী লোটন, নির্বাহী সদস্য সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার, থানা আওয়ামীগের আলহাজ ফয়েজ আহম্মদ, মো. আবু তাহের, মহাগনর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকা, থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক রেজাউল করিম কায়সার, ১১নং দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও কাউন্সিলর প্রার্থী মো. ইসমাইল, সাধারণ সম্পাদক আসলাম হোসেন সওদাগর, ২৫নং রামপুর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, যুগ্ম আহ্বায়ক ও কাউন্সিলর প্রার্থী আব্দুস সবুর লিটন, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব ছাবের আহমদ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নাজিমুল ইস মজমুদার, মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক ও ১১, ২৫ ও ২৬নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী হুরে আরা বেগমসহ থানা ও ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবলী, ছাত্রলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উন্নয়নের নেত্রী শেখ হাসিনার মনোনীত প্রার্থীকে নৌকায় ভোট দিয়ে চট্টগ্রামে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির ধারাকে আরো গতিশীল করার জন্য ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান।

গণসংযোগকালে বিভিন্ন পথ সভায় সমম্বিত প্রয়াসে চট্টগ্রাম নগরবাসীর সকল প্রকার দুর্ভোগ দুর করে চট্টগ্রামকে নান্দনিক স্বপ্নপুরী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রামের মানুষের দাবী আমার দাবী। চট্টগ্রামের মানুষের সমস্যা, আমার সমস্যা। উন্নত চট্টগ্রামের দাবী, আমারও দাবী।

সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরে তিনি আরো বলেন, নৌকায় ভোট দিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ দেওয়ায়, বাংলাদেশকে তিনি উন্নয়নের সকল সূচকে ব্যাপক অগ্রগতিতে বিশ্ব দরবারে উচ্চতর মর্যাদার আসনে নিয়ে যেতে পেরেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুরদর্শীতা বিশ্ববাসীকে অবাক করে দিয়েছে।

একটি দারিদ্র পীড়িত দেশকে তিনি মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত করে যেভাবে উন্নত রাষ্ট্রের দিকে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তাতে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ তাঁর প্রসংশায় পঞ্চমুখ। পাহাড়, সমতল, সাগর, নদী ও প্রাকৃতিক বন্দর চট্টগ্রাম নিয়ে সম্ভাবনার শতভাগ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে অর্থনৈতিক হাব হিসেবে গড়ার পরিকল্পনা নিয়ে পরিকল্পনা সাজিয়েছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা।

আওয়ামী লীগ জনগণের কল্যানের রাজনীতি করে উল্লেখ করে রেজাউল করিম বলেন, আমি আওয়ামীলীগের রাজনীতি করি। চট্টগ্রামের নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে আমি জনগণকে নিয়ে আন্দোলন সংগ্রামে মূখর ছিলাম। জলাবদ্ধতা, দখল, দুষণ রোধ এবং নিরবিচ্ছিন্ন গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি নিশ্চিত করার দাবী নিয়ে সোচ্চার ছিলাম, এখনো আছি। দেশের স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করেছি। পরিবেশ সংরক্ষনের জন্য আন্দোলন করেছি। শিক্ষার সুযোগ ও উন্নয়নের দাবীতে সোচ্চার থেকেছি।

খেলাধূলা, সংস্কৃতির বিকাশ ও স্বাস্থ্য সেবার মান ও পরিধি বৃদ্ধি নিয়ে দাবীর কথা বলি। করোনা কারণে কর্মহীন মানুষের ঘরে ঘরে যথাসাধ্য সহায়তা পাঠাতে সচেষ্ট ছিলাম। ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দিতে নিরলস কাজ করেছি। মুক্তি করোনা আইসোলন সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেছি। আইসোলেশন সেন্টারের সাথে সাধারন রোগীদের জন্য আউটডোর চিকিৎসা ও পরামর্শ সেন্টার করেছি। চট্টগ্রামের ব্যাপক পরিকল্পনার সাথে সমম্বয় রেখে চট্টগ্রামের মানুষের জীবন মানের উন্নয়ন ও উন্নত নাগরিক সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করতে তিনি আমাকে নৌকা প্রতীক দিয়ে মেয়র প্রার্থী হিসেবে আপনাদের কাছে পাঠিয়েছেন। চট্টগ্রামের সন্তান হিসেবে, চট্টগ্রামের মানুষের সুখ দুখের সাথী হিসেবে আমি ২৭ তারিখের মেয়র নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে আপনাদের ভোট চাই।

যাতে আমার ও আমার চট্টগ্রামের মানুষের দাবীগুলো বাস্তবায়ন করতে পারি। আপনাদের চুড়ান্ত রায় যদি আমার নেত্রীর মনোয়নের সাথে মিলে এবং নৌকায় ভোট দিয়ে আমাকে মেয়র নির্বাচিত করেন, আমি সমম্বিত পরিকল্পনায় সেবার মান উন্নয়নে সকলকে সাথে নিয়ে কাজ করব, নাগরিক দাবীসমূহ পূরণ করব।
এছাড়াও আজ দুপুরে নগরীর ২৪ নং আগ্রাবাদ ওয়ার্ডস্থ মনছুরাবাদ ও মোল্লাপাড়া এলাকার জনসাধারনের সাথে মত বিনিময় ও আওয়ামী লীগ দলীয় নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধন করেন।

সৈয়দ মো. জাকারিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম, সৈয়দ মাহমুদুল হক, সিরাজুল ইসলাম, আবদুস সামাদ, জাহাঙ্গীর আলম, আবদুর রহমান মিয়া, আবদুল বারেক, এম এ হান্নান কাজল, নাজমুল হক ডিউক, ওসমান গণি আলমগীর, রবিউল হাসান সুমন, কাজী মাহমুদুল হাসান রনি, আরিফুল ইসলাম, আবদুল্লা জুবায়ের হিমু, বেলাল সাত্তার, সাইফুদ্দিন প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।

Feb2
Feb2

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 9:45 pm
জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নের এক বিশেষ সভা অদ্য বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় চট্টগ্রামস্থ একটি রেস্টুরেন্ট’র হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস এর সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব তানভীর মল্লিকের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেকেএ এর নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ সেলিম।

সভায় জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নাল কমিটি গঠনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জাতীয় কমিটির প্রস্তাবনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রামের বিশেষ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ শাহেদ-কে চট্টগ্রাম রিজিয়নের নতুন চেয়ারম্যান পদে মনোনীত করা হয়।

বরণ অনুষ্ঠানে জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ-কে জেকেএ-এর টাই পরিয়ে দেন এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস ব্যাজ পরিয়ে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল, পিআরইউর সদস্য সচিব ইমরান এমি, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, সেলিম উদ্দিন রাসেল, জাফর আহমেদ খোকন, জিল্লুর রহমান জুয়েল, আতিকুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, রাশেদুল কলিম, শাবাব ইয়াজদানী, মঞ্জুর আলম মঞ্জুসহ কারাতের খেলোয়াড় বৃন্দ।

সভায় নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন কমিটি ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দেন।

জঙ্গল সলিমপুরে সারদার আদলে হচ্ছে পুলিশ একাডেমি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 7:47 pm
জঙ্গল সলিমপুরে সারদার আদলে হচ্ছে পুলিশ একাডেমি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে রাজশাহীর সারদার আদলে প্রায় ৩০০ একর জায়গাজুড়ে একটি পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে ৭২ একর জায়গায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির দ্বিতীয় সভা’ এবং ‘চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত সভা’ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা জানান মন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের সরকারি খাসজমি উদ্ধার করে এলাকাটিকে সন্ত্রাসমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে রাজশাহীর সারদার আদলে প্রায় ৩০০ একর জায়গায় পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে। পাশাপাশি ৭২ একর জায়গায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তর করা হবে।

তিনি বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের অবৈধ অধিবাসীদের পুনর্বাসন এবং সরকারি জমিতে নিয়মতান্ত্রিক সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকায়, বিশেষ করে রঙ্গিখালী ও নোয়াখালীপাড়ায় পাহাড়কেন্দ্রিক অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনা রোধে রামুর ১০ ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের নেতৃত্বে দুটি সেনাবাহিনী ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ক্যাম্পের বাইরের ক্ষতিগ্রস্ত কাঁটাতারের বেড়া পুনর্নির্মাণ, সোলার লাইট স্থাপন, সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো এবং ওয়াচ টাওয়ার ও কন্ট্রোল টাওয়ার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ক্যাম্পের অভ্যন্তরে অপরাধ দমনে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, মাদক কারবার, অনলাইন জুয়া, মানবপাচার ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা বন্ধে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) নেতৃত্বে সমন্বিত যৌথ অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

তিনি জানান, এপিবিএনে কর্মরত প্রায় ৪০০ উপপরিদর্শক (এসআই) পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে মামলার তদন্তভার দেওয়ার আইনি এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে। এতে অপরাধ দমন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তবে জরুরি পরিস্থিতিতে সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেলের নেতৃত্বে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুযায়ী নিরাপত্তা জোরদারের বিধান বহাল রয়েছে বলেও জানান তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক মহলের সহযোগিতা এবং জাতিসংঘের সমন্বিত উদ্যোগে দ্রুততম সময়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব বলে সরকার বিশ্বাস করে।

ইভিনিং মার্কেটের মাধ্যমে হকার সমস্যার সমাধান করা হবে: মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 7:40 pm
ইভিনিং মার্কেটের মাধ্যমে হকার সমস্যার সমাধান করা হবে: মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীর নিউমার্কেট এলাকায় ফুটপাত ও সড়ক দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ও প্রতিবন্ধকতা উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানকালে মেয়র বলেন, নগরীর ফুটপাত ও সড়ক দখল করে হকার ব্যবসা পরিচালনার কারণে সাধারণ নাগরিকদের চলাচলে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করতে ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করা জরুরি। একই সঙ্গে হকারদের জীবিকা ও বাস্তবতাও বিবেচনায় নিতে হবে। এ কারণে শুধু উচ্ছেদ করে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, হকারদের জন্য পরিকল্পিতভাবে ইভিনিং মার্কেট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময় ও নির্ধারিত স্থানে হকাররা যাতে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করা হবে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন হকারদের জীবিকার সুযোগ অব্যাহত থাকবে, অন্যদিকে নগরীর ফুটপাত ও সড়কে নাগরিকদের চলাচলের অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম নগরীকে একটি শৃঙ্খলিত, পরিচ্ছন্ন ও নাগরিকবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে হবে। নগরবাসীর চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এমন কোনো স্থাপনা বা কার্যক্রম অনুমোদন করা হবে না। তবে হকারদের পুনর্বাসন ও বিকল্প ব্যবস্থার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।

অভিযানকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, নগরীর ফুটপাত ও সড়ক কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। এগুলো সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য। অবৈধভাবে ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনা কিংবা সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে জনদুর্ভোগ তৈরি করতে দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামকে একটি পরিচ্ছন্ন, যানজটমুক্ত ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চসিক ধারাবাহিকভাবে উচ্ছেদ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করছে। একদিকে অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা হবে, অন্যদিকে উচ্ছেদ করা জায়গা যাতে পুনরায় দখল না হয়, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি থাকবে।

মেয়র আরও বলেন, নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বাণিজ্যিক এলাকার ফুটপাত পথচারীদের জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে। ব্যবসায়ীদেরও আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনা এবং নির্ধারিত জায়গা ব্যবহারের আহ্বান জানান তিনি।

নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, ফুটপাত ও জনসাধারণের চলাচলের স্থান দখলমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করা হবে বলে জানান মেয়র।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমানসহ ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ।