খুঁজুন
, ,

ফিরিঙ্গীবাজার ওয়ার্ডে সুষ্ঠু ভোটের দাবি হাসান মুরাদের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 25 January, 2021, 6:08 pm
ফিরিঙ্গীবাজার ওয়ার্ডে সুষ্ঠু ভোটের দাবি হাসান মুরাদের

আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ৩৩নং ফিরিঙ্গীবাজার ওয়ার্ডে “মিস্টি কুমড়া” প্রতীকের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হাসান মুরাদ বিপ্লব আজ এক সাংবাদিক সম্মেলনে সুষ্ঠু ভোটের দাবি করেছেন।

তিনি বলেন, আপনাদের সমর্থন ও সহযোগিতায় আমি আজ আপনাদের কাছে সুপরিচিত। এলাকার মানুষের ভালবাসা, আন্তরিকতা ও দোয়ায় আমি বৈশ্বিক করোনা মহামারিতে মানুষের সেবা করতে গিয়ে পরিবারের সদস্যসহ সকলে আক্রান্ত হয়েছিলাম। আল্লাহর অশেষ রহমতে ও আপনাদের সকলের দোয়ায় সুস্থ হয়ে আবার আপনাদের মাঝে ফিরে এসেছি। আপনারা জাতির বিবেক আপনাদের সকল এলাকার তথ্য উপাত্ত আছে। আপনাদের মাধ্যমে আজকে ফিরিঙ্গী বাজার তথা চট্টগ্রামের সকলের কাছে আমার যে আরজি তা জানাচ্ছি। দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি।

গত ০৫ বছর আগে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়ে ফিরিঙ্গী বাজারের প্রত্যেকের ঘরে ঘরে আমার পদারণা যা আমার জনগণের মৌলিক অধিকার এবং উন্নয়নের যে অগ্রযাত্রা সাধিত হয়েছে তা মনে হয় স্বাধীনতার পর আর কোন কাউন্সিলরের আমলে হয় নাই। বিগত সময়ে ফিরিঙ্গী বাজারে যে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে তা আর কেউ করতে পারে নাই। আমি দ্ব্যার্থহীন ভাষায় বলতে পারি ফিরিঙ্গী বাজার ওয়ার্ডে যাদের সাথে দলীয় নেতাকর্মী ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কর্মীদের কোন বিন্দুমাত্র সংশ্লিষ্টতা বা ঘনিষ্টতা নেই তারাই আজ এ.সি রুমে বসে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আমার জনপ্রিয়তাকে তুচ্ছ করার জন্য আমার বিরুদ্ধে একটি গোষ্ঠীকে লেলিয়ে দিয়েছে এবং উঠে পরে লেগেছে।

আমি ফিরিঙ্গী বাজার ওয়ার্ডে অবাধ নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠ নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচনের আগে এবং পরে সামান্যে পরিমাণ কোন অনাকাঙ্খিত কোন পরিস্থিতির উদ্ভব হোক তা আমি চাই না। জনগণের প্রতি আমার আস্থা ও বিশ্বাস আছে। জনগণ নির্ভয়ে নিঃসংকোচে ভোট দিতে পারে সেটা আমি সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। এই ভোট নিয়ে নোংরা রাজনীতি আমি বিশ্বাস করি না। একজন কাউন্সিলর প্রার্থীর বাসায় গত রাতের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। সিসি টিভির ফুটেজ সংগ্রহ করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূল আইনানুগ ব্যবস্থা ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করার জন্য প্রশাসনের প্রতি আকুল আবেদন জানাচ্ছি। যাতে কোন নিরীহ মানুষকে এ ঘটনায় উদ্দেশ্যে প্রণোদিতভাবে হয়রানি না করে সে বিষয়ে প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

২৭ জানুয়ারি তারা ফিরিঙ্গীবাজার জে.এম.সেন স্কুল এন্ড কলেজ এবং আলকরণ সুলতান আহমেদ দেওয়ান সিটি কর্পোরেশন বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট কেন্দ্র দখলের পায়তারা করছে। আমি নির্বাচন কমিশনার, পুলিশ কমিশনার ও প্রশাসনের সকলস্তরের কর্মকর্তাদের জানাতে চাই ভোটকেন্দ্রগুলোতে আপনাদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় সুষ্ঠু পরিবেশের ব্যবস্থা করতে হবে। গোপন কক্ষে কোন কাউন্সিলর প্রার্থীর লোকবল যাতে প্রবেশ করতে না পারে সে বিষয় দৃষ্টি রাখার জন্য প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি।

আমি জানি মাননীয় পুলিশ কমিশনার মহোদয় একজন সৎ এবং ধার্মিক লোক হিসাবে পরিচিত। আমি আল্লাহকে সাক্ষী রেখে পুলিশ কমিশনার মহোদয় এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কাছে সাহায্য ও সহযোগিতা কামনা করছি এবং আপনাদের মাধ্যমে রিটানিং অফিসারের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি ৩৩নং ফিরিঙ্গী বাজার ওয়ার্ডে যেন একজন ম্যাজিষ্ট্রেটকে দিয়ে সার্বক্ষনিক নির্বাচন কার্যক্রম মনিটরিং করার দায়িত্ব দেওয়া হয়।

আমাকে নিয়ে যে অপরাজনীতির খেলা চলছে সেটা থেকে আমি ও আমার নেতাকর্মী এবং সাধারণ জনগণ যাতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ফিরিঙ্গী বাজারে বসবাস করিতে পারে। সে ব্যাপারে আপনাদের মাধ্যমে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফিরিঙ্গীবাজার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য সেকান্দর হোসেন, সদস্য মনজুর ইসলাম, আওয়ামী লীগ নেতা কেনু মিয়া, আমির আহমেদূ, মোঃ সেলিম, আব্দুর রহমান, মহানগর যুবলীগের সদস্য খোরশেদ আলম রহমান, সাবেক ছাত্রনেতা তাজউদ্দীন রিজভী, সাইফুদ্দিন আহমেদ, যুবনেতা জাহাঙ্গীর আলম, হুমায়ন মোর্শেদ সিদ্দিকী শাকিল, মহানগর সেচ্ছাসেবকলীগ নেতা এনামুল হক, আব্দুল মতিন, নারী নেত্রী মনোয়ারা বেগম, সেনোয়ারা, সারফিন কবির, ওয়াহিদা সুলতানা, সাইমা সিদ্দিকী, শিল্পী দে, জয়া দাশ, মহানগর ছাত্রলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অসিউর রহমান, সদস্য সাফফাত বিন আমিন, অনিন্দ্য দেব প্রমুখ।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।